পোস্টগুলি

মে, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা | তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক | এইচ.এম.কবি সাজিদ

ছবি
কবিতা...... "তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক" এইচ.এম.কবি সাজিদ   বাংলাদেশ   প্রিয় ঊর্মিলা!  পড়েছে কত-শত আর সন্ধ্যার বিকালে-  জোৎস্নার রাত্রে নিঝুম গভীর ঘরে, উদাস দুপুরে-উদাসীন ভিবোর হয়ে!  আমার অজস্র ছড়া, কবিতা,গল্প আর উপন্যাস।   মুগ্ধ হয়েছো কতখানি তা আমি জানি না- তবে আমার উপলব্ধি বলে " তুমি অনুভব করেছ আমি এক ব্যর্থ প্রেমিক!  যার হৃদয় জ্বলছে আগুন দাউ দাউ করে   যুগ সময়ে"। আসলে সবাই মনে করতো পরিণয়েই পূর্ণতা পায় ভালোবাসা, কিন্তু ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয়তো অজস্র স্বপ্ন ; আর রূঢ় বাস্তব কখনো দেয়নি রঙীন সব স্বপ্নগুলো সদ্য!  বৃষ্টিস্নাত আকাশে রামধণুর মতো উজ্জ্বল হয়ে পূর্ণ বিকশিত হতে। আর সেই সব অপূর্ণ আশা ভালোবাসাকে করেতো ধুসর-   বিবর্ণ ও ফ্যাকাশে!    কিন্তু আমিতো তোমার ভালোবাসায়-  স্নিক্ত নিঃসীম নীল,   আকাশের নীচে আজও উড়তে পারি ঠিক  যেন শঙ্খ চিল হয়ে-   আবার তোমার কিছু কিছু ব্যর্থতা শুনে-  আমার চোখের জলে!   তৈরী হওয়া স্বচ্ছ সরোবরে - তুমি স্নান করে স্নিগ্ধ হও তখন-   রূপপিয়াস...

গল্প | রুম নং ১০২ | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
গল্প...... "রুম নং ১০২" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব         অ ফিসের কাজে অসীম কোলকাতা থেকে কালকা মেলে কালকা স্টেশন তারপর সংযোজক ট্রেনে সিমলা স্টেশনে নামার পর পোটার এসে সেখানকার ভাষাতে বললো, "কোন হোটেল বাবু? " অসীম একটু ক্লান্ত থাকায় উত্তরে বললো, " কোনো ভালো হোটেলে নিয়ে চলো। " পোটার, "ম্যালে ভালো হোটেল হবে, কিন্তু উপরে অথাৎ চড়াই অনেক। " অসীম চিন্তা করলো, দু- তিন দিনের কাজ সিমলায় তারপরে আবার দিল্লী বললো, " কাছাকাছি কোনো হোটেলে চলো। " পোটার ল্যাগেজ নিয়ে স্টেশন থেকে বেড়িয়ে, পাহাড়ের চড়াই রাস্তা ধরলো। অসীমের এই প্রথম আসা সিমলায় তাও আবার অফিসের কাজে, কালকা থেকে ট্রেনে আসার পথে জীবনে প্রথম এতোগুলো টানেল ভেদ করে আসা ভীষণ রোমাঞ্চকর মনে হয়েছিল অসীমের, চড়াই রাস্তায় কষ্ট হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত হওয়াতে তেমন কষ্টের উপলব্ধি হলেও গুুরুত্ব দিলো না। হোটেল হিমালয়ে পোটার এনে হাজির করায় পোটারের পয়সা মিটিয়ে দিয়ে রিসেপশনিস্টের সাথে কথা বলে রুম বুক করে নিয়েছে। রুম বয় ল্যাগেজ নিয়ে দোতলায় ১...

