পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দুগ্গী | পার্থ গোস্বামী

ছবি
দুগ্গী পার্থ গোস্বামী            কালিকাপুরের চাটুজ্যে বাড়ির বুনেয়াদী দুর্গা পুজো এলাকায় সর্বজন মুখরিত।বেশ ঘটা করেই মায়ের আরাধনা করা হয়।আর সেই গল্প বাগদী পাড়ার দুগ্গী দিম্মা বিপদতারিণীর কাছে ছোট থেকেই শুনে আসছে সাথে সেই অসুর নিধনের দুর্গা মাকে সাক্ষাৎ মনে মনে খোঁজে চলেছে।দুগ্গী এখন বেশ বড় বয়স বারো তাই এবছর পুজোর প্রথম দিনেই কৌতুহলী মনে নতুন পোশাকে চাটুজ্যে বাড়ির মন্দির দালানের উপর এসে দাঁড়ায়।এহেন কান্ডে টহলদার বিপিন খুড়ো চোখ বড়বড় করে এমা এ কি অনাসৃষ্টি!ছোটলোক তোর সাহস হয় কি করে দালানের উপর আসার?ওরে কে কোথায় আছিস এই ছোটলোক টাকে ধাক্কা মেরে নামিয়ে দে।সেদিন ওই ছোটলোক শব্দের মানে দুগ্গী বুঝতে পারে নি।বুঝার কথাও নয় কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এসে ও দিম্মা ও দিম্মা ছোটলোক মানে কি?তাদের কেন দালানে উঠতে মানা?দিম্মা কাঁদে না মা ওখানে আমাদের যেতে নেই। তুমি কাউকে কিছু না বলে গিয়ে ঠিক করো নি।এমন আর করবে না বলতে বলতে ছোট্ট দুগ্গী দিম্মার কোলে ঘুমিয়ে পড়ে।বেশ কটা দিন পর বৃষ্টিমুখর সেই রাত বিপিন খুড়ো বাগদী পাড়ার পাশেই বৌ নিয়ে থাকে হঠাৎ চিৎকার বাঁচাও বাঁচাও আ...

দুর্গা পাঁচালি | গৌতম সমাজদার

ছবি
দুর্গা পাঁচালি গৌতম সমাজদার পাশের বাড়ীর দূর্গা- সূর্য্য ওঠার আগে, ভাড়াবাড়ীর কলতলায়, এঁটো বাসনের সাথে। আজন্ম বিধবা ই দেখেছি, সারা শরীরে অপুষ্টির ছোঁয়া । হয়তো কোনো এক সময়ে গতর ছিল! পাড়ার জেঠিমা - কাকিমা রা বলে- নাহলে, গতর খেকো হবে কি করে? কেন অসময়ে হারালো সিঁদুর ? ঐ বয়সেই বিইয়ে ফেলেছিল চার- চারটে সন্তান !! স্নান সেরে তাদের গেলানোর কাজ। পাশের বাড়ীর দূর্গা- এরপর বহুতলের বাঁধা কাজের মাসী! অপুষ্টির শরীরেও বাবু দের চোখ- দু-চার বার নার্সিংহোম , ঘর। নষ্ট মেয়ে দূর্গা- তকমা তার ই গায়ে! তবুও বাঁচতে হয় দূর্গা দের, সন্তানের জন্য- বাঁচানোর তাগিদে। কত প্রকল্প , স্বনির্ভরতার নামাবলী প্রচারের ফানুষ- ফাটার আওয়াজ পৌছোয় না দূর্গা দের কানে। গায়ে জোটেনা নতুন জামা, সারা বছর চলে লজ্জা নিবারণের লড়াই।  পৌরাণিক দূর্গারা একাই পারতো

