পোস্টগুলি

জুন, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতার নাম:- দুরন্ত গতিকলমে: শম্ভু নস্কর

ছবি
কবিতার নাম:- দুরন্ত গতি কলমে:   শম্ভু নস্কর মোটর গুলি চলছে দেখ আম্ফানেরোই গতি, তাহার নীচে চাপা পড়ে মরছে কত  যুবক ,যুবতী।  রঙিন বোতল হাতে ধরে অমানুষিক নেশার ঘোরে, মরছে কত আরোহী। বিজ্ঞানের এ কোন অবদান ?যার কারনে  দিতে হচ্ছে আজোই সহস্র নর - নারীর শিশুর প্রাণ। স্বপ্ন ছিল ওদের মনে বাঁধবে বাসা‌ গড়বে ঘর, দুরন্তর‌ই গতি এসে করে দিলো পর। কেউ বা গেলো নীল গগনের পর পারে, কেউ বা আবার- অন্ধকারে  গুমরে কাঁদে বন্ধ ঘরে। মায়ের বক্ষে, দগ্ধ অনল রাবনেরোই চিতা! অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে,আবার ফিরে আসবে আমার বাছা। তোমারা যে নব্য যুগের সভ্য মানুষ, থাকে না হুঁশ। সাবধানে গাড়িটা চালাও স্টেয়ারিং এ  দুই  হাত রেখে, মোবাইলটা বন্দী রেখো প্যান্টের ওই পকেটে। ট্র্যাফিক আইন মেনে চলুন, হেলমেট টি মস্তকে ধারণ করুন।

কবিতার নাম:- জলন্ত সূর্যকলমে : বনবিহারী কুমার

ছবি
কবিতার নাম:- জলন্ত সূর্য কলমে : বনবিহারী কুমার  সূয্যি ঠাকুর জ্বলছে দেখো আকাশ পানে জ্বলন্ত  অগ্নিশিখার তেজের বরে ধরনী হচ্ছে জীবন্ত । অগ্নিশিখার রশ্মিধারা  পাহাড় কোলে ডুবন্ত  সন্ধ্যা আঁধার ঘন ,গভীর রাত্রে সব ঘুমন্ত । ক্লান্ত শরীর সিক্ত ঘুমে শক্তি আনে বসন্ত  প্রেমে প্রেমে জীবন গুলো ডেকে আনে হেমন্ত । তোতোই কোয়েল ময়না পাখি ভোর বেলাতেই উড়ন্ত  কাজের খোঁজে যাচ্ছে মানুষ দেশ হতে দেশ দেশান্ত। পথের মাঝেই যতেক কথা , কথা হবেনা অন্ত  তোমার আমার ছাড়াছাড়ি পথেই হবে দেহান্ত ।।

আমার এ গান | আসরাফ আলী সেখ

ছবি
গানের নাম:- আমার এ গান  কলমে:- আসরাফ আলী সেখ আমার এ গান অশ্রুর ঐক্যতানে  বেহালা বাজায় ঘুরে ঘুরে পথে পথে ,       নদীর তীরে তীরে ঢেউ খেলে যায় সাগরে লাগায় নোনাপানি ,           আমার এ গান  ভেঙে চুরমার হাজার ও চৈত্র রোদে ,          গন্ধ আসে     পোড়া পোড়া , পোড়া মাটির উৎসবে  ,      সব খানেতে সব মনেতে হানা দিয়ে বেড়ায় ওরে  , ব্যথারও সুখ   অন্তরে তার বিগলিত চঞ্চল হয়ে ,        ফুলে ফুলে দুলে দুলে বেড়ায় ওরে সারা বিশ্ব নিখিলে ,        অশ্রু যত সঞ্চিত বুকে এক নিমিষে যায় হারিয়ে , আমার এ গান অশ্রুর কলতান , মরুর বুকে মরিচিকার জালে  নিয়ে মরুদ্যান  ওরে  ।

