পোস্টগুলি

তোমারি প্রতীক্ষায় | বিক্রম সিংহ (শ্রীবিনা)

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "তোমারি প্রতীক্ষায়" বিক্রম সিংহ (শ্রীবিনা) সুরভিপল্লী ,উঃ দিনাজপুর,পঃবঙ্গ,ভারত বাঁকা মন ভেসে যায়                ভাঙা ভাঙা চাঁদের ছায়ায় এ পারে আমায় ডাকে ও পারে দুয়ার নাড়ে                  নদীর জোছনায়। আমি বসে আছি একা সম্মুখ পানে একখানি চিতা জ্বলছিলো, নিভে গেছে এবেলা কাঠ গুলো রপ্ত - তপ্ত                          আগুনের ছোঁয়ায়। যাহারা আসিল সকলি ফিরিল কেহ কাঁদিল! কেহ হাসিল!  খুশিতে কেহ মদিরা পিহিল খর -করতালে সকলি নাচিল                              গাছের ছায়ায়। শূন্য ছাই, শূন্য দেহ  পরে আছে হেন, শূন্য কর্ম, শূন্য কষ্ট শূন্য অবদান যেন আজ কিছু নাই                  জীবনের পাতায়। রেখে গেছি যা রয়ে যাবে তা সাধের বাসনা ছেড়ে  চলিব ভেসে ভেসে           ...

ব্যথিত নারী | স্নিগ্ধা সাউ

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ব্যথিত নারী" স্নিগ্ধা সাউ হরিপুর,পঃ মেদিনীপুর,পঃবঙ্গ,ভারত নারী জন্ম হওয়ার আগে বুঝতে পারলে সবে, মাতৃজঠরে তাকে বেঘোরে প্রাণ হারাতে হবে। কন্যা সন্তান যখন জন্ম হয়ে পড়ে, বাবা-মার হৃদয় তখন কান্না হয়ে ঝরে। ছোট থেকে সেই নাক-কান ফোটানোর যন্ত্রণা, কেউ দিতে আসে না তাদের ভালোবাসার প্রেষণা। নারীরা বড় হওয়ার সাথে শুরু হয় মাসিক ব্যথা, সেই সময় শোনা যায় বড়দের নিয়মাবলীর কথা। সময়ের সাথে সাথে নারীরা হয় নির্যাতিত, সমাজ কি করতে পারবে তাদের পরিশোধিত? ছোট থেকে তাদের পরের ঘরের জন্য করা হয় তৈরি, এটা ঠিকই যে নারীর আসলেই নেই কোন নিজের বাড়ি। অতিরিক্ত পণের সাথে এবং বিবাহের মন্ত্রে, বিদায় হলে নারীরা অত্যাচারিত হয় ষড়যন্ত্রে। কিছুদিন যেতে না যেতে শুরু হয় অশান্তি, তবে নারীরা কিভাবে পাবে তাদের জীবনে প্রশান্তি? নারী সেতো কাঁদলে দোষ, সে হাসলে দোষ, সমাজের মানুষের কিসে তবে সন্তোষ। গর্ভযন্ত্রণা থেকে শুরু হয় সন্তান সুখ, পরে সেই সন্তান দেখতে চায় না, বৃদ্ধা মায়ের মুখ। নারীরা আগে বাবা পরে স্বামী ও শেষে সন্তানের কাছে পরাধীন, দিনশেষে তবে সমা...

ভেল্কিবাজি | সুবিনয় হালদার

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ভেল্কিবাজি" সুবিনয় হালদার দৌলতপুর,দঃ২৪ পরগণা,পঃবঙ্গ,ভারত মধ্যযুগের বর্বরতা হার মেনেছে ভার অশ্রুজলে ঘাট হয়েছে  সমস্বরে এবার । তোল আওয়াজ,  শালতি চড়ে বালতি ভরো গুল্তি ছুড়ে গিঁট্টি কষে দাবিয়ে রাখো আব্রু নিয়ে ছিঁড়ে খেলিস রক্ত নদীর হোলি ?  টপাটপ রোষানলে উল্কি- ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি ! আগুনের ফুলকি ওড়ে ফুলকি ওড়ে- ওই- অন্ধকারে কালের ঘরে ত্রাসের নাচন রণ-রঙ্গে সাজছে মাতন দুর্গন্ধে বাতাস কেন ভরলি ?  চারিদিকে ধিকধিকিয়ে জ্বলছে যত চুল্লী ; ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি !  দুল্কিচালে খিল্লি মারে অসভ্যতার পাল্কী  লকলকিয়ে জিভের লালা টসটসিয়ে লোভের ক্ষুধা গলি-,  বুলবুলিদের মাঠের ফসল জবরদখল নিত্য রাতে হাঁড়িকাঠে হচ্ছে কেবল বলি ; ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি !  সাত বেয়ারা সাত সমুদ্র মিলেমিশে এক সবাই কেমন ঘুপটি মেরে সুপ্ত মনে করছে রে ভাই বাস,  ভেল্কিবাজির গিল্লি গিলে গুপ্তধনে আয়েশ করে দিব্যি আছেন স্যার ; ঝুল্কি তালে তাল মিলিয়ে জাগছে এবার পল্লী ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই- ভে...

ফিরে দেখা | গৌতম রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ফিরে দেখা" গৌতম রায় আসানসোল,পঃ বর্ধমান,পঃবঙ্গ,ভারত চল যাই ফিরে আবার সেই বনে ভেঙে ফেল এ মুখোশ এইক্ষণে। এ যে গড়া কপটতার মাটি দিয়ে অবিশ্বাসের হাত দুটি সাথে নিয়ে। তোমার নিজের রূপ যদিও হয় বা সেরা  সে তো এ পৃথিবীর আদিম পাথরেতে গড়া।  আছে তাতে অনুভূতি, স্নিগ্ধ পরশ অন্তরে আছে ব্যথা, রসালের ন্যায় সরস। এস বনতলে অগভীর সবুজের সমাহারে দেখ অনাহুত হয়ে আকাশ এসেছে এর ঘরে। বস হেথা ক্ষণকাল, শান্ত চিত্ত লয়ে শুনিছ কি কিছু! সময়কে যেতে দাও বয়ে। এ ভাষা বুঝি ভুলে গেছ অনভ্যাসে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলে এক নিঃশ্বাসে। তোমার হৃদয়খানি দুলে চলে অবিরাম দুঃখে গ্লানিটুকু রেখে দিয়ে সূর্যাস্তের আভায় মেখে। বাতাসকে কও আনমনে, একেলা এস এস সত্বর কোথা রাখি একে, আমার কাছেতে নেই উত্তর। বাতাসও হয়েছে দেখি বৃদ্ধ, স্লথ তার গতি সভ্যতার গতিতে চড়ে তারও হয়েছে ভীমরতি। ভুজঙ্গের শ্বাসটুকু শুধু রেখেছে যত্ন করে হৃদয়ের ডাকে দেয় তাই সর্পিল হাসি ছেড়ে। বিদগ্ধ হৃদয় নিয়ে আজো আছো পড়ে আবিশ্বাসের বাতাসকে হতাশার হাতে ধরে। তোমার চিন্তা আজ হয়ে গেছে পরাধীন কৃত্রিম যুদ্ধে হেরে তুমি রয়ে গেছ অধীন। এখানে আকাশ হ...

পাহাড় থেকে জন্ম ঝর্ণার | রানা জামান

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "পাহাড় থেকে জন্ম ঝর্ণার" রানা জামান মিরপুর-২,ঢাকা,বাংলাদেশ পাহাড় থেকে জন্ম নিয়ে বইছে ঝর্ণা ধারা, ছুটতে থাকে উচ্ছ্বল হয়ে বিন্দাস বাঁধন হারা। পাথর কেটে মাটি কেটে ছুটতে থাকে নিচে, চলতে থাকে সামনের দিকে ফিরে না আর পিছে। স্বচ্ছ জলের সুঠাম শরীর তরতরিয়ে চলে, কোনো ক্ষণে না থেমে ও গানে কথা বলে। পাহাড় থেকে নিচে নেমে  আকার বড় হয়ে, চব্বিশ ঘণ্টা মগ্ন থাকে মানুষের মন জয়ে। যখন ঝর্ণা নদী হলো অস্তিত্বের হয় অন্ত ঝর্ণার এমন অবসানে মানে কি মন কন তো? কবির পরিচিতি: ১।লেখক নাম: রানা জামান ২। প্রকৃত নাম: মোঃ সামছুজ্জামান ভূইয়া ৩। পেশা: বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত ৪। জন্ম তারিখ: ১৫/০২/১৯৬০ ৫। প্রকাশিত বই-এর সংখ্যা: ৯৯ ৬। সম্মাননা/পুরস্কার: ১) ২০২০ খৃস্টাব্দে ত্রৈমাসিক দিগন্ত সাহিত্য পুরস্কার- কবি হিসেবে ২) ২০২১ খৃস্টাব্দে কলকাতার যুথিকা সাহিত্য পত্রিকা কর্তৃক পরমাণু কাব্য সারথি উপাধি প্রদান করা হয়েছে। ৩) ২০২৩ খৃস্টাব্দে দৈনিক বাঙালির কণ্ঠ পুরস্কার-গল্পকার হিসেবে ৪) ২০২৩ খৃস্টাব্দে ভিন্নমাত্রা সম্মাননা-‘একাত্তরের তরুণ মুক্তিযোদ্ধা’ গল্পে...

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "এক মুঠো পয়সা" প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় কোলকাতা, হাওড়া,পঃবঙ্গ,ভারত এক মুঠো পয়সার জন্যে মানুষ কত কিছুই না করে, নিজের কথা পরের কথা মিলিয়ে ফেলে  হারিয়ে যায় শব্দ ভিড়ে | এক মুঠো পয়সার টানে চেনা যায় কে সে আপনজন,  সুহৃদ উচ্ছৃংখলতায় অতি মিষ্টতার জাঁতাকলে টুকরো ভাঙা মন | এক মুঠো পয়সার মোহে ছিন্ন হয় মায়াবীণা আদর্শ পরিবার,  নিষ্ঠুরতার সন্ধিক্ষণে হিংসা-বিদ্বেষ বন্ধনে জীবন হয় তোলপাড় | এক মুঠো পয়সায় স্বাচ্ছন্দ্যমতো কেনা যায় কতকিছু, সম্বলহীন মানুষেরা অসহায়তার গৃহে সমাজ হতে ততপিছু | এক মুঠো পয়সা চিনিয়ে দেয় প্রকৃত উচ্চনীচের ভেদ --- সর্বকালের চলিত রীতিতে সুপ্ত রয়ে পড়ে মনুষ্যতার জেদ | এক মুঠো পয়সাই কিন্তু ঘুঁচিয়ে দেয় দুয়ার মুক্ত কত স্বপ্ন, সম্প্রীতি-বিপর্যয় মুষ্টিমেয় ভাসমান প্রেমে জমা হারানো অন্ন | এক মুঠো পয়সা সৃজন করে, লালন করে, ছাঁচ গড়ে এক মানুষ,  স্বার্থসিদ্ধি ও শুকনো সহানুভূতির মিলনকালে সরল সমাধানে নিজেই বেঁহুশ | এক মুঠো পয়সায় তো করতে পারি সম্বলহীনদের দান, দৃশ্যকল্পে লোক রঞ্জনে মিশে গিয়ে না ভাঙে গুপ্...