বেদনার সুর | বাপি নাগ

ছবি
বেদনার সুর বাপি নাগ ঢাকের কাঠির এই মিষ্টি দেশ নুতন আশায় বাঁধি বুক।  দুর্গাপূজা যে এবার হলো শেষ  সবার ইচ্ছে পূরণ হোক। পূজোর শেষ আজ চারিপাশে  ভাসান হবে যে ফাটাফাটি।  মা বলে,এবার বাড়ি ফিরে চলি বিজয়া হবে যে জমজমাটি। ঢাকের মিষ্টি আওয়াজ ছিল  পুজোর ক-দিন সারাক্ষণ।  বিদায়ের শেষ বেলায় মনে হয়  মা যেন থাকে কিছুক্ষণ। আজ যে মন্ডপে সিঁদুর খেলায়  মাটি লালে রাঙিয়ে যান।  আসছে বছর আবার পুজো হবে  সবাই তোমায় দেখতে পারে। পূজোয় সবাই কে ভালবাসা  বেদনার মুরে দুরে থাক।  জীবনে ভালো মনে কিছু আশা  সুখের স্মৃতি ফিরে পাক।

আমাদের ক্লাবের পূজো | নিতাই শর্মা

ছবি
আমাদের ক্লাবের পূজো নিতাই  শর্মা দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনে,  ঈশ্বরের আবির্ভাব নিখিল ভুবনে। অশুভ শক্তির বিনাশের তরে, ঈশ্বর শুভ শক্তিকে জাগ্রত করে।   একদা  মহিষাসুরের অত্যাচারে, স্বর্গ মর্ত্য পাতাল কাঁপে থরে থরে। স্বর্গের দেবতারা পলায়ণ করে,  আসেন  ত্রি দেবতার দরবারে। দুর্দন্ড প্রতাপ  মহিষাসুর বধিবারে, দেবগন মা দুর্গাকে সৃষ্টি করে। নানা অস্ত্রে সজ্জিত করে মাতারে, মহারণে মহিষাসুরকে বধ করে। সপ্তমী অষ্টমী নবমীতে মায়ের মহারণ, দশমীর শুভদিনে করেন অসুর নিধন। অশুভ শক্তির বিনাশ দশমী দিনে, বিশ্বব্যাপী জনগনে শুভ বিজয়া মানে।

অসুরসংহারিনী | হীরামন রায

ছবি
অসুরসংহারিনী হীরামন রায় "সিংহের পিঠে চেপে          রনংদেহি রূপে               দশ হাতে দশ অস্ত্র নিয়ে মা। মোষের পেটটি ফেঁড়ে       অসুর আসে তেড়ে               বাজে দুন্দুভি শুরু যুদ্ধের দামামা।।   কাঁপে ধরা থরথর            ভয়ে সব জড়সড়              এ প্রলয়ে নেই কারো নিস্তার।  স্বর্গ মর্ত্য পাতাল             এই বুঝি যায় রসাতল              দেবতা নরে স্তব করে ইষ্টদেবতার।। নীল আকাশের কোলে      যুদ্ধ নিনাদ ভুলে                এই রণে কে উড়াবে বিজয় তোরণ। শঙ্খ ঘন্টা উলূধ্বনী           ঢাকের বলে জয়ধ্বনী               আজ বাদে কাল মায়ের হবে বোধন।।   লম্ফঝম্ফ নাই কূলাকূল   হঠাৎ মা ...

পুজো | জীবন সরখেল

ছবি
পুজো জীবন সরখেল বছরভর সব থাকি মাগো তোমারই পথ চেয়ে খুশির সীমা থাকে না তাই তোমায় কাছে পেয়ে। তোমার মতো প্রিয়জন আর মোদের কে আর আছে দুঃখ কষ্ট সব ভুলে যাই তোমায় পেয়ে কাছে। অন্নকষ্ট আছে যাদের তাদের তুমি দেখো দুবেলা দুমুঠো ভাতে সবকে সুখে রেখো। ঝগড়া ঝাটি অশান্তিতে অকারণ না জড়াই  সবাই থাকি মিলে মিশে পৃথিবীতে এক ঠাঁই।

উমা ও উমারা | সুমিতা চৌধুরী

ছবি
উমা ও উমারা  সুমিতা চৌধুরী  এক উমা আসার অপেক্ষায়,   কত-শত উমা প্রহর গোণে। একচালার সপরিবারের উমার জন্য,   একঘেয়েমি যাপন ছেড়ে উৎসবেরই স্বপ্ন বোনে। এক উমার ঘরে ফেরার বার্তায়,  কত উমা সন্তানের পথ চেয়ে থাকে। কতো না ভালো-মন্দের পসরা সাজিয়ে,  ক্ষণিকের সুখ যাপনের ছবি আঁকে।  এক উমার বাপের বাড়ি আসার তোড়জোড়ে,   কত উমা ফেলে আসা আঙিনার স্মৃতিতে ভাসে। ছেলেবেলা দেয় যেন মনেতে ফেরারী ডাক,  কাঙ্ক্ষিত ছুটির অবসরে পরিবারের সান্নিধ্যে এসে।  এক উমা যখন যত্নে-আতিথেয়তায় ভাসে, চারিদিকে খুশির রোশনাই জ্বেলে।  তখন শত উমার মেনকা মাও,  আপন উমার সুখের লাগি দেয় নিজ প্রাণটি ঢেলে। এক উমার বিদায়কালে যখন, ফাঁকা মণ্ডপ অশ্রু বিসর্জন করে। তখন এমনই শত উমার বিদায় লগণে,  বিরহের ক্রন্দন রোল ওঠে প্রতি ঘরে ঘরে। যাপনের চৌহুদ্দিতে আবার শুরু হয়   আগামীর পথ চাওয়া, এক উমার সাথে মিলেমিশে একাকার হয়   শত উমার অপেক্ষায় তরী বাওয়া।। 

দেবী দুর্গা | অভিজিৎ দত্ত

ছবি
দেবী দুর্গা অভিজিৎ দত্ত  পুরাকালে দেবী দুর্গা রণরঙ্গিনী রূপে অসুরকে করেছে বধ  অথচ আমাদের জ‍্যান্ত দুর্গা আজ  অসুরদের হাতে ক্ষত বিক্ষত হয়ে হচ্ছে শব।    জ‍্যান্ত দুর্গারা চিরকাল  দিয়ে যায় শ্রম  তাদের কথা সমাজে  ভাবে কয়জন? জ‍্যান্ত দুর্গার থেকে মুখ ফিরিয়ে মাটির দুর্গাকে যারা পূজো করে তাদের উপর সত‍্যিই কী মা দুর্গা কৃপা করে ? তাই মা দুর্গার রূপ ধরে যে মেয়েরা আছে  আমাদের ঘরে ঘরে  তাদের নাও যত্ন ভালো করে। পূরণ করো তাদের স্বপ্ন  দেখবে সুযোগ পেলেই ঐ মেয়েরাও যেমন দুর্গা হতে পারে অসুরদেরও তেমন জব্দ করতে পারে।

দুর্গা জয়া উমা | শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
দুর্গা জয়া উমা শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়  শিবের পত্নী দুর্গা মাতা রূপ যে নানা তাহার  হলেন তিনি জগৎ মাতা সুখের তিনি বাহার। সবার ভাগ্যে তাঁর আশীষে জোটে পেটের আহার ভক্তি শ্রদ্ধা রাখলে পরে করুণা রয় যাহার। দুর্গা উমা জয়া গৌরী নানা নামে ডাকে মা বলে যে আমরা ডাকি বিপদকালে তাকে। রাজার কন্যা দেবী হয়ে হলেন শিবের সাথী আগমনে মর্ত ধামে আমরা সবাই মাতি। অসুর বধে দেবী হলেন দশভুজা মাতা বিপদকালে তিনি ধরেন সুরক্ষার সেই ছাতা। দয়া জ্ঞানে সমৃদ্ধ হই আমরা মায়ের কাছে জীবন জুড়ে তাঁহার উপর সেই ভরসা আছে। রামায়ণের অযোদ্ধ্যা রাজ করলে পূজা যখন কমল আঁখি দেবেন তাঁকে স্থির করেন তখন। মায়ের আশীষ পেয়ে তিনি রাবণ পরে মারা আগমনি গানে ভুবন মেতে ওঠে সারা। সুভাষ বসু জগদ্ধাত্রী পূজা করেন তিনি মায়ের উপর ভরসা একটু রেখেছিলেন যিনি। গৌরী হয়ে সবার মাঝে বিরাজ যে মা করেন লক্ষ্মী হয়ে করুণা তাঁর ভুবন মাঝে ধরেন।

