পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তোমারি প্রতীক্ষায় | বিক্রম সিংহ (শ্রীবিনা)

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "তোমারি প্রতীক্ষায়" বিক্রম সিংহ (শ্রীবিনা) সুরভিপল্লী ,উঃ দিনাজপুর,পঃবঙ্গ,ভারত বাঁকা মন ভেসে যায়                ভাঙা ভাঙা চাঁদের ছায়ায় এ পারে আমায় ডাকে ও পারে দুয়ার নাড়ে                  নদীর জোছনায়। আমি বসে আছি একা সম্মুখ পানে একখানি চিতা জ্বলছিলো, নিভে গেছে এবেলা কাঠ গুলো রপ্ত - তপ্ত                          আগুনের ছোঁয়ায়। যাহারা আসিল সকলি ফিরিল কেহ কাঁদিল! কেহ হাসিল!  খুশিতে কেহ মদিরা পিহিল খর -করতালে সকলি নাচিল                              গাছের ছায়ায়। শূন্য ছাই, শূন্য দেহ  পরে আছে হেন, শূন্য কর্ম, শূন্য কষ্ট শূন্য অবদান যেন আজ কিছু নাই                  জীবনের পাতায়। রেখে গেছি যা রয়ে যাবে তা সাধের বাসনা ছেড়ে  চলিব ভেসে ভেসে           ...

ব্যথিত নারী | স্নিগ্ধা সাউ

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ব্যথিত নারী" স্নিগ্ধা সাউ হরিপুর,পঃ মেদিনীপুর,পঃবঙ্গ,ভারত নারী জন্ম হওয়ার আগে বুঝতে পারলে সবে, মাতৃজঠরে তাকে বেঘোরে প্রাণ হারাতে হবে। কন্যা সন্তান যখন জন্ম হয়ে পড়ে, বাবা-মার হৃদয় তখন কান্না হয়ে ঝরে। ছোট থেকে সেই নাক-কান ফোটানোর যন্ত্রণা, কেউ দিতে আসে না তাদের ভালোবাসার প্রেষণা। নারীরা বড় হওয়ার সাথে শুরু হয় মাসিক ব্যথা, সেই সময় শোনা যায় বড়দের নিয়মাবলীর কথা। সময়ের সাথে সাথে নারীরা হয় নির্যাতিত, সমাজ কি করতে পারবে তাদের পরিশোধিত? ছোট থেকে তাদের পরের ঘরের জন্য করা হয় তৈরি, এটা ঠিকই যে নারীর আসলেই নেই কোন নিজের বাড়ি। অতিরিক্ত পণের সাথে এবং বিবাহের মন্ত্রে, বিদায় হলে নারীরা অত্যাচারিত হয় ষড়যন্ত্রে। কিছুদিন যেতে না যেতে শুরু হয় অশান্তি, তবে নারীরা কিভাবে পাবে তাদের জীবনে প্রশান্তি? নারী সেতো কাঁদলে দোষ, সে হাসলে দোষ, সমাজের মানুষের কিসে তবে সন্তোষ। গর্ভযন্ত্রণা থেকে শুরু হয় সন্তান সুখ, পরে সেই সন্তান দেখতে চায় না, বৃদ্ধা মায়ের মুখ। নারীরা আগে বাবা পরে স্বামী ও শেষে সন্তানের কাছে পরাধীন, দিনশেষে তবে সমা...

