পোস্টগুলি

রবীন্দ্রনাথ দাস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বন্ধুর পথে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "বন্ধুর পথে" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারত  পৌষালী রোদ আদর করে কষ্টে ভরা মনের মাঝে, জীবনের এই বন্ধুর পথে, এইটুকু যে অনেক সাজে। কুহেলিকার পথের বাঁকে এসে দাঁড়ায় স্নিগ্ধ রূপে, আদর ভরা স্নেহ দিয়ে ভুলিয়ে দেয় নিজের ধুপে। জীবনের এই চাওয়া পাওয়া মায়ার ঘোরে ঘুরতে থাকি, স্নেহের আঁচল সামনে পেলে হৃদয় আমার তাতেই ঢাকি। ঘাত প্রতিঘাত চড়াই-উতরাই তরঙ্গ যে উঠে নামে, তারই সাথে সঙ্গ জুড়ে পথ চলেছি লক্ষ্য ধামে। পারের তরী দেখলে ঘাটে উদাস মনে শান্তি আনে, জীবন নদী যাই যে বেয়ে কৃপায় ভরা বৈঠার টানে। কবির পরিচিতি: রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কবি শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে উঠে কোলকাতায়। কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে শিক্ষা লাভ করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক । একক কাব্যগ্রন্থ "অঞ্জলি " কোলকাতা বইমেলা ২০২৩ প্রকাশিত হবার, পর যৌথ কাব্যগ্রন্থ "দুই বাংলার কাব্যমালা" বাংলাদেশ গ্রন্থমেলায় , আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও কাব্যগ্রন্থ 'হৃদয়ের কথা' পুজোর সময় প্রক...

কি করে পাবে তাকে ফিরে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৩ কবিতা...... "কি করে পাবে তাকে ফিরে" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারত   তুমি আজ কান্নায় ভেঙে পড়েছো,  এই নিয়ে ঠাট্টা- তামাশা হবে,- বোঝনি কি আগে?  ওরা তো এই নিয়ে চর্চায় সারাক্ষণ,  নতুন রসদে মশগুল টেবিলে ব্র্যান্ডের বোতলে বুদবুদের উজান বসন্তের ফাগে।  হাত-পা-মুখ সব বেঁধে রাখো, --- কোনও কথার জন্ম না হয় মনে,  সহ্য করে যাওয়াটা-ই পরাধীনতার স্বভাব।  হিটলার, গোয়েবলসের পথে বর্তমান হাঁটে রক্ত গঙ্গার সাথে তোমার অশ্রুজলে বহে আনে ভগীরথের ভাব।  তুমি যাকে খুঁজতে বেড়িয়েছো পথে অসীমের মাঝে ছোট্ট একটি ঘটনা,  কখন মিশে গিয়েছে সে তার মহাপ্রাণে।  বৃথা কান্নাকাটি অবুঝের মতো,  কেন নেমেছো, কি পাওয়ার আশায় অহল্যার ফিরে আসার শর্ত ছিল, ছিল তাঁর মানে।  কিন্তু তোমার কান্নায় যে সহানুভূতি হাসে,  তবুও ফিরে পেতে চাও তাকে! কবির পরিচিতি:--- রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কবি শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে উঠে কোলকাতায়। কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে শিক্ষা লাভ করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ।...

কাজের মেয়ে - রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
কবিতা...... "কাজের মেয়ে" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারত এই ধূসর পৃথিবীতে, ---- জন্ম থেকে আজও বাঁচি মরিতে মরিতে।  অভাব, অনটন প্রতিদিন, ---- অর্ধাহারে খেটে খেটে শরীরটা হয় ক্ষীণ।  তবু কেনো জানি না, ---- স্বপ্নহীন জীবনে মন, ছু্ঁতে চায় কারো আঙ্গিনা।  কতো শত পাপ, ----- জমা ছিল, আর কতো দিনে মিটিবে সেই শাপ।  সুখ, শান্তি আর আনন্দ, ------ প্রতিদিন একান্তে চোখের জলে হয় খন্ড খন্ড।  বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী, ------ বেঁচে আছি সবার মধ্যে, হয়ে এক পরজীবী।  ঘৃনা, শোক, তাপ, ---- সব গেছে চলে, কষ্ট হয় দেহে উর্দ্ধে উঠার ধাপ।  শীর্ণকায় শরীর নিয়ে, --- রাতে আরশী-তে দেখি প্রদীপের আলো দিয়ে।  রুক্ষ, শুষ্ক এই হাত, ------- ...

