পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গল্প:- এম এল এ /লেখক :- প্রবাল মুখোপাধ্যায়

ছবি
গল্প:- এম এল এ লেখক :- প্রবাল মুখোপাধ্যায় পটকা ফাটিয়ে, আবীরে মাখামাখি হয়ে, জনতার কাঁধে চড়ে তিনি বাড়ি ফিরলেন। গাড়ি  বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন স্ত্রী আর পাঁচ বছরের বুবাই। ধ্বনি উঠলো : জিতলো কে / অতীন কর আবার কে। আপনার আমার মনের মানুষ, প্রাণের মানুষ, কাছের মানুষ অতীনদা / জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ।  বাড়ির ভেতর থেকে শঙ্খধ্বনি উঠলো, মেয়েরা উলু দিলো, ষাটোর্দ্ধ মা নীচে নেমে এসে প্রদীপ হাতে নিজে ছেলের কপালে এঁকে দিলেন জয়তিলক। বাবা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু। এম এল এ সাহেব বাড়িতে প্রবেশ করে পিতামহ, প্রপিতামহর ছবিতে মাথা ঠেকালেন। পিতা-মাতার আশীর্বাদ নিলেন। গৃহদেবতার  প্রসাদ গ্রহণ করলেন। স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে একটা বিজয়ীর হাসি হাসলেন। ছেলের গাল টিপে আদর করলেন। তখনই পার্টি অফিস থেকে এলো এক জরুরি কল, তিনি তড়িঘড়ি ওপরে উঠে গেলেন। সেইরাত্রে বাড়িতে বসলো জমজমাট ডিনারের আসর। ঘনিষ্ঠ নিকটাত্মীয়রা সকলেই নিমন্ত্রিত। গিন্নিমা নিজে এসে রান্নায় হাত লাগিয়েছেন। বারোটি পদ প্রস্তুত, তার মধ্যে দুটি এম এল এ সাহেবের খুব পছন্দের - খাসির মাংসের দোপেঁয়াজি আর গাজরের হালু...

কবিতা:- মৃত্যু যেদিন কাছে এসে/কবিতা:- আমি তো তোমার অঙ্গীকারে/কবি:- মনোজ কুমার রায়

ছবি
কবিতা:-  মৃত্যু যেদিন কাছে এসে। কবি:-  মনোজ কুমার রায়। জীবন চলেছে নিয়ম ধারায় মৃত্যুর পদধ্বনি কে শুনিতে চায়? মৃত্যু হঠাৎ হানা দিয়ে  বলে,"তোমার যাওয়ার সময় এসেছে,নাও বিদায়।" মায়ার বাঁধনে আচ্ছন্ন জগৎ কি করে তা করি পরিহার? এই তুচ্ছ জীবনের অসীম আনন্দের পরম প্রাপ্তি, সৃষ্টির অতুলনীয় উপহার। ভুলে যেতে হয় জীবনের চরম সংঘাত ছুটে চলি প্রতিনিয়ত পেতে স্বর্গের দুয়ার। সীমিত তৃপ্তির বাঁধন ছাড়া হয়ে স্বপ্নের- সোপান বেয়ে পাড়ি দিতে চাই বারবার। অফুরান প্রত্যাশায় অবশিষ্ট সবকিছু পড়ে থেকে জড়তার মাঝে। হারানো স্মৃতি মন্থনে  বিলাপের সুর শুনে প্রকৃতির ক্রন্দনে, চিত্তে ব্যাকুলতা সাজে। শুধু উপলব্ধি বেঁচে থাকার পথে আলো জুড়ায় সাথে মুক্তির পথে অশ্রু ঝরায়। নির্মম নিষ্ঠুর উচ্ছাস, চারদিকে দীন উপহাস, লীন হয়ে গেছে মুক্ত ধারায়। মনে বড্ড ভয় হয়, সেটা আর কিছু নয় শুধু ছেড়ে যেতে হয়। সময়ের আবদার নিয়মের আধার বিচলিত মনে, ক্ষণে ক্ষণে শিহরিত মৃত্যুর ভয়। বলছে সবাই আমরাই সব, মৃত্যু বলে আমি নীরব,কেউ পারবে না করতে জয়? জন্মের আধারে মৃত্যু দুয়ারে এপিঠ ওপিঠ হয়ে আবহে ঘুরছে সর্ব...

গল্প:- এই মন তোমাকে চাই/লেখক:- অনাদি মুখার্জি

ছবি
গল্প:-  এই মন তোমাকে চাই লেখক:-  অনাদি মুখার্জি  ডিভোর্সের নোটিশ টা পেয়ে চমকে উঠেছিল মালা ! কেন চায় তার বর অ লোক ডিভোর্স ! কি তার অপরাধ ? মালা ডিভোর্সের নোটিশ পেয়ে তৎক্ষণাৎ অলোকের মোবাইলে ফোন করতে লাগলো ,কিন্তু তার মোবাইল বেজে যাচ্ছে ধরছে না অলোক ! এইসব দেখে মালার দুই চোখ দিয়ে জল নেমে আসে ! সেই মন থেকে মেনে নিতে পারছেনা কিছুতেই অলোকের এইরকম ডিসিশন ! এইটা কি অলোক চাই ? মালার মাথার মধ্যেই একটাই চিন্তা ঘুরপাক খাচছে ! তাদের সংসার তো খুব সুখের চলছিল ,শুধু দুটো বছর অলোক নিজেকে তার কাছ থেকে গুটিয়ে নিয়েছিল তা বলেই কি ডিভোর্স দিতে হবে ! মালার সাথে অলোকের বিবাহিত জীবন পনেরো বছর হতে চললো ,তাদের এক  সন্তান ও আছে এই বয়সে ডিভোর্স নিয়ে কি হবে বলে মালা অলোকের দেওয়া ডিভোর্স নোটিশ টা রেখে দিল আলমারিতে !  একদিন কলেজের যাওয়া পথে ,কে যেন বলে উঠলো এই যে শুনছেন আপনাকে বলছি ! আপনি জানেন না আজ কলেছ ছুটি ! সাথে সাথে মালা তার চুল ঠিক করে মাথা ঘুরিয়ে দেখে তার সামনে এক হ্যান্ডসাম যুবক তাকে এই কথা বলছে ! মালা চিনতে পেরেছে তাদের কলেজের নতুন প্রফেস‍্যার অলোক কুমার মুখার্জি ! দেখা ম...