কবি "অনাদি মুখার্জি" -এর কবিতার অ্যালবাম

ছবি

রচনার নাম:- মাসটারদা সূর্য সেন|| কলমে:- অভিজিৎ দত্ত 

ছবি
  রচনার নাম:- মাসটারদা সূর্য সেন  কলমে:- অভিজিৎ দত্ত        যে সব বিপলবীরা নিজেদের জীবন তুচছ করে মাতৃভূমিকে ইংরেজদের কবল থেকে উদধারের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতে ভয় পান নি তাদের অন‍্যতম মাসটারদা সূর্য সেন। ১৮৯৪সালের২২শে মাচ' বাংলাদেশের চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।পিতা রাজমণি সেন,মাতা শশীবালা দেবী।বহরমপুর কলেজ থেকে বি,এ পাশ করে চট্টগ্রামে ফিরে এসে উমাতারা হাইস্কুলে গণিতের শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন।তখন তার বয়স ২২-২৩ বছর।যুবক সূর্য সেন তখন থেকেই মাসটারদা নামে পরিচিত হন। কলেজ জীবন থেকেই দেশের মুক্তির জন্য ভাবনা চিন্তা ও দল গঠন।রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ ছিল তার জীবনের আদশ' পুরুষ ।প্রিয় কবি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।সূর্য সেন প্রথম দিকে কংগ্রেস পরিচালিত আন্দোলনে যোগ দিলেও পরে মত বদলান ও ইংরেজদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হন।তার বিখ্যাত কীতি' চট্টগ্রামের অসতৃ।গার লুন্ঠন(১৯৩০সালের১৮ই এপ্রিল)।মাসটারদা বিপলবীদের নিয়ে গড়া সেনাবাহিনীর নাম দেন ইনডিয়ান রিপাবলিকান আমি'।মাসটারদার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কয়েকদিনের জন্য ইংরেজ প্রভাবমুকত একটি সবাধীন অঞ্চলে ...

কবি অমরেন্দ্র কালাপাহাড় -এর কবিতার অ্যালবাম

ছবি
 

আপনি কি পাবেন গুগলে আমাদের "পরিচয় পত্রিকা"র ওয়েবসাইটি খুঁজে

ছবি
            আজ দেখে নেবো যেকোনো ওয়েবসাইট বা কোন ব্লগে কিভাবে কমেন্ট ও ফলো করতে পারেন এবং শেয়ার করতে পারেন এবং কবিতা ও গল্প বিভিন্ন সাহিত্যিক ধারা পড়তে পারেন।     आज हम देखेंगे कि आप किसी भी वेबसाइट या किसी ब्लॉग पर कमेंट और फॉलो कैसे कर सकते हैं और विभिन्न साहित्यिक विधाओं में कविताओं और कहानियों को साझा और पढ़ सकते हैं।       Today I will see how you can comment and follow and share on any website or any blog and read poems and stories in different literary genres. • প্রথম পর্ব(The first episode)     সকলে গুগল ওপেন করবেন।তারপরে সার্চ করবেন আপনার যেকোনো ওয়েবসাইটের নাম।    Everyone will open Google. Then search the name of any of your websites. "ছবিগুলো সমস্ত পরিচয় পত্রিকার ওয়েবসাইট কিভাবে সার্চে আনা হচ্ছে" • দ্বিতীয় পর্ব(The second episode)       এবারে দেখে নেব গুগলের সার্চ এ আশে কী আমাদের ওয়েবসাইট।      যদি সার্চের প্রথমে না দেখতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটটি। তাহলে একট...

