পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পরিচয় অ্যাওয়ার্ডস - ০৩

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ সম্মাননা "পরিচয় ম্যাগাজিন" ১৬|২|২৪ থেকে ২৬|২|২৪   দর্শকের বিচারে লিস্টটা তৈরি করা হয়েছে স্বাগতম! আমি সুখের সাথে আপনাকে আমাদের " পরিচয় "  অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ এ অসাধারণ কর্মের জন্য অভিনন্দন জানাতে খুশি। আপনার উদ্ভাবনী চিন্হ, সৃষ্টিশীলতা, এবং অবদানের মাধ্যমে আপনি সফলতা এবং সম্মানের প্রাপ্ত হন। এই সার্টিফিকেট আপনার সফলতা ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধাশীলতা প্রকাশ করে। আমরা আশা করি আপনি এই সাফল্যের পথে অগ্রসর থাকবেন এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে আরও অবদান রাখবেন। শুভেচ্ছার সাথে, পরিচয় ম্যাগাজিন  ( নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন) ০১॥ একুশগাঁথা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ডাউনলোড লেখাটি পড়ুন ০২॥ মাতৃভাষা বাংলা | রবিন রায় ডাউনলোড লেখাটি পড়ুন ০৩॥ খোকা.... ঘরে | প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস ডাউনলোড লেখাটি পড়ুন ০৪॥ আ...

মাতৃভাষা বাংলা | রবিন রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "মাতৃভাষা বাংলা" রবিন রায় আমডাঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগণা,,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত  শৈশবে যখন অবোধ আমি, জানতাম না কোনোকিছু ; মায়ের মুখে কিছু আনকোরা - শব্দ শুনে হতাম কাচুমাচু।  মায়ের মুখটি পানে চেয়ে রইতাম, অদ্ভুত বিস্ময়ে খালি তা শুনতাম।  ধরেছি স্মৃতিতে একে একে, কিছুটা ঈশারায় আবৃত্তিতে ; বাকিটা নিত্য ঘটনা সাপেক্ষে - সম শব্দের পুনঃপুনরাবৃত্তিতে। আয়ত্তে আসে ভাব প্রকাশের তরে, উচ্ছ্বসি আমিও আধো আধো করে।  ধ্বনিতে ধ্বনি মিলে  পূর্ণ হয় শব্দ ; অস্ফুট সে আওয়াজ শুনে  মা হন আনন্দে স্তব্ধ!  "এই তো আমার সোনা বলছে কথা, সত্যি শুনে লাগছে কি যে প্রসন্নতা !" দিন ক্রমে স্বর থলি - পূর্ণ হলো যার প্রভাবে,  সেই প্রথম শিক্ষিকা - মা ছাড়া ভিন্ন নয় ভবে। পরিব্যক্তে ব্যক্ত করতে বুকের আশা, মা'ই শেখালেন পরম স্নেহতে ভাষা।  মায়ের মুখে উচ্চারিত - মধু বানী বুকে বেঁধেছে বাসা ; আমি কথা বলি, স্বপ্ন দেখি- যে ভাষাতে, তাই মাতৃভাষা। বাংলায় কথা বলে সুখ পাই মেলা, গর্ব এই, আমার মাতৃ ভাষা বাংলা।  ভিন্ন ভাষা যদিও জানি- বাংলায় দুঃখে বকি প্রলাপ...

