কবি "অরবিন্দ সরকার" -এর তিনটি সুন্দর কবিতা
কবি:- অরবিন্দ সরকার
তফাত্ বুঝি পার্থক্য তফাত্ ফারাক,
দূর হটো ,কেটে পড়ো তফাত্ যাওয়া,
স্ত্রী তারতম্য বিচ্ছেদ পরস্ত্রী ধাওয়া,
কটুক্তি গালিগালাজ তারতম্যে ফাঁক।
শালা কয় স্ত্রীর ভাই পাঠশালা রাখ্
কামার কুমোর শালা নয়নে চাওয়া,
খাল কেটে পুষ্করিনী এ গাত্র সওয়া,
করে খাও খেটে খাও নাই রাখঢাক।
আবির্ভাব-আসা জন্ম উদয় হাজির,
একচোখ কানা কয় দুই চোখ অন্ধ,
পার্থক্যে ভদ্র ইতর রাজা প্রজা রয়,
চুলকাটে প্রামানিক কানকাটে বীর,
খাওয়া খাইয়ি ক'রে দ্বার সব বন্ধ,
খাওয়া দাওয়া শক্তি মৃদু মন্দ বয়।
কবিতা:- "বাবা"
কবি:- অরবিন্দ সরকার
সৃষ্টি কর্ত্তা ,বিধাতা ! সারাজীবনলড়াই ক'রে ক'রে সংসারের সেবা!কার কি প্রয়োজন,করতে পূরণ, মানেনাসময় দিনক্ষণ।বানী তার শুনি , পরিশ্রমের বিকল্প নাই!আহারে আহা! কেউ বলার শোনার নাই!সবার শেষে খাওয়া,কারোদৃষ্টি নজর নাই,তিনিই বাবা !সকালে ঘুম ভাঙ্গার আগেইতাঁর যাত্রা!পাখীরা নীড়ে ফেরার পরে,ধীরে ধীরে ফেরা !উঃ আঃ শব্দ নেই, পাছে কারো ব্যাঘাত ঘটে তাই মার্জার পদনিক্ষেপ!অবসর নেই, ক্লান্তি নেই শরীরে!যত্ন নেবার সবাই আছে,-তারযত্নের অভাব উঁকি মারে দরজা,দেওয়াল!পিঠ ঘসে ওখানেই, মাথা ঠুকে মরে ওখানেই! কান্নার অশ্রুকেউ দেয়না সামাল!পাঁজরের হাড়ে, কঙ্কালসার চিহ্ন!বাবাকে কাঁদতে নেই , তাই তিনি পথপ্রদর্শক অভিন্ন!প্রতিরূপ হয়না বাবার স্থান,তাঁর চোখে পরিবার সমান!শুধু তিনি ছাড়া ! সবাই বিদ্যমান।সৃষ্টিকর্তা মহান! দিনরাত সমান!আহার বিহার তাঁর জন্য নয়!জীব দিয়েছেন যিনি- আহার দেবেন তিনি!তাই তাঁর দাসখত্ ! সংসারের ভারে নূব্জ কুব্জ বংশের ক্রীতদাস !!
কবিতা:- "সিদ্ধান্ত"
কবি:- অরবিন্দ সরকার
শোভন অশোভনীয় করে পরকিয়া,
নিজপত্নীর বিশ্বাসে জটিল নিঃশ্বাস
বুড়ো কালে ভীমরতি অন্যসনে বাস,
ছেলে মেয়ে পর সব স্ত্রীর ফাটে হিয়া।
যাদের প্রচুর টাকা অশেষ গুনিয়া,
টাকা করে ছটফট খাবার গোগ্রাস,
হিসাব পাতি না দেখে শুরু করে চাষ,
যোগ বাদ গুন ভাগ ভুলে শতকিয়া।
পরপত্নী নিয়ে ঘর করে মাতামাতি,
সমাজের শিরোমণি বিচারের ভার,
নাক কেটে যাত্রা ভঙ্গ আইনের জালে,
পত্নী উপপত্নী লড়ে চলে হাতাহাতি,
শেষ সিদ্ধান্তের টান উপপত্নী তার,
পরস্ত্রীর খুঁটে চাবি কানার পা খালে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন