পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

"পরিচয়" সাপ্তাহিক অ্যাওয়ার্ডস - ০১

ছবি
সাপ্তাহিক অ্যাওয়ার্ডস - ০১...... "পরিচয় ম্যাগাজিন" ২৪ শে জানুয়ারি থেকে ২৮ শে জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত দর্শকের বিচারে লিস্টটা তৈরি করা হয়েছে  স্বাগতম! আমি সুখের সাথে আপনাকে আমাদের "পরিচয়" সাপ্তাহিক অ্যাওয়ার্ডস - ০১ এ অসাধারণ কর্মের জন্য অভিনন্দন জানাতে খুশি। আপনার উদ্ভাবনী চিন্হ, সৃষ্টিশীলতা, এবং অবদানের মাধ্যমে আপনি সফলতা এবং সম্মানের প্রাপ্ত হন। এই সার্টিফিকেট আপনার সফলতা ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধাশীলতা প্রকাশ করে। আমরা আশা করি আপনি এই সাফল্যের পথে অগ্রসর থাকবেন এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে আরও অবদান রাখবেন। শুভেচ্ছার সাথে, পরিচয় ম্যাগাজিন  ( নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন)     ফেসবুকে সার্টিফিকেট দেখুন      কবির কল্পনা - রবীন্দ্রনাথ দাস ডাউনলোড লেখাটি পড়ুন রাধা করিল মান - দীপক রঞ্জন কর ডাউনলোড লেখাটি পড়ুন ভোরের পাখি - বাপী নাগ ...

সফলতার পথ - ইমরান খান রাজ

ছবি
কবিতা...... "সফলতার পথ " ইমরান খান রাজ  শত বাধা, বিপত্তি আর  হতাশা কিংবা পরাজয় ভুলে,  নিজেকে তৈরি করুন,  গড়ে তুলুন লোহার ন্যায় কঠিন।  পাহাড়ের মতো উঁচু আর  সমুদ্রের মতো উত্তাল করুন নিজেকে,  পাড়ি দিন হাজারো, লাখো কিলোমিটার পথ,  নিজেকে করুন আকাশের মতো সীমাহীন।  স্থায়ী পথগুলো দীর্ঘ হয় আর-  দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ,  তাতে রয়েছে অগণিত শক্ত কাঁটা,  তাই কাঁটাযুক্ত পথে চোখ খোলা রেখে চলুন।  কারণ সফলতার পথগুলো মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ-  আর অনেক কষ্টদায়ক হয়ে থাকে,  তবে কষ্টের পথ পাড়ি দিতে পারলেই,  আপনি দেখতে পাবেন একটা সুন্দর পৃথিবী।  লাল নীল আলো পরের দিন অভিজিৎ আর দিশা গেছে একটা মন্দিরে বিয়ে করতে। দিশার খুবই খারাপ লাগছে এভাবে বিয়ে করতে, ওর মন কিছুতেই মানছে না। কিন্তু কিছু করার নেই কারণ অভিজিৎকে ছাড়াও ও থাকতে পারবে না... রিভিউ: ⭐⭐⭐⭐⭐4.9(19) এখনই পড়ুন: https://pratilipi.page.link ...

অভিব্যক্তি - দেবব্রত মাজী

ছবি
কবিতা...... "অভিব্যক্তি" দেবব্রত মাজী আদ্যাপীঠের পরী রঞ্জনা নাম তার, বইলে হিন্দি অধিকারীর গুরু ভার। উঠলো অবসরের প্রাক্কালে বেদনাসুর, তখনও কণ্ঠে ছিল সুবচন সুমধুর। শব্দ তরঙ্গে সাজালে কাব্য দূরভাষিণী, মালা গেঁথে হয়ে উঠলো সঞ্চারিণী। অক্ষর সোপানের ফসল অক্ষর সৌরভ, এনে দিল সাহিত্যের অমূল্য গৌরভ। সাজালে তুমি 'আত্মিকা' পঞ্চবান দিয়ে, আরো সুদৃঢ় করলে হাইকু সাথে নিয়ে। নিত্য পথে ভিড়ের মধ্যে কত চেনা, নতুন মুখ পেলেও বলতে না অচেনা! 'উদয়' এনেছিলে নিজের মত সাজিয়ে, আদর যত্ন করে রাখলে তাকে গুছিয়ে। কাগজ কলম নিয়ে করলে কত খেলা, ভাসালে নিজেকে জীবন তরীর ভেলা। লাল নীল আলো দিশার সাইকেলটা সারিয়ে দেওয়ার পর থেকে, দিশা আর অভিজিতের কথোপকথন বাড়তে থাকে। আস্তে আস্তে সেটা বন্ধুত্বে পরিণত হয়। দিশা বলেছিল যে, ওদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের থাকবে। কিন্তু সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কটা যে কখন ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়, দিশা নিজেও বুঝতে পারেনি। তারপর পরে কি হলো.....? রিভিউ: ⭐⭐⭐⭐⭐4.9(19) এখনই পড়ুন: https://pratili...

বর্ষায় প্রেম | বৃষ্টিপাড়া | কাজল মৈত্র

ছবি
কবিতা...... "বৃষ্টিপাড়া" কাজল মৈত্র রানাঘাট, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  প্রতিটি রাত কেমন তীব্র দহনে কেটে যায় আষাঢ় শ্রাবণ যেন বৃষ্টির স্মরণ গরমের শব্দের কি ভীষণ প্লাবন বর্ষা কি এখনও আছে বৃষ্টিপাড়ায় রোজ হয় মেঘ স্বস্তি ক্ষণিক  বৃষ্টি যেন এক ক্ষণস্থায়ী পথিক রৌদ্র কি ভীষণ ঘৃণার আগুন জ্বালায় কিছু বৃষ্টি দলছুট হয়ে পড়ে মিথ্যে আশ্বাসে জল হয়ে পড়ে সূর্যের তামাটে রং স্পর্দ্ধায় লাল হয় ফসফরাসের মত শুধু বিদ্যুৎ চমকায় কবে যে বৃষ্টি নামবে গভীর মমতায়। "বর্ষায় প্রেম" কাজল মৈত্র রানাঘাট, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  পার্কের গোড়ালী জলে সময়টা কেটে যায় এক ছাতা দুই মাথা অংকটা ভেসে যায়  চৈত্র সেলের মত জলে সব ভাসছে ব্যাঙগুলো গোমড়ামুখে আদরেতে ড...

পার ঘাটে - বিমল চন্দ্র পাল

ছবি
কবিতা...... "পার ঘাটে" বিমল চন্দ্র পাল শশিলাঞ্ছিত পুলিনে বসে হেরিতে ছিলাম হীরক জ্যোতি কুলুকুলু বয়ে চলে সূরধুনি  ডিঙ্গি নৌকাটা চলে মন্হর গতি। তীবরের ভাটিয়ালী সুর ভাসে প্রতিধ্বনি ফিরে ফিরে আসে ধুপধাপ ভেঙ্গে পরে নদী-পাড় গৃহ হারা,জমি হারা মরে সন্ত্রাসে। ▫️লাল নীল আলো (আগুন) প্রতিলিপিতে পড়ুন: https://pratilipi.page.link/L8bWmtuK5tyhqiLf9 আমার পক্ষে যদি সম্ভব হতো তাহলে আমি এইসব শয়তানদেরকে মেরে ফেলতাম.. আয়েন্দা কালের কথা ভেবে দহন কেতনে আঁখি ভরে জলে শরাণহীন গৃহস্হ আশ্রয় খোঁজে চন্দ্রাহতর মত ছোটে স্হলে স্হলে। খেয়া পারাপার ঘাটে কুঁড়ে ঘরে শিরিন সুরে গান ধরেছে বাউলে কে এলো, বা কে গেল এপার ওপারে মনে রাখে নাতো, সব যায় ভুলে। সপ্তপর্ণী বৃক্ষ তলে খদ্যোতের মেলা পাশে হরশেখরার অনুব্রত গতি দুজন আজুরদার অতীব বরাক  আর পাড়ে যাবে বলে স্হির করা মতি। WhatsApp এ "Porichoy Magazine" অফিসিয়াল চ্য...

কবির কল্পনা - রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
কবিতা...... "কবির কল্পনা" রবীন্দ্রনাথ দাস   কি ভাবনা নিয়ে তুমি বাতায়নে বসে রও আসিলে না তুমি মোর কাছে নামি শুধু চেয়ে, কি যে কথা কও জানিলো শুধু তব অন্তর্যামী।  দুপুর গিয়া সূর্য যাইতেছে পাটে পাখিরা শেষ ডানা মেলিয়া ফিরিতেছে নীড়ে,  দিশাহীন ভাবে ঘুরিতেছি পথের বাঁটে বাঁটে ম্লান হলো এই বেলা আবারও আঁধারের ভিড়ে।  পুবে রক্তিম আভায় জাগিবে পুনরায় রবি গত পাটের অধ্যায় নিজ সাথে লয়ে,  নব রূপে, নব ভাবে রচিয়া দিবে কাব্য ভরি কালে কালে আগের সে রূপ যাবে না ক্ষয়ে।  এক একটি রূপ থাকিবে যে চিত্তের স্তরে    কবির কবিতায় জাগিবে ভাবের স্তর বেয়ে,  অসীম তরঙ্গ মাঝ হতে স্মৃতির পাতা ধরে জাগিবে বাতায়নে বসে আজও সেই মেয়ে।  ছাড়ি ক্ষুদ্র স...

পদ্মা নদীর তীরে - অধীর কুমার রায়

ছবি
কবিতা...... "পদ্মা নদীর তীরে" অধীর কুমার রায় পদ্মা নদীর তীরে, ছোট ছোট চালা ঘর পটে আঁকা ছবি। এখানে এখনো বাস করে কুবের, মালা, রাসু, গনেশ, শশী। দারিদ্র্যের চাদর গায়ে দিয়ে এখনো এরা চাঁদের বুড়ির  চরকা কাটা দেখে। জ্যোৎস্না এসে পড়ে উঠোনে। ময়না দ্বীপের চাষের স্বপ্নে বিভোর হয় রাতে। গল্পের আসর বসে রূপকথার দেশে। পদ্মা নদী বয়ে যায়… ঢেউয়ের তালে তালে কপিলার হৃদয়ে প্রেমের ঢেউ ওঠে। ঘর বাঁধে কপিলা, মন পড়ে রয় কুবের মাঝির সিন্ধুকে। বর্ষা আসে ফনা তোলে পদ্মা, হিংসার ঢেউ আছড়ে পড়ে তীরে। জয়ী হয় হোসেন মিঞা পাড় ভাঙে, কপাল পোড়ে মালার। ওরা আবার নতুন স্বপ্নে  ঘর বাঁধে পদ্মার তীরে। নতুন চালা ঘরে ঝিঙে ফুল ফোটে। পদ্মাকে ভালোবেসে সুখ-দুঃখের ভাঙা গড়ার খেলা চলতে থাকে ঘড়ির কাঁটার পায়ে পায়ে। বড় গল্প: লাল নীল আলো (আগুন)      দিশার সাইকেলটা সারিয়ে দেওয়ার পর থেকে, দিশা আর অভিজিতের কথোপকথন বাড়তে থাকে। আস্তে আস্তে সেটা বন্ধুত্বে পরিণত হয়। দিশা বলেছিল যে, ওদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের থাকবে। কিন্তু সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কটা যে ক...

আমি শুধু ভাবি - রবিন রায়

ছবি
কবিতা...... "আমি শুধু ভাবি" রবিন রায়  চরিত্র হীনা,বেহায়ারা - আজ করে তারা, সম্মানের দাবী; আমি শুধু ভাবী !  অর্থ সর্বস্ব সুপ্ত বাসনা,  প্রকাশ্য রতি কামনা ; প্রতিনিয়ত খায় খাবী, আমি শুধু ভাবি !  বাক্য তাদের সাজানো অতি,  প্রমানে বড় সতী ; দাগ ঢাকতে দাগী, আমি শুধু ভাবি !  ছলনাময়ী রা ধরে ছল, দু ফোটা ফেলে জল; জয়ীতে সমাজের হৃদি, আমি শুধু ভাবি !  এরা দেবে তো না কিছু,  ছোটে পাবার পিছু ; চোখে সদা স্বপ্নভরা ছবি, আমি শুধু ভাবি !   অবুঝ, অবলা সেজে রবে, সুযোগ বুঝে ঠকাবে ; এরা সন্ধানী স্বভাবি, আমি শুধু ভাবি !  হৃদয় নামক বস্তুর অস্তিত্ব,  থাকে কি আদৌ স্বত্ব ; তবে কি জীবন্ত সমাধি, আমি শুধু ভাবি !  এদের নেই আত্মার তুষ্টি,  না, ন্যায় নীতির দৃষ্টি ?  অপ্রাপ্তিতে কেবল ক্রোধি, আমি শুধু ভাবি !  শীলমোহরে খাতা কলমে লেখা, সংবিধানের হয় ঠেকা ; মানুষের নয়, অন্তর ত্যাগী, আমি শুধু ভাবি !  কেন যে চেঁচিয়ে মরে অবান্তর,  বিবেক জাগায় অন্তর ; সেখানেই হয় সদা বিবাগী,...