একুশগাঁথা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "একুশগাঁথা" প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় কোলকাতা, হাওড়া,পঃবঙ্গ,ভারত ওরে, প্রাণের মানের একুশ ডাকছে আয়, সপ্তসুরে মনভরে পাখিরা কত গান গায়! মনে করি না সেই ভাষার প্রতি সম্মান কথা, যেথা রফিক, সালাম, বরকতের রক্তে গাঁথা | জব্বার, শফিউর মাঝারে নীরবে বলি আরও কত প্রাণ, অশ্রু লয়ে রক্ত বয়ে গর্বিত মোদের বাংলা ভাষার মান | একুশ ফিরিয়েছে মুক্ত প্রান্তে হৃদয় বীণায় মনুষ্য হুঁশ, যারা সেবন করেনি কলসিপূর্ণ অসত্য লালসার হিংসার ঘুষ | আমি বাঙালী একুশের টানেই শিরায় শিরায় আমার অহংকার--  স্বার্থ ত্যাগে দেশকে বাসব ভালো, এ হেন চিরকালের অঙ্গীকার মা বলে শুদ্ধ-কোমলে, সজলে-কোলাহলে, ডাকি মাগো, ভোরের শিশিরে বেদনার গভীরে আসন্ন জয়ের অশ্রু জাগো | মাটির টানে জীবন দানে শহীদ- মেলায় তব নমি, রক্ত স্নানে শান্তির গানে অবসরে ধ্বনিত স্নেহের পুন্যভূমি | ছিনিয়ে নাও তব অধিকার, যা কন্ঠের দাবীদার, হিংসা কেটে যুদ্ধ ঘেটে খুঁজে আনি সত্যভান্ডার | ঝরেছে উদাসীন কুঁড়ি, নড়েছে সহ্যের গুঁড়ি , দুঃখ ভুলে, সুখের দুয়ার খুলে স্মরণের হাওয়ায় ঊড়ি | শহীদ স্মরণে ভাষার বরণে শ্রদ্ধালুন্ঠিত ম...

আমার ভাষা | আব্দুল রাহাজ

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ গল্প...... "আমার ভাষা" আব্দুল রাহাজ বসিরহাট , উঃ২৪পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ          প্রতিবছর সুবলদের গ্রামের পাঠশালায় ভাষা দিবস পালিত হয়। সে বছর ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়েছিল সুবল ও তার বন্ধুরা সাথে ছিল গ্রামের পাঠশালার শিক্ষক শিক্ষিকারা। শুরু হয় স্কুলে প্রতিদিন টিফিন বেলায় ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। গ্রামের পাঠশালার শিক্ষক অরুণ মিস্ত্রি ওদের সাথে ছিল সর্বসময়। সেদিন সন্ধ্যাবেলা সুবলদের বাড়িতে এসেছিল ওর সহপাঠীরা । তারপর সুবলের ঘরে গিয়ে দেখল ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান কিভাবে ভালো করে করা যায় তা নিয়ে জানালার ধারে বসে পরিকল্পনা করছে। সুবলের সহপাঠীদের অনেকদিন পর আসতে দেখে সুবলের মা গরম গরম চা ও সন্দেশ তৈরি করে বাড়িতে। এদিকে সুবলের ঠাকুমা সহপাঠীদের দেখে সুবলের ঘরে গিয়ে বসল এক কোনার দিকে। তারপর সুবলের ঠাকুমা বলল কি ব্যাপার মনে হচ্ছে কোন একটা বড় কাজ এর দায়িত্ব তোমরা পেয়েছো। তখন সুবল বলে ওঠে হ্যাঁ ঠাকুমা সামনেই তো ভাষা দিবস তাই স্কুলে আমাদের দায়িত্ব পড়েছে। অনুষ্ঠানটি কীভাবে করা যায় তার পরিকল্পন...

একুশ মানে | অধীর কুমার রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "একুশ মানে" অধীর কুমার রায় বহরমপুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ একুশ মানে মায়ের ভাষা দুঃখ দিনের কথা। একটি গোলাপ ফুটবে বলে রক্ত স্রোতের ব্যথা। একুশ মানে ঠোঁটের হাসি বাংলা উচ্চারণ। শিশির ভেজা গ্রাম এবং  ডালের বড়ির উঠোন। একুশ মানে গানের সুর ভাষার ডানায় উড়া। মায়ের কোলে ছোট্ট শিশুর স্বাধীন স্বপ্নে ঘোরা। একুশ মানে আমার ভাষা বাংলা বর্ণে লেখা। একুশ মানে ভালোবাসা যুদ্ধে বাঁচা শেখা। একুশ মানে স্বাধীনতা হাহা করে হাসা। পাঠশালা আর নদী নালা বাংলা ভালোবাসা। কবির পরিচিতি: অধীর কুমার রায় মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা স্বর্গীয় অশ্বিনী কুমার রায়, মাতা স্বর্গীয়া পদ্মাবতী রায়।তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. বি. এড সম্পন্ন করেন। পেশা হিসেবে তিনি শিক্ষকতাকে বেছে নেন। তিনি বর্তমানে “বহড়া আদর্শ বিদ্যাপীঠ”এ(উঃ মাঃ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক। তাঁর নেশা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি। ইতিমধ্যে তিনি সফলতার সঙ্গেই বাংলাদেশ, ভারতসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বাংলা পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন। কবিতা, ছড়া, অনুগল্প এবং ছোটগল্পে তিনি জনপ্রিয়...

