পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতার নাম:- দুখু মিয়া নজরুল//কবির নাম:- ডাঃ লিয়াকত আলি লস্কর

ছবি
কবিতার নাম:- দুখু মিয়া নজরুল কবির নাম:- ডাঃ লিয়াকত আলি লস্কর কবিতার নাম:- দুখু মিয়া নজরুল কবির নাম:- ডাঃ লিয়াকত আলি লস্কর দু খু  মিয়া ব্যাথায় ভরা  দুঃখেই ভরা গান। সেই গান লিখে পেল  দুনিয়ার সম্মান । তোমার গানে যুদ্ধের শুর  শ্যামা সঙ্গীত ও আছে, তোমার সৃষ্টি ভাটিয়ালি সুর  মাঝিরা দরিয়া মাঝে । প্রেম বিরহের অমর কথা তোমার বিদেহী  গান । বিদ্রোহী কবিতা লিখে পেল  স্বাধীনতার সম্মান  মুটে মজুর,নারী, যুবাদের দিয়েছো যে কত  মান ‌ অস্পৃশ্য আর সাম্প্রদায়িকতা তুমি তো করেছ ম্রিয়মান । সাম্যের কবি ,মানবতার কবি তুমি কবি বিদ্রোহী নজরুল । তোমাকে আমরা চিনতে পারেনি আমারা ব্যর্থ মানব কূল । ফেসবুকে ফলে করুন

রম্যরচনা:- মুখোশের আড়ালে//লেখক:- অরবিন্দ সরকার

ছবি
রম্যরচনা:- মুখোশের আড়ালে লেখক:- অরবিন্দ সরকার   রম্যরচনা:- মুখোশের আড়ালে লেখক:- অরবিন্দ সরকার            মা গো ! দেখো গণেশদাদা শুঁড় দিয়ে কলাবউ এর পায়ে শুড়শুড়ি দিচ্ছে? --- দেখ সরস্বতী তোর কোনো সুর নেই যে একটা অসুর জোটাবি? ফেলে দে তোর বই পত্র , ফেলে দে তোর বীণা ! এখন স্কুল গেলেই ম্যাট্রিক পাশ। পড়াশোনার দরকার নেই বুঝলি ? আর স্বরগমের ও দরকার নেই? সা,রে,গা,মা কেউ শিখছে না !এবার  ত্রিপলের স্যাটা প্যান্ট পড়ে গান করি দেখি  "বেছে বেছে করলি বিয়ে চিরকালের ন্যাংটা লো ন্যাংটা" , দেখবি তোর পিছনে নাচছে কতশত খ্যামটা । আর তখনই তুই দেখাবি তোর ঘ্যামটা ! ওমা লক্ষ্মী ! মা লক্ষ্মী চুপ করে বসে থেকোনা মা ? পটের বিবি সেজে বসে থাকলে হবে ? গোলা আগলে কি করবি বল ? এখন গোলাভরা ধান দরকার নেই মা ! রেশনে এখন চাল,গম,চিনি,তেল সব দিচ্ছে, শুধু এ,পি,এল, বি,পি,এল,সি,পি,এলে, নাম লেখা মা তাহলেই চলে যাবে বুঝলি ?  আঃ চুলের কি ছিরি ! একেবারে বিচ্ছিরি ! কার্ত্তিক ছাট চুল কাট? -- আমাকে জড়িয়ো না মা ! এখন আমাকে লোকে এমনিতেই কেলোকাত্তিক,ভুলোকাত্তিক ,নেলোকাত্তিক ...