কবিতা | ফিরে এসো নেতাজী | মৃত্তিকা রায়

ছবি
কবিতা...... "ফিরে এসো নেতাজী" মৃত্তিকা রায় পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  আরও একবার ফিরে এসো  "নেতাজী" ভারতবাসীর অন্তরে। যেখানে বিংশ শতাব্দীর মানুষ,  আত্মকেন্দ্রিকতার খোলসে নিজেকে ঢেকে রাখে,  'সেই ভারতবর্ষে'।  তোমার প্রেরণা,তোমার চিন্তা যেখানে অনুভূতিকে সজাগ করে দেবে। বারবার আন্দোলিত করবে বিবেক আর মনুষ্যত্বকে। আরও একবার ফিরে এসো  "নেতাজী"। সত্যকে প্রকাশ করে, অভিযোগ তুলে,  প্রতিটি অন্যায়ের জবাব নেবে তুমি।  ফিরিয়ে দেবে মানবিক অধিকার।  বিলাসিতার পোশাক ছেড়ে,  মানুষ পাবে মুক্তির স্বাদ।  ফিরে এসো তুমি আরও  'একবার'। যেখানে মানুষ চায়,নিজের ক্ষমতা কায়েম করতে,  তুলে ধরতে চায় নিজের নেতৃত্বকে।  সেখানে ফিরিয়ে দাও  সকল প্রজন্মের অধিকার।  বঞ্চিত যারা,ফিরে পাক তারা,  হয়ে যাক একাকার। কবির পরিচিতি- আমি মৃত্তিকা রায়।  আমি পশ্চিমবঙ্গে নিবাসী পূর্ব বর্ধমান জেলার, কাটোয়া থানার অন্তর্গত দাঁইহাটের বাসিন্দা। আমি দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী।দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠরতা।   বাবা সি...

গল্প | নিয়তি | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "নিয়তি" রুচিরা সাহা মালদা, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব            প্র ত্যন্তর গ্রাম থেকে শহরে পড়াশোনার জন্য আসে শশীকান্ত আর নিশিকান্ত দুই ভাই। শশীকান্ত পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিল।চতুর্থ শ্রেণীতে বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে আর দাদা নিশিকান্ত অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। দুই ভাইয়ের মধ্যে বয়সের তফাৎ ছিল প্রায় চার বছরের। শশীকান্ত ডবল প্রমোশন পায়। তাঁরা চার ভাই দুই বোন। বড়োভাই রাধাকান্ত আর মেজো ভাই আমলাকান্ত গ্রামের ইস্কুলেই পড়াশোনা করে। উনাদের বাবা ছিলেন  কবিরাজ মশাই। গ্রামে তাঁর বেশ ভালো পরিচিতি ছিল।ছোট ছেলে পড়াশোনায় ভালো ছিল বলে তাঁর শখ ছিল শহরের কোনো নামী ইস্কুলে পড়াবেন। কিন্তু তিনি অকালেই মারা যান । স্ত্রী নিরুপমা দেবী থেমে থাকেন নি। ছোট ছেলে শশীকান্তর সাথে নিশিকান্তকেও পাঠিয়ে দিলেন শহরে।ব্রিটিশ তখন দেশ শাসন করছে। স্বামীর অকাল মৃত্যুর পরে তিনি একাই সব কিছু দেখাশোনা করতেন। বড়ো ছেলে রাধাকান্ত পড়াশোনা শেষ করেছে।শশী কান্ত আর নিশিকান্তকে নতুন ইস্কুলে ভর্তি করানো হলো।  হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করা হলো। সুন্দর ব...

কবিতা | ভালোবাসার দিন | বাপী নাগ

ছবি
কবিতা...... "ভালোবাসার দিন" বাপী নাগ চাকদহ, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  শুধু আজ নয় ভালবাসি তোমায় ভুলবো কেমন করে। মুখটা তোমার ভেসে ওঠে আমার মনের মাঝে অন্তরে। ভালােবাসা মানে এক মুঠো রােদ বসন্তের ঐ হাওয়া। ভালােবাসা মানে মনের সাগরের স্বপ্নের তরী বাওয়া। ভালোবাসা মানে ভোরের শিশির  ভেজা আলতো ছোঁয়া। ভালোবাসা মানে আমার অন্তরে তোমায় দেখতে পাওয়া। ভালোবাসা মানে বৃষ্টি হয়ে ছুঁতাম তোমার ওই অন্তরকে। ভালোবাসার মানে বৃষ্টি হয়ে ধুয়ে দিতাম যে বিষাদকে। মেঘলা বরণে অঙ্গ জুড়িয়ে তুমি ভালোবাসা যে দিতে। কষ্ট যে আমি পেতাম না তোমার থেকে আমি নিতে। সুখের বাসা সুখের ছোঁয়া পেলাম তোমার ঐ যে মনে। থাকবে তুমিই আমার আপন হয়ে আমার এই জীবনে। আমার এই জীবনে থাকবে তুমি আমার-ই সাথী হয়ে। ভালোবাসা দিয়ে যে ভরিয়ে দেব আমি গোলাপ দিয়ে। কবি পরিচিতি:-       ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি আমার অনুরাগ ছিল লেখাপড়ার জীবন থেকে বেরিয়ে তারপর নানান কাজকর্মে যুক্ত হয়ে পড়লাম, পরবর্তী সময়ে কাজ করতে করতে বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি অনেক কিছু দেখেছি। সেগুলো স্মৃতিতে রয়ে গ...

