পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আর তারপর | গৌতম নায়েক

ছবি
গল্প...... "আর তারপর" গৌতম নায়েক বীরভূম, পঃবঃ         'গুপী গাইন বাঘা বাইন ভূতের রাজার কাছ থেকে তিনখানা জবর জবর বর তো পেয়ে গেল,' দাদু বললেন, 'কিন্তু তারপর কি হলো জানো?' ----- কি হলো? কি হলো? ----- ভূতের রাজা তো আসলে ভূত, তিনি তো আর ভগবান নন। ভগবানের বর সরাসরি খাটে। কিন্তু ভূতের রাজার বর বাস্তবায়নের জন্য তার তিন বিশ্বস্ত সাগরেদ ছিল। তারা রাজা মশাইকে বড্ড শ্রদ্ধা ভক্তি করতো। মামদো গুপী বাঘার পছন্দ মতো পোশাক সাপ্লাই করতো; আশীর্বাদী জুতোর ভিতরে থাকতো জ্বীন যে তাদেরকে তাদের ইচ্ছে মতো অদৃশ্য করে উড়িয়ে নিয়ে যেত আর শ্যাকচুন্নী সোনার থালায় তাদের পছন্দ মতো খাবার সাজিয়ে দিত। তারা অদৃশ্য হয়ে কাজ করতো, তাই গুপী বাঘা টেরই পেত না কি করে কি হচ্ছে। তারা তাদের খেয়াল খুশি মতো যখন তখন যা খুশি চেয়ে বসতো। স্থান কাল পাত্র জ্ঞান ছিল না তাদের। আর এই চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে তিন সাগরেদ নাজেহাল।            রাজামশাই যখন একদিন দুপুরে তার বিশাল অশ্বত্থ গাছের বড়ো কোটরের ভিতর রাজকীয় প্রাসাদে দিবানিদ্রায় মগ্ন তখন তিনটি বৃত্তাকার দপদপ করা উজ্জ্বল আ...

নির্বাপিত প্রদীপ | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "নির্বাপিত প্রদীপ" নির্বাপিত প্রদীপ ইংলিশ বাজার, মালদহ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  পাঁ চ ভাই বোনের সংসার। হঠাৎই একদিন বাবা মারা যান। প্রায় দু মাস পরে তাঁদের মাও। ভাই বোনদের মধ্যে মীরা সবার বড়ো।কাজেই সংসারের সব দায়দায়িত্ব ওরই উপরে। মীরার বড়ো দাদা দিলীপ ছোটবেলা পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পায়। তারপর থেকেই ওর স্মৃতি শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। পড়াশোনাও বেশী দূর করতে পারেনি। একচলা টিনের ঘর, উঠোনে রয়েছে নানান গাছপালা। মীরার মা খুব গাছপালা ভালোবাসতো। সংসার আর পড়াশোনা চালানোর জন্য মীরা শুরু করলো টিউশন পড়ানো। মেজো বোন রীনা পড়াশোনা করে।রীনার পরে প্রদীপ। পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী। প্রতিবছর সে ক্লাসে ফার্স্ট হয়। আর সবার ছোট সীমা। সকলের স্নেহের । সে কখনোই বাবা মায়ে অভাব বোধ করে নি।প্রদীপও টিউশন পড়ায় সঙ্গে নিজের পড়ার খরচ চালায়। মীরা বি. এ. পাশ করার পর একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজ নেয়।সেই ভোরবেলা উঠে সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম করে বড়োদাদা দিলীপকে খায়িয়ে স্কুলে যেতো। কোনো কোনোদিন হয় তো মীরার নিজেরই খাওয়া হতো না. সাধারণ শাড়ি, খুব দামী শাড়ি নয়, কাঁধে একটা ব্যাগ, মাথার চুল গুলো গুটিয়ে একটা...

জিয়াগঞ্জ ব্রহ্মময়ী কালীবাড়ির ইতিহাস - অভিজিৎ দত্ত

ছবি
প্রবন্ধ...... "জিয়াগঞ্জ ব্রহ্মময়ী কালীবাড়ির ইতিহাস" অভিজিৎ দত্ত মুর্শিদাবাদ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  জিয়াগঞ্জের সবচেয়ে প্রাচীন কালীমন্দির হল জিয়াগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নিমতলাঘাটের ব্রহ্মময়ী কালী।শোনা যায় ১১৮৩সাল থেকে এই পারিবারিক পূজো শুরু হয়।তবে আগেও শুরু হয়ে থাকতে পারে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।কিন্ত মায়ের খাঁড়াতে যে সনটি পাওয়া যায় তাতে ১১৮৩সন লেখা আছে। বর্তমানে নিমতলাঘাটর মন্দিরে এই পূজো চালু থাকলেও আদি পূজো চালু হয়েছিল বর্ধমান জেলার গলাতন পাতন এলাকায়।পরে সেখানে গঙ্গাভাঙন শুরু হওয়াই মাকে বর্ধমানের গলসি থানা এলাকার শ্রীধরপুরে স্থানান্তর করা হয়।কিন্ত সেখানে কলেরার চরম প্রকোপ শুরু হয়।গ্রামকে গ্রাম ধংস্ব হয়ে যায় তখন ব্রহ্মময়ী কালীর প্রতিষ্ঠাতা শ্রীগুরুদাস ব্যানার্জি এই জিয়াগঞ্জে মায়ের ঘট নিয়ে চলে আসেন।তখন মা কালী তাকে স্বপ্নে দেখা দেন এবং নির্দেশ দেন নিমতলাঘাটে ,ঐঘাটের মাটি নিয়ে তাকে প্রতিষ্ঠা করার।এছাড়াও বলেন যত পা ঘাটে নামবি ততটা ছাগল বলি দিবি।সেই থেকে নিমতলাঘাটে এই পারিবারিক পূজো চালু আছে সেইসঙ্গে বলিপ্রথা।শোনা যায় এই ম...