পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চির সবুজে ঘেরা বাংলা | এইচ.এম.সাজিদ

ছবি
কবিতা...... "চির সবুজে ঘেরা বাংলা " এইচ.এম.সাজিদ বাংলাদেশ   বাঙালি দেখেছো কী? কখনো-বাংলা'র রূপ প্রকৃতি- অপরূপে সৌন্দর্য ঘেরা! চিরসবুজ বঙ্গের লিলাভূমি! সবুজ-শ্যামল মাঠ-ঘাট-ক্ষেত- কী অপূর্ব মায়াবী চিরসবুজ  বাংলা!   বাঙালি হাসান কৃষকের ধান-শস্যের আবাদ ভূমি-  যতই দেখিবে ততই হবে'ই মুগ্ধ আঁখি ! স্বাধীন বাঙালি'র পতাকার মতোই কৃষকের ক্ষেতের লাল সবুজের তরমুজ! আহ্ কী স্বাদ!বাঙালি কবি'র মুখেই আর ভিনদেশি জনতার ধ্বনিতেই_চিরসবুজ বাংলায়!! বাঙালির গৌরব! হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-খ্রীষ্টান যতত্র কবি'র অহংকার কবি'র গৌরব- জাতির অহংকার-  চির সবুজ বাংলার গৌরব  জীবন-রক্ত কেনা এ ভূমিতেই সোনা ফলে!! দ্বীপ কুতুব গঞ্জের চাষি বেগম রোকেয়ার ক্ষেতে নানার শস্যদানা,কয়েরি রঙ্গে ভরা বেগুন আর লাল টমেটো- কাঁচা-মরিচ,ফুলকপি-বাঁধাকপি, আলু-মূলা  কত নানান বিচিত্র শস্যদানা-ফলফলাদি!  কেবল এ গঞ্জে নহে সারা বাঙলাতেই ফলে।।  বঙ্গের এসব বাংলার রূপসী কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ ও কবিতায় নাকি শুধুই পড়েছো আর শুনেছো জেনেছো! না__না__না,  কবিগুরু নিজে তো এ বাংলার ...

ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা | শংকর ব্রহ্ম

ছবি
প্রবন্ধ...... "ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা" (federico del Sagrado Corazón de Jesús García Lorca) কবি, নাট্যকার, এবং থিয়েটার পরিচালক শংকর ব্রহ্ম কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ                  ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা, তাঁর এই স্প্যানিশ নামের মধ্যে, প্রথম বা পৈতৃক উপাধি হল গার্সিয়া এবং দ্বিতীয় বা মাতৃ পরিবারের নাম লোরকা। ফেদেরিকো দেল সাগ্রাডো কোরাজন দে জেসুস গার্সিয়া লোরকা ৫ই জুন ১৮৯৮ সালে, দক্ষিণ স্পেনের গ্রানাডা থেকে ১৭ কিমি পশ্চিমে একটি ছোট শহর ফুয়েন্তে ভ্যাকেরোসে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা, ফেদেরিকো গার্সিয়া রদ্রিগেজ, গ্রানাডার কাছে উর্বর ভেগা (উপত্যকা) এবং শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি আরামদায়ক ভিলা সহ একটি সমৃদ্ধ জমির মালিক ছিলেন। গার্সিয়া রদ্রিগেজ চিনির শিল্পে উন্নতির সাথে তার ভাগ্যের উত্থান দেখেছেন। গার্সিয়া লোরকার মা ভিসেন্টা লোরকা রোমেরো ছিলেন একজন শিক্ষক।             ...

একলা জীবন | বাপী নাগ

ছবি
কবিতা...... "একলা জীবন" বাপী নাগ চাকদহ, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  আমি অন্ধকারের যাত্রী অধিক আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। আলোর সঙ্গী যে ছিলাম বহুদিন চারিদিকে আঁধার ছেয়ে যায়। একসময় পথ দেখিয়ে এসেছে আলোর দিকে ছুটেছি। খুঁজেছিলাম আলো পথ চলেছি তোমার সাথে হেঁটেছি। চোখ বন্ধ করে ছুটেছি পিছু পিছু  বলেছিলে পাশে থাকবে। আলো হয়ে পাশেই থাকবে তাই আমায় ভালোবেসে যাবে। প্রভাতে মিষ্টি আলো গায়ে নিয়ে শিউলি ঝরা পথে পথ চলে। মধ্য দুপুরের টানা রোদ্দুরে তুমি  আমায় কত কথা বলেছিলে। সেই বিকেলে মিষ্টি হাওয়ায় তুমি  আমার হয়ে বলেছিলে। হারিয়ে যাবে না কোনদিন সেইটা  আমি ভেবেছিলাম ভুলে। অপেক্ষায় যে চেয়ে থাকা হতাশা  নিরালায় আমি একা। তুমি এলে না হয়তো কোনদিনও  জীবন যে একা একা।