কবিতা:- নিষ্ঠুর মহামারী/কবি:- বিপ্লব গোস্বামী

ছবি
কবিতা:- নিষ্ঠুর মহামারী কবি:-  বিপ্লব গোস্বামী প্রতি শতবর্ষ পরে         তুমি কেন এসো ফিরে                      হে নিষ্ঠুর মহামারী !! কখনো বা প্লেগ হয়ে         নয় তো কলেরা ভয়ে               নয় স্প‍্যানিশ নাম ধরি !! এসেছে বার বার           করেছে নর সংহার             মৃত‍্যু মিছিল প্রতি বারই !!  কুড়িতে করোনা নামে            প্রতি নগর,শহর,গ্ৰামে              রূপ নিয়েছে অতিমারি !! চারিদিকে হাহাকার               নেই কোন প্রতিকার                    মৃত‍্যু হয়েছে ভারী !! কেবল আতঙ্ক-ত্রাস           হায় ! নিয়তির পরিহাস                  কেবল লাশের সারি !! কারো বোন কারো ভ্রাতা ...

কবিতা:-আজ ছতা শূন্য হলাম"" কবি:- "মুরারি"

ছবি
কবিতা:-আজ ছতা শূন্য হলাম"" কবি:-  "মুরারি" ছাত্র জীবনে তোমার অনেক কবিতা পড়েছি, আর মনে মনে ভেবেছি, তুমি নিশ্চয় অন্য দলের মানুষ অন্য জগতের মানুষ; তোমার কবিতা নিয়ে কত আড্ডা দিয়েছি, ক্ষুদ্র জ্ঞানে তুলেছি কতনা সমালোচনার ঝড়; আজ যেন সবটুকু বিস্ময়------!! একদিন কৃষ্ণগঞ্জের 'সরজিত দা' তোমায় "মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে"এমন সুন্দর বুঝিয়ে দিল, আমি তোমার ফ্যান হয়ে গেলাম----- তোমার কবিতাকে করে নিলাম মিছিলের মুখ; আমি ও আমরা তখন নব্য কমুনিষ্ট, সবাই হৃদয়ের টুকরো টুকরো যন্ত্রণা তোমায় কবিতায় সান্তনা করে, তীর হারা ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দিতে ছেয়েছিলাম; কেউ পাড়ি দিয়েছে কেউ হয়ত পাড়ি দিতে পারেনি, তোমার "বাবরের প্রার্থনা"র মত আজও অনেক হৃদয় এখনো পথ খুঁজে বেড়ায় পথের দিশা পাওয়ার আ‌আয়, কেউবা আবার জীবনের পশরা সাজিয়ে, তোমার "উর্বশীর" মত হাসি দেয়; সে যাই হোক তুমি ছিলে বটবৃক্ষের মত আমাদের মাথার উপর, আজ ছাতা শূন্য হলাম, একটা আদর্শের ছায়া সম্পাত জীবন থেকে সরে গেল; চোখ ফেটে বেরিয়ে এল দুফোটা গরম অশ্রু, আকাশ আমায় বলল ডেকে, বাতাস আমায় বলল দুঃখে, নদী আমায় বলল কেঁদে...

কবিতা:- ধ্বনিত হবে না শঙ্খ কবি:- গৌতম নায়েক

ছবি
  কবিতা:-  ধ্বনিত হবে না শঙ্খ কবি:-  গৌতম নায়েক  মুক্ত কন্ঠে উঠেছিলে বেজে সাহিত্য প্রাঙ্গণে, বাংলা মাকে বসিয়ে গেলে মর্যাদার আসনে। প্রতিবাদী তব তীক্ষ্ণ কলম এঁকেছে সমাজ চিত্র, অক্ষর বন্ধনে আমজনতাকে করেছো তুমি মিত্র। শঙ্খ আর মুখরিত হবে না উঠবে না তাতে ধ্বনি, স্বার্থের দরিয়া পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছেন দেবভূমি। যেতে কি কেউ দিতে চায় তবু যেতে হয় একদিন, যেখানেই থাকো সুখে থেকো, প্রণাম জানাই এ হীন।

কবিতা:- শ্রদ্ধাঞ্জলি কবি:- আসরাফ আলী সেখ

ছবি
  কবিতা:-  শ্রদ্ধাঞ্জলি    কবি:-   আসরাফ আলী সেখ মাটির শঙ্খ বাজিয়ে তুমি মাটির দেহ ছেড়ে পাড়ি দিলে শব্দহীন অচীন পুরে সংযোগ আঁধারে ভরি আলোক কলম খানি বাজিবে নিশ্চয় শব্দের বাণী নিয়ে যা দিয়েছো মুনি  দগদগে রৌদ্রের গন্ধে শুকিয়ে এলো কলমের কালি শেষ ফঁুতে শঙ্খ আজ ভরলো আকাশ বাতাস চুমি সাঁঝের প্রদীপ জ্বাললো তারা নিভলো শঙ্খের ধ্বনি এলো বৈশাখী ঝড় শঙ্খ নিতে হাতে আম্র মুকুল ডালে আজ পেঁচার আহ্বান যে সন্ধ্যা মনির পাশে দেখো তুলসী পাতার  ছায়া যে ঐ দেখো ঐ দেখো  বাজছে শঙ্খ সাঁঝের ঘোরে বধূর হাতে আজানের ধ্বনির পাশে।

গল্প:- আবার ফিরে এসেছি /লেখক:- অনাদি মুখার্জি।

ছবি
গল্প:- আবার ফিরে এসেছি । লেখক:- অনাদি মুখার্জি।  অয়ন অনেক দিন ধরে একটা বাড়ি কেনার সন্ধান করছে , শেষমেশে একটা পুরাতন ফ্ল্যাট বাড়ি পাওয়া গেলো ! কিন্তু এই নতুন বাড়িতে আসার পর থেকে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে লাগলো ,যা কল্পনা করা যায় না ! রাত হলে একটা মেয়ের কান্না আওয়াজ পাওয়া যায় ,একদিন রাতে সবাই মিলে বসে খাওয়া দাওয়া করছে ,তখন বাথরুমের জল পড়ার শব্দ শুনতে পায় ,সেই শব্দ শুনে অয়ন বাদরুমে গিয়ে দেখে কল থেকে জল পড়ছে না ,তবে কোথা থেকে শব্দ এল ? তার পর ছাদে কে যেনো আওয়াজ করে বলছে আমাকে সুখে থাকতে দিলি না সবাই কে শেষ করবো ! অয়ন এইসব শুনে একটু ভয় পেলো ! অয়নের বৌ মালা বললো দেখো কেউ আছে ছাদে  গিয়ে দেখে এসো ! অয়ন তখন ছাদে গিয়ে দেখে কেউ নেই শুধু একটা ঠান্ডা হাওয়া স্রোত বয়ছে  এতে অয়নের সারা শরীরের একটা  কাঁটা দিয়ে উঠলো ! নিচে নামতে আবার সেই কান্নার আওয়াজ এলো ! অয়ন ভাবলো পাশের বাড়ি থেকে এই কান্নার আওয়াজ আসছে ,ঠিক দুইদিন পরে আবার সেই একিই ঘটনা তবে এই বার কান্নার আওয়াজ নয় বরং কে যেনো বাইরের দরজার ধাক্কা দিচ্ছে ,এত রাতে কে এল ??বলে অয়নবাবু একমাত্র ছেলে সমু দরজা টা খুলে দেখে কেউ নেই তা...

গান :- তুুুঝে জিনা হে মেরে বিনা /লিখেছেন:- বন্দনা কুন্ডু।

ছবি
গান :- তুুুঝে জিনা হে মেরে বিনা।  লিখেছেন:- বন্দনা কুন্ডু।  খানিক আগেই কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়েছে এখানে... শহর জুড়ে চৈত্রের মরসুম... রৌদ্রের দাবদাহ নত হয়েছে মেঘলা আকাশের কাছে, যেন জোর করে বিয়ে দেওয়া বিরহী বধূ। হালকা সোঁদা গন্ধ ভেসে আসছে চারিদিক থেকে, বরাবরের মতোই চোখ বুজে মেখে নিচ্ছি তা নিঃশ্বাসে... এ বড়ই প্রিয় মুহূর্ত আমার। চোখের গভীরে কয়েক কোটি দৃশ্যের আনাগোনা... দলা পাকানো নিঃশ্চুপ কান্নার গহ্বরে প্রিয়র মুখ... পদ্মদীঘিতে নোঙর ফেলেছে সে প্রেমিক, শ্যাওলা পুকুরের কলমীলতার কোনো অভিযোগ নেই তাতে... কদিন পরেই নববর্ষ পুরাতনকে চলে যেতেই হয় বাধ্য হয়ে বা স্বেচ্ছায়, কালের নিয়ম..... স্মৃতিরাও ফিকে হয়ে যায় ধীরে ধীরে সময়ের হাত ধরে। তবু...  নতুন ডায়েরির ভাঁজে লেখা জমা করি প্রিয়র উদ্দেশ্যে... যদি কোনোদিন শব্দেরা ডানা পায়, প্রথমেই যেন উড়ে গিয়ে বসে তার মন মন্দিরে... তারপর তাকে বলে দেয়... প্রিয়তমা কোনো ক্ষোভ রাখেনি প্রিয়। স্বেচ্ছায় সে চলে গেছে পুরাতন বছরের মতো। তুমি নতুনের পূজারী। নতুন বছরের শুভেচ্ছায় তোমায় উপহার দিয়ে গেছে তার প্রিয় কটা গানের লাইন... ...

কবিতা :- বীর বিবেকানন্দ /কবি:- সঞ্জয় কুুমার শীল।

ছবি
কবিতা :- বীর বিবেকানন্দ । কবি:- সঞ্জয় কুুমার শীল। হে বীর, "লহ প্রনাম। তোমার আশিষে আজ মোরা ধন্য হলাম। তুমি মানব নও, তুমিতো মহামানব। স্বদেশের জন্য লড়েছ তুমি, তোমার ছোঁয়ায় সাধু হয়েছে কত দানব। তুমি বিবেক ,তুমি স্বামী, তুমি নন্দ,  তুমি ভারত,তুমিই আনন্দ। তোমার ভালোবাসা তোমার ত্যাগ, কভূ ভুলবেনা ভারতবাসী, তুমি করেছো বিশ্বজয়,শিকাগোয় আসি। তুমি চির যুবক, তুমি চির উন্নত শির, তুমি জাতির মেরুদন্ড,তুমিই আসল বীর। তুমি আসমুদ্রহিমাচল নগ্ল পায়ে করেছো বিশ্বজয়, তোমার হুঙ্কারে সেদিন শ্বেতাঙ্গরা পেয়েছিল ভয়।* তুমি যুবকদের গর্ব, তুমি যুবকদের শক্তি, তুমি মানবজাতির পথপ্রদর্শক, তোমার নামেই মুক্তি।

কবিতা:-মহানুভব ।/কবি:- প্রবাল মুখোপাধ্যায়।

কবিতা:- মহানুভব । কবি:- প্রবাল মুখোপাধ্যায়।  এই মানুষটিকে দেখে রাখুন। ঠিক ধরেছেন,  আপনার এলাকার  বিধায়ক। গতবার নির্বাচনের ক'দিন আগে এই মানুষটি বাড়ির দরজায় হাত জোড় করে দাঁড়িয়েছিলেন, মুখে ছিলো মুশকিল আসান হাসি। পাড়ার দাদারা আপনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলো। উনি বলেছিলেন, বেকার ? তেত্রিশেও ? ভালো চাকরি আছে, পার্টি অফিসে আসুন। আপনারই ষোলোআনা দোষ,  আপনি ভুল দিনে চলে গিয়েছিলেন। আপনারই ষোলোআনা দোষ, যা আপনার দেখার নয়, তাই দেখে ফেলেছিলেন। উনি সেদিন কিঞ্চিৎ ব্যস্ত ছিলেন, তাঁর টেবিল ঘিরে বসেছিলো কৃপাপ্রার্থী, সুবিধাবাদী, উমেদার, প্রবঞ্চক কিছু মানুষ। দর কষাকষি চলছিলো নিলামে দর উঠছিলো রফা নিষ্পত্তির শেষে পাঁচশোর বাণ্ডিল এসে জমা পড়ছিলো টেবিলে। তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়েছিলো ভক্তের দল প্রসাদের অপেক্ষায় তাদের চোখ চকচক করে উঠছিলো। আপনাকে দরজা খুলতে দেখে ওদের হাসি উবে গিয়েছিলো,  দর কষাকষি থেমে গিয়েছিলো, কাগজের তলায় চাপা পড়েছিলো  টাকার বাণ্ডিল। নেকড়ের গুহায় ঢুকে পড়েছে একটা আস্ত বেড়ালছানা, আপনার অবস্থাটা ছিলো অনেকটা এইরকম। দশবিশটা রক্তচক্ষু আপনার দিকে একটু...

কবিতা:- বন্ধু বিচ্ছেদ /কবি:- শান্তি দাস।

ছবি
শিরোনাম_বন্ধু বিচ্ছেদ কলমে--শান্তি দাস দুঃখের দিনে বন্ধু তুমি,হৃদয়েতোমার ছবি। প্রতিক্ষণ ভাবি তোমায়,তুলি দিয়ে আঁকি। ভুলে যদি গেলে তুমি,শপথের গাঁথা কথা,  নেই মোর কোন অভিযোগ,হৃদয়ে রেখেছি ব্যথা।  মোর বিরহের ব্যাথাটুকু হৃদয়ে,তোমাকে রাখিব হেথা। আপনাকে রাখিব বিস্তৃত করিয়া,মমত্ব হৃদয় গাঁথা।  ,যত দুঃখ কষ্ট পাই,রাখিব নীরবে  ভাব জগতের মাঝে,  যদি একটুকু ভালোবাসা থাকে বন্ধুত্ব রাখিব সময়ের সাজে।  এই ভালোবাসা যত্নে রাখবো চিরতরে অমর করে। কোন দিন হারিয়ে যাবো না,এ বুকে রাখিব ধরে।

গল্প;- বসন্তের ছোঁয়া /লেখক:- অনাদি মুখার্জি

ছবি
গল্প;-  বসন্তের ছোঁয়া লেখক:-  অনাদি মুখার্জি  আকাশ তখন বি,এড করছে ,তখন তার সাথে প্রফেসর মিলন এক  ম্যাডামের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল ! আকাশের নজর তখন সুন্দরী আধুনিক স্মার্ট ম্যাডামের দিকে ! ম্যাডাম তখন হাসতে হাসতে বললো আপনাকে আমি চিনি আকাশ দা ! রাস্তায় যেতে যেতে আকাশ ও ম্যাডাম গল্প করতে লাগলো , গল্পের মধ্যেই দিয়ে জানতে পারলো  ম্যাডামের নাম পলি তিনি সাহিত্য ও কবিতা লিখতে ভালো বাসে তিনি নিজের একটি সাহিত্য পেজ ও খুলেছেন ! আকাশ বললো ওকে তবে আমাকে ফেসবুকের ফ্রেইন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান ! এইভাবে তাদের পরিচয় হয় ,পলি পেজের সব লেখা গুলো এডিট করে পোস্ট করে দেয় আকাশ  এইভাবে একদিন তাদের পেজের খুব নাম হলো ,সব ভালো ভালো কবিরা যুক্ত হয়ে এতে কবিতা দিতে লাগলো ! আর আকাশ সব কবিতা গুলো এডিট করে দিত এর মাঝে তাদের অনেক গল্প ও হতো ,পেজের লাইক অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল ! কিছু দিন যাবার পর তারা একটা পেজের লোগো দিয়ে বই প্রকাশিত করলো তার ফলে তাদের সুনাম আরো বাড়লো ! একদিন পলি আকাশ কে বললো সত্যিই আকাশ তুমি না থাকলে আমার স্বপ্ন কোনোদিন পূরর্ণ  হতো না তাই বলো তুমি কি খাবে চলো রেষ্টুরেন্...

