পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দেবীর অংশ | শুভব্রত ব্যানার্জি

ছবি
নাটক...... "দেবীর অংশ" শুভব্রত ব্যানার্জি দমদম জংশন,দক্ষিণ ২৪ পরগনা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  চরিত্র – ভিখারি – ভজহরি, ভিখারির মেয়ে – কমলা, মন্দিরের পুরোহিত – ভট্টাচার্য মশাই, বাড়ির কর্তা – ধীরেন বাবু, বাড়ির গিন্নী – দিপ্তি দেবী, বাড়ির পুরনো চাকর - মধু। প্রথম দৃশ্য – চরিত্র - বাড়ির কর্তা – ধীরেন বাবু, বাড়ির পুরনো চাকর - মধু পু জোর ঢাক বাজঝে। বাড়ির কর্তা দালানে বসে পুজো দেখছেন। বাইরে (মঞ্চের পেছুন থেকে এই গান বাজবে) একজন ভিখারি মিষ্টি সুরে গান গাইতে গাইতে চলেছে। হঠাৎ, কর্তা মশাইয়ের মন চলে গিয়েছে গানের দিকে। মঞ্চে প্রবেশ করল বাড়ির পুরনো চাকর, মধু। মধু – বাবু, আজ সন্ধি পুজো আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে। মা জিজ্ঞেস করে পেঠালেন, আপনি কি পুস্পাঞ্জলি কি দেবেন না দেবেন না? ধীরেন – সেই বিয়ের পর থেকে তোর গিন্নী মা দেখেছে, আমাকে কোন দিন মায়ের পায়ে অঞ্জলি দিতে? মধু – আমি তো কোন দিনই দেখি নি। ধীরেন – কিন্তু এই দিনে প্রতিবছর একবার করে পাঠাবে জিজ্ঞেস করার জন্য। মধু – আমি বলেছি। কিন্তু হাজার হলেন আপনারা মনিব, তাই আমিও আসি ওই ধর্ম পালন করতে আপনার কাছে। ধীরেন – গিয়ে বল,...

শেষ ঠিকানা | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "শেষ ঠিকানা" রুচিরা সাহা ইংলিশ বাজার, মালদা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  বা রীন চন্দ্র রায়।১৯৬৪সালে রিউজি হয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন।প্রথমে ঠাঁই হয়েছিলো একটি ক্যাম্পে।সঙ্গে ছিলো স্ত্রী আর একমাত্র পুত্র,বয়স আট বছর,আর একটি মেয়ে মাত্র চার বছরের।অর্থপুঁজি কিছুই ছিলো না।স্ত্রী ছিলেন খুব বুদ্ধিমতী।তিনি অসার সময় কিছু সোনার গহনা মাথার খোঁপার মধ্যে লুকিয়ে এনেছিলেন।আর শক্ত করে চুলের খোঁপাটি বেঁধে রেখেছিলেন।সেই সময় মাথায় ঘোমটা দেওয়ার প্রচলন ছিলো গৃহবধূদের।প্রায় দুই সপ্তাহ কষ্ট করার পরে বারীনবাবুর এক পরিচিত ব্যক্তির কথা মনে পরে হঠাৎ।তিনি সেই স্বদেশবাবুর  বাড়িতে গিয়ে ওঠেন স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে।স্বদেশবাবুর গৃহে তাঁদের স্বসম্মানেই ঠাঁই হয়।চার বছরের মেয়েটির হঠাৎই জ্বর হয়।স্বদেশবাবুর সাথে বারীনবাবুও গিয়ে ডাক্তার ডেকে আনেন।ওষুধ দিলেন।কিন্তু বারীন বাবুর কাছে টাকা নেই অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন।বারীনবাবুর স্ত্রী তখন খোঁপাটি খুলে গলার হারটি দেন প্রথমে দুজনেই নিতে অস্বীকার করলেও পরে সেটা বিক্রি করে কয়েকদিন চলে যায়।সন্ধ্যাবেলায় বারীনবাবু আশ্চর্য হয়েছিলেন স্ত্রীর ব...

