পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছোট কবিতা সংকলন ০৪

ছবি
  পরিচয় ম্যাগাজিন অনু কবিতা ও ছোট কবিতা অনলাইন সংকলন ০৪ +৯১ ৬২৯১২২৭৮৯৭           helps.porichoy@aol.com প্রকাশের তারিখ- ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৩ কিছু ব্যক্তিগত কারণে এবং টেকনিক্যাল কারণে একটু দেরিতে প্রকাশ হলো আমাদের এই চতুর্থ তম অনু কবিতা ও ছোট কবিতা অনলাইন সংকলন কি, তাই সকল লেখক লেখিকা এবং পাঠকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। লেখাগুলি কোন নাম্বার অনুযায়ী বা নির্বাচন অনুযায়ী সাজানো নেই। সকল কবি লেখা খুবই সুন্দর, তাই এমন কিছু কেউ মনে করবে না।   কবিতার নাম | কবির নাম [ লুকান ]     এমনটাই থাক | স্বপ্না মজুমদার প্রেমটা না হয় অক্ষয় হয়েই থাক মিলন হলেই তো হলো অন্য রূপ প্রেম ভাষা পেল বেশ খানেক পরিপূর্ণতার ছোঁয়ায়! দীর্ঘ দিন একরকম অনুভূতি থাকে না, কখনো একঘেয়েমি বেশ চেপে ধরে আমি শুধু অটুট প্রেম খুঁজি যেটায় তুমি আমি বেশ ছিলাম স্বতস্ফুর্ত! ওই যে পাশাপাশি হাত ধরে পথ চলা, নয় তো আড় চোখে তাকানো বেশ অনুভূতি! আলটপকা ম...

রোদন ভরা বসন্ত | পীযূষ কান্তি সরকার

ছবি
গল্প...... "রোদন ভরা বসন্ত" পীযূষ কান্তি সরকার হাওড়া, হুগলী,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ        ছাব্বিশ বছর আগের সেই বসন্তের দিনটি আজও পলাশের মনে দাগ কাটে -- বয়ে যায় দীর্ঘশ্বাস। শিক্ষক জীবনের অবসরের প্রাক্কালে তারুণ্যের শেষপর্বের সেই দুঃখময় স্মৃতি নতুন করে জেগে ওঠে।     ব্যাক পেয়ে পাশ করে ঝাণ্ডা ধরার দৌলতে লঞ্চঘাটের বুকিং ক্লার্ক হল বাণ্টি। তুলনায় অনেক ভালো রেজাল্ট করেও পলাশ তখন প্রাইভেট ফার্মের জেনারেল সুপারভাইজার।      আশা ছিল কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের সাব অ্যাসিস্ট্যাণ্ট ইঞ্জিনিয়ার পোস্টের ফাইনাল লিস্ট -- শেষ পর্যন্ত সেখানেও নাম না ওঠায় মাথায় তার যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। ঘরেও টিকতে না পেরে পলাশ তখন রাস্তায়। পাড়ার মোড়ে বাণ্টি দু-তিনজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। পলাশের মুখোমুখি হতেই হাসি-মস্করা ভুলে সে সোজাসুজি বলে উঠল, "তোরা আবার স্ট্যাম্পমারা ভালো ছেলের দল! আমায় বললে তো তোর প্রেস্টিজ একেবারে পাংচার হয়ে যেত !" পলাশ শান্ত গলায় বলে ওঠে, " আমার সামনেই এই পরীক্ষা দেওয়ার কথা তোকে তো সৌম্য বলেছিল !" "তুই কি নিজে মুখে বলে...

সফরনামা | কুহেলী ব্যানার্জী

ছবি
গল্প...... "সফরনামা" কুহেলী ব্যানার্জী বীরভূম,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ                ট্রেনের হুইসেলটা বেজে উঠলো।  ছাড়ল ঠিক সাড়ে আটটা নাগাদ। পাক্কা কুড়ি মিনিট লেট। ট্রেনে চাপলেই জানলার ধারটা আর্যর চাই –ই। এই নিয়ে মিঠির সাথে প্রতিবারই একবার করে ঝামেলা বাঁধে। আজ অবশ্য সৌভাগ্যবশত সেটা আর হয়ে ওঠে নি। ওপাশের একটা জানলা মিঠি ও পেয়ে গেছে। ও আর মা দুজনে পাশাপাশি বসেছে। ট্রেনটা আজ একটু ফাঁকা ফাঁকাই। বড়দিনের ছুটিতে এবার আর কোথাও যাওয়া হল না। বাড়িতেই কাটাতে হবে। মায়ের স্কুল ছুটি থাকলে কি হবে বাবার অফিসে নাকি অনেক কাজ। ছুটিই পাবে না। গতবার  ওরা রাজস্থানে গেছিলো। দারুন জায়গা। সিনেমার পর্দায় দেখা সোনারকেল্লাকে স্বচক্ষে দেখার অনুভূতিটাই ছিল অন্যরকমের। ফেলুদার গল্পে পড়ার পর থেকেই আগ্রহটা বেড়ে গেছিলো যেন দশগুণ ।                    আর্য জানলার বাইরে তাকিয়ে ছিল।  গাছপালা, ঘরবাড়ি সব যেন সাঁই সাঁই করে ছুটছে। মাঠ ভর্তি পাকা ফসল। সর্ষের খেত এদিকে প্রচুর। মাঠকে মাঠ হলুদ হয়ে আছে। আগে নাক...