কবি "অরবিন্দ সরকার" -এর তিনটি সুন্দর কবিতা

ছবি

কবিতার নাম:- মধুরেন সমাপয়েৎ / কবির নাম:- দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
কবিতার নাম:- মধুরেন সমাপয়েৎ কবির নাম:- দেবারতি গুহ সামন্ত ডিমডিমাপুরে থাকত এক রসিক জামাই, ছিল না তার সেরকম কোন নির্দিষ্ট কামাই। কার্তিক ঠাকুরের মত চেহারা তার,অমায়িক ব‍্যবহার, ফুলবাবু সেজে বেড়াত ঘুরে,সুমিষ্ট হাসি দিত উপহার। শাশুড়ি মায়ের চক্ষুশূল,তাই পায়নি জামাই আদর, একমাত্র মেয়েকে ফুসলিয়ে করেছিল বিয়ে,তাই উপাধি পেয়েছিল বাদর। এবছর মেয়ে সন্তানসম্ভবা,তাই আছে বাপের বাড়ি, বাধ‍্য হয়েই জামাইষষ্ঠী করতে হবে পালন,যতই হোক জামাই এর সাথে আড়ি। বেকার নিষ্কর্মা জামাইকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাই পাঠানো হল ডাক, যথাসময়ে জামাইবাবাজী এসে হাজির,সে সম্মান পাক বা নাই পাক। জামাই কে দেখে মনের রাগ মনেই চেপে রেখে শাশুড়ি মা করলেন বরন, ভোলা কি আর এতই সহজ,এই অপগন্ডটাই তার দুলালীকে করেছিল হরণ। একটু পরে শাশুড়ি মা চললেন  মন্দিরে দিতে পুজো, যেমনই হোক,ওই জামাইকে দেখে হাসি মুখে মেয়ে করছিল সাজুগুজু। সবার মঙ্গল কামনা করে শাশুড়ি মা ভালোয় ভালোয় করলেন পুজো সমাপন, ফিরতি পথে ধরলেন বাড়ির রাস্তা,তখনই ঘটল সাংঘাতিক এক অঘটন। উল্টোদিক থেকে এক বেসামাল গাড়ি এসে মারল শাশুড়ি মাকে এক ধাক্কা, পুজোর থালা পড়ল উল্টে,ফাটল মাথা,শাশুড়ি মা গেলেন মূর্ছ...

কবিতার নাম:- এসো তুমি / কবির নাম:- কালাকার

ছবি
  কবিতার নাম:- এসো তুমি কবির নাম:- কালাকার অঝোর ধারে   ঝরছে বাদল ধারা, দুচোখ স্বপ্নে   বিভোর পাগল পারা! তোমাকে পেতেই   মন হয়েছে আকুল! এতো যে কাছেই   অথচ রয়েছো দূরে, বৃষ্টির ছাঁটে   তোমাকে খুঁজে ফেরে! বরষাতে মন   তোমাতে পেতে ব্যাকুল!  বর্ষা এসেছে   স্বপ্নের ডালিকে নিয়ে, রিক্ত হৃদয়ে   খুঁজি সে মন রাঙিয়ে! এসোনা তুমি গো   বিরহ হোক  অবসান! এখন তুমি    রয়েছো কি জানালা ধারে? খুঁজছ কি গো   তুমি বারেবারে আমারে? পেয়েছো চিঠি? খুশিতে হতে অম্লান! এসেছে বর্ষা   তুমি যে কাছেতে নাই, লাগেকি ভালো   কেমনে তোমাকে বোঝাই!  টাপুর টুপুরে    দু'চোখ ভরা যে স্বপ্ন, তোমা বিহনে   হৃদয় বেদনা বিধুর! পড়ছে মনেতে  বিগত স্বপ্ন মধুর, এসোই  যদি   খুশিতে হবো যে মগ্ন!