পরিত্রাণ | মিঠুন রায়

ছবি
গল্প...... "পরিত্রাণ" মিঠুন রায় বিশালগড়,সিপাহীজলা প্র তিদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে শতরূপার নিকট থেকে অসহনীয় গালাগাল শুনতে করতে হয় মানবকে।মনে হয় যেন এই নরক থেকে পরিত্রাণের আর উপায় নেই।কিন্তু সমস্যাটা কোন জায়গায়,আসলে শতরূপা পছন্দ করেনা মানবের মাকে।এমনকি মানবের প্রতিও তার কোনো ভালোবাসা নেই।শতরূপার জীবনে মূল নিয়ন্তা তার মা।যে নিজের সংসার ভেঙ্গে তছনছ করে,এখন মেয়ের সংসার ভাঙতেও সচেষ্ট।যদিও মাতৃপ্রেমে অন্ধ শতরূপা বিয়ের পর একদিনও স্বামীর সংসারকে আপন করতে উদ্যোগী হয় নি।তার লোভ মানবের বিশাল সম্পত্তির উপর।আর এ কারণেই শতরূপা তার মায়ের পরামর্শে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে সবকিছু নিজের নামে আয়ত্ত্ব করতে।    কিন্তু বিধি বাম।আচমকা শতরূপার বাবার মৃত্যু হলে তার মা একা হয়ে পড়ে।নিজ বাড়িতে মাকে নিয়ে আসার জন্য সে চাপ দিতে থাকে মানবকে।অগত্যা মানব একদিন বিশাল ব্যবসা ছেড়ে অগোচরে পালিয়ে যায় বাড়ি থেকে।সন্তান হারিয়ে মানবের বিধবা মা দিশেহারা।কয়েক মাস বাদে মানব চলে যায় হিমালয়ের পাদদেশে স্বামী অধবেশানন্দজীর আশ্রমে।স্বামীজীর মুখে আধ্যাত্মিক তত্ত্ব কথা শুনে চৈতন্য হয় মানবের।স্বাম...

ফুটবল | স্তুতি সরকার

ছবি
গল্প...... "ফুটবল" স্তুতি সরকার নিউটাউন, কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  ফু টবল খেলা চলছে । হাফ টাইম প্রায় হবো হবো এরকম সময়ে লাস্ট মিনিটে গোল করল শ্যারন। সব প্লেয়াররা ওর ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়লো। আনন্দে, উত্তেজনায় একের উপর আর একজন ।আরেকজনের উপর আরেকজন জাম্প করল । শ্যারন তখন চোখে অন্ধকার দেখছে। দম ফেলার অবস্থায় নেই।ওর হার্টের প্যালপিটিশন শুরু হয়ে গেছে তখন।ওর উপরে সকলে মিলে তারপরেও ঝাপিয়ে পড়ে ওকে অভিবাদন জানাচ্ছে। নিশ্চুপ শ্যারনের একেবারেই নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেল। বুকের যন্ত্রনায় ছটফট করতে করতে এক সময় স্থির হয়ে গেল সবকিছু। অসাড় হয়ে গেল সমস্ত শরীর। মাঠের ডাক্তার ছুটে আসলেন।আসলো স্ট্রেচার। তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হল শহরের সবথেকে বড় হার্টের হসপিটালে। চিকিৎসকরা ডিক্লেয়ার করলেন - শ্যারন মৃত। গরীব পরিবার থেকে উঠে আসা শ্যারন নিজ দক্ষতায় সবে মাত্র প্রথম ডিভিশনে ফুটবল খেলা শুরু করেছিলো মাত্র কিছুদিন আগে থেকে। ছিলো অনেক স্বপ্ন, বাবা মা র প্রত্যাশা।সব কিছু স্তব্ধ হয়ে গেলো এক লহমায়, মৃত্যু ছিনিয়ে নিলো বিজয়ানন্দের সমস্ত কিছু মুহুর্তের মধ্যে। স্তুতি সরকার লেখি...

