পোস্টগুলি

জুন, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পরিচয় সংখ্যা ১০

ছবি
  লেখাপড়ার "পরিচয়" ই-ম্যাগাজিন  পরিচয় সংখ্যা ১০ প্রকাশ   ২৫শে জুন ২০২২       ইতিমধ্যে আমরা আপনাদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় ১০ সংখ্যা প্রকাশ করতে পারলাম। এই সংখ্যায় লেখা রয়েছে সকল কবি সাহিত্যিকদের কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা এইভাবে আমাদের পাশে না থাকলে কখনই সম্ভব হতো না পরিচয় সাহিত্যর এগিয়ে চলা। সকল কবি সাহিত্যিকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।। আপনাদের সুস্থতা কামনা করি। আপনারা আপনাদের কলম প্রতিভা বলে বিশ্ব সাহিত্য দরবারে পদার্পণ করুন এই কামনা করি।। মিলন পুরকাইত   •  লিখেছেন--- •  অনুকবিতা.... খুঁজে ফেরা - অশোক মন্ডল - বীরভূম নারী তুমি কার - কাজল মৈত্র - রানাঘাট আশা - সুশান্ত সেন - ৩২বি, শরৎ বসু রোড কলকাতা কল্যানী মন্ডল - চূঁচুড়া হুগলী ভয়াবহ বন্যা - চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু চর্যা - মুহা.আকমাল হোসেন - ছোট সুজাপুর, মালদ কাঁকড়ার বুদ্ধি - কৃষ্ণেন্দু কুইলি - তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর সমারোহ - নীলম সামন্ত ...

কবরের আযাব | সুমিত মুখার্জী

ছবি
গল্প...... "কবরের আযাব" সুমিত মুখার্জী 47/এইচ প্রবাস নগর পূব পড়া শ্রীরামপুর হুগলি।      নবীজি সাঃ অনেকগুলো কবর দেখলেন । খুশী হলেন । শেষমেশ একটা কবরের সামনে গেলেন। উনার চেহারা মুবারকে ঘাম দেখা দিল। তিনি অস্হির হয়ে পড়লেন। দুঃচিন্তায় চেহারা কালো হয়ে উঠল। হয়রান পেরেশান হয়ে গেলেন তিনি। একজন সাহাবী (রাঃ) উনার অবস্হা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন ? ‘হায়, হায়’ ! তিনি অস্হির হয়ে বললেন, ‘এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে । এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না । আহা ! এই ব্যক্তির কি উপায় ?’ বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন ।কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না । তিনি বললেন, ‘দোয়া কবুল হচ্ছে না । কোন রহস্যময় কারণে । সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে ।’ হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্হিরতা বেড়েই চললো । তিনি বললেন, ‘ আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো ? তিনি একজন ...

অনুসন্ধান পর্ব | শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার

ছবি
গল্প...... " অনুসন্ধান পর্ব " শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার রাঁচী, অশোকনগর,পিন ৮৩৪০০২ (১) কুমার শিলাদিত্য যখন দুইজন অমাত্য লইয়া অরণ্যভূমির প্রান্তে আসিয়া পৌছাইলেন তখন সূর্য অস্তগামী প্রায়। এই অঞ্চলটি স্থানেশ্বর হইতে প্রায় সহস‍্র ক্রোশ দক্ষিণে এবং শ্বাপদসঙ্কুল বলিয়া দুর্নাম আছে। যদিও সঙ্গের অমাত্য দুইজন অতি বিশ্বস্ত, তবুও এই অসময়ে, নিবিড়় অরণ্যপ্রান্তে কিছু দুশ্চিন্তার অবকাশ থাকিয়াই যায়। সামনে কুলুকুলু শব্দে বহিয়া চলিয়াছে রঙ্গিলা নামের একটি স্থানীয় পূর্ববাহিনী নদী। এটি শেষ পর্যন্ত শোণ নদীতে গিয়া মিশিয়াছে। । ক্রমাগত দুইশত ক্রোশ পথ অশ্বচালনার পর অধিক পথশ্রমে ও ক্ষুধায় তাঁরা কাতর হইয়া সূর্যাস্তের পর থামিয়াছেন। বহুকাল পূর্বে সম্রাট অশোক একটি সুবিশাল রাজপথ রচনা করিয়াছিলেন। তাহার অধিকাংশই আর্যাবর্তের বিভিন্ন নগরীর মধ‍‍্যে দিয়া প্রবাহিত হইলেও দীর্ঘদিন এই অংশে লোকচলাচলের অভাব হেতু তাহা অরণ‍্যের গ্রাসে পড়িয়া লুক্কায়িত হইয়া গেছে। অরণ‍্যটির মাটীকে বর্তমানে সূর্যালোক স্পর্শ করে না।  এই অরণ‍্যভূমিটি বিপদসংকুল বলিয়া রাত্রিযাপনের জন‍্য তাঁহারা একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজিতেছিলেন...

কুনোব্যাঙের সঙ্গীত সাধনা | কৃষ্ণেন্দু কইলি

ছবি
"কুনোব্যাঙের সঙ্গীত সাধনা" কৃষ্ণেন্দু কইলি তমলুক,পূর্ব মেদিনীপুর কুনোব্যাঙ ডাক পেয়েছে                                 গাইতে যাবে জলসায় ; রাতদিন তাই রেওয়াজ করে                             গ্যাঙর গ্যাঙর গান গায় । বলিউডে রিলিজ হবে                             তার বেশ কিছু অ্যালবাম ; পরিশ্রমের ঘাটতি নেই                               ঝরাচ্ছে তাই কালঘাম ৷ হলিউডের কোন হিরোর লিপে                              রেকর্ডিং হলো গত মাসে , গানখানা যা হিট হবে                        ...

কবি সোনালী খাতুন স্মরণে | তাপস কুমার বেরা

ছবি
"কবি সোনালী খাতুন স্মরণে" তাপস কুমার বেরা শ্রীবরা , ঘাটাল লোকসভা  প্রতিভাময়ী কবি  সোনালী খাতুন , তোমার অগ্নি প্রতিভার  স্বাক্ষর রাখছিলে  কত লিটল ম্যাগাজিনে  ও যৌথ সংকলনে |  দারুন সম্ভাবনাময়  ছিল সে প্রতিভা | কিন্তু আমাদের সবাইকে  চমকে দিয়ে  হঠাৎ নিভে গেল তোমার দীপ শিখা ! ধূমকেতুর মত  এসেছিলে  সাহিত্যের অঙ্গনে  খুবই কম বয়সে | চলে গেলে  হঠাৎই  অকাল প্রয়ানে | আমরা শোক স্তব্ধ | তোমার রেখে যাওয়া  কবিতা রচনা  তোমার স্মৃতিকে  চির উজ্জ্বল রাখুক |

তোমাকে চাই | শ্রাবণী কোল্যা 

ছবি
"তোমাকে চাই" শ্রাবণী কোল্যা  তপ্ত বলিয়াড়ি তে  তোমার হাত ধরে শীতলতার পরশ পেতে,  একসাথে পথ চলতে,   তোমাকে চাই।   জীবনের প্রতি গল্পের মোড়ে উপসংহার থেকে সূচনা পর্যন্ত,   তোমাকে চাই।  না বলা গল্প কথা মাঝে   প্রতিটি শব্দের নীরবতার মাঝে,  অন্তরে জমে থাকা প্রতিটি বর্নমালায়,   তোমাকে চাই।   বসন্তের প্রথম আবীর  যে আবীরে রাঙা হবে দুটি মন,   সেই আবীর মাখতে,  তোমাকে চাই।   মনখাপের মাঝে রঙ্গীন খামে,   জমা অভিমানে, জমা আবেগে,   তোমাকে চাই।   কঠিন বাস্তবে ক্ষত গুলো   বাড়ছে যখন শরীর জুড়ে,  ক্ষতের প্রলেপ দিতে,   তোমাকে চাই।   মনের ছোটো চিলেকোঠা  ভেঙ্গে যাবার পরও,  অল্প একটু আশ্রয়ের ঠাঁই পেতে,   তোমাকে চাই।   জীবনের ছোটো পানসি  ভুল করে পথভ্রষ্ট হলে,   জীবনতরীর নাবিক হয়ে,   শক্ত হাতে হাল ধরতে,   তোমাকে চাই।   একরাশ বিষণ্ণতার মাঝে  কান্না যখন মুখ লুক...