কবিতা:- অপরাজিত/ কবি:- শান্তি দাস

কবিতা:-  অপরাজিত কবি:-  শান্তি দাস জীবনটাই তো সংগ্রাম ভালোবাসার মাঝে,  জয় পরাজয় ভেবে কি আমাদের ভালোবাসা জাগে।  সুখ দুঃখের মাঝে আমরা খুঁজে পাই জীবন,  তাই নিয়ে বেঁচে আছি ভালোবাসার বন্ধন।  আমরা কত স্বপ্ন দেখি তার মাঝে  চেষ্টা করি আপ্রাণ  স্বপ্ন পুরনের আশার জীবন পথের সংগ্রাম।  বাঁচার জন্য করি সংগ্রাম মনে জাগে অনেক কিছু করার,  মানব জাতির সব আশা নিয়েই তো এই সংসার।  চাওয়া পাওয়া উদ্বেগ মনের দুর্বলতা বেড়ে চলে,  পেয়ে গেলে জয় আর না পেলেই পরাজয়।  জীভন মানেই উত্থান, জীবন মানেই সংগ্রাম, জীবন মানেই পরাজিত,  তাই বলে থামলে হবে না জীবন পথে চলতে হবে।  ভালোবাসার বন্ধনে একে অপরের সাথে থাকবো,  মনে জাগ্রত করতে হবে আমরা জয়ের পথে চলবো।  জীবনে সংগ্রাম করে জয় পরাজয় স্বীকার করবো ,  আমরা অপরাজিত এই মেনেই জীবন গড়বো।

কবিতা:- আর একটু করতে সবুর/ কবি:- কালাকার

কবিতা:-  আর একটু করতে সবুর   কবি:-  কালাকার                   যদি আর একটু করতে সবুর আমি পেয়ে যেতাম চাকরিটা, তোমার বাবাকে জবাব সোজাসাপ্টা! হত না জীবন বেদনা বিধুর! যদি আর একটু করতে সবুর তোমার বাবাই  তোমাকে তুলে  দিত মান অভিমান ভুলে, দুজনার স্বপ্ন সত্যিতে মধুর! যদি আর একটু করতে সবুর     স্বপ্নটা হয়ে যেত সত্যি, মনে পেতে অনাবিল ফুর্তি! খুশির বৃষ্টিতে টাপুর টুপুর! যদি আর একটু করতে সবুর জীবন পেতো সেই ভালোবাসা, যা ছিল তোমার আমার আশা! মেঘ সরে ঝলমল রোদে ভরপুর! যদি আর একটু করতে সবুর জীবন নদী মিলত মোহনায়, আফসোসে  হতো না হায় হায়! জীবন-ছন্দে কাটত সকাল দুপুর! যদি আর একটু করতে সবুর পাল্টে যেত জীবনের জলছবিটা,  আগলে  তোমায় যত ঝড় ঝাপটা! আকাশ-বুকে মেঘ বালিকা  স্বপ্নে-মেদুর! -----------------//------------------

গান /লিখেছেন:- কনিকা রায়

ছবি
গান লিখেছেন:-  কনিকা রায় ঢাক বাজা , কাঁসর বাজা দে উলু দে- এলো যে দুগা মা মোদের ঘরেতে। আরে ঢাক বাজা , কাঁসর বাজা দে উলু দে- এলো যে দুগা মা মোদের ঘরেতে, বড়োই খুশির দিন আজি মোন  আনন্দে নাচে ।-(2) (পঞ্চমীতে দেবী মায়ের বোধন ঘটেছে-  ষষ্ঠীতে দেখো মায়ের ঘট বসেছে)।আরে পঞ্চমীতে --(2) বড়োই খুশির দিন আজি মোন আনন্দে নাচে। আরে(2) বলো দুগা মায়কি---জয়--- আরে বলো দুগা মায়কি----জয়---- (সপ্তমীতে দেখো সবাই সবার নতুন সাজ- নতুন বউ যাবে দেখ বাপের বাড়ি আজ)।আরে সপ্তমীতে---(2) তাই তো আজি নতুন শারির ভাঁজ ভেঙ্গেছে।আরে-(2) বলো দুগা মাইকি---জয়--- আরে বলো দুগা মাইকি--জয়----। আরে বলো দু অষ্টমীতে পুষ্পানঞ্জলি হুল্লোর   হৈ চৈ- ঠাকুর দেখার ডল নেমেছে খাবো মোরা ফুচকা আর দই, যাবি কিনা যাবি ও তুই সত্যি করে বল না আমায় সই।আরে--(2) বলো দুগা মাই কি---জয়--- আরে বলো দুগা মাইকি---জয়---- নবমীতে ধুনুচি নাচে মাতে ছেলে বুড়ো।   আরে---(2) এক বছরের আনন্দ সব পঁচ দিনে কুরোও।আরে (2) বলো দুগা মাইকি---জয়---- আরে দুগা মাইকি---জয়---। দশমীতে সিঁদুর খেলার ঢল নেমেছে- ইয়ো গনের মুখ দেখো সিঁদুরে রেঙ্গেছে,...