গল্প | হঠাৎ সব গল্প | বৈশালী দাশগুপ্ত

ছবি
গল্প...... "হঠাৎ সব গল্প" বৈশালী দাশগুপ্ত  প্রথম পর্ব          আ জ সারা পাড়া আলোয় ঝলমল করছে। বৌবাজারের সেঁকড়াপাড়া লেনের বাসিন্দাদের মুখে চোখে আনন্দ প্রস্ফুটিত। প্রতিটা বাড়ির শিশুরা একে অপরের সাথে মিলিত হয়েছে আনন্দে মাতবে বলে। দেখে মনটা যেন বলে ওঠে-          "আনন্দেতে উছলে হাসি                  বাঁধ ভেঙেছে রাশি রাশি"।    পাড়ায় একদিকে সুজয় মিত্তিরের মেয়ের বিয়ে আর একদিকে চিন্ময় হালদারের ছেলের অন্নপ্রাশন। এখন পাড়ার লোকের নাজেহাল অবস্থা এই ভেবে, কে কার বাড়ি নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবে। কিন্তু শিশুরা ব‍্যতিক্রম তারা দুই বাড়িতেই যাবে খাবারে ভাগ বসাতে।      বিয়েবাড়ির ব‍্যস্ততা, কেউ গয়না বাছাই করছে তো কেউ আবার শাড়ী। হঠাৎ হ‌ইচ‌ই -"ওরে গায়হলুদ এসে গেছে ছেলের বাড়ি থেকে"। সেই শুনে পল্লবীর মুখ লজ্জায় রাঙা হয়ে ওঠে।      হলুদের আলতো ছোঁয়ায় আর গঙ্গোত্রীর ধারায় মনে হল সূর্যস্নাত রমনী ভোরের অলোকানন্দা থেকে উঠে এসেছে।      আজ পল্লবীর জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন।...

কবিতা | পরিচয় | অঞ্জলি দেনন্দী, মম

ছবি
কবিতা...... "পরিচয়" অঞ্জলি দেনন্দী, মম নিউ দিল্লি ,দিল্লি,ভারতবর্ষ  বহু বছর চিকিৎসা হল। তবুও সন্তান না হল। চিকিৎসক বললেন, পতির দোষ। পত্নী করল না আফসোস। হাসপাতাল থেকে অন্যের বীর্য কিনে নিল। নিজের গর্ভে ধারণ করে নিল। স্বামী, স্ত্রী জানে, সন্তান আসছে। মা তো খুব হাসছে। বাবার মাথা নত, মলিন মুখ। কে যে তার সন্তানের পিতা? নাই মনে তার এতটুকুও সুখ। মেনে নেওয়া, সহজ কি তা! দশ মাস পরে শিশু ছেলে এলো ওদের ঘরে। বার্থ সার্টিফিকেটে ছেলের পরিচয় - হ্যাঁ, ছেলে তার, সে ওর বাবা হয়। জিনগতভাবে নয়। মায়ের ও ছেলের পালন করে সে। সমস্ত সম্পত্তির মালিক হয়, এই বাবা মারা যাবার পরে সে। বংশ রক্ষা হল এভাবে। এখন সে ছেলে সদাই যে ভাবে, জিনগত পিতা যে কে তার! মায়ের পরিচয়ই তার জীবনের সার। কবির পরিচিতি নাম - অঞ্জলি দেনন্দী ছদ্মনাম- "মম" জন্মদিন- ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৬৬ বাবার নাম- ৺ শ্রী দেবী প্রসাদ নন্দী। মায়ের নাম- ৺ শ্রীমতী সবিতা নন্দী। আমি কলকাতার রাম মোহন কলেজ থেকে বি. এস. সি. পাস। এখন নতুন দিল্লীতে থাকি। আমার লেখা বাংলা ও ইংরেজি কয়েকটি বই আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমার বাংলা ...