প্রকৃত শিক্ষা | সুমিতা চৌধুরী

ছবি
গল্প...... "প্রকৃত শিক্ষা" সুমিতা চৌধুরী  হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ      স্কুলে তুতুনের হাতের কাজ ভীষণ ভালো বলে, ওদের ক্লাসের সবাই তাদের যতো হাতের কাজের হোমটাস্ক সবই ওকে দিয়ে করিয়ে নেয়। তুতুনও বন্ধু হয়ে বন্ধুদের না বলতে পারে না কিছুতেই।     স্কুলের দিদিমণিরা যদিও তার এই পরোপকারী স্বভাবের জন্যই তাকে ভালোবাসেন এবং অবশ্যই তার কার্যগুণেও। পড়াশোনায় যেমনই সে ভালো, তেমনই সবরকম হাতের কাজে সে পারদর্শী। সে যা কিছুই করে খুব মন দিয়ে করে, মন দিয়ে শেখে। তার শেখার আগ্রহ সত্যিই শিক্ষণীয়। তাই সব স্যার ম্যামেরই সে একান্ত প্রিয়পাত্রী।         হাফিয়ার্লি পরীক্ষার সময়, ওয়ার্ক এডুকেশন পরীক্ষায়, দিদিমণি দেখলেন, সবার হাতের কাজ এতো সুন্দর সুন্দর হলেও, তুতুনেরটা নিতান্তই সাদামাটা। সবারটা করতে গিয়ে নিজেরটা ভালো মত করার সময়ই ছিল না যে তুতুনের।     কিন্তু দিদিমণির দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় তিনি সবটা বুঝে, তুতুন ছাড়া ক্লাসের আর কাউকেই ওয়ার্ক এডুকেশনে পাশ করালেন না।        যথারীতি রেজাল্ট দেখে স...

ছোট কবিতা সংকলন ০৩

ছবি
  পরিচয় ম্যাগাজিন অনু কবিতা ও ছোট কবিতা অনলাইন সংকলন +৯১ ৬২৯১২২৭৮৯৭           helps.porichoy@aol.com প্রকাশের তারিখ-  ১৮  ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ লেখাগুলি কোন নাম্বার অনুযায়ী বা নির্বাচন অনুযায়ী সাজানো নেই। সকল কবি লেখা খুবই সুন্দর, তাই এমন কিছু কেউ মনে করবে না।   কবিতার নাম | কবির নাম [ লুকান ]     মানুষ কল্পনা তে'ই বেশি সুখি! | তনুশ্রী মন্ডল "তোমাকে বলা হয় না এমন দু'চারটে কথাকে, গলা টিপে হত্যা করি আমি রোজ এখন এমন কয় একশো ব্যথাকে! খুব যে কঠিন কাউকে ভুলে যাওয়া এমনটা কিন্তু নয়, মাঝে মধ্যে মন খারাপ গুলো কে হয়তো একটু সবার থেকে লুকিয়ে নিলে'ই হয়! তুমি একদিন কাছে টানবে বলে তোমার পায়ের কাছে আমিও আর পড়ে থাকি না,  কারণ শত মানুষ আমাকে বুকের ওপর স্থান দিয়ে হঠাৎ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে! আমি শুধু তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি,  সাত পাঁচ জ্ঞান না করে ভালোবেসেছি বলে'ই ভালোবাসি! তুমি...

কার আশ্রয় কোথায় | রানা জামান

ছবি
গল্প...... "কার আশ্রয় কোথায়" রানা জামান গেটের ভেতরে গাড়িটা ঢোকার সাথে সাথে রিশিকা রহমান মুচকি হাসলেন। জিপটা পোর্চে ঢুকে থামলে শাফায়াত রেজাক মার দিকে তাকিয়ে বললেন, এখানে নামতে হবে, মা। রিশিকা রহমান বললেন, আজই আমাকে এখানে রেখে রাখি বাপ? শাফায়াত রেজাক বললেন, না, মা। তোমাকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছি। রিশিকা রহমান বললেন, আমি এখানে আগেও এসেছি। কেনো এসেছিলে, মা? দেখতে এসেছিলাম। শাফায়াত রেজাক জিপ থেকে নেমে এদিকে এসে দরজা খুলে বললেন, নামো, মা। আমরা আজকে এখানে ঘুরেফিরে ভালো করে দেখবো। রিশিকা রহমান গম্ভীর মুখে জিপ থেকে নেমে বললেন, কোনদিকে যেতে হবে? প্রথমে ভেতরে যাবো। এর ভেতরটা খুব সুন্দর। চমৎকার একটা বাগান আছে। জানি! যেনো শুনতে পায় নি এমনভাবে শাফায়াত রেজাক বললেন, এসো, মা। মাকে পাশে নিয়ে শাফায়াত রেজাক বৃদ্ধাশ্রমটির ভেতরে ঢুকলেন। বৃদ্ধাশ্রমটির নাম মায়ের কোল বৃদ্ধাশ্রম। স্ট্যাটাস ফোর স্টার! সেকারণে খরচ বেশ বেশি। ঐ শ্রেণীর বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য কোনো সমস্যা নেই। প্রতিটি কক্ষ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত; ডাইনিং রুম, মিনি অডিটোরিয়াম ও সম্মেলন কক্ষও শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। খাবার নিয়ে কোনো সম...