খাঁচা - প্রবীর রায় চৌধুরীর

ছবি
কবিতা...... "খাঁচা" প্রবীর রায় চৌধুরীর কি খাঁচার বাঁধলে মোরে, পারি না যেতে উড়ে  অবাধ্য মন, যায় না ভুলে, স্মৃতি গুলো মনে পড়ে  ঋতু ছিল বসন্ত রাজ, ফুটে ছিল ফুল বাগিচা ভরে  মৌমাছিরা আঁকড়ে ফুলে, পাখিরা ফিরছিল নীড়ে  অপেক্ষার বাঁধন মেনে, বসেছিলাম বাগিচা মাঝে  চেয়ে ছিলাম পথ পানে, পছন্দের তোমার সাঁঝে।  উৎসূক মন, সন্ধ্যা নেমে আসে, তখনই পায়েল বাজে  উৎফুল্ল হৃদয়ে এসে, দাঁড়িয়ে পাশে, তিলকত্তমা সাঁজে।  খুনসুটিতে ভরিয়ে দিলে,  কথায় মালা গেঁথে  চক্ষুদ্বয় চেয়েছিল,  তোমার কাজলা ভরা চোখে  ঋতুগুলি সব কাটছিল বেশ, একই সূত্রে জীবন গাঁথা  কি এমন ঘটল শেষে,পেলাম না আর তোমার দেখা  ? রাখলে না পণ, তোমার বচন,থাকবো পাশে, জীবন শেষে  অজানা আজও আমার, অজান্তে গেলে চলে, ভিন্ন দেশে  কি খাঁচার বাঁধলে মোরে,স্মৃতি গুলো সব মনে পড়ে  অবাধ্য মন ,যায় না ভুলে,  এ খাঁচা ভাঙ্গবো আমি  কেমন করে? বড় গল্প: লাল নীল আলো (আগুন)      দিশার সাইকে...

বনভোজন - মিহির সেন

ছবি
কবিতা...... "বনভোজন" মিহির সেন   চলো যাই বনভোজনে দূরে কোথাও দূরে, যেথায় ফোটে গোলাপ টগর মিষ্টি পাখির সুরে। সূর্য যেথায় উঁকি মারে সবুজ পাতার ফাঁকে, নদী যেথায় আদর করে শ‍্যাওলা বুকে রাখে। রাখাল বাজায় বাঁশির সুর উদাস মাঠের পানে, পাখি যেথায় করে খেলা ওড়ে আপন মনে। সেইখানেতে যাইগো সবে খুশির ভেলা বেয়ে, সময় কাটুক খেলাধূলায় হাজারো গান গেয়ে। কেউ করবে কুটনো কাটা কেউ চাপাবে হাঁড়ি, ব‍্যবস্থাপনায় থাকবে কেউ কেউ চাকবে তরকারি। মেনু থাকবে নানান রকম টক ঝাল মিষ্টি, ভোজন রসিক যাবে চেনা যার সজাগ দৃষ্টি। হৈ হুল্লোর সারাদিন  কাটবে মজা করে, বনভোজনের স্মৃতিটুকু শুধু থাকুক অন্তরে। বড় গল্প: লাল নীল আলো (আগুন)      দিশার সাইকেলটা সারিয়ে দেওয়ার পর থেকে, দিশা আর অভিজিতের কথোপকথন বাড়তে থাকে। আস্তে আস্তে সেটা বন্ধুত্বে পরিণত হয়। দিশা বলেছিল যে, ওদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের থাকবে। কিন্তু সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কটা যে কখন ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়, দিশা নিজেও বুঝতে পারেনি।  পড়ুন : https://pratilipi.page.link/