মায়ের ভাষা | ইয়াহইয়া আহমেদ মাঝারভূইয়া

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "মায়ের ভাষা" ইয়াহইয়া আহমেদ মাঝারভূইয়া হাইলাকান্দি, আসাম, ভারত মায়ের কোলে জন্ম মোদের পিতা ছিলেন ঘরের গাছ, পিতা মাতার আদর সোহাগ শৈশব কালের কণ্ঠের নাচ।। ছোট্ট ছিলাম যখন মোরা নানান কথার হাসির বোল, বিশ্ব মাঝে এই সমাজে পিতা মাতার নাহি তোল।। শিক্ষা পেলাম মায়ের কাছে প্রথম দিনের মাতৃভাষ, সেই দিন থেকে শুরু হলো বাংলা ভাষার বীজটা চাষ।। বাংলা ভাষার বর্ণ শুরু অ,আ,ক,খ,প্রথম দিন, শিক্ষক দিলেন মহাগুরু ইস্কুলেতে বাজল বীণ।। প্রাণের ভাষা বাংলা ভাষা মধুর সুরে গাই যে গান, বাঁশির সুরে সুর মিলিয়ে সবাই মিলে দেই যে টান।। সেই ভাষাতে আমরা তখন বাংলা মাটির গানটা গাই, বাংলা ভাষার ভাটিয়ালি বিহুর গানে শান্তি পাই।। কবির পরিচিতি : কবি ইয়াহইয়া আহমেদ মাঝারভূইয়া এর জন্ম ০১ জানুয়ারি ১৯৯৬ সালে আসামের হাইলাকান্দি জেলার সামারিকোনার দক্ষিণে অবস্থিত একটি গ্রাম, এই গ্রামের নাম সুদর্শন পুর ২য় খণ্ড ( নোয়াগ্রাম নামে পরিচিত) আমার গ্রামের পরিচিতি নাম হলো (মদন) নামে সবাই চিনে । পিতা মৃত মৌলানা মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মাঝারভূইয়া ও মাতা হাফছা ...

মাতৃভাষার জয় | শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ নাটক...... "মাতৃভাষার জয়" শুভব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত চরিত্র –  বৃদ্ধ ১ বৃদ্ধ ২ ছেলে ১ ছেলে ২ ছেলে ৩ ছেলে ৪ ছেলে ৫ স্থান – চায়ের দোকান      মঞ্চের এক কোণে কিছু ছেলে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছে। অন্য দিকে দুজন বৃদ্ধ গাছের তলায় বসে আছে। বৃদ্ধদের ওপর আলো ফেলা হতেই। বৃদ্ধ ১ – বুঝলে ভায়া, আজকাল সমাজে কেউ আর বাংলা ভাষায় কথা বলতে চাইছে না। হয় ইংরেজি নতুবা হিন্দি। আমাদের মাতৃভাষার মুল্য এখন প্রায় নেই বললেই চলে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুকুমার রায়, কুমুদ রঞ্জন সবই ইতিহাস। বৃদ্ধ ২ – একদম ঠিক কথা বলেছো ভায়া। ব্যাঙ্ক, পোষ্টাফিস যেখানেই যাও না কো, হিন্দি ভাষী লোকেদের প্রাধান্য বেশী। বাঙালী যে কটা আছে প্রায় হাতে গুনে। বৃদ্ধ ১ – তারা আবার কেউ বাংলায় কথা বলবেন না। তাদের হিন্দি ভাষাতেই কথা বলতে হবে। ইংরেজিও চলবে না। বৃদ্ধ ২ – আমাকে বাবা শিখিয়ে দিয়েছিলেন কোন একটা কথা বলতে গেলে “হেয়” শব্দ যোগ করে দিলেই সেটা হিন্দি হয়ে যেতো। এখন সেই প্রসেসে কথা বলতে গিয়েও দেখেছি, ওরা বলে, আপ হিন্দি মে বাত কিজিয়ে। তোরা বাংলা দেশে বসে আছিস, আর বা...

আমার মাতৃভাষা | দীপক রঞ্জন কর

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "আমার মাতৃভাষা" দীপক রঞ্জন কর চিনাইহানি,ত্রিপুরা,ষ্ট্র,ভারত  যে ভাষায় বলি প্রথম ছড়া, এ ভাষাতে আমার পদ্য পড়া। মায়ের ভাষাতেই হৃদয় ঘেরা বাংলা ভাষাই আমার সেরা। রবী ঠাকুরের পদ্য ছড়ায় বাংলার ছন্দ কথা কয়। বাংলা ভাষায় গীতাঞ্জলি করলো যে ''নোবেল'' জয়। দুই দেশের জাতীয় সংগীত  বাংলা ভাষায় গীত হয়, এ ভাষাতেই কবি গুরুর বিশ্ব মাঝারে পরিচয়। কবি নজরুলের কবিতা গানে বাংলার আবেগ প্রকাশ আনে, বঙ্কিম চন্দ্রের বাংলা উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে স্বর্ণ ইতিহাস। কথা শিল্পী শরৎচন্দ্রের লেখা পাঠক হৃদয়ে আঁকেন রেখা, মায়ের ভাষাতেই স্বপ্ন দেখা এই ভাষাতেই বাস্তব শেখা । বিদ্যাসাগর রচিত"বর্ণপরিচয়" বাংলা ভাষায় আনলো জয়, বাংলা যে ভোরের সুর্যোদয়, সে ভাষাতে আমার সন্ধ্যা হয়। রূপসী বাংলার জীবনানন্দ মুগ্ধ করে কাঁঠালি চাঁপা গন্ধ, কবি জসীমউদ্দীনের পল্লী ছন্দ বাঙালি মনে জাগায় আনন্দ। মাঝি মাল্লার ভাটিয়ালি গানে বাংলা ভাষাই সাদর প্রাণে, বাউল সঙ্গীতের সুরের তানে মধুর শ্রুতি আনলো কানে। মনের যতো আহ্লাদ -আশা মেঠায় খুদা মেটায়...

মায়ের মুখের মাতৃভাষা | সুদীপ্ত দে

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "মায়ের মুখের মাতৃভাষা" সুদীপ্ত দে সোদপুর ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত  কতোদিন গেছে কেটে রয়েছি আমি বিদেশ বিভুঁই হয়ে কতোকাল হয়নি শোনা বাউল ফকিরের একতারা। গেছে দিন কতো বয়ে শুধুই বিদেশী মরীচিকার পাছে ধেয়ে।  বড়ো ক্লান্ত আজ, ফিরতে চাই "মা" তোমার শীতল কোলে। দেখিনি কতোকাল পলাশ শিমুলবাহার, শুনিনি কতোকাল কোকিলের মধুর গান। কতো যুগ পড়িনি "আমার রবীন্দ্রনাথ" দৃষ্টির আড়ালেই রয়েছ মায়ের ভাষা আমার। আজ আমি বড়োই ক্লান্ত, স্প্যানিশ, ফরাসিতে দিন অতিক্রান্ত। এবার ফিরবো "মা" তোমার ঘরে, সেই মাটির কুঁড়ে, ফেলে আসা কৈশরে, সেই সহজ পাঠ, আবোল তাবলের দেশে,  সেই শ্যামলী বসুন্ধরায়, স্নিগ্ধ তটিনীর তীরে। দিন তো গেছে কতো বয়ে, প্রবাসে চেরির সুবাস আর বাইবেলের স্তব শুনে। সে সব আজ বিরক্তিকর। হাঁফ ধরেছে প্রাণে, ফিরবো এবার ওই মাটির টানে। কতো প্রেম, কতো স্নেহ, কতো আদরের মায়ের ভাষা প্রাণ জুড়ে দক্ষিণ হাওয়া, মুক্তি আমার বাংলা ভাষা। তোমায় ঘিরে কাব্য লেখা, তোমায় নিয়ে সুর বাঁধা  তোমার মাঝে রক্ত স্মৃতি, তুমি মোর একুশে ফেব্রুয়ারী। মনের মুক্তি তোমার ...