গল্প:- একাই একশো /লেখক:-'প্রবাল মুখোপাধ্যায়

ছবি
গল্প:-  একাই একশো লেখক:-' প্রবাল মুখোপাধ্যায় সুবল কাকার দোতলার জানলা থেকে উঁকি মারলো মিনু কাকিমা।জগুয়াদের ছাদ থেকে ঝুঁকে পড়লো দুই দিদি। ডাক্তারবাবুর ন্যাড়া ছাদে ভিড় করে এসে দাঁড়ালো ছেলে, বৌ, মা, একরত্তি নাতি, বাড়ির কাজের মেয়ে। উদয়দের বাড়ি থেকে জায়গাটা একটু দূরে, বারান্দায় দাঁড়িয়ে শরীরটা অনেকখানি ঝুলিয়ে দিলো স্বামী স্ত্রী। থৈ থৈ ভিড়, ব্যাপারটা ঠিক বোঝা গেলো না, ওরা নেমে এলো রাস্তায়। অনুকুলবাবার আশ্রম থেকে প্রাত্যহিক প্রার্থনা সেরে বাড়ি ফিরছিলেন রায় গিন্নি। ভিড় দেখে দাঁড়িয়ে পড়লেন। চোখ কপালে উঠে গেলো, 'ও মা গো ! পা দুটো একেবারে থেঁতলে দিয়েছে গো।' সব ব্যাপারেই একটু মাতব্বরি  দেখানো চাই গোলক জ্যাঠার। উবু হয়ে বসে পড়লেন, নাকের কাছে প্রথমে হাত, পরে কান পাতলেন, 'নাঃ, নিঃশ্বাস পড়ছে। এম্বুলেন্স !' দোকানের ঝাঁপটা ফেলে দিয়ে  ছুটে এলো আখতার।  'এ বাবুরা, সব মজা দেখছেন কি ? মুখটা হাঁ করে আছে, একটু জল দিন না।'  রুণু কাকিমার মেয়ে সৃজা জিনস আর টপ পরে বেরিয়েছিলো কোচিং সেন্টারে। রাস্তা জুড়ে চাপ চাপ রক্ত দেখে ছুট্টে বাড়ি ঢুকে পড়লো, ...

গান:- জানি জানি জানি /লিখেছেন :- আসরাফ আলী সেখ

ছবি
 গান:- জানি জানি জানি লিখেছেন :- আসরাফ আলী সেখ জানি জানি জানি তুমি আসবে  কাটবে কাটবে  এই ঘনঘটা চারিদিকে সরবে সরবে এই কুয়াশা সরবে জানি আমি জানি তুমি ‌আসবে, ফুল ফুটবে  পাঁপড়ি মেলবে সুগন্ধি ছড়াবে তুমি আসবে তুমি আসবে ওরা খেলবে  প্রেম করবে গান গাইবে সুর তুলবে সুরে সুরে, আমি জানি আমি তুমি ‌আসবে বাতাস বয়বে মাঠে মাঠে ফসল ফলবে মাঝি  গাইবে গান গাইবে নদীর বুকে, রামধনু রঙ ছড়াবে  নীলের আঁচলে, সবাই বলবে তোমার কথা বলবে, ইতিহাস ও লেখা হবে তুমি ‌আসবে তুমি আসবে, আমি জানি তুমি আসবে  জানি জানি জানি

কবিতা :- বিশ্বো স্বাস্থ্য দিবস/ কবি:- অনাদি মুখার্জি

কবিতা :-  বিশ্বো স্বাস্থ্য দিবস  কবি:-  অনাদি মুখার্জি  রোগ জমেছে শরীরের মনের অন্তর, ভাইরাস জীবাণু ঢুকেছে রক্তের ভেতর ! তাতে রুগী হারাছে তাদের মনের বল, তখন রুগীর হচছে সেই চিকিৎসকের কাছে  স্বর্নিভর! মারণ রোগের রোগ নিধারিত করা বড়োই দুষ্কর , গলায় স্টেথো ঝুলিয়ে রুগীর রোগ করে নিরাময় !  চিকিৎসকের সাথেও নার্স হচছে নাভিশ্বাস, সব সময় রুগীর সাথে থেকে দিয়ে যাই নিজের জীবন ! এই এপ্রিলে হলো সারা বিশ্বের চিকিৎসক দিবস , তাদেরকে প্রণাম জানানো আমাদের শুভ  লক্ষন !

কবিতা:- অপরাজিত /কবি:- শান্তি দাস

কবিতা:-  অপরাজিত কবি:-  শান্তি দাস জীবনটাই তো সংগ্রাম ভালোবাসার মাঝে,  জয় পরাজয় ভেবে কি আমাদের ভালোবাসা জাগে।  সুখ দুঃখের মাঝে আমরা খুঁজে পাই জীবন,  তাই নিয়ে বেঁচে আছি ভালোবাসার বন্ধন।  আমরা কত স্বপ্ন দেখি তার মাঝে  চেষ্টা করি আপ্রাণ  স্বপ্ন পুরনের আশার জীবন পথের সংগ্রাম।  বাঁচার জন্য করি সংগ্রাম মনে জাগে অনেক কিছু করার,  মানব জাতির সব আশা নিয়েই তো এই সংসার।  চাওয়া পাওয়া উদ্বেগ মনের দুর্বলতা বেড়ে চলে,  পেয়ে গেলে জয় আর না পেলেই পরাজয়।  জীভন মানেই উত্থান, জীবন মানেই সংগ্রাম, জীবন মানেই পরাজিত,  তাই বলে থামলে হবে না জীবন পথে চলতে হবে।  ভালোবাসার বন্ধনে একে অপরের সাথে থাকবো,  মনে জাগ্রত করতে হবে আমরা জয়ের পথে চলবো।  জীবনে সংগ্রাম করে জয় পরাজয় স্বীকার করবো ,  আমরা অপরাজিত এই মেনেই জীবন গড়বো।