ভেল্কিবাজি | সুবিনয় হালদার

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ভেল্কিবাজি" সুবিনয় হালদার দৌলতপুর,দঃ২৪ পরগণা,পঃবঙ্গ,ভারত মধ্যযুগের বর্বরতা হার মেনেছে ভার অশ্রুজলে ঘাট হয়েছে  সমস্বরে এবার । তোল আওয়াজ,  শালতি চড়ে বালতি ভরো গুল্তি ছুড়ে গিঁট্টি কষে দাবিয়ে রাখো আব্রু নিয়ে ছিঁড়ে খেলিস রক্ত নদীর হোলি ?  টপাটপ রোষানলে উল্কি- ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি ! আগুনের ফুলকি ওড়ে ফুলকি ওড়ে- ওই- অন্ধকারে কালের ঘরে ত্রাসের নাচন রণ-রঙ্গে সাজছে মাতন দুর্গন্ধে বাতাস কেন ভরলি ?  চারিদিকে ধিকধিকিয়ে জ্বলছে যত চুল্লী ; ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি !  দুল্কিচালে খিল্লি মারে অসভ্যতার পাল্কী  লকলকিয়ে জিভের লালা টসটসিয়ে লোভের ক্ষুধা গলি-,  বুলবুলিদের মাঠের ফসল জবরদখল নিত্য রাতে হাঁড়িকাঠে হচ্ছে কেবল বলি ; ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই ভেল্কিবাজির কল্কি !  সাত বেয়ারা সাত সমুদ্র মিলেমিশে এক সবাই কেমন ঘুপটি মেরে সুপ্ত মনে করছে রে ভাই বাস,  ভেল্কিবাজির গিল্লি গিলে গুপ্তধনে আয়েশ করে দিব্যি আছেন স্যার ; ঝুল্কি তালে তাল মিলিয়ে জাগছে এবার পল্লী ভেল্কিবাজির কল্কি রে ভাই- ভে...

ফিরে দেখা | গৌতম রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "ফিরে দেখা" গৌতম রায় আসানসোল,পঃ বর্ধমান,পঃবঙ্গ,ভারত চল যাই ফিরে আবার সেই বনে ভেঙে ফেল এ মুখোশ এইক্ষণে। এ যে গড়া কপটতার মাটি দিয়ে অবিশ্বাসের হাত দুটি সাথে নিয়ে। তোমার নিজের রূপ যদিও হয় বা সেরা  সে তো এ পৃথিবীর আদিম পাথরেতে গড়া।  আছে তাতে অনুভূতি, স্নিগ্ধ পরশ অন্তরে আছে ব্যথা, রসালের ন্যায় সরস। এস বনতলে অগভীর সবুজের সমাহারে দেখ অনাহুত হয়ে আকাশ এসেছে এর ঘরে। বস হেথা ক্ষণকাল, শান্ত চিত্ত লয়ে শুনিছ কি কিছু! সময়কে যেতে দাও বয়ে। এ ভাষা বুঝি ভুলে গেছ অনভ্যাসে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলে এক নিঃশ্বাসে। তোমার হৃদয়খানি দুলে চলে অবিরাম দুঃখে গ্লানিটুকু রেখে দিয়ে সূর্যাস্তের আভায় মেখে। বাতাসকে কও আনমনে, একেলা এস এস সত্বর কোথা রাখি একে, আমার কাছেতে নেই উত্তর। বাতাসও হয়েছে দেখি বৃদ্ধ, স্লথ তার গতি সভ্যতার গতিতে চড়ে তারও হয়েছে ভীমরতি। ভুজঙ্গের শ্বাসটুকু শুধু রেখেছে যত্ন করে হৃদয়ের ডাকে দেয় তাই সর্পিল হাসি ছেড়ে। বিদগ্ধ হৃদয় নিয়ে আজো আছো পড়ে আবিশ্বাসের বাতাসকে হতাশার হাতে ধরে। তোমার চিন্তা আজ হয়ে গেছে পরাধীন কৃত্রিম যুদ্ধে হেরে তুমি রয়ে গেছ অধীন। এখানে আকাশ হ...