রক্তে রাঙা বাংলা ভাষা | উদয় নারায়ণ বাগ

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "রক্তে রাঙা বাংলা ভাষা" উদয় নারায়ণ বাগ চাকদহ, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  বুকের রক্তে রঙিন হয়ে  পেলাম ভাষা ভাই,  প্রিয় ভাষার অম্ল সুবাস  ভুলতে পারি নাই। শিরের উপর রাখি তারে  গায়ি জয়ের গান, চলার পথের প্রতিপদে  তারই করি মান। বাংলা আমার প্রাণের ভাষা  জ্ঞানে ভরা কূল,  বিশ্বের চূড়ে উড়ে দেখো  বাংলা মায়ের চুল। ভাষার গাঙে খুঁজতে মধু এসো সবাই যাই  অনেক মিঠা স্বাদ গো মধুর  পরানে সুখ পাই। আকাশ বাতাস চন্দ্র তারায়  বাংলা ভাষার নাম, হৃদয়-ভূমে প্রীতি দিয়ে  রাখি অবিরাম। কবির পরিচিতি: কবি সাহিত্যিক উদয় নারায়ণ বাগ ২৮ জুলাই ১৯৭৯ সালে বাঁকুড়া জেলার নোয়াডিহি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছেন। পিতা- ময়ূরকণ্ঠ বাগ, মাতা- শেফালী বাগ। ছোটোবেলা থেকেই তিনি ছড়া,কবিতা,গল্প প্রবন্ধ, লিখতেন তার বাবার সাহায্য নিয়ে, উনার প্রথম একক কবিতার বই - "হিমের পরশ ",দ্বিতীয় একক কবিতার বই "" ছন্দের রামধনু ""। এছাড়া উনার অনেক অনেক কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ নানান কাব্য গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে "হিমে...

আন্দামানে বাংলা মাধ্যমের দৈন্যদশা | সামসুজ জামান

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ প্রবন্ধ...... "আন্দামানে বাংলা মাধ্যমের দৈন্যদশা " সামসুজ জামান কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত আন্দামানের বাঙ্গালীদের বর্তমান ভাষাগত অবস্থা নিয়ে দুই চার কথা লেখার সুযোগ পেলাম। খুব গভীর তত্ত্বকথার মধ্যে না গিয়ে গল্পচ্ছলে সেই অবস্থার কিছুটা পর্যালোচনা করার চেষ্টা করছি। এ কথা সকলে বিদিত আছেন আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ৫৭২ বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সমষ্টি। তবে বর্তমানে কেবলমাত্র ৩৮ টি দ্বীপে বসবাস করার উপযুক্ত পটভূমি ও পরিবেশ বিদ্যমান। কোনও কোনও দ্বীপ এখনো  প্রায় দুর্গম। সে যাই হোক কবি অতুল প্রসাদ সেনের কথায় -- "নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান / বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান।// এই কবিতার সার্থক প্রতিচ্ছবি দেখা যাবে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। এখানে বর্ণ, ভাষা, ধর্ম সমস্ত কিছুর অপূর্ব এক সম্মিলন ঘটেছে। কিন্তু এটাও বাস্তব যে এই মিল মিশে ধর্ম, রাজনীতি, ভাষা, সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত - সবকিছুই যেন তার স্বতন্ত্রতা হারিয়ে ফেলেছে এবং বলাই বাহুল্য একটা আন্দামানের নিজস্ব সংস্কৃতির ভাবধারা গড়ে উঠতে চেয়েছে এসবের মাঝে। প্রথমে কথা প্রসঙ্গে শুনেছিলাম পরে স্বচক্ষে দেখেছি যে...