দায়িত্ব অঙ্গীকার | সুনন্দিতা দত্ত

ছবি
গল্প...... "দায়িত্ব অঙ্গীকার" সুনন্দিতা দত্ত বাঁকুড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব  রী তা দেবী বলে উঠলেন : নে বাবু !! এইবার বৌমার হাতে ভাতের সাজানো থালা টা দিয়ে ওকে বল,-"আজ থেকে সমস্ত ভাত-কাপড়ের দায়িত্ব নিলাম আমি"।     কথাটা হাসি মুখে সৌমেন শুনে নিলেও , পূরবীর মনটা মোচড় দিয়ে উঠলো এই ভেবে যে "আমি এতো শিক্ষিত মানুষ হয়েও কেউ একজন আমার খাওয়া পড়ার দায়িত্ব নিতে চলেছে , একপ্রকার বোঝা টানার মতো । আর এটা আমাকে মুখ বুজে মানতে হবে !! না, পারবো না"। হঠাৎ , পূরবী হালকা হাসি দিয়ে বলে উঠলো ,-"থাক না মা , কি দরকার এসব অকথ্য নিয়মের , যেখানে আমি নিজেই একজন শিক্ষিত-সাবলম্বী মেয়ে, তার চাইতে আমরা তো একে অপরের ভাতকাপড়ের দায়িত্বের পরিবর্তে দুজন দুজনের প্রতি ভালোবেসে আগলে ভালো রাখার দায়িত্ব টা নিতেই পারি... এতে দুজনের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দুটোই থাকবে!!"  এ কথা শুনে কিছুটা চটে গিয়ে  রীতা দেবী বললেন - "এ কি অলুক্ষণে কথা রে মেয়ের , তা তুমি তো বাপু পড়াশোনা বাদ দিয়ে চাকরি বাকরিও তো কিছুই করো না । ঐ বাড়ি থেকে আসার পর এ বাড়িতে তোমার...

আঁধারের পূজারী | তাপস দাস

ছবি
কবিতা...... "আঁধারের পূজারী" তাপস দাস নদীয়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  কবে সবার আসবে আলো?  সেদিন বাঁচি কিবা মরি! তাইতো আলোক বর্ষব্যাপী আমি তিমিরের পূজারী। এসো হে অন্ধকার,গভীর তিমির অন্ধকার। মৃদু সিগ্ধতা দূর করে নেমে এসো এবার। কল্যাণময়ীগণ আলোর আহ্বান করছে সবাই। আমার আর আলাদা করে ডাকার প্রয়োজন নাই। আলো আর আঁধার মিলেই তো ভুবন গড়া। নেমে এসো বিশ্বময় হে তিমিরের ফোয়ারা। পৃথিবীর শেষ আলোর বিন্দু টুকু নিভিয়ে দাও। আমার দৃষ্টিকে অন্ধকারে ঢেকে নাও। আমায় পাঠিয়ে দাও মাতৃগর্ভের নিশ্চিন্ত তিমির দেশে। নয়তো চিতায় উঠিয়ে দাও সতীদাহের ন্যায় জীবন্ত লাশের বেশে। সভ্যতার আলোর নামে মানবতার এই অন্ধকার। নিতে পারছি না আমি আর। তাই আমি আজ অন্ধকারের পূজারী। কারো কাছে হয়তো বা মুখোশ ধারী। অন্ধকার,অন্ধকার, অন্ধকার। আগমন হোক এবার তোমার। বুকে জরিয়ে ধরো ভূমি আর সিন্ধু। খুঁজে নিতে দাও আধারের মাঝে একটু আলোর বিন্দু। পাতাল পুরীর হে মহারানী,  তুমি দাও ঢেলে সব গ্লানি। তবেই তো আমরা পারবো আবার ঘুরে দাঁড়াতে নতুন করে। হিংসা বিবাদ স্বার্থ ভুলে সবাই সবার হাতটি ধরে। আলো পেয়ে পেয়ে আমি হয়ে গেছি বড্ড ...

অকৃত্রিম বন্ধন | মিঠুন রায়

ছবি
গল্প...... "অকৃত্রিম বন্ধন" মিঠুন রায় ত্রিপুরা,ভারতবর্ষ      প রিবারের নানা বাঁধা এড়িয়েও বি এ পাশ করেছে শায়ন। অবশ্য এনিয়ে তাকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে।সৎ মায়ের সংসারে শায়নকে তার বাবা ছাড়া আর কেউ পছন্দ করে না। কিন্তু বাবার কথা,তাদের পরিবারে শেষ কথা নয়।ছোট বোন রিয়াকে শায়ন খুব স্নেহ করে। কিন্তু রিয়া যেন ভিন্ন স্বভাবের মেয়ে।অনেকটা মায়ের মতই।শায়নের মায়ের তখন মৃত্যু হয়, তখন তার বয়স সবে মাত্র ছয়।এক প্রকার বাধ্য হয়েই ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন শায়নের বাবা। মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয় শায়ন।প্রতিনিয়ত পরিবারের কাজকর্মে হাত লাগাতে হয় শায়নের। তবুও অদম্য ইচ্ছা শক্তির জেরে সে বি এ পাশ করেছে।তার ইচ্ছা এম.এ ক্লাস পর্যন্ত পড়াশোনা করার। কিন্তু সৎ মা চান,সে তার বাবার সাথে ব্যবসায় হাত লাগাক।এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে পরিবারে দ্বৈরথ। অবশেষে সে মায়ের একগুঁয়েমির নিকট হার মানতে বাধ্য হয়।এম.এ পড়ার স্বপ্ন গাছে চড়িয়ে বাবার সাথে ...