কবিতা :- আমার আমি / কবি :- কালাকার

কবিতা :-  আমার আমি   কবি :-  কালাকার আমার যুদ্ধ এখন আমার         নিজের সঙ্গেই আমার ছায়াসঙ্গীর সাথে   আমার আমিত্বের সাথে আমার বিবেক আমাকে প্রতি        মুহূর্তে করে দংশন! আমি কে ?আমি কোথা থেকে এলাম? কেনই এলাম? আমি মৃত্যুর পরে কোথায় যাব?আমার উদ্দেশ্য কি? আমি আমার উদ্দেশ্যে কতটা সফল? প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করি তাই আমার আমিটার সঙ্গে অবিরত! ও উত্তর কোনো দেয়নি তা নয়! তা কখনো অস্পষ্ট! কখনো তা আমার আমিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়! কখনো এড়িয়ে যাওয়ার ভান! সব প্রশ্নের কি কোন নিশ্চিত উত্তর থাকে! এক বিপন্ন বিস্ময় আমাকে গ্রাস করে যখন আমার আমি আমাকে জানতে চায়! আমি কি চাই! আমার চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে দূরত্ব কত? আমি সেই সমস্যা সমাধানে কতটা উদ্যোগী! হঠাৎ শুরু ঝমাঝম বৃষ্টি জানলা দিয়ে অঝোরে বৃষ্টির ছাট দেখলাম আমি চাপা পড়ে আমিত্বের পাহাড়ের স্তুপে!

কবিতা:- সকালে তাকিয়ে /কবি:- আসরাফ আলী সেখ

ছবি
কবিতা:-  সকালে তাকিয়ে কবি:- আসরাফ আলী সেখ আর কতটা হাটলে দেখা পাবো তোমার কটা সূর্য ওঠলে তোমার সকাল হবে আমার সকাল দুপুর  গড়িয়ে বিকালে  সেই কবে থেকে খুঁজছি তন্ন তন্ন করে পলকে পলকে বিলিদিয়ে তবে সাঁঝের বাতি হাতে দাঁড়িয়ে কি তুমি ! কত সোনার সকাল হারালাম তোমার দিকে চেয়ে চেয়ে টগবগে টনটনে দুপুর খসে খসে পড়ল বিকেলের গায়ে  পাখির ডাক আর ঘুম ভাঙায় না  মেঘ হলে আর জল পড়ে না  বসন্ত এসেছে তবে আমার বসন্ত ও ঐ দেখো আতর গোলাপ  জল  কারা যেন চন্দন ফোঁটা বানাই আর সাদা বসন্ত মালা  আমি কিন্তু এখন ও সকালের দিকে তাকিয়ে !!

কবিতা:- কত স্বপ্ন দেখি /কলমে : বনবিহারী কুমার

ছবি
কত স্বপ্ন দেখি  কলমে : বনবিহারী কুমার  কত স্বপ্ন দেখি  তোমাকে নিয়ে ভেবে ভেবে কত স্বপ্ন দেখি , কত সুখ আসে অন্তরে মনে কত গীতিকা লেখি ।।        তোমাকে নিয়ে ভেবে ভেবে ..... কত ইন্দ্রধনুর রঙে রাঙায়ে  রাখি এ হৃদয় অবিরত জাগায়ে  শুধু স্মৃতির পুটুলি খুলে খুলে         আমারি আনন্দ দেখি । তোমাকে নিয়ে ভেবে ভেবে ... কত যোয়ারী প্রণয় ফিরে ফিরে  আঘাত করিছে মোর প্রাণের তীরে , হারানো সে সুরগুলি গুঞ্জন তোলে মন খুলি । কত নির্জন ক্ষণ করে আসা যাওয়া  কত হাসি কান্নায় চাওয়া পাওয়া , সব যেন সেদিনের খেলা  রঙ মাখামাখি  তোমাকে নিয়ে ভেবে ভেবে .….

রবীন্দ্র সংগীত:-একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু কথা শুনি/শিল্পীর নাম:- কুহেলী বিশ্বাস

রবীন্দ্র সংগীত;-  একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু কথা শুনি শিল্পীর নাম:-কুহেলী বিশ্বাস 👇👇 রবীন্দ্র সংগীত/একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু কথা শুনি/শিল্পীর নাম/কুহেলী বিশ্বাস/

গল্পের নাম:- গুরুদক্ষিণা /লেখকের নাম:- প্রবাল মুখোপাধ্যায়

ছবি
পরিচয় পেজটি গল্পের নাম:-  গুরুদক্ষিণা লেখকের নাম:-  প্রবাল মুখোপাধ্যায় গল্পের নাম:-  গুরুদক্ষিণা লেখকের নাম:-  প্রবাল মুখোপাধ্যায় অফিসের পোষাক পরা হয়ে গেছে, শুধু টাইটা বাঁধা বাকি। এই সময়টা দীপালির খুব ব্যস্ততার মধ্যে কাটে।  হাতে হাতে স্বামীকে  সবকিছু এগিয়ে দিতে হয়। জামাটা, তার সঙ্গে ম্যাচ করে টাইটা, দরকারি ফাইল, টিফিন বক্স, মানিব্যাগ, মোবাইলটা ফুল চার্জ আছে কিনা সেটাও দেখে রাখতে হয়। কোনোদিন হয়তো এমন হয়েছে, জামাটা পরার পর দেখা গেলো, গলার কাছে বোতামটা ঝুলছে। দ্রুত হাতে মেরামতির  কাজ চলে। সবশেষে ঠিক সুগন্ধিটা এনে হাতে ধরিয়ে দিলে কাজ শেষ। দীপালি ঠিক বুঝে যায়, আজ বিদেশি না দেশি কোন্ ব্র্যাণ্ড স্বামীর মনপসন্দ। কোম্পানির গাড়ি আসে ঠিক সওয়া নটায়। নীচে নেমে যাবার সময় স্ত্রীর ঠোঁটে আলতো করে একবার ঠোঁট রাখে ব্রতীন। সেদিনও আর দু'মিনিটের মধ্যে নীচে নামবে, বাড়ির কাজের লোক গোবিন্দ দরজায় এসে হাজির। 'সাহেব, একজন দেখা করতে এসেছে। বলেছি, এখন সাহেবের বেরোবার সময়, দেখা করতে হলে রাতে আসবেন, শুনছে না, বলছে এসে পড়েছি যখন দেখা করেই যাই।' দীপালি পর...