কি করে পাবে তাকে ফিরে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "কি করে পাবে তাকে ফিরে" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারত   তুমি আজ কান্নায় ভেঙে পড়েছো,  এই নিয়ে ঠাট্টা- তামাশা হবে,- বোঝনি কি আগে?  ওরা তো এই নিয়ে চর্চায় সারাক্ষণ,  নতুন রসদে মশগুল টেবিলে ব্র্যান্ডের বোতলে বুদবুদের উজান বসন্তের ফাগে।  হাত-পা-মুখ সব বেঁধে রাখো, --- কোনও কথার জন্ম না হয় মনে,  সহ্য করে যাওয়াটা-ই পরাধীনতার স্বভাব।  হিটলার, গোয়েবলসের পথে বর্তমান হাঁটে রক্ত গঙ্গার সাথে তোমার অশ্রুজলে বহে আনে ভগীরথের ভাব।  তুমি যাকে খুঁজতে বেড়িয়েছো পথে অসীমের মাঝে ছোট্ট একটি ঘটনা,  কখন মিশে গিয়েছে সে তার মহাপ্রাণে।  বৃথা কান্নাকাটি অবুঝের মতো,  কেন নেমেছো, কি পাওয়ার আশায় অহল্যার ফিরে আসার শর্ত ছিল, ছিল তাঁর মানে।  কিন্তু তোমার কান্নায় যে সহানুভূতি হাসে,  তবুও ফিরে পেতে চাও তাকে! কবির পরিচিতি:--- রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কবি শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে উঠে কোলকাতায়। কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে শিক্ষা লাভ করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ।...

বস্তায় মোড়া খাস্তা ভাষা | দীপঙ্কর বৈদ্য

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "বস্তায় মোড়া খাস্তা ভাষা" দীপঙ্কর বৈদ্য চম্পাহাটি,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত ফেব্রুয়ারির একুশ এলে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর সুরে, সারাদিনই নাকে কান্না বর্ণমালা ঝরে। মাতৃভাষার কদর বোঝে কজন ছাগল দেখা, ডিগ্রি-ফিগ্রি বস্তা পচা পকেট বাঁচাও একা। মুখোশ পরে ম্যাও ম্যাও করে ব্যাঙটি সাপের কোলে, বুকের ভাষা বাঁচার আশা ডাইনে বাঁয়ে ঝুলে। ফুলে ফলে ঝোলে ঝালে বিশেষ আশা ভাষা, মাতৃভাষা মাতৃভাষা চাষার ঘরের আশা। কবির পরিচিতি: দীপঙ্কর বৈদ্য, বারুইপুর চম্পাহাটির অধিবাসী। জন্ম - ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ সালে। বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। সমসাময়িক নানান পত্র-পত্রিকায় কবিতা ও গবেষণামূলক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। 'কথা হোক দু-এক কথায়' ও 'সাহিত্য সৈনিক'-এর সহ সম্পাদক। প্রকাশিত বই - 'মুখোমুখি আকাশের নীচে' ও 'ছড়ার জীবন'।

খোকা ফিরবে না আর ঘরে | প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "খোকা ফিরবে না আর ঘরে??" প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস বল্লভপুর,সাতক্ষীরা,বাংলাদেশ  সকাল থেকে শব্দ ভীষণ ফাটছে যেন বোম। রঙিন আকাশ ঢেকে গেছে, গন্ধে বন্ধ দম।। চিৎকার, হাহাকার, বাড়ি ঘর পুড়ে ছারখার সূর্যের আলো যে নিভেছে। দিগ হতে দিগন্তে, দাঁড়িয়ে সবাই আজ জীবনের অন্তে ধোঁয়ায় দেশ ঢেকেছে। সকাল থেকে চিৎকার কত, কর্ণে আসে অবিরত ছেলেটা বের হয়েছে সেই সকালে। বলে " মাগো, যাচ্ছি আমি, সাবধানে থেকো তুমি হয়তো বুঝি ফিরবো না আর ঘরে।। মাগো, ভাষার জন‍্য লড়ছে সবে, এই দাসত্ব আর কতদিন রবে, আমরা যদি না যায়? কথায় বলে, দেশ জ্বলে তরুণের তারুণ্যে না হলে আগুয়ান মোদের এই জন্ম যাবে যে বৃথায়।। বলো, কেমনে মোরা সই? ভাষা তো মোদের তোমারই মতোই দাও হে বিদায়। ফিরে যদি আর না আসি মা, একদমিই তুমি কেঁদো না এবার আমি যায়?"" "মায়ের মন, বোঝে না এখন সন্তান ছেড়ে কেমনে বেঁচে রই?? বৃথা জন্ম আমার, ভয় বুকে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার তবু বুকে পাথর চেপে রই। আজকের শিশু আগামীর কর্ণধার ভাবি মনে মনে। দেশের বিপদে এরা যদি না লড়ে এখন তাইলে দেশের কি হবে?" বললাম...