চোরের রাজ্য | অরবিন্দ সরকার

ছবি
রম্যরচনা "চোরের রাজ্য  লেখকের নাম:- অরবিন্দ সরকার           পৃ থিবীর এক কোণে চোরের এক স্বর্গরাজ্য বিদ্যমান। সর্বত্রই চোরের লীলাখেলা। রাস্তাঘাট, স্কুল,কলেজ, পরিকল্পনায় সর্বত্র চোর।এ রাজ্যের রাজা মন্ত্রী সবাই চোর।  ভিন্ প্রদেশের এক ব্যক্তি ভুল ক'রে এ রাজ্যের সীমানায় এসে পড়েছেন! দিকভ্রান্ত ব্যক্তি এ রাজ্যের এক জনকে ডেকে বললেন- বাবু বাবুগো শোনেন। আমি বাবু এ কোথায় এলাম। সেই ব্যক্তি রেগে বললেন কি বললি বল্ আর একবার? দেখ্ তোর চোখ উপড়ে নেবো।বল্ চোর ! এখানে বাবু ব'লে আমাদের ছোট করবিনা।আমরা ছোট জাতের নই! বাবু নাম ছোটসম্প্রদায়ের। আমরা সবাই চোরের বংশধর। --- চোরবাবু এটা কোন্ রাজ্য! এখানে সবাইকে কি চোরবাবু বলে ডাকতে হবে? -- আবার বাবু ! চোরের পরে আর বাবু থাকতে পারে না।চোর ও বাবু দুটো ফারাক জাত।তাই শুধুমাত্র চোর সম্বোধন কর্। আমরা চোর বললে তৃপ্তি লাভ করি‌।এ সম্প্রদায় চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। আমাদের এখানে চোরের ভাগ আছে।ছিচকে্ চোর, পকেটমার,ডাকাত,বড়চোর, চোরের ভাগের চোর,মাটিচোর,জলচোর,বালিচোর, কয়লা চোর , ময়লা চোর,গরুচোর,ছাগল, ভেড়া পশুপক্ষীচোর,অধম ও উত্তম চোর। তুই এর...

কবিতার নাম:- রক্তাক্ত শৈশব // কবির নাম:- দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
কবিতার নাম:- রক্তাক্ত শৈশব  কবির নাম:- দেবারতি গুহ সামন্ত মাতৃজঠর থেকে সদ‍্য ভুমিষ্ঠ হওয়া শিশুর যখন পৃথিবীর সঙ্গে হয় প্রথম সাক্ষাৎকার, সে জানে না তার জাতি,ধর্ম,বংশপরিচয়, শুধু তার ধমনীতে,শিরায় শিরায় বয় লাল রক্ত। ভেদাভেদ তো মানুষ করে,নিজেদের স্বার্থে, তাতে যদি রক্তাক্ত হয় শৈশব,তো হোক। একটা শিশুর ভবিষ্যত নিয়ে চলে বেচা কেনা, তাইতো লেখাপড়া ছেড়ে শিশুরা আজ রাস্তায়। রক্তদান মহৎ দান,এ কথা জানে সবাই, আবার সেই মনুষ‍্যজাতি রক্ত চুষে খায় ছোট্ট অবলা শিশুদের। সোজা হওয়ার আগেই ভেঙে গুড়িয়ে দেয় তার দুর্বল মেরুদন্ড, নতুন রক্ত তৈরী হওয়ার আগেই তারা তলিয়ে যায় কালচে রক্তের বিষে।