সব একটু আলাদা হোক - মানস দেব

ছবি
কবিতা...... "সব একটু আলাদা হোক" মানস দেব   তোমরা ভাবছো বছর শেষে  বাধাধরা দুঃখ- বেদনা , পাওয়া - না পাওয়ার গল্প শোনাবো  তা , নয়।  আমি শোনাতে চাই নতুন কিছু ।  গত বছর কে - কি পেল জানিনা ।  জানি শুধু ,  যথাসময়ে আসেনি গ্রীষ্ম - বর্ষা - শীত।  যারা এসেছিল তারাও বেশ পরে।  মানুষের কি ক্ষতি , কি লাভ হয়েছে তা সকলের জানা ।  সূর্য মামা যে প্রখর তেজ দেখিয়েছিল  ভাবলে আজও গা শিউরে ওঠে ।  গরম যেমন ছিল তেমনি ছিল ভোটের উত্তাপ !  কোথাও ভোট লুট , কোথাও ব্যালট বাক্স ভাঙ্গার পালা।  কোথাও গণহত্যা লীলা ! কোথাও হাজারো দিন রাস্তায় বসে যোগ্য চাকরি প্রার্থী !  মুখ বুঝে সহ্য করাটা  মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে !  নতুন বছরটা যেন আর এমন না হয় ।  সবকিছু নিয়মের আবর্তে আবর্তিত হোক ।  বন্ধ হোক মানুষের রক্তের হোলি খেলা ।  এমন একটা সকাল আসুক যেখানে সকলে একত্রে বসে  ভালোবাসার গল্প বলতে পারি।  প্রাণ ভরে বেঁচে থাকার শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারি । নীরোগ থাকুক পৃথিবী । ...

ভোরের পাখি - বাপী নাগ

ছবি
কবিতা...... "ভোরের পাখি" বাপী নাগ ভোরবেলাতে গাছের ডালে ডাকে পাখি কিচিমিচি। সকালে যখন হয় একসাথে করে তারা চেঁচামেচি। মধুর সুরে ডাকে যে তারা বলছে হেসে হেসে। ঐ আকাশে উড়ে বেড়াবে থাকবে মিলেমিশে। খেয়াল খুশিতে উড়ে বেড়ায় গান গায় খুশিতে। সন্ধ্যে হতে ঘরে ফিরে আসে  তারা যে একসাথে। ঐ গাছের ডালে ফিরে আসা বাসা তাদের ডালে। ভোর হতে তাদের জেগে ওঠা গান গায় সকালে। তাদের ডাকে যে ঘুম ভাঙ্গে আছে কতো পাখি। দেখতে তাদের কতো ভালো  সুন্দর দুটি আঁখি। ডেকে চলে ভোরের পাখি নানা সুরে কথা বলে। ডানা মেলে উড়ছে পাখি বসবে গাছের ডালে। উড়ে যায় পাখি দূর আকাশে  তার দুটি ডানা মেলে। নরম হয়ে গাছের ডালে বসে মনের খুশিতে দোলে। বড় গল্প: লাল নীল আলো (আগুন)      দিশার সাইকেলটা সারিয়ে দেওয়ার পর থেকে, দিশা আর অভিজিতের কথোপকথন বাড়তে থাকে। আস্তে আস্তে সেটা বন্ধুত্বে পরিণত হয়। দিশা বলেছিল যে, ওদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের থাকবে। কিন্তু সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কটা যে কখন ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়, দিশা নিজেও বুঝতে পারেনি।  পড়ুন : https://p...

আমি কেমন ব্যক্তি - উদয় নারায়ণ বাগ

ছবি
কবিতা...... "আমি কেমন ব্যক্তি " উদয় নারায়ণ বাগ  যতই তোমরা ভালোবেসে  করো আদর-যতন, আমি কিন্তু নইকো দামি  হীরের মতো রতন। জটপাকানো ভাবনা আমার  খুবই জটিল ভঙ্গি,  ভেবে নিতে পারবে না তো তোমাদেরই সঙ্গী।  দেখতে আমি ব্রহ্মদৈত্তি এবড়োখেবড়ো গুমরা, খুড়োর কলের মতই শরীর চক্ষু জোড়া কুমড়া।  ভবঘুরে দীনদরিদ্র বোম ভোলানাথ ঢঙটা।  ভাতের হাঁড়ির তলার মতো বদনখানির রঙটা,  তেলা মাথায় তেল মাখি না  ঘেমে ঝরে তৈল,  শীতের রাতে কুজ্ঝটিকায়  মাখি হিমশৈল।  এসব জেনে এবার বলো  আমি কেমন ব্যক্তি? গায়ের গন্ধে ভালোবাসার  হারিয়ে যাবে যুক্তি।

