পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দ্বিতীয় বর্ষের, ষষ্ঠ সংখ্যা, আহ্বান

ছবি
  লেখালেখির  "পরিচয়" ই-ম্যাগাজিন ২০২১ দ্বিতীয় বর্ষের, ষষ্ঠ সংখ্যা।। "হেমন্ত সংখ্যা" "কবিতা,অনুগল্প,অঙ্কন সংখ্যা।।  "আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য ও শিল্পকলা"      "আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা প্রকাশ করতে চলেছি "দ্বিতীয় বর্ষের ষষ্ঠ সংখ্যা"। বর্তমানে "কোভিড" পরিস্থিতি মাথায় রেখে আমাদের প্রত্যেক মাসের ন্যায় এ মাসেও প্রকাশ করা হচ্ছে অনলাইন ম্যাগাজিন। আশাকরি আপনাদের লেখা পাঠাবেন এবং আমাদের সাথে সহযোগিতা করবেন। "পরিচয়" ম্যাগাজিনের নির্বাচন কমিটির আধিকারিকরা। একটি নির্ধারিত বিষয় এবং লাইন ও শব্দসংখ্যা নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। সেই গুলি দেখে আপনাদের লেখা পাঠান। অনলাইন ম্যাগাজিনের জন্য লেখা পাঠানোর কোন সমস্যা হলে অবশ্যই জানাতে পারেন। আমাদের হেল্পলাইন নাম্বার এ বা হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে অবশ্যই আপনাদের সহযোগীতা করার আশা রাখি।।"  বিষয়:- " বাঙালির ঘরে নবান্ন উৎসব" বিভাগ:- "কবিতা, অনুগল্প,অঙ্কন।।  "নির্দেশিকা"      প্রথমে লিখবেন আপনার বিভাগের নাম ।তারপরে লিখবেন আপনার শিরোনাম। তারপরে লিখবেন আপন...

সে আমারই প্রিয়জন | সৈয়দা নার্গিস (নূর)

ছবি
গল্পের নাম :- সে আমারই প্রিয়জন কলমে : সৈয়দা নার্গিস (নূর)           মাস টা ছিল রমজান মাস, সন্ধার পর ইফতার খুলে উঠেতে না উঠেতে ফোন বেজে ওঠে দেখলাম বেস্ট ফ্রেন্ডের ফোন,       প্রিয় সাথীর ফোন মানে ঘন্টার পর ঘণ্টার কথা, নানা রকমের কথা চলতে চলতে আমি বললাম চল রে পরে কথা হবে এবার রাখি রে।       ফোন রাখার সঙ্গে সঙ্গে আমি হোয়াটসঅ্যাপ এ দেখি আমার কিছু ফ্রেন্ড গ্রুপে বেশ ইয়ার্কি চালাচ্ছে। আমি তারই মাঝে হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দেখতে গেলাম দেখি আমার একজন খুব কাছের মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দিয়েছে যে “আমার সাথে হাসার এবং কাঁদার কেই নেই” যেহেতু মানুষটি ছিল আমার খুব প্রিয়জন তাই স্ট্যাটাস দেখার পর কিছুটা কষ্ট যেন মনে দাগ কেটে যায় । মেসেজের পর মেসেজ করতে থাকি কোন উত্তর আসেনা, সঙ্গে সঙ্গে আমি আর না থাকতে পেরে ফোন করি এবং তা রিং হয়ে কেটে যায়। কয়েক সেকেন্ডই প্রিয়জনের মেসেজ ভেসে আসে “জীবনে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেবারও কেউ নেই আমার”।       কথাটা শুনে আমার কেমন যেন মনে কষ্টের ঝড় ওঠে, আমি লিখলাম দূরে সরিয়ে দিলে আর কেউ থাকে না কথা শোনা...

