পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অনুগল্প | ভয় |অপু দেবনাথ |

ছবি
গল্প...... "ভয়" অপু দেবনাথ মধ্যকুল,কেশবপুর,যশোর,বাংলাদেশ  দু ই দিন যাবৎ মেসে রান্না বন্ধ রয়েছে। আজ দ্বিতীয় দিন। আমার কাছে পর্যাপ্ত টাকাও নেই যা দিয়ে নাস্তা-পানি করব। খুব জোর করেই খাটে শুয়ে আছি। কারণ- উঠলেই তো খিদে লাগবে কিছু না কিছু খেতেই হবে। সুয়ে ও ঘুম আসছে না। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে- "পেটে খেলে পিঠে সয়" সারংশ এমন খিদে পেটে ঘুম আসতে চাইনা। ঘুমের ঝুলে হোক বা জেগে থেকেই হোক, দুপুর ২:৩০ থেকে ৩:০০ টা নাগাদ। আমি ভগবানকে ডেকে বলছি, ভগবান দুপুরে তো কিছু খাওয়া হয়নি। রাতে অন্তত একটু প্রাসাদের ব্যবস্থা করেদিস। না দিলেও ক্ষতি নেই- তুই তো আমাকে চিনিস 'খাবার না পেলে আজ তোর একদিন কি আমার একদিন' এসব কিছু বলতে বলতে ঘুমিয়ে পরেছিলাম। ঘুম থেকে উঠতে সৈকত ডাকছে- চলেন খেয়ে আসি। বললাম টাকা নেই। বলে আমি টাকা দিব চলেন আপনি। একে-তো পেটে খিদে বেশি আপত্তি না করে চললাম তার সাথে। রাজপ্রিয়া হোটেল থেকে দুইজন দুপুরের খাবার গ্রহণ করলাম। খাবারের বিল ১৮০ টাকা নিল। খাবার হিসেবে শুধু ডাল, ভাত, ভাজি আর ভর্তা দিয়েই ১৮০ টাকা নিয়ে নিল। যাই হোক, এতো টাকা আমি দিলে এতক্ষণে আমা...

পরিচয় সংখ্যা ১৩

ছবি
লেখাপড়ার "পরিচয়" ই-ম্যাগাজিন  পরিচয় সংখ্যা ১৩ প্রকাশ ৫ই জুলাই ২০২৩ শুভেচ্ছা প্রিয় পাঠকগণ,        আমি মিলন পুরকাইত...       বৃষ্টির অভাবে মৃত পৃথিবীর ছবি আমরা প্রকাশ্য করতে অত্যন্ত স্বতন্ত্র সাহিত্যিক সমৃদ্ধ প্রশংসা করছি। আমরা আনন্দিত এবং গর্বিত যে পরিচয় ই-ম্যাগাজিনের ১৩তম সংখ্যা আপনাদের সামগ্রিক সাহিত্যিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সংখ্যায়, আমরা স্বরস্বতোপকারক লেখকগণের সাহিত্যিক তীর্থযাত্রায় আপনাদের সমর্থন পেয়ে থাকতে অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং ধন্যবাদ জানাতে চাই। ম্যাগাজিনে...

কবিতা | যুদ্ধের পদধ্বনি | অধীর কুমার রায়

ছবি
কবিতা...... যুদ্ধের পদধ্বনি অধীর কুমার রায় মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  যুদ্ধে যাচ্ছেন বিজয় সিং রাঠোর।চোখে আঁকা স্বপ্নগুলো এখনও অঙ্কুরিত হলো না।অথচ কর্তব্য দড়ি ধরে টানছে।যাবার আগে ত্রিরাঙ্গা ঝান্ডার পদতলে সোনালী মৃত্তিকার শ্লেটে রক্তরাঙা কালিতে লিখে গেলেন জীবনের জয়গান--- চলেছি কর্মযজ্ঞে যুদ্ধক্ষেত্রে আজ আমি সৈনিক হাতে রাইফেল, নিশানা করেছি শত্রুর বক্ষস্থল। পরমা চেয়ে আছে আগামীর পানে- কখন বাজে সানাইয়ের সুর, প্রজাপতি উড়ে বসে শরীরের আঙিনায়। মুঠো মুঠো স্বপ্নগুলো জানালায় উঁকি দেয়। স্বপ্নগুলো সাজি ভরে রেখে গেলাম দেশ মাতৃকার স্নেহছায়া তলে। যদি ফিরি হাসি মুখে চেয়ে নেব  এক মুঠো সোনা রোদ্দুর। সীমান্তের সীমারেখায় এক পা জমি ছাড়বোনা আমি। হৃদয়ে বাড়ছে প্রত্যয়, যুদ্ধ আমি জিতবই। আর যদি শত্রুর বুলেটে রাঙা হয় রক্তশিমূল? কেঁদোনা মা, মিছেই ভয় পাও, চেয়ে দেখো বসে আছি পদতলে হাজার কোটি টকবগে বীর সৈনিক জওয়ান ।

গল্প | মুছে যাওয়া দিন গুলি | ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল

ছবি
অনুগল্প...... "মুছে যাওয়া দিন গুলি" ডাঃ হর্ষময় মণ্ডল বড়জোড়া, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  —- পিকলু বলল - বাপি তোমার লেখার টেবিলে একটা চিঠি আছে। —- সুকোমলের ছেলের নাম পিকলু। —-- সুকোমল টেবিলের কাছে এসে দেখলো চিঠিটা । আশ্চর্য হয়ে গেল চিঠিটি দেখে। চিঠির কথা শুনে ভেবেছিল কোন সাহিত্য সবার চিঠি হবে। আজকাল সুকোমলের পড়াশোনার ঘরে সাহিত্য সবার নিমন্ত্রণে চিঠি ছাড়া কোন আত্মীয়-স্বজনের চিঠি এসেছে বলে তো মনে পড়ছে না বা সুকোমল কাউকে দু'কলম লিখে চিঠি দিয়েছে বলে মনে পড়ছে না। যা কথা চালাচালি ভাবের আদান প্রদান হয় তা হল ফোনে বা পথ চলতে চলতে যদি দেখা হয় বা কোন অনুষ্ঠানে। —- চিঠির বাইরে প্রেরকের নাম নেই। হাতের লেখা চেনা চেনা মনে হলেও চীনে উঠতে না পারার জন্য একটু কৌতুহল বসতো চিঠিখানা খুলে ফেলল সুকোমল। ইতি লেখার জায়গায় তোমার শেফালীদি দেখে চমকে উঠল সুকোমল। মুহূর্তে রক্ত প্রবাহ দ্বিগুণ হয়ে মাথা থেকে পায়ে আসা যাওয়া শুরু করল। আবেগ উত্তেজনা মিলেমিশে মাথায় তোলপাড় শুরু করল। নিজেকে সামলে নিয়ে দেখলো ইন-এন্ড-লেটারটি। কোথাও তিল ঠাঁই নাই । সুকোমল পড়তে শুরু করল...