ঈশ্বর আমার প্রভু | অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

ছবি
কবিতা...... " ঈশ্বর আমার প্রভু" অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী ঈশ্বর আমার প্রভু, ওরে তিনিই সবার প্রভু। এ বিশ্ব-ব্রম্ভান্ড যাঁর হাতের উপর রে- তি এই ত্রিভুবন যাঁর হাতে গড়া রে- তিনিই আমার প্রভু। সূর্য,চন্দ্র,গ্ৰহ,তারকা যাঁর আদেশ মেনে চলে সদা- তিনিই আমার প্রভু। সৃষ্টি,ধ্বংস যাঁর কাছে এক নিমেষের খেলা রে- তিনিই আমার প্রভু। সাগর গর্ভে এত মুক্তা, পর্বত চূড়ায় এত বরফ, যিনি গড়লেন এ বিশ্ব, তাঁর সৃষ্টির এত কারুকার্য! তিনিই আমার প্রভু। এ বহুরূপী প্রকৃতি যাঁর আজ্ঞা পালন করে রে- তিনিই আমার প্রভু। এ বিশ্ব- কত সৌন্দর্য,কত রূপে ভরপুর। এসব কা’র দান? ওরে এ যাঁর দান রে- তিনিই আমার প্রভু। এ বিশ্বের এত ফুল,এত ফল- তাদের এত রঙ, এত সুবাস- ওরে এসব কা’র সৃষ্টি? এ যে তিনিই রে- তিনিই আমার প্রভু। এ বিশ্বের এত প্রাণীকূল, তাদের কত বিচিত্রতা! এসবের মালিক যিনি রে...

উর্দু কবিতা | শংকর ব্রহ্ম

ছবি
প্রবন্ধ...... "উর্দু কবিতা" শংকর ব্রহ্ম কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  উর্দু কবিতার ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এবং তার বিভিন্ন ফর্ম আছে। নাসির তুরবির মতে উর্দুর প্রধান পাঁচজন কবিরা হলেন মীর তকী মীর , মির্জা গালিব , মীর আনিস , আল্লামা ইকবাল এবং জোশ মালিহাবাদি। ব্রিটিশ রাজের অধীনে উর্দু ভাষা চূড়ায় পৌঁছায় এবং সরকারী মর্যাদা লাভ করে। গালিব এবং ইকবাল সহ উর্দু ভাষার সকল বিখ্যাত লেখকদের ব্রিটিশ বৃত্তি দেওয়া হয়েছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পরে দেখা যায় যে জাতীয় কবি ও বিদ্বানরা জাতীয়তাবাদী ধারায় বিভক্ত ছিলেন। সীমান্ত পেরিয়ে মুসলমান এবং হিন্দু উভয়ই এই ঐতিহ্য বজায় রেখেছে।      মীর তকি মীর , আঠারো (১৮) শতকের মুঘল ভারতের একজন উর্দু কবি। তিনি মূলত পারফর্মিং কবিতা এবং আবৃত্তি, যা মুশাইরাসে অনুষ্ঠিত হয় (কাব্যিক প্রকাশ)তার কবি ছিলেন,যদিও এর গানের দিক (তারানুম সাজ) সাম্প্রতিক দশকগুলিতে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে, জনসাধারণের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। দক্ষিণ এশীয় প্রবাসের সাংস্কৃতিক প্রভাবের কারণে মুশায়রাস আজ বিশ্বব্যাপী (মহানগর অঞ্চলে) অনুষ্ঠিত হয়। গজল গাওয়া এবং কা...

০৮ তম প্রকাশ- শারদীয়া উৎসব

ছবি
ম্যাগাজিন...... ০৮ তম প্রকাশ- শারদীয়া উৎসব পরিচয় অনলাইন পত্রিকা বারুইপুর,দক্ষিণ ২৪ পরগনা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  শারদীয়ার প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন লিখেছেন ✍️✍️*  ০১) সুতপা ব্যানার্জী(রায়) - দুর্গাপুর,পশ্চিম বর্ধমান - স্নেহের পরশ ০২) দেবারতি গুহ সামন্ত - হিন্দুমোটর,হুগলি - এ কেমন শারদীয়া? ০৩) ইন্দ্রজিৎ রায় - দিনাশ নগর,মুকুন্দাপুর - মায়ের আগমন ০৪) গৌর গোপাল পাল - লাভপুর.বীরভূম.পঃবঙ্গ,ভারত - শরৎ এলে ০৫) মনোজ চৌধুরী - ইংলিশ বাজার,মালদা - শারদীয়া ০৬) নীলেশ নন্দী - মধ্যমগ্রাম - উমা ০৭) অনিন্দ্য পাল - সোনারপুর,দঃ ২৪ পরঃ - এস মা ০৮) শান্তনু ঘোষ - বলাগড়,হুগলী - চিন্ময়ী ০৯) মহা রফিক শেখ - খড়গ্রাম,মুর্শিদাবাদ - শারদীয়া ১০) অরুণ কুমার দা - পশ্চিম বর্ধমান - প্রতি বছর,একই ছবি ১১) শুভব্রত ব্যানার্জি - দমদম,কলকাতা - কইলকাতার পুজো ১২) বাপী নাগ - চাকদহ লালপুর,নদিয়া - মা আসছে ১৩) প্রতীক হালদার - ডায়মন্ড হারবার,দক্ষিন ২৪ পরগনা - আশার আলো ১৪) কার্ত্তিক মণ্ডল - পশ্চিম মেদিনীপুর...

অপরাজিতা | পার্থ গোস্বামী

ছবি
অনুগল্প...... "অপরাজিতা" পার্থ গোস্বামী খালগ্ৰাম,বাঁকুড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  অ পু তুমি আর কত লেট করবে?এবার নির্ঘাত নাম এনাউন্স হয়ে যাবে।হ্যাঁ অপরাজিত মানে অপু আর সুজয় এবার বেস্ট জুড়ির অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে।তবে এই প্রাপ্তি যতটা না আনন্দের তার থেকে কম কষ্টের নয়।অ্যাওয়ার্ডের কথা শুনে দুচোখ দিয়ে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে আসে অপুর।আর এই কষ্টের কারণ জানতে পাঁচ বছর আগে ফিরে যেতে হবে।সুজয় আর অপুর কলেজ লাইফ থেকেই গভীর ভালোবাসা।পরে অবশ্য সুজয় জব নিয়ে ব্যাঙ্গালুরু চলে গেলেও ভালোবাসাতে একটুও ভাঁটা পড়েনি।বেশ চলছিলো ওদের প্রেম আর কয়েকমাস পর অপু আর সুজয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে,কিন্তু হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো ঝড় আসে অপুর জীবনে ধরা পড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার সকলেই ধরে নেয় কয়েকদিনের মধ্যেই মৃত্যু হবে,এমনকি ডাক্তাররাও আশা ছেড়ে দেয়।এই খবর সুজয়ের কাছে যায়।শোনা মাত্রাই কাল বিলম্ব না করেই ভালোবাসার কাছে সে ছুটে আসে,সোজা হসপিটালে গিয়ে সুজয় দেখে অপুর নিথর দেহটা পড়ে রয়েছে এ কোন অপুকে সুজয় দেখছে শরীরে হাড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।সুজয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে অপুর চো...

বিসর্জন | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "বিসর্জন" রুচিরা সাহা ইংলিশ বাজার,মালদা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  মা লদা শহরে মহানন্দা নদীর খুব কাছেই সুচরিতার বাড়ি। এই মহানন্দা নদীটিকে সুচরিতা বাড়ির ছাদ থেকে বেশ উপভোগ করতো।বর্ষার সময় নদীতে পাল তুলে মাঝিরা নৌকা বাইতো। বর্ষাকালে নদীর জল বেড়ে যায় আবার গ্রীষ্মকালে জল প্রায় শুকিয়ে যায়। সুচরিতার পাড়াতেই ভাড়া থাকতেন রঘুকাকু আর লক্ষ্মীকাকিমা। খুবই শান্ত প্রকৃতির। রঘুকাকুরা চার ভাই। একটি সাইকেলের দোকান ছিল, সেই দোকানের উপর নির্ভর করে চলতো চার ভাইয়ের সংসার।ঝগড়া অশান্তি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।একদিন রঘুকাকুকে দোকানটি ছেড়ে দিতে বাধ্য করে তাঁর ভাইয়েরা।বড়ো ছেলে সুবীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়েছে, সংসারে অভাবের পরিস্থিতিতে আর পড়াশোনা করা হয় নি। কাজেই এক ঠিকাদারের অধীনে কাজ করে এবং বাবা, মা,আর চার ভাইবোনকে নিয়ে ওঠে সুচরিতার পাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে। বাড়ির মালিক ছিলেন অত্যন্ত নম্র স্বভাবের। সন্দীপ, সুকেশ, প্রীতি আর প্রতিমা পড়াশোনা করে। সুচরিতা দেখতো সকালে রঘু কাকু নদীতে স্নান করতে যেতো।পাড়াতে থাকতো বলেই প্রীতির সাথে যোগাযোগ ছিল আর দুজনেই একই শ্রেণীতে পড়তো ফলে...