দুই সখী | প্রবাল মুখোপাধ্যায়

ছবি
  শ্রুতি নাটক :   দুই সখী কলমে:  প্রবাল মুখোপাধ্যায় নাট্যরূপ : তপন দত্ত। পাতা,,,,, 01 ( মিউজিক) শ্রুতধর: নাটক শুরু হওয়ার আগে দুই চারটি কথা বলে নিই। দুই অন্তরঙ্গ বান্ধবী (সখী) পাশাপাশি বাড়িতে থাকে। বাড়ির পাশাপাশি দুই ছাদ, মাঝে আট ফুটের ব্যবধান। বিকেল না হতেই দুই সখী এসে জোটে দুই ছাদে। **অতসী আর মালিনী* *অতসী* আটাশ, ঈদানীং একটু মুটিয়েছে, গ্রীন টি ছাড়া ওর অন্য কিছু চলে না। বিস্কুটটাও মেনু থেকে বাদ পড়েছে।  *মালিনী* সাঁইত্রিশ ছুঁয়েছে, দুই ছেলেমেয়ের মা, এখনও যথেষ্ট সুন্দরী।স্বাস্থ্যবিধি খুব একটা যে মেনে চলে তেমনটা নয়। তবে তেল ঝাল মিষ্টিটা যতটা পারে এড়িয়ে চলে। বিকেলে এক ঢাউস কাপে দুধ চা আর সঙ্গে দুটো ক্রিমক্রেকার বিস্কুট ওর চাইই। চা খেতে খেতে দুই সখীতে চলে নিভৃত আলাপ।  ....চলুন পরের ঘটনা গুলো শোনা যাক,,,,,, মালিনী:- এই অতসী শুভ বিজয়া ,,, অতসী : শুভ বিজয়া দিদি মালিনী: - অতসী তোর পুজো কেমন কাটলো। কটা ঠাকুর দেখলি। অতসী : মোটামুটি ভালো কেটেছে।তবে দিদি পাড়ার গুলো দেখলাম আর একটু দুরের গুলো যা দেখছি। আর তুমি ত দেখছো যা বৃষ্টি শুরু হয়েছে তার উপর যা নামি নামি প্যান্...

দাশরথি রায় বা দাশু রায়

ছবি
পরিচয় পত্র......   দাশরথি রায় বা দাশু রায় (১৮০৬-১৮৫৭) একজন বাঙালি পাঁচালিকার   স্বভাব কবি ও পাঁচালিকার। ‘দাশু রায়’ নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার বাঁধমুড়া গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম। গ্রামের পাঠশালায় বাল্যশিক্ষা এবং পরে মাতুলের প্রচেষ্টায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শিখে দাশরথি স্থানীয় নীলকুঠিতে কিছুকাল কেরানির চাকরি করেন। স্বভাবকবির গুণে তিনি একদিন আত্মীয়বর্গের আপত্তি সত্ত্বেও আকা বাঈর (অক্ষয় কাটানী) কবিয়াল দলে যোগ দেন এবং বিখ্যাত কবিয়াল নিধিরাম শুঁড়ির সঙ্গে কবির লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেন। এরূপ প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত আক্রমণে অপমানিত ও বীতশ্রদ্ধ হয়ে তিনি কবিগান ছেড়ে দেন এবং ১৮৩৬ সালে আখড়া গঠন করে ছড়া ও পাঁচালি রচনায় মনোনিবেশ করেন। অল্পদিনের মধ্যেই দাশরথি খ্যাতনামা পাঁচালিকার হিসেবে নবদ্বীপের পন্ডিতসমাজে উচ্চ প্রশংসিত হন। তিনি নিছক পৌরাণিক কাহিনী আশ্রিত ধর্ম ও ভক্তিরসের পাঁচালিকাব্য রচনা করেননি, বরং অনুপ্রাসাদি অলঙ্কারযোগে ছড়ার চটুল ছন্দের ঝংকার, সঙ্গীতের সুরেলা মাধুর্য এবং রঙ্গ-ব্যঙ্গরস যুক্ত করে পাঁচালিকে বিভিন্ন শ্র...