কবির কল্পনা - রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
কবিতা...... "কবির কল্পনা" রবীন্দ্রনাথ দাস   কি ভাবনা নিয়ে তুমি বাতায়নে বসে রও আসিলে না তুমি মোর কাছে নামি শুধু চেয়ে, কি যে কথা কও জানিলো শুধু তব অন্তর্যামী।  দুপুর গিয়া সূর্য যাইতেছে পাটে পাখিরা শেষ ডানা মেলিয়া ফিরিতেছে নীড়ে,  দিশাহীন ভাবে ঘুরিতেছি পথের বাঁটে বাঁটে ম্লান হলো এই বেলা আবারও আঁধারের ভিড়ে।  পুবে রক্তিম আভায় জাগিবে পুনরায় রবি গত পাটের অধ্যায় নিজ সাথে লয়ে,  নব রূপে, নব ভাবে রচিয়া দিবে কাব্য ভরি কালে কালে আগের সে রূপ যাবে না ক্ষয়ে।  এক একটি রূপ থাকিবে যে চিত্তের স্তরে    কবির কবিতায় জাগিবে ভাবের স্তর বেয়ে,  অসীম তরঙ্গ মাঝ হতে স্মৃতির পাতা ধরে জাগিবে বাতায়নে বসে আজও সেই মেয়ে।  ছাড়ি ক্ষুদ্র স...

গল্প | শ্মশানে ভাগ্নে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
গল্প...... "শ্মশানে ভাগ্নে" রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ             মা মা ও ভাগ্নে দুজনের বয়সের তফাৎ কুন্ডলী অনুসারে পাঁচ বছর দু- এক মাসের ছোট বড় হবে। দুুুজন ছোট থেকেই বন্ধুর মতন মেলামেশা, ভাগ্নে রথীন্দ্র ছোট হলেও কোনো দিন মামা বলে ডাকেনি অমলকে,তাতে অমলের তেমন কোনো তাপ উত্তাপ দেখা যায় নি । বরং খোস মেজাজে বছরের স্কুল ছুটির দিন গুলো ভালোভাবে বন্ধুর মতো কাটিয়ে দিতো। বিশেষ করে পূজার একমাস ছুটিতে মজায় থাকতো রথীন্দ্র মামা বাড়িতে এসে। বড় মামা রনজিৎ -কে একটু বুঝে চলতে হতো রথীন্দ্রর। একটু কড়া প্রকৃতির হলেও রনজিৎ অন্তর দিয়ে ভাগ্নে কে ভালোবাসতো। একবার পূজার ছুটিতে রথীন্দ্রর সখ হলো দিদিমার জন্য টাটকা পূূূূজোর ফুল ভোর বেলায় গাছ থেকে তুলে এনে দিদিমা- কে অবাক করে দেবে। সেজন্যে ভোর হবার অনেক আগেই পূজোর ফুল পারতে বাড়ীর অদূরে মুখার্জী-বাবুর বাড়ীর পাঁচিল টপকে কোনও রকমে নিঃশব্দে প্রবেশ করে দুজনে, ফুুল গাছের তলায় দাঁড়িয়ে ফুল অনেকটাই তোলা হয়েছে, এমন সময় রথীন্দ্র অন্ধকারে কিছুতে ধাক্কা খেয়ে পড়তো পড় বাহিরে রাখ...