কবিতা:- গুড ফ্রাইডেতে /কবি:- কালাকার

ছবি
কবিতা:- গুড ফ্রাইডেতে কবি:- কালাকার কবিতা:- গুড ফ্রাইডেতে কবি:- কালাকার হে যীশু খ্রীষ্ট তুমি কি বড়ই ব্যস্ত, আজ-এ শুভ শুক্রবারে! পাপে পূর্ণ এ ভুবন, তাই এসো হে ফিরে, কলুষমুক্ত করতে এ বিশ্ব শান্তির সেই ললিত বাণী      সিঞ্চন সবা কারে! পাপ দেখে মানুষ আজ    নাকরে আদৌ ভয়, সবাই যখন একই নৌকায়   তাই-তার ধ্বজা দুর্জয়! সত্যকে তুমি পাঠিয়ো একদিন   যদি যায়সে ফিরে, অসত্য আর নানা নোংরামীতে    জগত আজ পূর্ণরে! সত্যের সহিত অসত্যের দ্বন্দ্বে অসত্যের পাল্লা ভারী, ডুকরে কাঁদে সত্যের বাণী যত-দোষ যেন তারই! দুষ্টের দমন শিষ্টের পালনে জানি তোমার আবির্ভাব, এখনো কেন চুপ তবে অসহ্য দুষ্টের  তান্ডব! কান পেতে রই তাই      এসো হে সুজন অসত্যে ভরা এই দেশে, মিথ্যার বেসাতি নাশিতে জগতকেই ভালোবেসে!

শিরোনাম:- প্রকৃতির তান্ডবে /কলমে :- শান্তি দাস

ছবি
শিরোনাম:- প্রকৃতির তান্ডবে কলমে :- শান্তি দাস মেঘে মেঘে ঘর্ষণে বিদ্যুৎ চমকায় চারিদিকে,  ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় আকাশ কালো করে,  প্রকৃতির কি খেলা হাহাকার চারিদিকে,  কাঁপছে আকাশ, কাঁপছে গাছপালা প্রকৃতি তোলপাড়ে।  কালবৈশাখীর তান্ডবে সব ভেঙে চুরমার,  পাখিদের বাসা ভেঙে গেছে উড়ছে আকাশে।  ভেঙে গেছে গাছপালা নিয়েছে ঘরের ছাদ কেড়ে,  আকাশ কেঁপে ঝড় উঠেছে সবাই আছে আতঙ্কে।  কত লোকের প্রাণ কেড়েছে, এই কালবৈশাখীর ঝড়ে,  রাস্তায় পড়ে আছে বিদ্যুৎ খুঁটি কারো ভাঙা ঘর।  ঘর ছাড়া লোকের থাকা খাবার সংস্থান ত্রাণ শিবিরে,  কালবৈশাখীর ঝড়ে কেড়ে নিল প্রাণ কেড়ে নিল বাড়িঘর।

কবিতা:-নাম/ কলমে - বন্দনা কুন্ডু

ছবি
নাম কলমে - বন্দনা কুন্ডু সেদিন হঠাৎ করেই বললে... একটা নাম দিও তো আমায়, যা দিয়ে শুধু তুমি ডাকবে... সোনু,বাবু, সোনা,মনা... এসবের বাইরে একেবারে অন্যরকম একটা নাম। আমি বললাম.…বেশ! তোমাকে আকাশ কিংবা রোদ্দুর বলে ডাকবো। দুটোতেই মুক্তি লুকিয়ে আছে যে। তুমি বললে..... ধুর, মাটির বুকে আকাশ বড় বেমানান, আর রোদ্দুর..কড়া হলেই ঝলসে যাবে.. বললাম,.... তবে মিঠে হও... তুমি বললে.... মিঠে হলেই সকলে ছুঁয়ে যাবে। এসব না.... একান্ত তোমার করে কিছু নাম... তাহলে...ঢেউ বা সমুদ্র, বৈকাল বা অলিন্দ, চাইলে বিহঙ্গ-ও ডাকতে পারি। এগুলো বেশ, তবে একান্ত তোমার না... ..অভিনন্দন বা চিরন্তন? নাহ্.. অভিনন্দনে জয়ের অহংকার লুকিয়ে আছে.. আর চিরন্তন বলে কোনো কিছু হয় না। আমি বললাম....তবে ক্ষণিক বা মুহূর্ত ডাকি? এত স্বল্পস্থায়ী করে দিতে চাইছো? অনুভূতিতে মিশিয়ে দাও না পৃথক কিছু একটা.... তাহলে.... নিবিড়,নির্জন,অবসর অথবা নৈঃশব্দ?.. যা, একান্তই আমার। কিন্তু এগুলোতে তোমার অনুভূতি মেশানো নেই।আর একটু আলাদা..... সবগুলো নামই প্রিয় আমার... তবু আমার একান্ত হৃদয় সাম্রাজ্যের অধীশ্বর, মনের সমস্ত আবেগ অনুভূতি মিশিয়ে তোমায় দি...