রাধা করিল মান - দীপক রঞ্জন কর

ছবি
কবিতা...... "রাধা করিল মান" দীপক রঞ্জন কর রাধা করেছে মান কৃষ্ণ মনা প্রাণ শুনে বাঁশির তান  মনে কৃষ্ণ কৃষ্ণ গান। কৃষ্ণ প্রেমে কাটলো কান শ্রী রাধার জাত মান সখার চরণে নিতে স্থান রাধা করেছে মান। বন্ধু বসে নদীর তীরে বাজাক্ বাঁশি মধুর সুরে  শুনবো না তার গান  রাধা করেছে মান। কালার বাঁশি মিষ্টি হাসি,  কেড়েছে হৃদয় প্রাণ সম্মুখে তার যাব না আজ  মেরেছে হৃদয়বান। কথা দিয়ে ছলনা ছলে লুকিয়ে কোন আড়ালে আমার বন্ধু কালাচাঁন রাধা করেছে মান।

গ্রাম আর শহর - আফরিনা সুলতানা ঈশিতা

ছবি
কবিতা...... "গ্রাম আর শহর" আফরিনা সুলতানা ঈশিতা  ইট, বালু আর কংক্রিটের  মিশ্রণে যাহা হয়, পাকা বাড়ি, দালানকোঠা লোকে তারে কয়। ছন খনের চালা,বাঁশের বেড়ায় যে দেয়ালটা হয়, গ্রামের মানুষ ভালোবাইস্যা বাড়ি তারে কয়। শহর মানেই মেইল ফ্যাক্টরি কলকারখানার কালো ধোয়া,  গ্রামের মাঠে লাউয়ের মাচা সবুজ সজীবতার ছোয়া। শহর মানেই যানযট লোকালয়,কোলাহল,  গ্রামের পথে নিরবতা পাখির কলরোল।  ইট পাথরের দালান টায় বাতাস যাওয়া কষ্ট,  মাটির তৈরি ঘরটাতে ঘুম হয় যথেষ্ট।  শহর জুড়ে শব্দ দূষণ  নর্দমার পঁচা গন্ধ, গ্রামের পথের ধূলো মাটি লাগেনাতো মন্দ। শহর মানেই বিশাল কিছু গ্রাম মানেই ক্ষ্যাত, এই ধারনা দাওগো মুছে তুমি কিছুই বুঝোনা ধ্যাত।

ফিরে এসো সূর্যি মামা - আলমগীর

ছবি
কবিতা...... "ফিরে এসো সূর্যি মামা" আলমগীর             সূর্যি মামা তুমি কি সত্যি  চলে গিয়েছো পাঠে? তোমার দেখা পাই না আমরা গোটা গোটা দশ দিন থেকে। হঠাৎ করে চলে গেলে তুমি একবারও বললে না আমরা কে ; তোমায় ছাড়া কষ্টে আছি গভীর কুয়াশার ঘোরে। তোমায় দেখতে না পেলে বুঝতে পারিনা আমরা কখন রাত, কখন দিন? অবসর দিন কাটে ঘরে বসে বসে, কর্মহীন জীবন মোদের  নাহি ভালো লাগে । তোমার দেখার আশায় বারবার আকাশের দিকে তাকায়, ভর দুপুরে তোমার খোঁজ  নাহি আমরা পাই। পানীয় ও আজ আমাদের সাথে বন্ধুত্ব না করে  ধরা দিচ্ছে শত্রুর বেশে । চলাফেরা করতে মোদের কত কষ্ট করতে হয় একবেলা না কাজ করলে  হাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। সূর্যিমামা ফিরে এসো আমাদের মাঝে, তোমার গায়ের তাপ দিয়ে সতেজ করে দাও আমাদের শরীরটাকে।