গল্পের নাম:- "মানবতা"/লেখিকার নাম:- সোনালী মুখোপাধ্যায়

ছবি
গল্পের নাম:- "মানবতা" লেখিকার নাম:- সোনালী মুখোপাধ্যায় গল্পের নাম:- "মানবতা" লেখিকার নাম:- সোনালী মুখোপাধ্যায়               এই যাহ ...এখান থেকে যাহ...আ মোলো যা ...আমার নিজেরই খাবার সংস্থান নেই ..লোকের কাছ থেকে চেয়েচিন্তে এনে যাহোক করে নিজের পেট চালাচ্ছি?  আর ইনি এলেন আমার সংগের সাথী হয়ে। এখান থেকে যাবি বলছি ...যা..... বলে ছোট গ্লাসের এক গ্লাস জল নিয়ে ছোট্ট কুকুর টার দিকে ছুঁড়ে দিলেন মায়া দেবী।  এই গ্রামে তার নিজস্ব বাড়ি হলেও সেই বাড়ির এক চিলতে ছোট্ট বারান্দার কোণে তার থাকার ব্যবস্থা। ছেলে বউ নাতি-নাতনি সকলেই আছে তার ,কিন্তু তাদের সাথে ওর থাকার অধিকার নেই। আসলে ও যে এ বাড়ির একজন  সদস্য সেটা তার ছেলে বউ ভুলে গেছে বোধয়। তাই সকাল বিকালের বরাদ্দ খাবারটুকু শুধু জোটে ওর ভাগ্যে । তাও অনেক লাঞ্ছনা-গঞ্জনা র পরিবর্তে।বাকি সময় পাড়ার নানান বাড়িতে ঘুরে ঘুরে নিজের চা টা  বা আনুষঙ্গিক খাবার চাহিদা মেটান মায়াদেবী। সবাই তার বাড়ির অবস্থা জানে বলেই এখনো কিছু দেয়।  এতদিন একরকম চলছিল কিন্তু এখন এই  করোনার  উপদ্রব...

শিরোনাম - অমর বিদ্রোহী/কলমে - দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
শিরোনাম - অমর বিদ্রোহী কলমে - দেবারতি গুহ সামন্ত শিরোনাম - অমর বিদ্রোহী কলমে - দেবারতি গুহ সামন্ত কি আশ্চর্য মিল তোমার ও কবিগুরুর জন্মদিনে, তোমার পঁচিশে মে তো কবিগুরুরর পঁচিশে বৈশাখ, দুজনেই বিখ‍্যাত কবিতায় ও গানে। বিদ্রোহী কবি তুমি,হে কাজি নজরুল ইসলাম, আজ তোমার জন্মদিনে তোমায় শতকোটি প্রণাম। জন্মেছিলে পঁচিশে মে,বর্ধমান জেলার আসানসোলে, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে দেখিয়েছিলে বিদ্রোহ,কবিতা ও গানের বোলে। ছিলে তুমি মসজিদের মোয়েজ্জিন,করতে আজানের প্রার্থণা, লোটের দলে ভিড়ে তুমি শিখলে যাত্রাপালা,সাহিত‍্য,গানবাজনা। ভারতীয় সেনায় যোগদান করেছিলে তুমি উনিশশো সতেরোতে, কোলকাতায় করেছিলে সাংবাদিকের কাজ,জনগন স্মরণ করে তোমায় নজরুল গীতিতে। চারহাজার গান লিখেছিলে তুমি,সঙ্গে আছে ছোট গল্প ও কবিতা, মিশিয়েছিলে প্রেম ভালো বাসার স্বাদ,সঙ্গে ছিল স্বাধীনতা ও মানবিকতা। রুম ঝুম ঝুম করে আজও শোনা যায় শুকনো পাতায় নুপুরের ধ্বনি, ধুমকেতু ও ভাঙার গানে দিকে দিকে ছড়িয়েছিলে বিদ্রোহী বানী। ভারতের স্বাধীনতায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে হয়েছিল তোমার জেল, কারাগারে বন্দী থাকাকালীন লিখেছিলে রাজবন্দীর জবানবন্দী,পরে লিখেছ তুমি অপূর্ব শ্রত...