নীরব শারদীয়া | কাজল মৈত্র

ছবি
নীরব শারদীয়া কাজল মৈত্র বাঁধের জলে ডুবে যায় পা বোধনেই যেন বিসর্জন নামে সর্বনাশা জলে ভেসে যায় নৈবেদ্যর থালা রাত জাগা ফুল বাসি হয়ে ঝরে উৎসব আজ বিষাদ যেন একাকী দূর্গা হতাশ অসুর ম্লান হয়ে যায় গোধূলি কাশফুল ভেসে যায় প্রান্তের জলে হারিয়ে যায় উৎসব ঘোলাটে জলে ফাঁকা প্যান্ডেল কিনারায় সংসার মাঝ দরিয়ার ঢেউ আঘাত হানে ভাঁজ করা দূর্বাদল ঘুমন্ত একপাশে আকাশের চাঁদ মিটিমিটি বলে এবারের পূজো বিসর্জনেই শুরু হয়ে যাক।

শারদীয়া,১৪৩০ | শান্তনু ঘোষ

ছবি
শারদীয়া,১৪৩০ শান্তনু ঘোষ  দুয়ারে আজ এসেছে কী কেউ! বাতাসে হাসে গাছের সবুজ পাতা  নীলাকাশে শুভ্র মেঘের খেলা শিউলি সুবাস কাশের টানে  বুকে লাগে হাজার ঢেউ আগমনী দু'চোখে আঁকে স্বপ্ন। শিশির ভেজা ঘাসের বুকে পড়েছে দু'পায়ের চিহ্ন ধানের শীষে রঙ লেগেছে একরাশ আনন্দে হৃদয় নাচে  ঢাকের তালে। ভুলে যা যত হিংসা বিবাদ ওরে ও সাজা বরণডালা গলায় পড়া অপরাজিতা  অষ্টমীতে একশো আট নীল পদ্ম  পঞ্চ প্রদীপে সন্ধ্যা আরতি  এক সুরে বাজুক মঙ্গল শঙ্খ । মা এসেছেন আমাদের ঘরে বাঙালি আত্মহারা ধরিত্রী হয় স্বর্গ।

দুগ্গার শপথ | মানস দেব

ছবি
দুগ্গার শপথ  মানস দেব   দুগ্গা আসবেন বাপের বাড়ি  ফেসিয়াল করছেন মুখে  রাস্তা - ঘাটের অসুর গুলোর  ত্রিশূল হানবেন বুকে ।  লক্ষ্মী - সরস্বতী যায় না স্কুলে  পূজোর আনন্দে মেতে  কার্তিক -গনেশ ছোটে হেথাহোথা  লক্ষ্মী দর্শন পেতে ।  ভোলে বাবার ভীষণ দুঃখ  বয়স হয়েছে মেলা  তরতাজা অসুরেরা ডন মারছে  খেলতে ফাইনাল খেলা।  উড়ন চণ্ডীতলার মাঠের দুগ্গা  ত্রিশূল হাতে চাতালে  ম্যান -অফ - দ্যা ম্যাচ হবে এবারও  অসুর যাবে পাতালে।

