পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা

ছবি

গান

ছবি

কবিতা:- একুশের কথা কবি:-ধনঞ্জয় পাল।।

একুশ মানে তোমার আমার স্বপ্নের সন্ধান, একুশ মানে মরা নদীতে এলো আবার উজান। একুশ মানে ইতিহাসের পাতা উলটে দেখা, একুশ মানে বাহান্নতে হলো রক্তলেখা। একুশ মানে পলাশ-শিমুল লালবাহারি ছবি, একুশ মানে বর্ণমালা সাজিয়ে চলেন কবি। একুশ মানে তোমার হাতটি রাখো আমার হাতে, একুশ মানে,বর্ণমালা-চলবো তোমার সাথে। একুশ মানে মায়ের কথাই বয়ে নিয়ে চলি, একুশ মানে 'অ'-এর সাথে 'চন্দ্রবিন্দু'র হোলি। একুশ মানে ঝরাপাতার উপরে সবুজ পাতা, একুশ মানে বন্ধ খাতা খুললে বেরোয় কবিতা। একুশ মানে রক্তচক্ষুর।হিসাব দেবার পালা, একুশ মানে সেজে ওঠে আমার বর্ণমালা। একুশ মানে দুই চলভাষে আঁকিবুকি কথা, একুশ মানে সেরে যাবে দুখিনী মায়ের ব‍্যথা। একুশ মানেই মায়ের আকুল-"খোকা!আয়রে ঘরে, একুশ মানে চোখের কোণে জল চিকচিক করে। একুশ মানে দেশ-কাল নয়,আন্তর্জাতিক দিবস, একুশ মানে মায়ের ভাষা, মায়ের হাতের পরশ।

গল্প:- দাম্পত্য

ছবি
গল্প:-  দাম্পত্য  লেখক:- চিনাংশু গোস্বামী -রোগীর নাম? -আমার বউ।  বৃদ্ধের সলাজ হাসি দেখে আমার চোখ কপালে উঠল। -বউতো বুঝলাম,নাম বলেন। -আমার নাম কলিমউদ্দিন। রোগী আমার বউ।  -আরে চাচা বুঝলাম তো! আপনার নাম কলিমউদ্দিন,রোগী আপনার বউ,রোগীর নামটা বলেন। মনে মনে ভাবলাম,কী আপদ! তখন বেলা সাড়ে এগারটা। সরকারী হাসপাতালের বহির্বিভাগ। রোগী দেখছি। একজন বিশেষজ্ঞ স্যার ছুটিতে আছেন। হাসপাতালের অন্তর্বিভাগের রোগী দেখা শেষ করে মাত্রই এসে বসেছি স্যারের সুনির্দিষ্ট চেয়ারে, আমি নাদান মেডিকেল অফিসার। বাইরে আরো শ দুই রোগী লাইনে দাঁড়ানো।  সামনে পিঠ কুজো করে বসে থাকা নোংরা,মলিন শার্ট পরিহিত প্রায় অশীতিপর বৃদ্ধ তার গালের ঝুলে পড়া চামড়ায় একটু হাত বুলিয়ে ইতস্তত হয়ে হাসলেন। নাকের উপর মোটা কাঁচের চশমাটা ঠিক করলেন। ভাঙা কন্ঠস্বর। -বউয়ের নাম স্মরন করতি পারছিনা মা। বিয়ে হয়েছে আজকা ষাইট বৎসরের মত। হ্যায় ছিল এতিম,হের বয়স ছিল নয়, আমার সতের। আমি তহন থেইকা ডাকি বউ,আর বাকীরা সব ডাকত কলিমউদ্দিনের বউ। আমার ছা পোলারা ডাকত আম্মা, হেগো নাতিরা ডাকে দাদী। হ্যার নাম হের নিজেরো স্মরনে নাই। হিহি। আমুদে রোমান্টিক ...

প্রেমের গান

ছবি
কবিতা:-  প্রেমের গান      কবি:-  পীযূষ কান্তি সরকার  তোমায় আমি বাঁধবো জেনো   সুরের শিকল দিয়ে -- সাগর পাড়ি দেবো আমি    তোমায় বুকে নিয়ে।  তুমি আমার সেই তুমি যে    লক্ষ আলেয়া -- তোমায় খুঁজে বেড়াই বেয়ে   গানের এ- খেয়া।  এসো আমার এই জীবনে    দাও মন রাঙিয়ে।  সাগর পাড়ি দেবো.....।  চাকরির অভাব,  খাদ্যের অভাব    দুঃখের অভাব নাই -- দুঃখ কে জয় করতে এসো    আনন্দের গান গাই।  চলো এবার খুঁজি তাকে     নতুন দেশে গিয়ে।  সাগর পাড়ি দেবো আমি।         -------- তারিখ :  ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পীযূষ কান্তি সরকার  আচার্য পল্লী রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম নরেন্দ্র পুর কলকাতা - 700103 পরিচয় পত্রিকা

শিরোনাম-খেলাঘর-কলমে~~শান্তি দাস

 শিরোনাম-খেলাঘর কলমে~~ শান্তি দাস তারিখ--০২/০২/২০২১ইং এই পৃথিবীর বুকে জন্মিলে মরিতে হয়,  তবুও ভাঙ্গা গড়ার খেলা নিয়ে নেই কোন ভয়।  ধ্বংসের মধ্যেই নিহিত আছে সৃষ্টির বীজ , ধ্বংস হলেই তো সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত নিজ নিজ।  এই ভাঙা গড়ার খেলাঘরে আছে সুন্দরের সৃষ্টি, সংসার জীবনে কত না নতুনত্বের জড়ানো কৃষ্টি পৃথিবীতে চলছে আবর্তন চক্রের মাধ্যমে,  সৃষ্টি কর্তার সৃষ্টি আছি আমরা আছি তার সান্নিধ্যে।  সৃষ্টি তো চিরস্থায়ী নয় ভাঙ্গা গড়ার খেলা,  একদিকে সৃষ্টি একদিকে ধ্বংস এটাই প্রকৃতির লীলা।  ধ্বংস আছে তাই তো নতুনের সৃষ্টি হয়,  একদিকে মৃত্যু অন্যদিকে জন্ম তাতে ক্ষয় নয়।  মানব জাতির এই রঙ্গমঞ্চের খেলা যুগযুগান্তর,  তাই তো এই ভাঙ্গা আর গড়া চলছে অন্তর অন্তর।  জীবন পরিচালিত পথে কত ঝড়ঝঞ্জা আসে,  বিপর্যয় মোকাবিলা করতে একে অপরের পাশে।  মানব জাতি শ্রেষ্ঠ জীব পুরাতন বিদায়ে নতুনের আহবানে,  তাই পৃথিবীর ঘুর্নাবর্তে নিত্য নুতুনের জাগরনে।