রচনা:- বিবেকানন্দের প্রাসঙ্গিকতা// লেখকের নাম:-অভিজিৎ দত্ত

ছবি
রচনা:- বিবেকানন্দের প্রাসঙ্গিকতা  লেখকের নাম:-অভিজিৎ দত্ত

গানের নাম:- তারিখ ৭ জুন সোমবার ২১//লেখকের নাম:- আসরাফ আলী সেখ

ছবি

কবিতার নাম:- আলাপে জ্ঞান  //কবির নাম :- মোহাম্মাদ আবুহোসেন সেখ 

ছবি
কবিতার   নাম  আলাপে জ্ঞান  কবির নাম :- মোহাম্মাদ আবুহোসেন সেখ  অন্তর চোখে তাকালাম,বিশ্ব প্রকৃতির দিকে। চোখে তার অশ্রুজল,হৃদয়ে তাহার দুংখের ছল। গৃহবধূ মহিলার মতো,ঘোমটা দিয়া কাঁদে। তার বিচার পাইয়ে দেবে,বাতাস বয়ে চলে। হঠাৎ থমকে দাঁড়ায়,বাতাস আমার সম্মুখে। ছলছল চোখ জিজ্ঞাসা করলাম,বল আমায় বল। বাতাসেরা করছে নালিশ,শোনরে সব শোন। তুমি বা আমি,একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট মোরা। তোমার কন‍্যাকে অলংকার দিয়ে ঢাকলে,যেমন লাগে সুন্দরী। তেমনি গাছ-প্রকৃতি হলো,আমার রুপসজ্জার অলংকার। তোমার সম্রাজের মানবজাতি,আমার রুপকে মাখাচ্ছে চুনকালি। তাইতো পাচ্ছিনা দেখাতে কাউকে,কাঁদছি গৃহবধূর বেশে। জগতের প্রকৃতি তোমরাই হলে আমার চোখে বিশ্বসুন্দরী। আমি বলছি তোমায়,তুমি হলে জগতের রানী। তোমার রুপদেখিয়া,পাগলের বেশে ঘুরি আমি। আমার সম্রাজের মানবজাতি,তোমার গুরুত্ব বুঝবেই একদিন। আর সেদিন এই মাটিতে রাঙিয়ে তুলবে,সবুজে ঘেরা কত কি!।

রম্যরচনা:- "মাধ্যাকর্ষণ শক্তি" // লেখকের নাম :- অরবিন্দ সরকার 

ছবি
রম্যরচনা:- "মাধ্যাকর্ষণ শক্তি"  লেখকের নাম :- অরবিন্দ সরকার                  বি জ্ঞানের স্যার বিজন রায় এক অখ্যাত স্কুল হরিদাসপুর হাইস্কুলের শিক্ষক। তিনি নবীন শিক্ষক। ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি শেখেন নি। পড়াশোনা করে এই স্কুলে তার চাকুরী। যষ্ঠ শ্রেণীতে প্রথম পিরিয়ডে গিয়ে রোলকল সেরে বিজ্ঞান পড়াবেন। পিছনের বেঞ্চে হৈচৈ শেষ হয়না।রোলকল খুব কষ্টেই করলেন। হাজিরা সব দিয়ে দিলেন শুনতে না পাওয়ার জন্য। পিছনের বেঞ্চের সকলকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন চিৎকার করছো কেন! পিছনের বেঞ্চের লিডার জগাই হালদার ,বললো বলুন কি বলবেন। বিজনবাবু- আমি কতো দূর থেকে আসছি তোমাদের পড়ানোর জন্য । একটু মনোযোগ দাও তাহলে তোমাদের সুবিধা হবে। আমার পক্ষে বোঝানো ভালো হবে। জগাই- মনযোগ বা মনবিয়োগ বা গুন ভাগ যাই করুন, আপনাকে কে বারণ করেছে। আপনি নির্বিঘ্নে পড়ান।দেখি কে চিৎকার করছে। স্যার- বা তুমি তো বেশ ক্লাসের লিডার।সব চুপ করিয়ে দিলে! আমার দ্বারা এ কাজ হতো না! জগাই- তাহলে আমাকেই ক্লাসের দায়িত্ব দিয়ে আপনি অফিসে গিয়ে ঘুমান। স্যার- না না জগাই , আমি না পড়ালে তোমর...

