পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তুমি আমার | বাপী নাগ

ছবি
গল্প...... "তুমি আমার" বাপী নাগ তুমি যে আমার রঙিন স্বপ্ন আমার চাঁদের আলো। তুমি শিল্পী রঙে রঙিন ছবি সবার চাইতে ভালো। তুমি যে আমার নদীর মাঝে  একটি মাত্র কূল। তুমি যে আমার ভালোবাসা গোলাপ পদ্মফুল। আমার মনটা ভালো করতে দিও তুমি ভালোবাসা। সবকিছু ছেড়ে ভালোবাসবে  এটাই আমার আশা। তুমি আমার জীবনে সবকিছু তুমিই আমার প্রেরণা। তোমায় ছাড়া কিভাবে বাঁচবো  আমায় একা করোনা। তোমায় ছাড়া আমি যে একা এটাই কি ভালো! তোমায় ছেড়ে একা কি করে আমি থাকি বলো। তুমি যে ভালোবাসার মানুষ আমার আপনজন। মিশে গেছো যে আমার সাথে আমার প্রিয়জন। সুখ-দুঃখের সাথী তুমি আমার  তুমি চোখের ভাষা। আমার হৃদয়ে তুমি যে আছো তুমিই খুশির নেশা।   লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান  👇 Check here 

আমার  অ্যালোভেরা | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "আমার  অ্যালোভেরা" রুচিরা সাহা  এ কান্নবর্তী পরিবারে সাংসারিক গোলযোগের কারণে হঠাৎই একদিন শ্বশুর ভিটে ছেড়ে উনিশ দিন হোটেলে থেকে তারপর বাড়ি ভাড়া খুঁজে পেয়ে ছিলাম। একটি সুন্দর বাড়ির সম্পূর্ণ দোতলাটা।নতুন পরিবেশে অনেক খুঁজে পেলাম শঙ্করী নামে এক মহিলাকে। ছোটখাটো গড়ন, শ্যামলা রঙ, বাংলা করে শাড়ি পড়তো, মাথা ভর্তি লম্বা কেশ ছিলো। খুব সরল ও নির্লভী প্রায় সাড়ে চার মাইল পায়ে হেঁটে আসতো। ভোরের আজান পড়তো তখন ও বাড়ি থেকে বেরোতো। হেঁটে আসতে প্রায় দেড় ঘন্টা লেগে যেতো।ছয় বাড়িতে কাজ করতো নিতান্তই পেটের দায়ে।সবার প্রথমেই আমার বাড়িতে আসতো। মহানন্দা নদীর পাড়ে ছিলো ওর বাড়ি। কাজ করতে আসতো ওর বাবার বাড়ির পাড়াতে। যেটা ছিল ওর ছোটবেলা থেকে বড়ো হয়ে ওঠা। ওর বাবার বাড়িতে দূর্গা পুজো হতো। শঙ্করীদির বাবা নিজে হাতে প্রতিমা তৈরি করে পুজো করতেন। এখনো সেই পুজো হয়ে থাকে তবে খুব জাঁকজমক করে না হলেও সাধ্যমতো করা হয়। শঙ্করীদির বাড়িটি ছিলো সম্পূর্ণ টিন দিয়ে তৈরি। গরমের দিনে ছিচল্লিশ ডিগ্রী তাপমাত্রায় সেটা যে কী পরিমানে গরম হতে পারে যিনি থাকেন তিনিই বোঝেন তার কষ্ট। বয়সে আমার থেকে অনেকটাই বড়ো ছ...

বাড়ি থেকে পালিয়ে | গৌতম নায়েক

ছবি
গল্প...... "বাড়ি থেকে পালিয়ে" গৌতম নায়েক সে ই যে মাথা নামিয়ে বসেছে আর মাথা তুলছে না ছোটন। বাবা বললেন, 'কেমন গোঁয়ার দেখেছো! একটা কথা বলছে? ওকে ধরে মারাই উচিত। ওর হিমেত ( হিম্মত ) ঘুঁচে যাবে।' মা বললেন, 'এত মাথা গরম করো না তো। ছেলে বড় হয়েছে তো। এখন মারধর করা কি ঠিক? তাছাড়া কি হয়েছে আগে জানতে তো দাও।' ----- কি হয়েছে বললে তবে তো। মা, ঠাকমা, বড়মা, বাবা, জ্যেঠু, দাদারা তার সাথে জমায়েত হয়েছেন বেশ কিছু পাড়া প্রতিবেশী।  ঝাঁকে ঝাঁকে প্রশ্ন উড়ে আসছে ছোটনের দিকে,  'কি হয়েছিল? কোথায় গিয়েছিলিস? কোথায় ছিলিস সারাদিন? আর কে ছিল তোর সাথে? খাওয়া দাওয়া করেছিস? ইত্যাদি ইত্যাদি!' কিন্তু ছোটন একেবারে স্পিক টি নট।  ছোটন অনেকটা বাড়ির চাপে পড়েই এবারে বি.এ ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছে সাঁইথিয়া কলেজে। কিন্তু ওর পড়াশুনায় মতি বরাবরই ছিল না। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পরেই ওর মাথায় কোন বন্ধুর কৃপায় ঢুকে গেছে হিউজ টাকা পয়সা না থাকলে পড়াশুনা করে কোন লাভ নেই। কেননা, চাকরি করতে হলে অলিখিত অর্থনৈতিক যোগ্যতাও থাকা দরকার। তাই সে আর লেখাপড়া না করে বরং কাজের সন্ধান করবে। কারণ, তা...

