"পরিচয়" সপ্তাহিক প্রকাশ | অভিজিৎ দত্ত | বনবিহারী কুমার | অরবিন্দ সরকার | বিপ্লব গোস্বামী | গৌতম নায়েক

 "পরিচয়" সপ্তাহিক প্রকাশ 

কবিতা:- 

উওমকুমার 

অভিজিৎ দত্ত 

মহানায়ক উওমকুমার 

তোমাকে জানাই প্রণাম আমার 

তোমার ভুবনভুলানো হাসি 

আমি খুবই ভালোবাসি ।


বাংলা সিনেমার প্রথম মহানায়ক 

আপামর জনতার চোখের মণি 

তোমার অভিনয় ক্ষমতার জোরে 

তোমার নামের সিনেমাগুলি আজও

জনপ্রিয়তার শিখরে ।


তোমার অকাল মৃত্যু 

বাংলা সিনেমা তথা আমাদের কাছে

এক অপূরণীয় ক্ষতি ।

একসময় খুব জমতো 

উওম-সুচিত্রা র জুটি।


তুমি ছিলে বাংলা সিনেমার 

প্রথম প্রকৃত মহানায়ক 

একমাত্র তোমার নামের জোরে 

সিনেমা হল গুলি থাকতো ভরে

হঠাৎ তোমার মৃত্যু হলেও 

জনগণ পারবে না তোমাকে ভুলতে 

তোমার অমর স্থান আছে 

আমাদের হৃদয়খানিতে।

সময় তো বড়ো কম 

বনবিহারী কুমার 


সময় তো বড়ো কম 

আত্মায় হলো মানুষের দম ।

মনরূপী জীবন পাখী 

নদীবয় প্লাবন মুখী ।

তিলে তিলে পাকবে তাল 

দিনে দিনে বছর কাল ।

শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ 

যৌবনই হলো কর্ম মুখরিত ।

 আসবে জীবনে চলার গতি 

শরৎ হেমন্ত বসন্তের গীতি ।

তারপরেই অবধারিত গ্ৰীষ্মের তাপপ্রবাহ 

জীবনে নেমে আসবে মরণশীতপ্রবাহ ।

কাজেই ___

খেলবেন না নিজের সাথে জুয়াচুরি 

মেলে ধরুন পদ্মের মতো পাপড়ি গুলি ।

বিকাশ গুলো শুধু শুধু মরতে দেবেন না 

যদিও সময় তা সবুর সইবে না ।

তবু সৃষ্টি রেখে যাবে নিজ প্রতিভা 

সময় মনে রাখবে তোমার ক্ষমতা ।

মনের খাঁচায় বন্দী রেখে ভাবনাগুলো গুমরে মরে ।

মরার সময় দুধ খাওয়ালে মুখে রচে না _ একি ছলনা ।

 সময়ে শুধু জল খাওয়ালে  চিরদিন রাখবে মনে ।

দেখো ___

অতিতের স্মৃতি গুলো লেখা আছে স্বর্ণাক্ষরে 

তাই সময় নষ্ট না করে চেয়ে দেখ জগৎটাকে ।

পরের দোষ না ধরে কর্ম কর নিজমনে ,

     কারণ __

            সময় তো বড়ো কম 

         সময়ের কাজ সময়ে করো 

            ফেলে রেখো না _ কারণ 

             রাবণের স্বর্গের সিঁড়ি 

             আজও হলো না ।

             কাজ ফেলে রেখো না ,

              ভুল করো না 

              ভুল করলে ভুলের মাশুল 

              সময় দেবে না ।।

 "উত্তমাধম"

অরবিন্দ সরকার

           


নেমকহারাম,ইতর            নর বেইমান ,

পশুপক্ষী সততার          বুদ্ধি পরিচয়ে,

জানোয়ার সংজ্ঞা আঁটা,মানুষের গায়ে,

প্রভূ ভক্ত এরা সব          বাঁচায় পরাণ।


পড়েছিলাম পুস্তকে     বেজির কাহিনী,

বিড়ালের গপ্পো সব         একই রকম, 

সাপের প্রবেশ মুখে      আটকে সক্ষম,

উল্টিয়ে প্রহার দেয়      ঘাতক বাহিনী।


নিশ্চিন্তে ঘুমায় প্রভূ    সারমেয় জাগে,

অতন্দ্র প্রহরী সম        নজরে ঠিকানা,

প্রভূর আরামে নিদ্রা,রেখে সোনা দানা,

উচ্ছিষ্ট বাসি খাদ্য  জোটে তার ভাগে।


কথাবলাপাখী যারা, কথা না পাল্টায়,

মানুষেরা চোখ উল্টে       সব বদলায়।

বিজ্ঞান

কবিতা 

শ্রাবণ দিনে
বিপ্লব গোস্বামী

আজো মনে পড়ে
বৃষ্টিভেজা ঐ শ্রাবণের দিনে
তোমাকে কিছু একটা দিয়েছিলাম।
একদম জোর করে নয়
তুমি চেয়েছিলে তাই।
আমিও রিক্ত হাতে ফিরিনি
তুমিও কিছু একটা দিয়েছিলে।
কিন্তু কবে কখন তুমি
তোমারটা নিয়ে গেলে !
সহজ সরল আমি টেরই পাইনি।
তাই বলে আমারটা ফিরিয়ে দিবে,
না না তা একদম নয়।
যদিও তোমার কাছে তা মূল‍্যহীন !
তবু রেখে দিও অচ্ছিষ্টের মত
মনের একটা কোণে।
আর কি চায়
গৌতম নায়েক


সাহিত্য প্রসারের মহা যজ্ঞের অশ্বমেধের ঘোড়া
পক্ষীরাজের মতো তরতরিয়ে চলেছে উড়ে।
তেল চিটচিটে আঙুলে দেখেন না অনেকেই
উল্টেপাল্টে আজ আর পান্ডুলিপি,
আমরাও তাই দ্বিধাহীন।

এ যেন 'ফেলো কড়ি মাখো তেল' গোছের।
গাঁটের কড়ি খসালেই মিলবে তেল
সাথে শংসাপত্র, মোমেন্টো ফাউ।
আরে আও - আও,
মান দেখে কে আর গান গায়!
তারপর জমুক ধুলো,
কাটুক পোকা,
লাভের গুড় তো পিঁপড়ে খাবেই!
কিন্তু, তুমি তো খুশি
আমি তো খুউব।
তোমার পূরণ হলো স্বপ্ন
আর আমার স্বার্থ।
আর কি চায়।

 




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়