কবিতার নাম:- ষাটের পর। কবির নাম:- রীতা বসু

ছবি
  কবিতার নাম:- ষাটের পর। কবির নাম:-  রীতা বসু কবিতার নাম:- ষাটের পর। কবির নাম:-  রীতা বসু বয়স হল ষাট,কর্মজীবন থেকে নিলাম অবসর, লেখা লিখির মধ্যে খুঁজে নিলাম পৃথিবীর খবর।  রাতে ঘুম আসেনা কেন,জানিনা কি যে হয়, মা-বাবাকে মনেপড়ে, দুচোখ জলে ভরে যায়। কিসের অভাব তাড়িয়ে বেড়ায় আমাকে, পথ খুঁজে চলি বরাবর। রাত একটা বাজে,তবু বড় রাস্তায় গাড়ি চলে, আমার ক্লান্ত শরীর, চয় শুধু একটু ঘুমাতে, কিন্তু দুচোখ পুরো খুলে আছি শুয়ে, পারবো কি সারা রাত এভাবে কাটাতে? শিক্ষিকা র জীবন শেষ, এখন শুধু ই বাড়ির গৃহ কর্এী। কোথায় হারিয়ে যাবো কবে কখন কোন দূর বর্তী, আপনজনেরা সব একে একে ছেড়ে গেছে, সকলের শেষ টা কি আমি দেখে যাবো তবে, এই লেখা রাতদুপুরে আজ আমার কি কথা ছিল, শূন্য হাহাকার আরহৃদয়ের উজাড় করা বেদনা কি আমার জন্য ই অপেক্ষা করে আছে!

কবিতার নাম:- হারায়ে খুঁজি।। কলমে মিলন পুরকাইত ।।

ছবি
  কবিতার নাম:- হারায়ে খুঁজি।। কলমে মিলন পুরকাইত ।। কন্ঠস্বরে:- চন্দ্রিমা রায়। । প্লিজ সাবস্ক্রাইবার করুন ভালো লাগলে লাইক করুন

গল্পের নাম:- ভালোবাসর মন // লেখকের নাম:- অনাদি মুখার্জি

ছবি
  গল্পের নাম:- ভালোবাসর মন  লেখকের নাম:- অনাদি মুখার্জি গল্পের নাম:- ভালোবাসর মন  লেখকের নাম:- অনাদি মুখার্জি                   অ য়ন অনেক দিন ধরে ফেসবুক করার ফলে তার বন্ধুত্ব লিষ্ট অনেক ,কিন্তু এত বন্ধু থাকা সত্ত্বেও তার মনের মতোন একটাও বন্ধু পেলো না ! একদিন এই ফেসবুকের মাধ্যমে একজনের সাথে পরিচয় হলো এক মেয়ের ! বেশ ভালোই লাগে তার মেয়েটি কে ,তাই এই লকডাউনের সেই সব সময় ফেসবুকের ওই মেয়েটি সাথে চ‍্যাট করতে থাকে ! এইভাবে তাদের পরিচয় খুব সুন্দর গড়ে উঠে ! একদিন ওই মেয়েটি কাছে তার ওয়াটসপ নম্বর চাইলো ,মেয়েটি বললো আমি ওয়াটসপ করি না ! এমন সুন্দর মেয়ের কথা আর তার প্রোফাইল পিকচার দেখে অয়নের খুবই ভালো লাগে ,সেই মনে মনে মেয়েটি কে ভালোবেসে ফেলে ! মেয়েটি ও তাকে খুব ভালো বাসে ! তাই তারা ঠিক করলো একদিন তারা দেখা করবে ও তাদের মনের কথা বলবে ! এইভাবে একটা দিন বের করে অয়ন মেয়েটি কে আজ বিকেলে সুভাষ পার্কে দেখা করো ,মেয়েটিও রাজি হয়ে গেল ! অয়ন বললো তোমাকে চিনবো কি করে ,জবাবে মেয়েটি বললো সেই লাল রঙের পোশাক পরে থাকবে আর হাতে থাকবে একটা গোলাপ ! মেয়েটি কথা ম...