পাহাড় থেকে জন্ম ঝর্ণার | রানা জামান

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "পাহাড় থেকে জন্ম ঝর্ণার" রানা জামান মিরপুর-২,ঢাকা,বাংলাদেশ পাহাড় থেকে জন্ম নিয়ে বইছে ঝর্ণা ধারা, ছুটতে থাকে উচ্ছ্বল হয়ে বিন্দাস বাঁধন হারা। পাথর কেটে মাটি কেটে ছুটতে থাকে নিচে, চলতে থাকে সামনের দিকে ফিরে না আর পিছে। স্বচ্ছ জলের সুঠাম শরীর তরতরিয়ে চলে, কোনো ক্ষণে না থেমে ও গানে কথা বলে। পাহাড় থেকে নিচে নেমে  আকার বড় হয়ে, চব্বিশ ঘণ্টা মগ্ন থাকে মানুষের মন জয়ে। যখন ঝর্ণা নদী হলো অস্তিত্বের হয় অন্ত ঝর্ণার এমন অবসানে মানে কি মন কন তো? কবির পরিচিতি: ১।লেখক নাম: রানা জামান ২। প্রকৃত নাম: মোঃ সামছুজ্জামান ভূইয়া ৩। পেশা: বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত ৪। জন্ম তারিখ: ১৫/০২/১৯৬০ ৫। প্রকাশিত বই-এর সংখ্যা: ৯৯ ৬। সম্মাননা/পুরস্কার: ১) ২০২০ খৃস্টাব্দে ত্রৈমাসিক দিগন্ত সাহিত্য পুরস্কার- কবি হিসেবে ২) ২০২১ খৃস্টাব্দে কলকাতার যুথিকা সাহিত্য পত্রিকা কর্তৃক পরমাণু কাব্য সারথি উপাধি প্রদান করা হয়েছে। ৩) ২০২৩ খৃস্টাব্দে দৈনিক বাঙালির কণ্ঠ পুরস্কার-গল্পকার হিসেবে ৪) ২০২৩ খৃস্টাব্দে ভিন্নমাত্রা সম্মাননা-‘একাত্তরের তরুণ মুক্তিযোদ্ধা’ গল্পে...

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "এক মুঠো পয়সা" প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় কোলকাতা, হাওড়া,পঃবঙ্গ,ভারত এক মুঠো পয়সার জন্যে মানুষ কত কিছুই না করে, নিজের কথা পরের কথা মিলিয়ে ফেলে  হারিয়ে যায় শব্দ ভিড়ে | এক মুঠো পয়সার টানে চেনা যায় কে সে আপনজন,  সুহৃদ উচ্ছৃংখলতায় অতি মিষ্টতার জাঁতাকলে টুকরো ভাঙা মন | এক মুঠো পয়সার মোহে ছিন্ন হয় মায়াবীণা আদর্শ পরিবার,  নিষ্ঠুরতার সন্ধিক্ষণে হিংসা-বিদ্বেষ বন্ধনে জীবন হয় তোলপাড় | এক মুঠো পয়সায় স্বাচ্ছন্দ্যমতো কেনা যায় কতকিছু, সম্বলহীন মানুষেরা অসহায়তার গৃহে সমাজ হতে ততপিছু | এক মুঠো পয়সা চিনিয়ে দেয় প্রকৃত উচ্চনীচের ভেদ --- সর্বকালের চলিত রীতিতে সুপ্ত রয়ে পড়ে মনুষ্যতার জেদ | এক মুঠো পয়সাই কিন্তু ঘুঁচিয়ে দেয় দুয়ার মুক্ত কত স্বপ্ন, সম্প্রীতি-বিপর্যয় মুষ্টিমেয় ভাসমান প্রেমে জমা হারানো অন্ন | এক মুঠো পয়সা সৃজন করে, লালন করে, ছাঁচ গড়ে এক মানুষ,  স্বার্থসিদ্ধি ও শুকনো সহানুভূতির মিলনকালে সরল সমাধানে নিজেই বেঁহুশ | এক মুঠো পয়সায় তো করতে পারি সম্বলহীনদের দান, দৃশ্যকল্পে লোক রঞ্জনে মিশে গিয়ে না ভাঙে গুপ্...