বাংলা আমার মাতৃভাষা | গোবিন্দ মোদক

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "বাংলা আমার মাতৃভাষা" গোবিন্দ মোদক রাধানগর,নদিয়া,পঃবঙ্গ,ভারত বাংলা আমার মাতৃভাষা জন্ম-নাড়ির টান,  এই ভাষাতে ফোটে বুলি এই ভাষাতে প্রাণ।  বাংলা আমার মাতৃভাষা মায়ের স্নেহ-বুলি,  এই ভাষাতেই অনুভূতি, হৃদয় দুয়ার খুলি।  বাংলা আমার মাতৃভাষা রক্তনাড়ির টান,  এই ভাষাতেই কাঁদা-হাসা, এই ভাষাতে গান।  বাংলা আমার মাতৃভাষা রবীন্দ্র-নজরুল,  অতুলপ্রসাদ দ্বিজেন্দ্রলাল ফোটায় গানের ফুল। বাংলা আমার মাতৃভাষা মাইকেল মধুসূদন,  অপরূপা গ্রাম-বাংলায় পাখির মধুর কূজন।  বাংলা আমার মাতৃভাষা হৃদয়-বাগের ঢেউ,  সালাম বরকত আবদুল জব্বার আর রফিককেও।  বাংলা আমার মাতৃভাষা একুশে ফেব্রুয়ারি,  রক্তে মাখা ভাষার দাবি ভুলতে তাকে পারি! বাংলা আমার মাতৃভাষা গ্রাম বাংলার বধূ,  'মা' ডাকের কি মহিমা জানি আমরা শুধু।  বাংলা আমার মাতৃভাষা হৃদয়ের স্পন্দন,  এই ভাষাতেই গাঁথে মালা হৃদয়-তনু-মন।

মা ও মাতৃভাষার ঋণ | সঞ্জয় বৈরাগ্য

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ গল্প...... "মা ও মাতৃভাষার ঋণ" সঞ্জয় বৈরাগ্য কৃষ্ণনগর,নদীয়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  আচ্ছা, আমরা কি কখনো শুনেছি পিতৃভাষা? শুনি নি নিশ্চয়ই। আসলে জন্মের পর থেকেই, আমাদের নামের পরে বাবার পদবি জুড়ে দেওয়া হয়। শিক্ষাক্ষেত্রেই হোক বা অন্য কোনো অফিসিয়াল ক্ষেত্র, সব জায়গাতেই কিন্তু 'বাবা'র নাম কি?' --- আগেই মূল জিজ্ঞাস্যর বিষয় হয়ে ওঠে। আমাদের প্রতিটি সার্টিফিকেটে বাবার নামটাই প্রাধান্য পায়, মায়ের নাম নয়। আমাদের সবার জীবনে বাবার ভূমিকা যে, বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ -- এ'কথা অনস্বীকার্য। বাড়ির গন্ডীর বাইরে, সব বিষয়েই এগিয়ে থাকে বাবা'র প্রসঙ্গ। তবে ভাষার ক্ষেত্রে কিন্তু এমনটা হয় না কখনোই। আর হয় না মাতৃদুগ্ধের কোনো মূল্য নির্ধারণ। মা ছাড়া যেমন একটি শিশুর জন্ম হওয়া সম্ভব নয় তেমনি মাতৃদুগ্ধ আর মাতৃভাষা এই দুইক্ষেত্রে মায়ের তুলনা কখনই চলে না।  একটি শিশু যখন তার মাতৃগর্ভে একটু একটু করে বেড়ে উঠতে থাকে তখন সে, তার মায়ের হৃদস্পন্দন ছাড়া আর যা শুনতে পায় তা হল, মায়ের কথার শব্দ, আর সেই শব্দই পরবর্তীকালে হয়ে ওঠে তার ভাষা, তার মাতৃভাষা।  মাতৃগর...