মুক্ত পৃথিবী | মৃত্তিকা রায়

ছবি
কবিতা...... "মুক্ত পৃথিবী" মৃত্তিকা রায় বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  পিশাচরূপে মানবজাতি করেছিলো কত অত্যাচার, কিছুই বলোনি একটা দিনও হয়েছিলে তুমি নির্বিকার।  আমরা মাগো সন্তান হয়েও, তোমার ব্যথা বুঝিনি,  কোথায় তোমার দুঃখ আছে, একটা দিনও খুঁজিনি। নিজের স্বার্থে দূষণে-দূষণে তোমায় আঘাত করেছি,  সহ্যের একটা মাত্রা আছে, কেউকি কখনো ভেবেছি? তাইতো মোরা মানবজাতি হয়েছিলাম জব্দ,  করোনা থেকে, মুক্তি পেতে জনজীবন স্তব্ধ।  বায়ু দূষণ,শব্দ দূষণ কিছুই করতে পারিনি, ঘরে থেকেই লড়েছি মোরা,হার যদিও মানিনি।  হরিণ,ময়ূর,ডলফিনদের করেছি কত অবহেলা, তারা কত স্বাধীন হয়েছিল পেয়ে পরিবেশ খোলামেলা।  আকাশ বাতাস মুক্ত ছিল, প্রাণ ভরে বায়ু পাচ্ছিলাম,  আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই বিশুদ্ধ শ্বাস নিচ্ছিলাম। প্রকৃতির ধারা কালবৈশাখী কতদিন পরে দেখলাম, ব্যস্ত পৃথিবী,শান্ত হয়েছে জ্যোৎস্না রাতে বুঝলাম।  বউকথা-কও কোকিলরা সব,এক সুরে গান গাইছিল। কল কল করে, স্নিগ্ধতা ভরে গঙ্গা জল বইছিল।  কত শত গাছ গজিয়ে ছিলো যে ,গাছ কাটার ছিলোনা কোনো ভয়, সবুজে সবুজ হয়েছ...

আমি নারী | পুতুল সাহা

ছবি
কবিতা...... "আমি নারী" পুতুল সাহা পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  নারী আমি সইবো না তো শুধুই অপমান  নারী আমি নিজ গুনে, জয় করেছি সম্মান।  নারী আমি পিতার সন্তান রাখবো পিতার মান  দাঁড়িয়েছি আজ পিতার পাশে পেয়েছি পুত্র সম স্থান। নারী আমি মায়েরই জাত, জগতে সবার জন্মদাত্রী  ভারতমাতা সেও নারী, নারী জগদ্ধাত্রী। বাবার ঘরে লক্ষী আমি, বাবা বলেন বটে  আমি নাকি শান্ত, সুশীলা, ঝগড়ুটে নই মোটে।  মা বলেন স্বামীর ঘর করেছি আলো, হয়েছি সম্পূর্ণা সংসারটা আগলে রেখেছি, হয়ে অন্নপূর্ণা।  নারী আমি মা হয়ে, করি সন্তানের মঙ্গল কাম্য  সন্তানকে মানুষ করাই, আমার প্রথম ধর্ম। নারী আমি প্রথম শিক্ষক, আমার সন্তানের কাছে  নারী আমি রয়েছি আজ, অফিস-আদালতে। নারী আমি ভাইয়ের-ই বোন, ভাই-কে ভালোবাসি, মঙ্গল কামনায় আমিই "ভাই"-এর, হাতে বাঁধি রাখী। নারী আমি বিমান চালায়, রাজ্য চালাই, মহাকাশে দিই পাড়ি  নারী আমি সাঁতার কাটি, ক্যারাটে করি, বক্সিনেতেও লড়ি।  নারী আমি জিতেছি কত স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ  নারী আমি সংসার সামলায়, রাখি সকলের খোঁজ। না...