পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"পরিচয়" সপ্তাহিক প্রকাশ | অভিজিৎ দত্ত | বনবিহারী কুমার | অরবিন্দ সরকার | বিপ্লব গোস্বামী | গৌতম নায়েক

ছবি
 "পরিচয়" সপ্তাহিক প্রকাশ 

কবিতর নাম:- জিজ্ঞাসা | কবির নাম:- কালাকার

ছবি
  কবিতর নাম:- জিজ্ঞাসা কবির নাম:- কালাকার         তুমি চেয়েছিলে এক চিলতে খোলা আকাশ      এক বুক ভালোবাসা       আর এক ছোট্ট নীড়!  তোমার অষ্টাদশীর সে চাওয়া        ছিল ন্যায্য ও বাস্তব।    আমার একুশে বসন্তের  টগবগে অশ্বমেধ ঘোড়া ভেবেছিল       এ আর এমন কি! কিন্তু বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে  তাৎক্ষণিক প্রলোভনে  হয়তোবা এছাড়া না ছিল উপায়! তাই তোমার সে প্রত্যাশা হয় খান খান,  এ জীবনের সব স্বপ্নকে বুকে চেপে     নতুন স্বপ্নে হয়ে বিভোর  নতুন অচিনপুরীতে দিয়েছিলে পাড়ি!  না, কোন কৈফিয়ৎ করিনি  কারণ ওটুকুও দেওয়া ছিল        আমার সাধ্যাতীত             হয়তো তাই!  আজ জীবনের পড়ন্ত বসন্তের শেষ বেলায় তোমার কৈফিয়ৎ     আমার হতাশার বুকে  এক চিলতে খোলা বাতাস!  বাকি জীবনের জন্য রইলো     আঙুর ফল টকের যন্ত্রণা!  সকল ভাবনা তাই আজ      এক তন্ত্রীতে বাঁধা! ...

কবিতার নাম:- ট্রিং ট্রিং ট্রিং | কবির নাম:-,দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
কবিতার নাম:- ট্রিং ট্রিং ট্রিং কবির নাম:-,দেবারতি গুহ সামন্ত এ‍্যালার্ম ঘড়িটা বেজেই চলেছে,"ট্রিং ট্রিং ট্রিং," একঘেয়ে আওয়াজে বিরক্ত রণি,ঘুমটা পুরো চটকে গেল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে সবে ছটা, তাহলে তো আর একটু ঘুমানোই যায়। ঠিক আটটা নাগাদ গরম ধোঁয়া ওঠা বেডটি নিয়ে হাজির হবে শ্রেয়া, সদ‍্য স্নান করে আসা ভিজে চুলগুলো আলতো করে ছোঁয়াবে রনির গালে। এটাই ওর ঘুম ভাঙানোর প্রসেস, এসব ভাবতে ভাবতেই রণির দুচোখের পাতা ভারী হয়ে আসে। হঠাৎ ও দেখে চারিদিকে বরফের পাহাড়,সূর্যের লুকোচুরি, মাথার ওপর ঝকঝকে নীল আকাশ,নীচে সবুজ ঘাসের গালিচা। রণি আর ওর সদ‍্য বিবাহিত স্ত্রী,শ্রেয়া, কি দারুণ লাগছে শ্রেয়াকে,জিন্স টপ আর লাল সাদা চূড়ায়। ফাটাফাটি কম্বিনেশন,ঠিক ওদের জুটির মতো,এক্কেবারে হট, জায়গাতা শিমলা,হানিমুনে এসেছে ওরা,ওই তো শ্রেয়ার পেছনে ওও দৌঁড়াচ্ছে। না না,আনন্দ খুনসুটিতে নয়,ওদের তাড়া করেছে কিছু হিংস্র পশু রূপী মানুষের দল। উদ্দেশ্য,লুঠতরাজ ও শ্রেয়ার নরম মাংসকে উপভোগ করা, এটা রণি হতে দিতে পারে না কিছুতেই,ওর প্রাণ দিয়ে ও রক্ষা করবে ওর প্রিয়তমাকে। হঠাৎ চারদিক থেকে ঘিরে ধরল ওরা,সংখ‍্যায় পাঁচজন, মুখে চোখে আদিম লালসা,...

কবিতা নাম:- জীবন | কবির নাম:- গৌতম নায়েক

ছবি
কবিতা নাম:- জীবন কবির নাম:-  গৌতম নায়েক সুখ দুঃখ হাসি কান্না আহ্নিক গতির মতোই হয় আবর্তিত, ধনী দরিদ্রের সংজ্ঞাও যায় বদলে, কুৎসিত না থাকলে রূপ কি কদর পায়? প্রস্তর খন্ডের ন্যায় সহজলভ্য হলে মূল্য কি পেত হীরকখন্ড? হাসি মুখে জীবন স্রোতে যে ভাসায় গা সেই তো বীর - যোদ্ধা। প্রতি বার্ষিক গতির সম্পূর্ণতায়  খসে পড়ে জীবন খাতার এক একটা পাতা। জীবন গড়িয়ে চলে শেষের পথে। সিগারেটের সুখ টানের মতোই উপভোগ করে নেওয়া চায়  জীবনের শেষ বিন্দু টুকু। প্রতিদিনই হোক না তাই রঙিন বসন্ত। 

কবিতার নাম:- ভালো লাগে | কবির নাম:- বিপ্লব গোস্বামী

ছবি
কবিতার নাম:- ভালো লাগে কবির নাম:- বিপ্লব গোস্বামী ভালো লাগে ভোর বেলার পাখি যখন করে মিষ্টি ডাকাডাকি। ভালো লাগে প্রভাতে ফোটা ফুল বাযু লেগে যখন দেয় দোল। ভালো লাগে রিম-ঝিম বৃষ্টি ভিজতে তাতে লাগে বড় মিষ্টি‌। ভালো লাগে ফুলের উদ‍্যান অলি তাতে করে যখন গান। ভালো লাগে সূর্যডোবা ক্ষণ পাখি সব নীড়ে ফিরে যখন। ভালো লাগে তারা ভরা রাতে চাঁদ মামা থাকে যখন সাথে।    

কবিতার নাম:- ঈদের খুশীতে | কবির নাম:- নীতা কবি মুখার্জী

ছবি
কবিতার নাম:- ঈদের খুশীতে কবির নাম:- নীতা কবি মুখার্জী ঈদের শুভ মুহুর্তে আজ আত্মত্যাগের এলো শুভক্ষণ  স্বার্থপরতা ভুলে গিয়ে আমরা দান করবো ভরে প্রাণমন। মিলন পর্ব এসেছে রে ভাই, আকাশে উঠেছে খুশীর চাঁদ হিন্দু, মুসলিম মিলি এসো ভাই, ভুলে গিয়ে সব বাদ-বিবাদ। ঈদের খুশীতে হাসবো, গাইবো ,দান করবো যত পারি গরীব-দুখী সকলের তরে মণ্ডা-মিঠাই তৈয়ারী। একফালি চাঁদে জগৎ আলো, আমরা শুধু চেয়ে থাকি মিষ্টি হেসে চাঁদ যেন বলে, আমি তোমাদের ভালো রাখি। আত্মীয়-কুটুম্ব সবার আশীষ, সবাই দেবে আশীর্বাদ সেই অবসরে খুশী হবো আর ভুলে যাবো সব বাদ-বিবাদ। হিন্দু, মুসলিম ভাই আমরা, সন্তান সব ভারত-মার দেশের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়বো, করবো না কোনো অহংকার। ঈশ্বর, আল্লাহ্ তোমারই নাম তোমার কৃপায় সব করি এ জীবন-ভর যেন আমরা আর্ত-দুখীর সেবা করি। দীন-দুঃখীর মুখের হাসি অনেক বেশী দামি আত্মা তুষ্ট হলেই তুষ্ট জগৎ-প্রভু-স্বামী।