নিছক কোনও গল্প বলার ছলে | গোবিন্দ মোদক

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "নিছক কোনও গল্প বলার ছলে" গোবিন্দ মোদক রাধানগর,নদিয়া,পঃবঙ্গ,ভারত নিছক কোনও গল্প বলার ছলে যাই পেরিয়ে চিকন রঙের নদী,  সাতসকালও ডেকে কথা বলে গান শুনিয়েও যায় যে নিরবধি। ছকের বাইরে ছকভাঙা এক ছকে  হিসাব কষে জীবন মরণ খাতার,  শব্দগুলি তাকায় যে ঝকঝকে  মন মানে না স্মৃতির শুকনো পাতার।  তবুও তো থামেই না যে চলা  জীবন পথিক হৃদয়পুরের বাঁকে,  ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথা বলা  সাতপুরোনো একই ছবি আঁকে। চাওয়া পাওয়ার পাকদণ্ডি বেয়ে  সময় একটা গণ্ডিরেখা টানে,  হেঁচে কেশে দারুণ বিষম খেয়ে  খুঁজতে থাকি কি ছিল তার মানে!  সব প্রশ্নের হয় নাকো উত্তর  তবুও তো জীবন প্রশ্ন করে,  পড়ে থাকে খাড়া বড়ি আর থোড়  জীবনপুরের সেই সে অচলগড়ে॥ কবির পরিচিতি: প্রথম লেখালিখি: প্রথম কবিতা "প্রেম" প্রকাশিত হয় শারদীয়া অভিষেক (১৯৮৯) পত্রিকায়। প্রথম গল্প ছাপা হয় তটরেখা পত্রিকায় (হরিপদ'র গল্প) ১৯৮৯ সালে। প্রথম কিশোর উপন্যাস "গুপ্তধনের খোঁজে" প্রকাশিত হয়েছে ১৯৮৯ সালে শারদীয় "আসানসোল হিতৈষী" পত্রিকায়। লেখালেখ...

কলাবতী কথা | অধীর কুমার রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "কলাবতী কথা" অধীর কুমার রায় বহরমপুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ ওই যে দূরে আকাশ নদী মিশে, মন মাঝি তার নৌকা ভেড়ায় কলাবতীর ঘাটে। কলাবতী জলকে চলে পঞ্চ সখীর সাথে। কাঁখেতে তাদের সোনার কলসি নক্সী আঁকা বটে। নদীর জল ঢেউ খেলে যায় সখীর চলার লাজে। ঝুমুর ঝুমুর নূপুর গীতি আমার বুকে বাজে। শাড়ির আঁচল হাওয়ায় দোলে সোনার রোদ হাসে। থাকতো যদি কলাবতী আমার পাশে বসে। মন কোকিল আর ডাকিস না মোহন বাঁশির সুরে। কলাবতী লজ্জা পেলে যাবই প্রাণে মরে। আর কতকাল থাকবো আমি হৃদয় পথ চেয়ে। কলাবতী আসবে প্রাণে প্রেমের গীতি গেয়ে। কবির পরিচিতি: অধীর কুমার রায় মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা স্বর্গীয় অশ্বিনী কুমার রায়, মাতা স্বর্গীয়া পদ্মাবতী রায়।তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. বি. এড সম্পন্ন করেন। পেশা হিসেবে তিনি শিক্ষকতাকে বেছে নেন। তিনি বর্তমানে “বহড়া আদর্শ বিদ্যাপীঠ”এ(উঃ মাঃ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক। তাঁর নেশা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি। ইতিমধ্যে তিনি সফলতার সঙ্গেই বাংলাদেশ, ভারতসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বাংলা পত্র-পত্রিকায় ...

তুমি নারী তুমি মা | বাপী নাগ

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "তুমি নারী তুমি মা" বাপী নাগ চাকদহ, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  তুমি যে নারী কখনো কন্যা কখনো অর্ধাঙ্গিনী। কখনো তুমি মমতাময়ী মা আমাদের জননী। এই পৃথিবীতে তুমিই মায়ের  ভালোবাসা দিয়েছো। কত কষ্ট যে সহ্য করো তুমি কতো আদর করেছ। তোমার জন্য বিশ্বভূবন ধন্য তুমি যে মোদের মা। কত কষ্ট যে সহ্য করো তুমি অন্যায়ে করো ক্ষমা। তুমি তো আগুন দিয়ে তৈরি নারী যে অগ্নিকন্যা। ভালবাসা দিয়ে ঘিরে রাখো  তুমি নারী অনন্যা। নারী মানে-ই মা, তুমি দেবী জীবনে প্রথম নারী। মোদের মঙ্গল কামনা করো  তুমি নও অহংকারী। তুমি মমতাময়ী তুমিই নারী একাকীত্বের সঙ্গী। তুমি যে নারী তুমি-ই মহান  তুমি-ই অর্ধাঙ্গিনী। প্রত্যেক দিন-ই নারী দিবস নারী অনুপ্রেরণা। নারী হলো পরিবারের স্তম্ভ নেই তার তুলনা। কবির পরিচিতি: ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি আমার অনুরাগ ছিল,লেখাপড়ার জীবন থেকে বেরিয়ে তারপর নানান কাজকর্মে যুক্ত হয়ে পড়লাম, পরবর্তী সময়ে কাজ করতে করতে বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি অনেক কিছু দেখেছি। সেগুলো স্মৃতিতে রয়ে গেছে তারপর ভাবলাম যে এই ঘটনা গুলো বা জীবনের অভি...

