পোস্টগুলি

জুন, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পরিচয় ই-ম্যাগাজিন ১৩তম সংখ্যার লেখক সূচিপত্র

ছবি
Porichoy Magazine আমাদের ১৩তম সংখ্যার লেখক সূচি প্রকাশ। বিভাগ- বৃষ্টির অভাব। সূচিপত্র প্রকাশ:- ২৯শে জুন ২০২৩ ই-ম্যাগাজিন প্রকাশ:- ৫ই জুলাই ২০২৩  যোগাযোগ করুন- +৯১ ৭৪৩৯৭৩৭৩৫৮ ইমেইল- helps.porichoy@aol.com   বিভাগ শিরোনাম শিল্পীর নাম ঠিকানা কবিতা বৃষ্টির ভীষণ অভাব সকিনা খাতুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা,পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ কবিতা বৃষ্টির অভাব তমাশ্রী ঘোষ পাওয়া যায়নি কবিতা বৃষ্টির অভাব ছায়া দাস কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ কবিতা বর্ষারাণীর প্রতি সুপ্রিয়া গঙ্গোপাধ্যায় কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ কবিতা মেঘ বৃষ্টি বিনে জয়দেব সাঁতরা ××× কবিতা কৃপণ আকাশ ডা: মধুমিতা ভট্টাচার্য কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ...

কবিতা | জীবনের যুদ্ধ | পিঙ্কি বাউরী

ছবি
কবিতা...... "জীবনের যুদ্ধ" পিঙ্কি বাউরী আসানসোল ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  এই তো ছোট্ট জীবন  কেনো হিংসা-রাগ বিদ্বেষ? দুই চোখ বুজলেই তো  চিন্তার আগুনে ভস্ম হয়ে সব শেষ।  সুন্দর জীবনের প্রতিটি চ্যাপ্টারে আছে  ক্ষোভ-আর্তি,উত্থান-পতন, তবুও তো বেঁচে আছি আমরা সবাই সুন্দরভাবে বাঁচার মতন।  জীবন তো কোনো পর্দার  সিনেমা নয়, বহু লড়াই,সংগ্রাম,অন্যায়- অত্যাচার  সহ্য করেই বেঁচে থাকতে হয়।  জীবন তো ভালো উপন্যাসের  ছেঁড়া পাতার ন্যায়, যেটা জানার জন্য মনের মধ্যে  উৎকন্ঠা - আবেগ থেকেই যায়।

গল্প | শ্মশানে ভাগ্নে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
গল্প...... "শ্মশানে ভাগ্নে" রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ             মা মা ও ভাগ্নে দুজনের বয়সের তফাৎ কুন্ডলী অনুসারে পাঁচ বছর দু- এক মাসের ছোট বড় হবে। দুুুজন ছোট থেকেই বন্ধুর মতন মেলামেশা, ভাগ্নে রথীন্দ্র ছোট হলেও কোনো দিন মামা বলে ডাকেনি অমলকে,তাতে অমলের তেমন কোনো তাপ উত্তাপ দেখা যায় নি । বরং খোস মেজাজে বছরের স্কুল ছুটির দিন গুলো ভালোভাবে বন্ধুর মতো কাটিয়ে দিতো। বিশেষ করে পূজার একমাস ছুটিতে মজায় থাকতো রথীন্দ্র মামা বাড়িতে এসে। বড় মামা রনজিৎ -কে একটু বুঝে চলতে হতো রথীন্দ্রর। একটু কড়া প্রকৃতির হলেও রনজিৎ অন্তর দিয়ে ভাগ্নে কে ভালোবাসতো। একবার পূজার ছুটিতে রথীন্দ্রর সখ হলো দিদিমার জন্য টাটকা পূূূূজোর ফুল ভোর বেলায় গাছ থেকে তুলে এনে দিদিমা- কে অবাক করে দেবে। সেজন্যে ভোর হবার অনেক আগেই পূজোর ফুল পারতে বাড়ীর অদূরে মুখার্জী-বাবুর বাড়ীর পাঁচিল টপকে কোনও রকমে নিঃশব্দে প্রবেশ করে দুজনে, ফুুল গাছের তলায় দাঁড়িয়ে ফুল অনেকটাই তোলা হয়েছে, এমন সময় রথীন্দ্র অন্ধকারে কিছুতে ধাক্কা খেয়ে পড়তো পড় বাহিরে রাখ...

অনুগল্প | বন্ধু | নাসরিন বানু

ছবি
অনুগল্প...... "বন্ধু" নাসরিন বানু দক্ষিন দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ            বা বাকে মনে পড়ে না। মার মুখখানি একটু একটু মনে পড়ে। মা ছেড়ে গেছে! কোথাও নাকি মরেই গেছে সুমন নিশ্চিত নয়। তবে একটা কথা মনে আছে, যেদিন প্রথম সন্ধ্যায় মা হারিয়ে গেল ধীরে ধীরে রাত এলো শিয়ালদা স্টেশনে!ঘুরে ঘুরে কেঁদেছিল সুমন। বয়স তখন তার কত ছিল সে সঠিক জানে না অনুমান করছে চার থেকে পাঁচ বছর হবে!সুমন নিজের অজান্তেই বড় হয়ে হতে থাকলো। সে ফুল বিক্রি করত, না খেয়ে দিন পার করত। সুমনের জীবন বড় কষ্টদায়ক ছিল! সুমন মাঝে মাঝে চুরিও করত কিন্তু কখনো সে ধরা পড়েনি কোন এক ঘটনা ক্রমে সন্দেহজনক ভাবে সে একবার প্রবল মার খেয়েছিল। মাথা ফেটে গিয়ে রক্ত ঝরছিল ।হাতে আঘাত লেগেছিল তবে সে ছিল সম্পূর্ণ নির্দোষ! কোথায় কিভাবে কার যেন কি চুরি হয়েছিল সেই সন্দেহে পুলিশ সুমন কে সামনে পেয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয় আর সুমনকে যাওয়ার সময় বলে সুস্থ হলে জেলে নিয়ে যাবে। সুমনের হাতে-পায়ে, কপালে, ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া হয়।প্রকৃত চোর কে!তা না জেনে সুমনকে পুলিশ শাস্তি দেয়...

কবিতা | মনের শহরে | অসিত পাল

ছবি
কবিতা...... "মনের শহরে" অসিত পাল বাংলাদেশ  বসতির একপাশ দিয়ে সরু রাস্তাটা                 টেনে বয়ে গেছে সেই প্রান্তরে,                  কতো সাজানো,গোছানো ছিল                            তার আশ পাশ----          সারি বৃক্ষের গর্বিত শীর যেন আকাশ ছোঁয়া ৷ দু-ধারে ঘাসে আবৃত মাঠ,         মাঠের পাশ ঘেষে বয়ে চলা ,            আঁকা,বাঁকা ছোট্ট জল ভরা খাল;               নিরন্তন মনে সে পথেই হেটে চলেছি                   তখনি মনের মধ্যে বিজলির ন্যয়!                    চমকে গেল দেহের সমস্ত অন্দর মহল। দু-চোখের অপলক দৃষ্টি সে যেন          আমাকে বিমহীত করে রেখেছে             ...

পরিচয় ই-ম্যাগাজিনের জন্য শিল্পকলার আহ্বান

ছবি
পরিচয় ই-ম্যাগাজিন ১৩তম সংখ্যা যে লেখাগুলি হাইলাইট এবং বোল্ট ও কালার দেয়া আসে, সেই লেখাগুলি বিশেষ করে নজর দেবেন। সকলের সহযোগিতায় প্রকাশ হতে চলেছে ১৩ সংখ্যা, বিভিন্ন লেখার নিয়মাবলী নিচে দেয়া হল দেখে, আপনার ব্যক্তিগত লেখা পাঠাবেন। ● বিষয়বস্তু: বৃষ্টির অভাব (  রান্নার রেসিপি,ভ্রমণ কাহিনী,চিঠিপত্র,ফটোগ্রাফি,ডিজাই -এইগুলোর জন্য কোন বিষয়ে ধরা নেই। ) বৃষ্টির আভাব "একটি আপেক্ষিকভাবে নতুন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বৃষ্টির অভাব। এটি জীবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানবজীবনের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে। বৃষ্টির অভাব থাকলে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, যেমন মাটির শুষ্কতা, সম্পদ বিভাজন, জীবনযাপনে সমস্যা, বৃষ্টির সমস্যার প্রভাব ও অন্যান্য। এই বিষয়টি কীভাবে মানুষকে প্রভাবিত করে তা নিয়ে আরও অনুশীলন করুন।।" ■ লেখকদের সুবিধার জন্য - বিভিন্ন বিভাগ ✒️ কবিতা - ১২-২০ লাইন।  ✒️ গল্প - সর্বোচ্চ ২০০০ শব্দ।  ✒️ প্রবন্ধ - সর্বোচ্চ ২২০০শব্দ। ✒️ নাটক - সর্বোচ্চ ৩০০০ শব্দ।  ✒️ চিঠিপত্র।  ✒️ ভ্রমণ কাহিনী। ( ভ্রমণের ছবি দেওয়া বাধ্যতাম...

কবিতা | ভারতবর্ষ | নাসরিন বানু

ছবি
কবিতা...... "ভারতবর্ষ" নাসরিন বানু বালুরঘাট,দক্ষিণ দিনাজপুর পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।  আমার জন্মের দেশ ভারতবর্ষ তাই বুঝি এতো ভালোবাসি আমি  তোমারি দুশমনে আমি  সইতে না পারি  যারা সৃষ্টির ধ্বংসকারী  জন্মেছে তোমার গর্ভে ভালবেসেছো তুমি সবারে।  কত কবি গাইলো তোমার গান কত লেখক লেখিকা করল তোমার গুনগান  তুমি চিরসম্মানিত সবার নিকট। সবারই জন্মের দেশ এই ভারত বর্ষ তোমার বুকের মাঝে হৃদপিণ্ডে বসবাস করি  করছে হানাহানি কাটাকাটি আর মারামারি  মধু আর বিষে মিলেমিশে আছে  একসাথে বাস করি এই ভারত বর্ষ।                তুমি বিশাল তোমার নাই অন্ত  অনাদি তোমার দিগন্ত  তুমি সীমাহীন অফুরন্ত  হে আমার ভারতবর্ষ  সবুজ ক্ষেতের ম...

গল্প | চন্দনা | প্রবাল মুখোপাধ্যায়

ছবি
গল্প...... "চন্দনা" প্রবাল মুখোপাধ্যায় হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ          খাঁ চায় একটা চন্দনা ছিল। সে বেচারা একলা থাকতে থাকতে কেমন মনমরা হয়ে পড়েছিল। কাঁচালঙ্কা ওর অত প্রিয় ছিল, সেই লঙ্কা ছুঁয়েই দেখত না। পালং শাক দাঁতে কাটত না। আগে পাকা কলার টুকরো খাঁচার সামনে ধরলেই ঠোঁট বাড়িয়ে নিয়ে ছুট লাগাত। আর বাটির জল ফুরিয়ে গেলে ছোট্ট দরজার কাছে এসে কলকল কলকল করে কত কি বলত। দিব্যায়ন ঠিক টের পেয়ে যেত ও কী বলছে। সঙ্গে সঙ্গে গেলাসে করে জল এনে বাটি ভর্তি করে দিত। একদিন দুপুরে খাঁচার পাশটিতে বসে পাকা পেঁপে সবে মুখে দিয়েছে, টুসি ক্যাঁ ক্যাঁ করে ডেকে উঠল। দিব্যায়নের চোখ গেল চন্দনার দিকে। মাথায় উঠল খাওয়া। বলল, কিরে টুসি, দিইনি বলে রাগ হয়েছে ? তারপর খাঁচার দরজা খুলে গোটা চারেক টুকরো ওর বাটিতে দিয়ে তবে শান্তি।  সেই টুসি আজ দুদিন হল খাওয়া বন্ধ করেছে। স্পিকটি নট। বাটিতে দু'দিনের ছোলা পড়ে আছে।‌ জলে মুখ দেয়নি।‌ দাঁড়েও বসে না। খাঁচার এককোণে চুপটি করে ...

গল্প | সাঁতার | অঞ্জলি দেনন্দী, মম

ছবি
গল্প...... "সাঁতার" অঞ্জলি দেনন্দী, মম দিল্লি,ভারতবর্ষ          বা বা সালকিয়াতে থাকতো। বৌবাজার চাকরী করতো। প্রতি শনিবার সন্ধ্যায় চৈতন্যবাটীতে আসতো। আর রবিবার বিকেলে আবার চলে যেত। আমি, মা, ভাই, বোন, দাদু, ঠাকুমা, পিসিমা চৈতন্যবাটীতে থাকতুম। দু কাকা বাবার কাছে ওখানে থাকতো। আর দু পিসীমার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল।       আমরা ভাই বোনেরা তখন ছোট। মা অন্য ছ'দিন আমাদের চান করাতো। আর বাবা রবিবার দুপুরে আমাদের নিয়ে খিরকি ঘাটের জলে নামাতো। সবার ছোট বোন একদম ছোট তাই তাকে চান করিয়ে বাবা বাড়ি পাঠিয়ে দিত। কাছেই ছিল বাড়ি। এরপর বাবা দু হাতে দুটি গামছা আমার ও ভায়ের পেটের ওপর দিয়ে ঘুরিয়ে ধরতো। আমরা উপুড় হয়ে জলের ওপরে ভেসে থাকতুম। বাবা পিঠের ওপর ওই গামছা দুটির দু প্রান্ত একসঙ্গে করে টেনে তুলে ধরে থাকতো। আমরা বাবার দু হাতে ধরা দু গামছায় আটকে জলের ওপরে খুব হাত ও পা ছুঁড়তুম। সেখানে জলের গভীরতা আমাদের বুক পর্যন্ত। আর বাবার তো অনেকই কম। মাঝে মাঝেই বাবা গামছা দুটো খুলে নিত। আমরা তো সাঁতার কাটতে কাটতে হঠাৎই তখন আর ভেসে থাকতে পারতুম নি। খানিকটা জল খেয়ে ফেলতুম। এরপর আমা...

কবিতা | তোমায় দিলাম | শাশ্বত বোস

ছবি
কবিতা...... তোমায় দিলাম শাশ্বত বোস হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  তোমায় দিলাম একফালি রোদ, বৃষ্টিমুখর দিন|  মেঘলা আকাশ, জলের কণা, দৃষ্টি অমলিন| তোমায় দিলাম, অবুঝ আমি, সবুজ পাতার গান| পুকুর পাড়ের দমকা বাতাস, ঝোড়ো শালিধান| তোমায় দিলাম, চৈতালি চাঁদ, ইফতারি বেল জুঁই| অন্ধ বাউল একতারা গায়, মেঠো গানে ছুঁই| তোমায় দিলাম, শহুরে গান, বিপন্নতার রোজ| ঢাক গুড় গুড় মেঘের আওয়াজ, মেঘবালিকার খোঁজ| তোমায় দিলাম, একমাথা চুল, এলোকেশীর বেশে| সোনার কাঠি, রুপোর মালা, পথভোলাদের দেশে| তোমায় দিলাম, ঝাপসা বিকেল, ঝিমোনো রোদ্দুর| এক ছুট্টে ভিজতে চাওয়া, সাতটি সমুদ্দুর| তোমায় দিলাম মেয়েবেলা, এলানো বেণী, চিনেছ আমায়? বুঝেছ কি? সাদা পাতায় শব্দ বুনি| পুতুল খেলা, খোলা জুতো, সাদা ভ্রমর তোমায় দিলাম, একলা আকাশ, বৃষ্টি ভেজা, মাটির সফর| কবির পরিচিতি:-  কবিতা লেখা আমার কিশোরী বেলার অভ্যাস, খিল তোলা বন্ধ দুপুরে আবদ্ধ চিলেকোঠার ফসল| কোনোদিন নাম হলো না তেমন, শুধু আমার শিমুল শিউলির বিটপীরা ভবিষ্যৎহীন পরিচয়ের মাঝে ক্লোরোডাই- ফ্লুরোমিথেনের গন্ধের আবেশে ঢাকা এক বাগান বোগেনভেলিয়া হয়েই রয়ে গেল, রঙিন খ...

নাটক | শেষ দৃশ্য | ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল

ছবি
নাটক...... "শেষ দৃশ্য" ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল বাঁকুড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  • চরিত্র লিপি ▪︎ পুরুষ ০১) মৃগাঙ্ক শেখর গাঙ্গুলী - কারখানার মালিক। ০২) অয়ন - মৃগাঙ্কর পুত্র। ০৩) নীতিন - রুমার বাবা ▪︎ স্ত্রী ০১) বিপাশা - নীতিনের স্ত্রী   ০২) রুমা - নীতিনের কন্যা [মৃগাঙ্কর বাড়ি, মদ খেয়ে টলতে টলতে বাড়ি ঢোকে মৃগাঙ্কর স্ত্রী দূরে দাঁড়িয়ে দেখছিল। মৃগাঙ্কর বাড়িতে একটা আরামকেদারা থাকে যেটাতে মৃগাঙ্ক বসে] মৃগাঙ্ক: - ইডিয়ট গুলো কাজে ফাঁকি দিতে পারলে আর কিছু চায় না। আমার নামও মৃগাঙ্ক শেখর গাঙ্গুলী ,সবাইকে মাইনে দিচ্ছি চুষে নেবো, নিংড়ে নেবো প্রত্যেকটি কর্মচারীকে। [রুমে ঢুকে দড়াম করে দরজা লাগিয়ে দেয়।] রুমা :- ইদানিং মদ খাওয়ার মাত্রা বাড়িয়েছে। আজ তো মাত্রাতিরিক্ত মাতাল ।আমার বাবাও এরকম ভাবে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরতো। ভুলতে পারিনা সেই রাতের কথা।   পূর্বের স্মৃতি মনে পড়ে যায়—------                           [নীতিন প্রবেশ মত্ত অবস্থায় ]  নীতিন :- এই হারামজাদি কোথায় গেলি? সামনে আয় ন...