কবিতা | চাওয়া পাওয়া | সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন

কবিতা......

"চাওয়া পাওয়া "
সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন 
পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ 

আকাশ দিগন্তে দিয়েছে মুক্তি মোর 
বাতাস প্রবাহের ধারাবাহিকতা,
নদী দিয়েছে প্রবল স্রোতের জোর 
রাত্রিতে জ্যোস্নার স্নিগ্ধতা ।
মাঠের কাছে পেয়েছি সজীবতা 
ঘাটের কাছে স্নানের জল,
মাটির কাছে পেয়েছি মানবিকতা
গাছের কাছে ফলের বল ।
বুলেটের কাছে চেয়েছি প্রাণের ভিক্ষা 
ভন্ড রাজার কাছে ভাতের চাল ,
জীবনে যে নয় বইতে চেয়েছি শিক্ষা 
নিজেরই হাতে বুনেছি বেড়াজাল ।
আরাম-কেদারে বসে চেয়েছি যুগান্তর 
বর্ডারে নয় বাড়িতে চেয়েছি দীক্ষা ,
পর্দার আড়ালে চেয়েছি দুর্ভিক্ষের অন্তর
 ভ্রান্তনাতে করেছি অপরকে পরীক্ষা।
ভুলিয়ে প্রকৃতির অকৃত্রিম প্রেমের আঁচ 
সময়ের গতিতে ফিকে নদীর বেগ 
চেয়েছি হাতে কৃত্রিম মায়া জড়িত কাঁচ 
আকাশে মেঘ জমলেও জাগে না আবেগ ।
মস্তিষ্কের কাছে চেয়েছি কেবলই ভার
মনোরঞ্জনে প্রতিবেশীদের হাহাকার-
তবুও বলি অতি সাধারণ কি চাইবো আর?
ভাগ্য ধরে দিও করে পারাবার। 
অফুরন্ত দান দিয়েছে জীবন তবুও 
মিটে নাকো যে অসীম চাওয়া ,
কুবেরের ভান্ডার করেছি খালি তবুও
অসমাপ্ত মোদের চাওয়া পাওয়া ।

কবিতা | চাওয়া পাওয়া | সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন

কবির পরিচিতি:-

সৈয়দা মনোয়ারা খাতুন। জন্ম 2002 সালের 4ই জানুয়ারি ।পশ্চিম বর্ধমানের এক মধ্যবিত্ত বাসিন্দা। এখন আপাতত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী, এর পাশে প্রাইভেট সেক্টরে চাকরি করি গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে।
আমার জন্মের একবছরের মধ্যে মা 'হারা হই।বাল্যকাল থেকেই লেখালিখি বইপড়ার প্রতি আগ্রহ উপলব্ধি হয়, বিশেষ করে যদি গল্প অথবা উপন্যাস হাতে পাওয়া যায় , পরে জেনেছি আমার মা ও নাকি একজন স্বনাধন্য লেখিকা ছিলেন তাই সম্ভবত রক্তেরই টান। শৈশব থেকেই বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি পাঠ করতে ভালবাসতাম , পরবর্তীকালে আরো বিভিন্ন মঞ্চে ডাক আসে । তারপর আকস্মিক এক ঘটনার মাধ্যমে আপনাদের ম্যাগাজিনের সাথে যুক্ত হওয়া, বিশেষ ধন্যবাদ জানাই বিমান প্রামাণিক মহোদয় কে উনি আমায় সহায়তা করেছিলেন যুক্ত হতে। 
অনতিকাল অব্দি আপনাদের সহায় থাকার কামনা করি আশা করি আমার লেখা আপনাদের হতাশ করবে না। ধন্যবাদ ll

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়