কবিতা | চাওয়া পাওয়া | সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন

ছবি
কবিতা...... "চাওয়া পাওয়া " সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন  পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  আকাশ দিগন্তে দিয়েছে মুক্তি মোর  বাতাস প্রবাহের ধারাবাহিকতা, নদী দিয়েছে প্রবল স্রোতের জোর  রাত্রিতে জ্যোস্নার স্নিগ্ধতা । মাঠের কাছে পেয়েছি সজীবতা  ঘাটের কাছে স্নানের জল, মাটির কাছে পেয়েছি মানবিকতা গাছের কাছে ফলের বল । বুলেটের কাছে চেয়েছি প্রাণের ভিক্ষা  ভন্ড রাজার কাছে ভাতের চাল , জীবনে যে নয় বইতে চেয়েছি শিক্ষা  নিজেরই হাতে বুনেছি বেড়াজাল । আরাম-কেদারে বসে চেয়েছি যুগান্তর  বর্ডারে নয় বাড়িতে চেয়েছি দীক্ষা , পর্দার আড়ালে চেয়েছি দুর্ভিক্ষের অন্তর  ভ্রান্তনাতে করেছি অপরকে পরীক্ষা। ভুলিয়ে প্রকৃতির অকৃত্রিম প্রেমের আঁচ  সময়ের গতিতে ফিকে নদীর বেগ  চেয়েছি হাতে কৃত্রিম মায়া জড়িত কাঁচ  আকাশে মেঘ জমলেও জাগে না আবেগ । মস্তিষ্কের কাছে চেয়েছি কেবলই ভার মনোরঞ্জনে প্রতিবেশীদের হাহাকার- তবুও বলি অতি সাধারণ কি চাইবো আর? ভাগ্য ধরে দিও করে পারাবার।  অফুরন্ত দান দিয়েছে জীবন তবুও  মিটে নাকো যে অস...

কাব্য নাট্য | দ্রৌপদীর আক্ষেপ | হীরামন রায়

ছবি
কাব্য নাট্য...... "দ্রৌপদীর আক্ষেপ" হীরামন রায় রানাঘাট,নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব  দ্রৌপদী:: আমি দ্রৌপদী হ্যাঁ আমি দ্রুপদ কন্যা দ্রৌপদী, হে অর্জুন, হে পান্ডব কুলের শ্রেষ্ঠ বীর,  তুমি বীরশ্রেষ্ঠ সমগ্ৰ মহা ভারতের । তোমার শৌর্য বীর্য, তোমার তেজ গাম্ভীর্য, তোমার রূপ,  তোমার অস্ত্র সঞ্চালন কৌশল, ধনুর্বিদ্যায় তুমিই শ্রেষ্ঠ তীরন্দাজ, তোমার বলশালী প্রবল শক্তির লক্ষ্যভ্রষ্ঠহীন বর্ষা নিক্ষেপণ, আমাকে তোমার প্রতি দুর্বল করেছিল‌‌। তাই তো তোমাকে সেই স্বয়ম্বর সভাস্থলে সেই প্রথম দেখামাত্রই  যৌবনের বারাণসীতে প্রেমের ঝরনাধারা প্রবাহিত হতে শুরু করে,  সেইক্ষণে মনের সংগোপনে তোমাকেই ভালবেসেছিলাম পার্থ। কর্ণ কি পারতো না ধনুকের গুণ পরাতে, কর্ণ কি পারতো না  জলের উপর প্রতিফলিত ঘুর্ণায়মান মৎস্যের চোখে  ...

নাটক | মহাদেবের মান ভঞ্জন | ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল

ছবি
নাটক🎭...... "মহাদেবের মান ভঞ্জন" ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল বড়জোড়া, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  ● চরিত্র লিপি ▪︎ পুরুষ   ১. মহাদেব - দেবাদিদেব। ২. কার্তিক - ঐ পুত্র। ৩. গনেশ - ঐ পুত্র। ৪. কংসনারায়ন - রাজা। ▪︎ স্ত্রী ১. ধরিত্রী - মাতা। ২. দুর্গা - দেবী দুর্গা। ৩. লক্ষী - ঐ পুত্রী। ৪. সরস্বতী - ঐ পুত্রী।