কবিতার নাম:- গাছ বাঁচাও//কবির নাম:- গৌতম নায়েক

ছবি
কবিতার নাম:- গাছ বাঁচাও কবির নাম:- গৌতম নায়েক কবিতার নাম:- গাছ বাঁচাও কবির নাম:- গৌতম নায়েক আমরা তো উদ্ভিদ, উঠি মাটি ফুঁড়ে আমাদের আছে প্রাণ তোমারই মতো, সমগোত্রীয় করোনি, রেখেছো তবু দূরে; করো অযতন উপেক্ষা অবহেলা শত। ছিঁড়ে ফেল ফুল ফল ডাল লতা ও পাতা নালিশ নেই আমাদের, নেই লাজ লজ্জা, সহ্য করি চুপিসারে পেলে কষ্ট ও ব্যথা; বিছিয়ে দিই আমরা ছায়ার নরম শয্যা। ঔষধ, অক্সিজেন আর দিই জ্বালানি বজায় রাখি আমরা প্রকৃতির ভারসাম্য, পশু পাখির আশ্রয় মোরা, মহৎ দানি; তবুও রেখেছো দূরে মোদের, এত বৈষম্য? পৃথিবীর প্রাণ করে চলি মোরা লালন পত্র পুষ্পে বাড়ায় প্রকৃতির শোভা, আমরা বিনে বাড়ছে ক্রমে উষ্ণায়ন; আমাদের মর্ম বুঝবে তোমরা কি বা? ধ্বংস করো বনভূমি, আক্ষেপ নেই মনে তোমরা সব নিষ্ঠুর আর অকৃতজ্ঞ, নিজেদের কাল ডাকছো যে সযতনে; গাছ বাঁচাও, আর থেকো না গো অজ্ঞ।

ছড়া:- সবুজায়ন//কবি:- শান্তি দাস

ছবি
ছড়া:- সবুজায়ন কবি:- শান্তি দাস চারিদিকে সবুজ হয়ে উঠুক পৃথিবী চলো আমরা আমরা সবাই গাছ লাগাই।   ধরণীতে সবুজের অভাব যাতে না হয়,  সবুজে সবুজে ধরণী আপন করে সাজাই।  সময় তো আছে ভাবার জাগুক সবার মন,  গাছ লাগাও বাঁচাবে সবুজ ঘুচবে দূষণ,  পরিবেশ দিবস পালনে সফল করি সবুজায়ন।

কবিতার নাম:- আওয়াজ//কবির নাম:- ধনঞ্জয় পাল

ছবি
কবিতার নাম:- আওয়াজ কবির নাম:- ধনঞ্জয় পাল পৃথিবী এখন উত্তাল এক নিষ্ঠুর প্রতিশোধে ধ্বংস করেছি সবুজ,তখন একটু বাধে নি বোধে, সে পৃথিবীর প্রাণবায়ু যখন হয়ে চলে বিলুপ্ত সে বলেছিল-ওঠো এখন,আর থেকো না সুপ্ত। সালোকসংশ্লেষে লিপ্ত গাছটির অসহায় সে কান্না, আজও শুনবো!আগামীকালও! দহনবেলায় আর না। প্রাণবায়ু আজ সিলিন্ডারে বন্দী রয়েছে অল্প অক্সিজেনের সন্ধানে আজ শুরু হয়েছে গল্প। চতুর্দিকে হাহাকার ওঠে-বাঁচুক মানুষ, বাঁচুক নীরব গাছের কান্না এবার মানুষ একটু বুঝুক, গাছ চিরকাল এক কথা বলে-বন্ধুই তো আমরা বিপদ না বুঝে ধ্বংস আমাদের করছো কেন তোমরা! ক্রান্তিকালে শপথ আজকে নিতেই হবে এখন, অনেক হয়েছে আর একটিও হবে না বৃক্ষছেদন, বিপন্ন এই নীলগ্ৰহ বাঁচাতে করবো বৃক্ষরোপণ।