অনুভূতির গ্রাস | দেবিকা দাস

ছবি
কবিতা...... "অনুভূতির গ্রাসরি" দেবিকা দাস ঠাকুরপুকুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  অনেক দিন হলো তোমার সাথে দেখা হয় না,     কথা হয় না তোমার সাথে,   মাঝে মাঝে দেখা পাই অসংখ্য ভিড়ের মাঝে।          ভিড় ঠেলে ছুটে যাই তোমার দিকে মরীচিকার মতো তুমি হারিয়ে যাও কোথাও।           ভাবনার দিঘিতে ডুব দিয়ে আমি;        খুব চেনা একটি স্পর্শ অনুভব করি,   আমার হাতটি নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে    কেউ যেন মুঠো না খোলার প্রতিজ্ঞা করে।        হিমেল হাওয়া বয়ে যায় শরীর জুড়ে   আমি স্তব্ধ,নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি, পুরোনো কিছু স্মৃতি আঁকড়ে ধরে এভাবেই বাঁচি।    কিছু পরে হর্নের আওয়াজে     অনুভূতির গ্রাস থেকে বেরিয়ে, বাস্তবতার ভিড়ে হারিয়ে ফেলি তোমাকে। লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান  👇 Check here 

সিন্ধু বারোঁয়া | শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার

ছবি
গল্প...... "সিন্ধু বারোঁয়া" শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার  লেক টাউন,কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  একটি সতেজ মধ‍্যমাকৃতি ঈষৎ শ‍্যাম বর্ণের এক সুদর্শন যুবক তার অতিসপ্রিয় মহিষ চন্ডের পিঠে চেপে শরবনের মধ‍্যে তাকে তার খাদ‍্যের সন্ধানে নিয়ে চলল। ইদানীং বৃষ্টি কম হওয়ায় নদীর তীরের হাল্কা ঘাসজমিগুলি হরিদ্রাভ হয়ে আছে। চন্ড তার খাদ‍্যের বিষয়ে খুব খুঁতখুঁতে। কচি সবুজ টাটকা শষ্পলতা ছাড়া তার আহারে রুচি থাকেনা। চন্ডের পিঠে উপবিষ্ট যুবকটির নাম  'শরভ'। সিন্ধুনদের দক্ষিণপ্রবাহে একটি জনপদ আছে তার নাম 'নাহাল'। সে সেখানেই থাকে। তার একটি কুমোরের চালা আছে। সেখানে সে বিভিন্ন আকারের মাটীর পাত্র আর পোড়ামাটির খেলনা ও গহনা তৈরী করে বিক্রি করে। তার বাপ -মা কেউ নেই। একজন কুম্ভকার তাকে শরবনের ভিতর থেকে উদ্ধার করে প্রতিপালন করেছিল। যদিও এখানে কুম্ভকার বা বাস্তুশিল্পীর সেইভাবে পার্থক্য নেই। সবাই মোটামুটি সব কাজটাই করে চালিয়ে নিতে পারে।  সেদিন এরকমই একজন মানুষ ক্রৌঞ্চশিকার করতে শরবনে গিয়ে  মাতৃপরিত‍্যক্ত অবস্থায়  অসহায় ওই  সদ‍্যোজাত শিশুটিকে দেখে নিজের কোলে আশ্রয় না দিলে ...

হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য

ছবি
পরিচয় পত্র...... বিখ্যাত  বাঙালি  ভারততত্ত্ববিদ,  সংস্কৃত  বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও  বাংলা সাহিত্যের   ইতিহাস  রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল  হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য । তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন  চর্যাপদের  আবিষ্কর্তা। তিনি  সন্ধ্যাকর নন্দী  রচিত  রামচরিতম্  বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।