একুশ মানে | অধীর কুমার রায়

অ্যাওয়ার্ডস - ০৩
কবিতা......

"একুশ মানে"
অধীর কুমার রায়
বহরমপুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ

একুশ মানে মায়ের ভাষা
দুঃখ দিনের কথা।
একটি গোলাপ ফুটবে বলে
রক্ত স্রোতের ব্যথা।

একুশ মানে ঠোঁটের হাসি
বাংলা উচ্চারণ।
শিশির ভেজা গ্রাম এবং 
ডালের বড়ির উঠোন।

একুশ মানে গানের সুর
ভাষার ডানায় উড়া।
মায়ের কোলে ছোট্ট শিশুর
স্বাধীন স্বপ্নে ঘোরা।

একুশ মানে আমার ভাষা
বাংলা বর্ণে লেখা।
একুশ মানে ভালোবাসা
যুদ্ধে বাঁচা শেখা।

একুশ মানে স্বাধীনতা
হাহা করে হাসা।
পাঠশালা আর নদী নালা
বাংলা ভালোবাসা।

একুশ মানে | অধীর কুমার রায়

কবির পরিচিতি:
অধীর কুমার রায় মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা স্বর্গীয় অশ্বিনী কুমার রায়, মাতা স্বর্গীয়া পদ্মাবতী রায়।তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. বি. এড সম্পন্ন করেন। পেশা হিসেবে তিনি শিক্ষকতাকে বেছে নেন। তিনি বর্তমানে “বহড়া আদর্শ বিদ্যাপীঠ”এ(উঃ মাঃ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক। তাঁর নেশা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি। ইতিমধ্যে তিনি সফলতার সঙ্গেই বাংলাদেশ, ভারতসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বাংলা পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন। কবিতা, ছড়া, অনুগল্প এবং ছোটগল্পে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে “দৈনালী সাহিত্য পত্রিকা”য় তাঁর “গোধূলি” কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সাহিত্য জগতে সাড়া পড়ে যায়। এরপর তাকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি, প্রকাশিত হয়েছে ই এবং মুদ্রিত মিলিয়ে কয়েকশো কবিতা। অল্প সময়ে তিনি পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর সাড়া জাগানো কবিতাগুলি “হৃদয়ে রাধা”, “রানু দি”, “যুদ্ধ”, “স্মৃতি”, “আগমন”, “পলাশপুরের সবিতা”ইত্যাদি। একক কাব্যগ্রন্থ “নীল খামের চিঠি”। আরো কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের পথে।।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়