কীচক বধ | শিবব্রত গুহ

ছবি
প্রবন্ধ...... "কীচক বধ" শিবব্রত গুহ কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  মহাভারত, যা ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে চলেছে, সেই সুদূর প্রাচীনকাল থেকে। আমি আজ আপনাদের, মহাভারতের যে কাহিনী শোনাবো, তা মহাভারতের বিরাট পর্ব থেকে নেওয়া  হয়েছে। কৌরবেরা কপটতার আশ্রয় নিয়ে, পান্ডবদের পাশাখেলায় পরাজিত করে, তাঁদের, বারো বছর বনবাস ও এক বছর অজ্ঞাতবাসে পাঠায়। আবার এই অজ্ঞাতবাসের ব্যাপারে, এক কঠিন শর্ত ছিল। তা হল, এই এক বছর অজ্ঞাতবাস,  এমন ভাবে কাটাতে হবে, যাতে কেউ যেন পান্ডবদের চিনতে না পারে। চিনতে পারলেই, আবার পান্ডবদের বারো বছর বনবাসে কাটাতে হবে। বনবাসের বারো বছর,  তো, অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে, পান্ডবদের কাটলো। এবার অজ্ঞাতবাসের পালা। তাই, কোথায় কিভাবে গোপনে লুকিয়ে থাকা যায়, তা নিয়ে পান্ডবেরা, এক নির্জন স্থানে, বসে  পরামর্শ করতে থাকে। অনেক পরামর্শ করার পরে, তাঁরা, ঠিক করলেন, যে, নানা রকমের কাজ নিয়ে, মৎস্যরাজ বিরাটের রাজধানীতে,  এই এক বছর ছদ্মবেশে, কাটিয়ে দেবেন। যুধিষ্ঠির হবেন, বিরাটের সভাসদ, তাঁর নাম হবে কঙ্ক। ভীম হবেন পাচক, তিনি যে নামে পরিচিত হবেন, তা হল, বল্লব। ...

আমি ঋতু | সোনালী মুখোপাধ্যায়

ছবি
কবিতা...... "আমি ঋতু" সোনালী মুখোপাধ্যায় বলাগড়, হুগলী,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  পলাশ ফেলে স্বর্ণচাঁপা র মালায়  করবী বেঁধেছি আমি, এখনো মন ছুঁয়ে পুরনো প্রেমীকের   আহ্বান খানি, বসন্তের আকুল দীর্ঘশ্বাস...  ছলছল চোখ, উপেক্ষা করে  আমি তোমার দ্বারে,  তোমার রুদ্র বাহু বন্ধনে  নিজেকে আবদ্ধ করতে চাই আমি  প্রকৃতির আহবানে। জানি তোমার আগুন রাশি  আমাকে পুড়িয়ে ছারখার করবে, আমার ভালোবাসার স্বপ্ন নদী  শুকাবে দিবানিশি, মন কেমনের কুহু সুর  হয়ত কখনো বুকের মধ্যে  আগুন জ্বালাবে তপ্ত দুপুরে, আমি চেয়ে রবো নিশিদিন  তোমার নয়নে গহন অন্ধকারে।। হয়তো এখনো খুঁজে ফিরি আমি  আমার বসন্ত প্রেমিকেরে।   তাপ দগ্ধ অনলে তোমার বুকের মাঝারে।। আমি ঋতু | সোনালী মুখোপাধ্যায় লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান  👇 Check here 

সেই প্রভাতে নেই আমি | শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার

ছবি
গল্প...... "সেই প্রভাতে নেই আমি" শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  অসুখটা এবার বোধহয় সারবেনা। আর না সারলেও যদিও বিধাতাকে কোন দোষ দেবেন না তিনি। আশিবছরেও যদি সব কলকব্জা ঠিকমতই চলে তবে আর বয়স হবার কি মানে? এখনো সূর্যোদয়ের আগেই ঘুমটা ভাঙে নিয়ম করে। মুখহাত ধুয়ে বারান্দায় চেয়ার পাতা আছে সেখানে একটু বসে উপাসনা করেন । পুব অাকাশে লালিমার আলিম্পন দেখতে দেখতে মনটা স্বাভাবিক ভূমি ছেড়ে যেন ভূমাকে খুঁজতে বের হয়। এসময়টায় প্রতিদিন একবার তাঁর নবজন্ম হয়। ঋষিকল্প পরম সত‍্যজ্ঞানকে শুধু উপনিষদের পাতায় নয়, দীর্ঘজীবন ধরে নিত‍্য জন্ম -মৃত‍্যুর প্রবাহপথে উপলব্ধি করেছেন। মৃত‍্যুর এই ভয়ংকর সংহারী বিচ্ছেদ প্রকাশের জন‍্য নিজের এই একাকিত্বময় দীর্ঘায়ুটিকেই মাঝেম‍ধ‍্যে অভিশাপ বলে মনে হয়। কাল রাতে আবার জ্বর এসেছিল। মরসুম বদলের শিরশিরানি বয়ে আসছে দক্ষিণের বাতাসে। ধীর পায়ে ওপরের ঘর থেকে আস্তে আস্তে নীচে নেমে এলেন। আপাতত সবাই নিদ্রামগ্ন। এখন তাঁর আম্রবীথির পথটা ধরে খুব হাঁটতে ইচ্ছা করছে। একটি দিনের প্রাকসূচনার পরিবেশটি বড় মধুর। রাত্রির অন্ধকার আর দিনের প্রখরতার ম...

সামান্য | সোমনাথ মুখার্জী

ছবি
কবিতা...... "সামান্য" সোমনাথ মুখার্জী কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  সময়ের ঘাম মুছে রেখেছে বালিশ। আমার কথা তোমার ঠোঁটের আড়ালে। বুঝে না বুঝে থাকি। ফুল ফুটুক যেখানে ঘর প্রেমের। বসবাস এনে বসবাস গড়ে থাকি। শ্রী সোমনাথ মুখার্জী  ৫৬১/সি,লেক ভিউ পার্ক রোড,বনহুগলী, সোলারিস ফেজ-১, টাওয়ার-১, ফ্ল্যাট নম্বর -১০০৫, কলকাতা-৭০০১০৮ লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান  👇 Check here