বন্ধুর পথে | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "বন্ধুর পথে" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারত  পৌষালী রোদ আদর করে কষ্টে ভরা মনের মাঝে, জীবনের এই বন্ধুর পথে, এইটুকু যে অনেক সাজে। কুহেলিকার পথের বাঁকে এসে দাঁড়ায় স্নিগ্ধ রূপে, আদর ভরা স্নেহ দিয়ে ভুলিয়ে দেয় নিজের ধুপে। জীবনের এই চাওয়া পাওয়া মায়ার ঘোরে ঘুরতে থাকি, স্নেহের আঁচল সামনে পেলে হৃদয় আমার তাতেই ঢাকি। ঘাত প্রতিঘাত চড়াই-উতরাই তরঙ্গ যে উঠে নামে, তারই সাথে সঙ্গ জুড়ে পথ চলেছি লক্ষ্য ধামে। পারের তরী দেখলে ঘাটে উদাস মনে শান্তি আনে, জীবন নদী যাই যে বেয়ে কৃপায় ভরা বৈঠার টানে। কবির পরিচিতি: রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কবি শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে উঠে কোলকাতায়। কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে শিক্ষা লাভ করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক । একক কাব্যগ্রন্থ "অঞ্জলি " কোলকাতা বইমেলা ২০২৩ প্রকাশিত হবার, পর যৌথ কাব্যগ্রন্থ "দুই বাংলার কাব্যমালা" বাংলাদেশ গ্রন্থমেলায় , আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও কাব্যগ্রন্থ 'হৃদয়ের কথা' পুজোর সময় প্রক...

রবিঠাকুর | দেবব্রত মাজী

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "রবিঠাকুর" দেবব্রত মাজী দেউলপুর,হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারত ছোট্ট যখন ছিলে স্কুল ছিল ঘরে, গৃহ শিক্ষক এলে শিখতে তুমি পড়ে। পড়েছে স্ট্যাম্প নোবেলে লিখে তাইতো গীতাঞ্জলি, বন্দিত হৃদয়ে আছো দিই এখনও শ্রদ্ধাঞ্জলি। তোমার কবিতায় পাই আমরা প্রকৃতির স্বাদ, গুনগুনিয়ে থাকি আজও দিইনি কিছুই বাদ। প্রেমে বিহ্বল হয়ে কেউ না কেউ গাইছে, সকাল থেকে সাঁঝ মাঝি নৌকা বাইছে। হলধর উৎসব আজও মানি তোমার অবদান, পালিত হয় সাড়ম্বরে বিলীন হয়নি মান। নাইট উপাধি বর্জনে ব্রিটিশদের মাথা নড়ে, বাংলা সাহিত্যের অবদানে তোমায় মনে পড়ে। কবির পরিচিতি: আন্তর্জাতিক বিশিষ্ঠ কবি ও সহিত্যিক দেবব্রত মাজী অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। ৪৬তম কোলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলায় ৬০টির অধিক সংকলনে নিজেকে তুলে ধরেন এবং এখন সংখ্যাটা ১৩৫ ছুঁয়ে ফেলেছেন। অনলাইন পত্রিকা থেকে ৫০০৫ টির বেশী সন্মাননা পেয়েছেন। ত...