কবিতার নাম:- " শহীদ দিবস" | কবির নাম :- অরবিন্দ সরকার

ছবি
কবিতার নাম:- " শহীদ দিবস" কবির নাম :- অরবিন্দ সরকার  ভালো ছেলেমেয়ে হ'ল    শিক্ষায় শহীদ, আতঙ্ক ছিল  তাদের     পরীক্ষা পদ্ধতি, শিক্ষাদপ্তরে ধরনা        না দিয়েই ক্ষতি, গোপনে ফতোয়া জারি, স্তব্ধ শিক্ষাবিদ্ । প্রস্তুতি হিসেব ক'রে      তৈরি তার পাঠ, আবেদন অনশন         করেনি কোথাও, পড়াশোনা ডকে তুলে      শিক্ষা বাঁচাও, তর্জনীর আস্ফালনে   ছেড়ে দিল মাঠ। মস্তানির দ্বারা খুন             শহীদ তারায়, হুজুগের মাতামাতি         গলে মাল্যদান মদে মৃত্যু -মর্যাদায়            শহীদ সম্মান অকারনে জনগন            জীবন হারায়। মসনদ কাড়াকাড়ি         রাজনীতি বলে, মৃত্যু বেচে সিংহাসন     রাজার কৌশলে।

কবিতার নাম:- বিবেকানন্দ স্মরণে | কবির নাম:- নীতা কবি মুখার্জী

ছবি
  কবিতার নাম:- বিবেকানন্দ স্মরণে কবির নাম:- নীতা কবি মুখার্জী আমাদের সবার প্রিয় মনীষী বিবেকানন্দ তুমি তোমার গরবে গর্বিত হয় আমার ভারতভূমি। রামকৃষ্ণের মানস-পুত্র, মহান মনীষী নরেন ভারত-দেশের সনাতন ধর্ম সর্ব সমক্ষে তুলে ধরেন। তাঁহার বানী যে অমর বানী আমরা যে তা মানি তাঁহারই দীক্ষায় দীক্ষিত হই, তাঁরেই ঈশ্বর জানি। জীবে করো প্রেম, আর্ত-দুঃখী সবারেই সেবা করো ঈশ্বর-সৃষ্ট এই দুনিয়াটা প্রেম দিয়ে শুধু ভরো। ধর্ম-বিজয়ে যাত্রা করলেন দেশ হতে দেশান্তরে ভারত-মায়ের সনাতন ধর্ম রইলো সর্বোপরে। দামাল, চঞ্চল, দস্যি ছেলে, নাই তুলনা তাঁর ভয় কাকে বলে জানতেন না, দুঃসাহস যে অপার। ধন্য গো মাতা রত্নগর্ভা, রতন তোমার ছেলে সপ্তকোটি সন্তান মাঝে হয়তো একটা মেলে। ধর্মের নামে দিকে দিকে আজ, লড়াই-লুটত-রাজ অমানুষ, ভীরু ধর্মান্ধরা শোষন করছে সমাজ।  একবার ফিরে এসো এ ধরায় বীর-সন্ন্যাসী তুমি তোমার পাদস্পর্শে ধন্য আমরা, ধন্য মাতৃভূমি। ভারত-মায়ের বীর সন্ন্যাসী, মহান ঋষি যে তুমি তোমার চরণ-পরশে হয়েছে ধন্য ভারতভূমি ছোট্ট নরেন বড় দুরন্ত, বড় যে দস্যি ছেলে সকল ভয়কে জয় করে সে যে সব বাধা পায়ে ঠেলে। ধর্মকে নিয়ে কাটা...

কবিতার নাম:- পালকি | কবির নাম:- রঞ্জন ভাওয়াল

ছবি
কবিতার নাম:- পালকি কবির নাম:- রঞ্জন ভাওয়াল বর চড়ে যায় পালকি করে দেখছে সবাই মনটি ভরে, যারা বইছে কাঁধে হেঁকে নজর থাকে না তাদের তরে। ছয় বেহারা সওয়ার করে, নব বধূর পালকি চড়া স্মৃতির অগোচরে সেই সব দিন ইতিহাসে আজও রয়েছে ধরা। পালকির বড় বেহায়া যান তাকে টানে মাসল এবং ইচ্ছে, নগর তাকে মনে রাখেনা পালকির গানে গ্ৰামীন কবিতা ফুটছে.