কবিতার নাম:- তোমায় মনে পড়ে/কবির নাম:- গৌতম নায়েক

ছবি
কবিতার নাম:- তোমায় মনে পড়ে কবির নাম:- গৌতম নায়েক কবিতার নাম:- তোমায় মনে পড়ে কবির নাম:- গৌতম নায়েক আজ পঁচিশে ঘরে বসেই কবিতা করি পাঠ, 'কুমোর পাড়ার গরুর গাড়ি শুক্রবারের হাট।' হঠাৎ করেই মনটা আমার যায় চলে স্কুল বেলা, যায় পড়ে মনে সারাটা বছর পড়া পড়া খেলা। রবি কল্যাণে পঁচিশে শুধু জমাটি আড়ম্বর, নৃত্য গান কবিতা নাটকে সরগরম আসর। পিপাসার্ত হৃদয়ে আজ স্কুলের পথ খুঁজি, ইচ্ছে ডানায় যাই উড়ে সেথা হাঁটুতে মাথা গুঁজি। বন্দী দশা লাগে না ভালো মুক্তি দাও গো মোরে, জন্মদিনে রবি ঠাকুর গো তোমায় মনে পড়ে।

কবিতার নাম:- এ কেমন ছুটি।। কবির নাম:- হরিহর বৈদ্য।।

ছবি
কবিতার নাম:- এ কেমন ছুটি।। কবির নাম:- হরিহর বৈদ্য।। কবির ঠিকানা:-ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।। কবিতার নাম:- এ কেমন ছুটি।। কবির নাম:- হরিহর বৈদ্য।। দেখেনি কেউ কখনো এমনতর ছুটি, লকডাউনের বাঁধন যেন যায় না মোটেই টুটি। কোনভাবে দিন কেটে যায় এমনিতর ছুটি বসে বসে ঘরের ভিতর সবাই কেবল ধুঁকি। ছুটিতে আগে মজা করে খেলতো সবাই, আজ দুয়ারে দেখি কোন বন্ধু যে নাই। এ ছুটির খেলা কেবল মনে হয় ধরা-কপাটি, মুখেতে মাক্স পরে তাই সবাই যেন বেঁচে আছি। তোমারি অসাবধানে কভিড যদি ধরেই ফেলে, মিছে কেন ভাবছো তুমি ছুটি তোমার চিরতরে! বুকেতে সাহস নিয়ে তবু চলতে হবে, সামাজিক দূরত্ব টা বজায়ও রাখতে হবে। দেখেনি কেউ কখনো এমন ছুটি হয়, সারাবছর পাঠশালা বন্ধ ঘরেই বসে রয়। কতদিন রইবে ছুটি থাকুক তবে-- শিক্ষকরা ঘরে বসে মাহিনা তবু পেয়েই যাবে! শিক্ষার হোকনা যত জলাঞ্জলি, গদিতে বসে তারা করছে যে আজ গলাগলি। কারো যে কাজের ছুটি কারখানার সব বন্ধ হল, ব্যবসাপাতি ঘুরিয়ে সবাই দোকানের ঝাঁপ ফেলে দিল। এরই মাঝে চিরছুটি হয়ে কত মরেই জড়, আগে কেউ দেখেনি যে ছুটি হয় এমনত্বর।। ⚙ফেসবুকে ফলো করুন যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে;- ৬২৯১২২৭৮৯৭ Ema...

কবিতার নাম:- আর ডেকো না/ কবির নাম:-সীমা চক্রবর্তী

ছবি
কবিতার নাম:- আর ডেকো না  কবির নাম:-সীমা চক্রবর্তী  কবিতার নাম:- আর ডেকো না  কবির নাম:-সীমা চক্রবর্তী  হয়তো আমি থাকবো না আর তোমাদের জলসায়, মোম বাতির মতো যাচ্ছি নিভে পূনর্জন্মের ভরসায়।  পলাশের লাল রঙ ফিরিয়ে দেবো চক্রবৃদ্ধি হারে,  সলতে হীন বাতি টাও একদিন  ডুবে যাবে আঁধারে।  জীবন আজ বে-লাগাম অশালীন  ভেঙে পড়া পংক্তি তে, কলমও বুঝি ছন্দ চয়নের আবর্তে থেমে গেছে ক্লান্তিতে।  কত কুহকিনী আশার বেড়াজাল  জীবনের চারপাশে,  আমি আজও রয়ে গেছি অতীতের  সাজানো এক সন্ত্রাসে। যত ছন্দ জমেছে মনের চিলেকোঠায় জানি সব বেরঙিন, যোগ বিয়োগের জটিল মাপকাঠিতে  হয়ে গেছে মূল্যহীন।  অবিরাম অভিমান নিয়ে বেঁচে থাকা  জীবনের পথে শক্ত, অন্তরে জ্বলে বোহেমিয়ান আগুন দু'চোখ ভরে রক্ত। আর ডেকো না আমাকে তোমাদের  রঙিন ছন্দের আসরে, চির স্তব্ধতার নির্বাসনে গিয়েছি  মরার আগেই মরে। ফেসবুকে ফলো করুন

কবিতার নাম - ইচ্ছে ডানা/কবির নাম - গৌতম নায়েক

ছবি
কবিতার নাম  - ইচ্ছে ডানা কবির নাম - গৌতম নায়েক                        কবির নাম - গৌতম নায়েক কবিতার নাম  - ইচ্ছে ডানা কবির নাম - গৌতম নায়েক ইচ্ছে মতো ইচ্ছেগুলো করে আনাগোনা, বশ না হয়ে শুরু করে স্বপ্নের জান বোনা। ইচ্ছে করেই হারিয়ে যায় তোর বুকের ভাঁজে, মনে মনেই ঘুরে আসি সকাল বিকাল সাঁঝে। ইচ্ছে মতোই ঘ্রাণে নিই তোর গায়ের গন্ধ, ইচ্ছেগুলো করে খুশি, পায় চলার ছন্দ। কল্পনাতে তোর সাথে যায়  মরু সাগর পাহাড়, মনের মতো সাজিয়ে নিই আমাদের সংসার। ইচ্ছেগুলো তাকিয়ে থাকে তোরই অপেক্ষায়, ইচ্ছেগুলো ঘুরে বেড়ায় তোর পায় পায়। ইচ্ছেগুলো তোকেই আঁকে রাতে স্বপন চোখে, তোর সাথে যায় ভেসে ঐ মায়াবী জ্যোৎস্নালোকে। ইচ্ছেগুলো সত্যি না হোক ভাবতে তো নেই মানা, ইচ্ছে না হয় তাদের মতো মেলুক ইচ্ছে ডানা। পরিচয় ফেসবুক পেজে

কবিতার নাম - আকাশের কান্না/ কবির নাম - দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
কবিতার নাম  - আকাশের কান্না  কবির নাম - দেবারতি গুহ সামন্ত                       কবির নাম - দেবারতি গুহ সামন্ত কবিতার নাম  - আকাশের কান্না  কবির নাম - দেবারতি গুহ সামন্ত সকাল থেকেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, সামনের রাস্তায় এক বুক সমান জল। মাঝে মাঝেই মেঘের গর্জনে কান ঝালাপালা, সাথে চোখ ধাঁধানো বিদুৎের ঝলকানি। দেরীতে ঘুম ভেঙে উঠে থেকে দেখছি, অঝোর ধারায় আকাশের কান্না। আমার মনটাও আজ ভীষণ খারাপ, কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে,ন‍্যাতানো। কোন কাজেই পাচ্ছি না উৎসাহ, থেকে থেকেই বাইরে চলে যাচ্ছে চোখ। মনটাও যেন গুমড়িয়ে কাঁদছে, পুরনো ছাইচাপা স্মৃতিরা উঠছে জেগে। এমনই এক বৃষ্টির দিনে দেখেছিলাম তাকে, সেদিনও সকাল থেকে হচ্ছিল এমনই বৃষ্টি। কিন্তু সেটা মনখারাপের বৃষ্টি তো ছিল না, বরঞ্চ বেশ উপভোগ করছিলাম সেই রোমান্টিক ওয়েদার। তারপর কেটে গেছে বহুদিন, বয়ে গেছে অনেকটা সময়। আজও ভুলে যেতে পারিনি তাকে, জানিওনা,কোথায় সে,কোন ঠিকানায়। তখনকার দিনে ছিল না মুঠোফোনের সুবিধা, পুরনো ছেড়া চিঠিরাই ছিল ভরসা। তাতেই সে লিখেছিল তার নাম, যা সযত্নে লুকিয়ে রেখেছি...

কবিতার নাম:- কবি নই /কবির নাম:- স্বপন কুমার ধর

ছবি
কবিতার নাম:-  কবি নই কবির নাম:- স্বপন কুমার ধর                           কবির নাম:- স্বপন কুমার ধর কবিতার নাম:-  কবি নই কবির নাম:- স্বপন কুমার ধর আমি কল্পনা করতে ভালবাসি, কিন্তু উড়তে চাই না। আমি অক্ষর কর্মী, অক্ষর সাজাই, কিন্তু অক্ষর বিশেষজ্ঞ নই। আমি লিখতে চাই, লিখি ও, কিন্তু কবি নই। যখন লিখতে বসি, তার আগে, মনের মধ্যে ভেসে ওঠে বিভিন্ন ছবি। চেষ্টা করি তাকে, বর্ণের তুলিতে, বাস্তবে আঁকতে, নিজের মত করে। শব্দচয়ন হেতু, রাফ খাতায় চালাই, বারংবার কাটাকুটি আর পরিবর্তন, বর্ণের, শব্দের, বাক্যের, মাত্রার। লিখতে বসে ভাবতে থাকি, আনমনা হই আর এগিয়ে চলে, ঘড়ির কাঁটা টিক্ টিক্ করে, জানান দেয় সময়ের, কিন্তু.… মগ্নতার আবেশে, খেয়ালই থাকে না। এমনি করে লিখতে বসে, একদিন হঠাৎ মনে হল, কবিতার রাফ খাতাটায়, কেউ যেন উঁকি মারছে, উপহাস করছে। চশমার মধ্যে দিয়ে চোখ বড় বড় করে দেখি যেটা, সেটা কবিতা নয়, মনের কাল্পনিক ছবিগুলো, অক্ষর হয়ে পাশাপাশি বসে আছে,  আর অট্টহাসি দিয়ে বলছে, কল্পনা ও তোমার, অক্ষর ও তোমার, লেখনী ও তোমার,...

কবিতা :- মেহনতী মানুষের কান্না /কবি:- নীতা কবি

ছবি
কবিতা :- মেহনতী মানুষের কান্না কবি:- নীতা কবি শ্রমিক বন্ধু, ভাই!  তোমাদের কাছে ঋণী যে আমরা,তোমার তুলনা নাই। রক্ত-মাখা 'মে' দিবসের দিনে তোমাদের জানাই সেলাম অক্লান্ত পরিশ্রম করে পাওনা ন্যায্য দাম। বাঁচার জন‍্যে খেটে খাও তুমি, কাড়ো না কাহারো গ্ৰাস রক্তাঙ্গনে পড়ে থাকে দেখি তোমাদের শত লাশ। মেহনতী তোমরা, মুটে ও মজুর, অট্টালিকা গড়ো রাস্তার ধারে, ফুটপাতে থেকে শুধু ধুঁকে ধুঁকে মরো। ভবিষ্যৎ বলে কিছুই থাকে না, স্রোতেই গা ভাসাও বাবুদের মাথায় ছাদ তুলে দিয়ে দামী মাথাগুলো বাঁচাও। সমাজের যত অবহেলা আর বঞ্চনারই শিকার তোমাদের পেটে লাথি মারতে হয় না কারো বিকার। উঁচ-নীচ করে দেয়নি দয়াল, মানুষ গড়েছে ভেদ ভেদাভেদ থেকে মুক্ত করতে বাড়াও মনের জেদ। শিশু-শ্রমিকেরা পথে পথে ঘুরে শ্রমিকের কাজ করে কম টাকা দিয়ে কাজ পাবে বলে শিশুদের আনে ধরে। আট ঘণ্টার লড়াই হলো, তোমাদের হলো জয় অত্যাচার আর ক্রীতদাস প্রথা সেই দিনই শেষ হয় তবুও তোমরা শোষিত , পীড়িত, পায়ে পিষে যেতে চাই কারোর চেয়ে কম নও তুমি আমার মেহনতী ভাই।  কাগজ কুড়াবে তোমাদের ছেলে, ধনীরা চড়বে গাড়ী শিক্ষার পরশে মানুষ হয়ে গেলে কে ঠেলবে সভ‍্যতার গ...