বিপুলা এই সাহিত্য!! | প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "বিপুলা এই সাহিত্য!!" প্রহ্লাদ কুমার প্রভাস বল্লভপুর,সাতক্ষীরা,বাংলাদেশ বিপুলা এই সাহিত্যের আমি কতটুকুই বা জানি। দূর থেকে বহুদূর বিস্তৃত শাখা ইহার হৃদয়ে মানি। অতল জলধে ডুব না দিয়া, আমি বুজিব ক‍্যামনে কত জল।। সাহিত‍্যের জলধর এতোই নিগূঢ় না জানি আমি তাহার ফল। অনড় এই সাহিত্য, আমি না বুজি তাহার পরিমাপ। না জানি আমি সাহিত্যিক বাগ্বিধি, না আছে কাব‍্যিক মনোভাব। পৌছানোর সাধ‍্যি নাই মোর একথা হৃদয়ে ধরি। বিপুলা এই সাহিত‍্যের আমি কিছুই না জানি।। নিতান্তই অবুঝ আমি, যেতে পারি নাই তাহার কোন এক ক্ষুদ্র কোণায়। ক্ষুদ্র শক্তি মোর, ক‍্যামনে তাহার ধারে পৌছায়? সরণিতে পড়িয়া থাকা একটুকরা রেণুর ন‍্যায়।। যাইতেও পারি নাই, আমি তাহারই কোণায়। যোগ্যতা নাহি মোর যেতেও পারি নাই তাহার ধারে। সাধ‍্যি নেই জানা মোর, ...

Crying Lyrics | Rabin Ray

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "Crying Lyrics" Rabin Ray Amdanga, North 24 Parganas,, West Bengal, India Stop God ! please stop !  Give me the full stop ; Hay ! I've got much, Blessings fall scratch. I needs your's course,  Through on me by force..... Poor life creates me folded, Powerless broken handed; So, no one love me yet, All of theme shows hate.  My underestimate heart, Has broken into part, part...  Pieces heart has won enemy,   Unfortunate no earned money ; Getting no benefits from down Leave me alone who has known.  Lonely life must go in deep sleep, ,  Heap of sorrows wants to sweep...  Without any help of you, I can't escape from view ; I'm prayering for the die, I sure, Don't saying lie. My life makes me ugli,  This born gather of glee...  No, no, no, no my the, I haven't need smoothy - Life again to be a toy ; I Don't want never joy...  My crisis is my death; Gently close my breathe.....  It's...

স্বপ্নের বেলা ভূমি | হীরামন রায়

ছবি
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪ কবিতা...... "স্বপ্নের বেলা ভূমি " হীরামন রায় বঙ্কিমনগর কেশাইপুর,নদীয়া,পঃবঙ্গ,ভারত এই বেলা একটি কথা শোন, তুই কি আমার স্বপ্ন হবি? তোকে নিয়ে গড়বো বৃন্দাবন, তোকে নিয়ে লিখবো, লিখে হব কবি।। এই বেলা দেখ চেয়ে, কান পেতে তুই শোন, ফাগুন হাওয়া লেগেছে বনে বনে। পলাশ রাঙা হয়েছে তোরও মন, প্রেমের ফাগুন লেগেছে কোণে কোণে।। উচাটন মন হাওয়ায় ওড়ে চুল, পাতা খসার সময় হয়েছে দেখ। বেআব্রু দেখ ঐ যে শিমুল পারুল, ফুল বাহারে দেয় বসন্তেরই ডাক।। এই বেলা এসব কি তোর চোখে ধরেনা, ফাগুন হাওয়ায় তোর মনে কি আগুন লাগে না । পলাশ রাঙা মুখেও কেন আমায় দেখিস না, কুহু কুহু ডেকে পাগল করবো তোকে, লুকাতে দেবনা।। স্বপ্নেই তোকে জড়িয়ে রব স্বপ্নে করবো খেলা, বেলা শেষে বেলা ভূমিতে এসে দেখিস চেয়ে বেলা।। আমায় ছেড়ে দূরে দূরে, থাকবি রে তুই যত, স্বপ্নেই তুই মমতাজ হবি তাজমহল শতশত।। কবির পরিচিতি: কবি হীরামন রায় ১৯৭৫ সালের ৯ই ডিসেম্বর নদীয়া জেলার বঙ্কিমনগর কেশাইপুর গ্ৰামে জন্ম গ্ৰহন করেন। পড়ালেখা বি. কম. পাশ সঙ্গে I.T.I পাশ করে ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরিতে টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টে বর্তমানে ক...