একটি গোলাপের অপেক্ষায় | লিয়াকত আলি লস্কর

ছবি
কবিতার নাম:- একটি গোলাপের অপেক্ষায় কবিতার নাম:- লিয়াকত আলি লস্কর তোমার গোলাপের অপেক্ষায়, আমি পথ চেয়ে বসে আছি। তোমার আসার পথে , এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে , যে পথে তুমি আসবে  আমাকে বললে তুমি  এই তিন রাস্তার মোড়ে নিরবে ,নিভৃতে একা বসে থেকো  তুমি বললে , যেখানে পথচারীদের  কোলাহল নেই,চুপচাপ , তুমি শুধু একা বসে থেকো। তুমি বললে," আজ তোমার জন্য  সদ্য প্রস্ফুটিত একটি  গোলাপ আনতে যচ্ছি " আমিও বসে থাকলাম অনেক ক্ষন, অনেক সময় ধরে, তোমার পথ চেয়ে।  তুমি কোথায় আছো ? কখন আসবে ? আমি তো আছি তোমার অপেক্ষায় । তোমার গোলাপ আনতে অনেক ক্ষন, অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও , কোন খোঁজ নেই , আমি ও বসে আছি , তোমার গোলাপ এর অপেক্ষায় । দীর্ঘ বিরতির পর তুমি আর ফিরলে না । আমি খুঁজে পাইনি তোমাকে খুঁজতে খুঁজতে  গিয়ে থামলাম , এক কোলাহল যুক্ত লোকালয়,  বেষ্টনী ভেঙে দেখতে পেলাম  একটা মাংসে পিন্ড, ছিন্নভিন্ন , তোমার শরীর,বয়ে যাওয়া রক্তের স্রোত । একটা লম্বা ট্রাকে ধাক্কা খেয়ে , ছিটকে পড়ে পিষে গেল তোমার শরীর , চাপ চাপ রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে রাস্তায় , মাটিতে,পাথরের, কাপড়ের মাংসপি...

কবিতা:- মিছি মিছি বিয়ে | কবি:- দেবারতি গুহ সামন্ত

ছবি
  কবিতা:- মিছি মিছি বিয়ে কবি:- দেবারতি গুহ সামন্ত আঠারো তলার সুউচ্চ বিল্ডিংএর খোলা ছাদে, আনমনে দাড়িয়েছিল নাজনিন। গাল গলা ভিজে যাচ্ছিল নোনতা স্বাদের জলে, তবুও গলছিল না বুকের জমে  থাকা পাথর। ভালোবেসেই বিয়ে করেছিল ক্লাসমেট আকাশকে, ভিন্নধর্মী হওয়ায় বাড়িতে প্রবলেম চলছিল খুব। বিয়েতে মত না থাকায় বাড়ি থেকে পালিয়েছিল দুজনেই, জিতেছিল ভালোবাসা,হেরেছিল কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানসিকতা। নাজনিন আর আকাশের ছিল ছোট্ট সুখের সংসার, দুজনের অজ্ঞাতেই জমেছিল সন্দেহের কালো মেঘ। কয়েক মাস কাটার পরে ভালোবাসা যায় ফুরিয়ে, ইগো আর অহঙ্কার ততদিনে করে নিয়েছে পোক্ত জায়গা। ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে আকাশ, যোগাযোগ করে নিজের বাড়ির সাথে। প্রথমে মেনে না নিলেও পরে আকাশ ফিরে যায় ওর বাড়ি, একটাই শর্ত,ছাড়তে হবে ওই মুসলিম মেয়েটাকে। এ ঘটনা আজ থেকে পাঁচ বছর আগেকার, আকাশের চলে যাওয়ার পর বিধ্বস্ত নাজনিন ফেরেনি নিজের বাড়ি। জীবনযুদ্ধে ভেঙে না পরে অসহায় মেয়েটি অসমাপ্ত পড়াশোনাতে দিয়েছিল ডুব, ফল স্বরূপ বর্তমানে একটা মাল্টিন‍্যাশানাল কোম্পানিতেম উচ্চপদে আসীন।

কবিতা:- রাজার হস্ত |কবি:-তারা ভট্টাচার্য

ছবি
কবিতা:- রাজার হস্ত কবি:-তারা ভট্টাচার্য  বললো গুপী শোনরে বাঘা রূপনগরে ঝড়, অনেক মানুষ হারিয়েছে যে তাদের বাড়িঘর। এই সময়ে ঘরে বসে থাকা উচিত নয়, দুর্গতদের পাশে গিয়ে  দাঁড়াতেই হয়। এই না বলে দু'জন মিলে রূপনগরে গেল লোকজনেরা তাদের দেখে ভরসা মনে পেল। বললো গুপী চিন্তা নেই আমরা ভূতের বরে অনেক খাবার পৌঁছে দেব সবার ঘরে ঘরে। বাঘা বললো আয়রে গুপী হাতে দিই তালি, তার পরেতে আসবে নেমে খাবার থালি থালি। এই না বলে দু'জনেতে মারলো তালি যেই, অবাক কান্ড কোথায় খাবার  কিচ্ছুটি তো নেই! খোঁজ করে গুপী-বাঘা জানলো অবশেষে, খাবার যখন হাওয়াতে আসছে ভেসে ভেসে সেই সময়ে রাজার লোকে করেছে ছিনতাই, দুর্গতদের কপালেতে জুটলো পোড়া ছাই। বললো বাঘা রবি কবির কথা মনে করি, "রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি"।।

কবিতা:- নির্ভীক | কবি:- মৃন্ময় ভট্টাচার্য

ছবি
কবিতা:- নির্ভীক কবি:- মৃন্ময় ভট্টাচার্য  কেউ বাছেনি মা-জননী বাছে না কেউ মাতৃভূমি এলাম যখন ধরণীতে  জীবন শুরুর প্রাতে। জানতাম না এদের ভাষা কার যে পাবো ভালোবাসা, জানতাম না মরা-বাঁচা আছে কাদের হাতে। যে এলো সে আপনি এলো গেল যে'জন নিজেই গেল, হাঁটছি শুধুই জীবন পথে সঙ্গী জুটিয়ে সাথে। আছে মৃত‍্যু আছে জরা হোঁচট খেয়ে উঠেপড়া, সুখ-দুঃখের ভেলায় চড়ে ভাসছি দিনে রাতে। কাল কি হবে ভাবি না আর যা হবে তা হবই তো পার না হলে তো আসন আছে ঘরে ফেরার রথে। নির্ভয়ে তাই হেঁটে বেড়াই এই জীবনের পথে।

কবিতা:- স্পন্দন | কবি:- অরবিন্দ সরকার

ছবি
কবিতা:- স্পন্দন  কবি:- অরবিন্দ সরকার সাগরের ঢেউ গুনি  বুকের স্পন্দনে, সময়ের গতি বুঝি     তপনের স্থিতি, বাতাসের অনুভূতি   দোলায় প্রকৃতি, দিনের গতিপ্রকৃতি    রবি অবসানে। অতীতকে টেনে আনি, ভবিষ্যত ঋণে, বর্তমান টলোমলো   আগামীর প্রীতি, ভয়মিশ্রিত  শাসন        চলমান রীতি, বাকস্বাধীনতা খর্ব     মৃত্যু ধনেপ্রাণে। বিচারের আগে রায়   প্রহসন বানে, স্বার্থ অর্থপূর্ণ বাক্য   একা উপস্থিতি, ভাগের মা'র মরণ    ভাগফলে ইতি। বিনা মেঘে বজ্রপাত    খনার বচনে জ্বলন্ত বারুদ শিখা,  তার মতিগতি,  লঙ্কাকাণ্ড ধ্বংস হবে নিরোর প্রবৃত্তি।

গান কলমে অষ্ট দেয়াশী

ছবি

কবিতার নাম:- জীবনের নাট্যমঞ্চ || কবির নাম:- শান্তি দাস

ছবি
কবিতার নাম:- জীবনের নাট্যমঞ্চ কবির নাম:- শান্তি দাস জীবনের নাট্যশালায় সারাজীবন অভিনয় চলে,  আর আমরা তো নাটক দেখি মঞ্চে নির্দিষ্ট সময়ে।  নাট্যকার লিপিতে তুলে ধরেন অভিনেতার চরিত্র খানি,  সাহিত্য জগতে নাটক পরিবেশনায় নাট্যশালায় পরিপূর্ণ জীবন।  নাটকের দৃশ্য শ্রব্যকাব্যের সমন্বয়ে তুলে ধরে,  মানবজীবনের প্রতি মুহূর্তের গতিমান প্রতিচ্ছবি।  অভিনেতা অভিনেত্রী অভিনয়ে ফুটিয়ে তোলে নাটকীয় চরিত্র।  নাটকের প্রাণসঞ্চারে বাস্তব রূপ ঐশ্বর্য দান করেন নাট্যকার,  নাটকের পাত্র পাত্রীদের কথায় নাট্যকার মত পাল্টায়।  নিজের মনের ধ্যান ধারণা গুলো ও লিপিতে যোগ করেন,  একটা নাটক পরিপূর্ণতা পায় দর্শকদের কাছে।  একটা ধারণা অবলম্বনে ফুটিয়ে তুলেন পুরো কাহিনী,  মুল ধারণা সাধারণ ভাবে একটা ঘটনা থাকে এই নাটকের।  নাটক যারা লিখেন এক বা একাধিক কাহিনী দ্বারা,  যে ব্যক্তির কাহিনী বর্ননা করে সেই ব্যক্তি গুলোই নাটকের চরিত্র।  নাটকে এক একজন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন,  নাটকের শুরু টা যেমন হয় শেষটা হয় ভিন্ন ভিন্ন।  জীবনের নাট্যশালায় পরিপূ...

কবিতা:- হয়তো শুরু || কবি:- ধনঞ্জয় পাল।।

ছবি
কবিতা:- হয়তো শুরু  কবি:- ধনঞ্জয় পাল।।                             নীপমালা!বলো দিনকাল তোমাৱ  কেমন কাটছে? আমাৱ থোড় বড়ি খাড়া আৱ খাড়া বড়ি থোড় চলছে। এখানে এখনো বৱষাৱ মৱশুম শুৱু হয়নি, কেউ কেউ শুনিয়ে যাচ্ছে অনেক বন্যাৱ কাহিনী। সবুজডাঙাৱ মিলন মল্লিককে তোমাৱ মনে আছে তো! সেই যে সাৱাৱাত জেগে পোস্টাৱ কবিতা লিখে চোখ ফোলাতো। মিলন দুবছৱ আগেৱ বন্যায় দুটো বাচ্ছাকে বাঁচিয়ে ভেসে গেল, মিলনেৱ ৱোগাভোগা বৌটা কদিন আগে ঘুৱপথে হাৱিয়ে গেল। মিলন জ্বলজ্বলে চোখে তোমাৱ দিকে চেয়ে বলতো- সমাজ একদিন বদলাবেই নীপ সেদিন মিলবো তো! মিলনেৱ সমাজ আজ হয়তো বদলেছে ওপৱে গিয়ে, ওৱ বৌয়েৱ সমাজটাও এখন বদলেছে নতুন সাথী পেয়ে। ক'দিন পৱেই হয়তো এখানে বৃষ্টিৱ মৱশুমী বিভাজন চলবে, আহ্লাদি মাঝিন্,মতি বাউৱী,তিনু সৱেনৱা মাঠে গান ধৱবে। মনে আছে নীপ,যেদিন ওৱা কাঁড়বাঁশ নিয়ে ৱুখে এল- বলল-তুদেৱকে মাৱতে আসবেক কুন্ মৱদেৱ বিটা লো? ওদেৱ চোখগুলো আজ আৱ জ্বলন্ত নয়,ফ্যাকাসে, স্বপ্নেৱ আগুন কবেই মিশেছে দিগন্তেৱ ওপাৱ আকাশে। জানো নীপ,আজো দিন বদলেৱ স্বপ্ন দেখে অনেক লোক, কিকৱে শোনো,ল...

বিবেকানন্দ || অভিজিৎ দত্ত

ছবি
কবিতার নাম:- বিবেকানন্দ।  কবি:- অভিজিৎ দত্ত  কবি:- অভিজিৎ দত্ত বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ দিয়েছিলে আমাদের সেই মন্ত্র  জীবে প্রেম করে যেইজন  সেইজন সেবিছে ঈশ্বর । কজন রেখেছে মনে ? বহুবৈচিএময় দেশ ভারতবর্ষ  আজ নিজেদের মধ্যে হানাহানিতে লিপ্ত এই কী স্বামীজীর  সাধের ভারতবর্ষ।? আজ বিবেকের বাণী  কজন আমরা মানি?  যুদ্ধ, হিংসা, লোড  দেশের সামনে ঘোর বিপদ।  বিবেকানন্দকে গুরু করে নেতাজী নেমেছিল দেশ উদ্ধারে  আমরা কী করছি?  দেশের উন্নয়ন দূর অস্ত নিজেদের খেয়াখেয়িতে ব‍্যস্ত । আমরা কী চাই  দেশের প্রকৃত উন্নয়ন ?  তবে বিবেকের জীবন কাহিনী  কেন বিদ্যালয়গুলিতে  চালু করা হয় নি?  এইভাবে অবক্ষয়ের সোতে  দেশ যাবে ভেসে  আজ বিবেকানন্দের মৃত্যুর দিনে বড়ো ব‍্যথা জাগে মনে।

ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়/অভিজিৎ দত্ত

ছবি
ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় অভিজিৎ দত্ত ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় তোমার মতো মহান মানুষ দেশে ছিল কজনাই? তোমাকে আমার অন্তরের  প্রণাম জানায়। তুমি একদিকে ছিলে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার  অন্যদিকে ছিলে  জগৎবিখ্যাত ডাক্তার। তোমার চেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গের  অনেক হয়েছে উন্নতি  কিন্তু তোমার আদশে'র প্রতি অনেকেরই নেই সেরকম ভক্তি। এই জন্য সকলে আপশোষ করে তোমার মতো মহান মানুষ  কবে আবার ফিরে আসবে আমাদের ঘরে । তোমাকে সম্মান জানিয়ে চিকিৎসকদিবস পালন হয় প্রতিবছর। কিন্তু তোমার আদশ'কে ছড়িয়ে দেয়া আজকের দিনে মনে হয়  সবচেয়ে বেশী দরকার।

গল্পের নাম:- কর্মযোগী বিধানচন্দ্র রায় লেখক:- অনাদি মুখার্জি

ছবি
গল্পের নাম:- কর্মযোগী বিধানচন্দ্র রায়  লেখক:- অনাদি মুখার্জি                  ডা ক্তার বিধানচন্দ্র রায় তিনি শুধু পশ্চিমবাংলার রূপাকার ছিলেন না ! তিনি একজন শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক ও গরিবের বন্ধু ছিলেন ,তার কর্ম জীবন নানা বৈচিত্র্য ভরা , তেমনি তার অদ‍্যম ইচ্ছা ও নিষ্ঠা একজন মানুষের জীবনকে কতটা সার্থক করে তুলতে পারে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় !  ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের নিয়ে বলতে গেলে অনেক বড়ো হয়ে যাবে ,তিনি বিনা পয়সায় চিকিৎসা করেছেন ! তার সাথে গান্ধীজি ,নেতাজি ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতোন লোকের সাথে তার খুব ভালো যোগাযোগ ছিল ! একবার যখন গান্ধিজী জেলে বন্ধি ছিলেন তখন তিনি অনশনে ছিলেন ,সেই সময় তার শরীর এতটা খারাপ হয়ে ছিল যে সবাই ভেবে ছিল গান্ধীজি মারা যাবে সেই সময় সরকারি বিশেষজ্ঞ গান্ধিজী কে  গ্লুকোজ ইনজেকশন দিতে বলে ,সেইখানে বিধান চন্দ্র রায় উপস্থিত ছিলেন ,শেষ পযর্ন্ত তাদের কে নিরস্ত করে  গান্ধিজী কে মুসম্বি লেবুর রস খাইয়ে তার অনশন ভাঙেন এবং গান্ধিজী কে সুস্থ করে তুলেন !  এর কিছু দিন পর আবার ডাক্ত...