রচনার নাম:- মাসটারদা সূর্য সেন|| কলমে:- অভিজিৎ দত্ত
রচনার নাম:- মাসটারদা সূর্য সেন
কলমে:- অভিজিৎ দত্ত
যে সব বিপলবীরা নিজেদের জীবন তুচছ করে মাতৃভূমিকে ইংরেজদের কবল থেকে উদধারের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিতে ভয় পান নি তাদের অন্যতম মাসটারদা সূর্য সেন। ১৮৯৪সালের২২শে মাচ' বাংলাদেশের চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।পিতা রাজমণি সেন,মাতা শশীবালা দেবী।বহরমপুর কলেজ থেকে বি,এ পাশ করে চট্টগ্রামে ফিরে এসে উমাতারা হাইস্কুলে গণিতের শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন।তখন তার বয়স ২২-২৩ বছর।যুবক সূর্য সেন তখন থেকেই মাসটারদা নামে পরিচিত হন। কলেজ জীবন থেকেই দেশের মুক্তির জন্য ভাবনা চিন্তা ও দল গঠন।রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ ছিল তার জীবনের আদশ' পুরুষ ।প্রিয় কবি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।সূর্য সেন প্রথম দিকে কংগ্রেস পরিচালিত আন্দোলনে যোগ দিলেও পরে মত বদলান ও ইংরেজদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হন।তার বিখ্যাত কীতি' চট্টগ্রামের অসতৃ।গার লুন্ঠন(১৯৩০সালের১৮ই এপ্রিল)।মাসটারদা বিপলবীদের নিয়ে গড়া সেনাবাহিনীর নাম দেন ইনডিয়ান রিপাবলিকান আমি'।মাসটারদার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কয়েকদিনের জন্য ইংরেজ প্রভাবমুকত একটি সবাধীন অঞ্চলে পরিণত হয়।তখনকার দিনে এর তাৎপর্য অপরিসীম।ভারতীয়রা যে ইচছা করলে সবাধীন হতে পারে চট্টগ্রামের অসতৃ।গার লুন্ঠন তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল ।যাইহোক কয়েকদিন পর ইংরেজদের সঙ্গে বিপলবীদের সংঘর্ষ বাধে জালালাবাদ পাহাড়ে যা ইতিহাসে পরিচিত জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ নামে।যুদ্ধে বিপলবীদের কয়েকজন মারা যান।ইংরেজদের অসংখ্য সৈন্য আহত ও নিহত হয়। এরপর মাসটারদা ঐ জায়গা ত্যাগ করে অন্যএ আত্মগোপন করেন।কয়েকবছর ধরে ইংরেজদের চোখে ধূলো দেবার পর এক ভারতীয়র বিশ্বাসঘাতকতায় (নেএ সেন)ধরা পড়েন। ধরা পরার পর( ১৯৩৩র২রা ফেব্রুয়ারি) মাসটারদার উপর অমানুষিক অত্যাচার চালানো হয়। বিপলবীরা অবশ্য নেএ সেন কে গুলি করে মারে। বিচারে মাসটারদার ফাঁসি হয়(১৯৩৪সালের ১২ই জানুয়ারি)। বিপলবীদের কখনও মৃত্যু নাই। সূর্য সেন অমর। খেদ একটাই এইসব অমর শহীদদের কথা বিদ্যালয়ে কেন অবশ্যই পাঠ্য হয় না।শিক্ষাথী'রা যদি এদের সমবনধে না জানতে পারে ভবিষ্যৎ ভারতের কী হবে? শিক্ষা দপতর ও সরকার কী এব্যাপারে উদ্যোগী হবে ?

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন