কবিতা | তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক | এইচ.এম.কবি সাজিদ
কবিতা......
"তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক"
এইচ.এম.কবি সাজিদ
বাংলাদেশ
প্রিয় ঊর্মিলা!
পড়েছে কত-শত আর সন্ধ্যার বিকালে-
জোৎস্নার রাত্রে নিঝুম গভীর ঘরে,
উদাস দুপুরে-উদাসীন ভিবোর হয়ে!
আমার অজস্র ছড়া, কবিতা,গল্প আর উপন্যাস।
মুগ্ধ হয়েছো কতখানি তা আমি জানি না-
তবে আমার উপলব্ধি বলে " তুমি অনুভব করেছ আমি এক ব্যর্থ প্রেমিক!
যার হৃদয় জ্বলছে আগুন দাউ দাউ করে
যুগ সময়ে"। আসলে সবাই মনে করতো পরিণয়েই পূর্ণতা পায় ভালোবাসা, কিন্তু ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয়তো অজস্র স্বপ্ন ; আর রূঢ় বাস্তব কখনো দেয়নি রঙীন সব স্বপ্নগুলো সদ্য!
বৃষ্টিস্নাত আকাশে রামধণুর মতো উজ্জ্বল হয়ে পূর্ণ বিকশিত হতে। আর সেই সব অপূর্ণ আশা ভালোবাসাকে করেতো ধুসর-
বিবর্ণ ও ফ্যাকাশে!
কিন্তু আমিতো তোমার ভালোবাসায়-
স্নিক্ত নিঃসীম নীল,
আকাশের নীচে আজও উড়তে পারি ঠিক
যেন শঙ্খ চিল হয়ে-
আবার তোমার কিছু কিছু ব্যর্থতা শুনে-
আমার চোখের জলে!
তৈরী হওয়া স্বচ্ছ সরোবরে -
তুমি স্নান করে স্নিগ্ধ হও তখন-
রূপপিয়াসী আমি পূর্ণ পরিতৃপ্ত হয়ে
পান করি তোমারেই-অনির্বচনীয় রূপ তোমার।।
প্রিয় ঊর্মিলা!
দূর বহুদূরে যেতে যেতে তুমি হয়েছো এখন দূরবর্ত্তিনী
কিন্তু আছতো আমার হৃদয়-সিংহাসনে, মস্তিষ্কের চেতন, রক্তকণিকার শিরা-উপশিরায়!
অবচেতন,অধিচেতন স্তরের প্রতিটি গুহায় আর স্বপ্নে এসে গল্প করো , গান শোনাতে শোনাতে দূর কর হৃদয়ের দূর্বলতা !
তুমিও দেখোকী এরূপ স্বপ্ন- যেখানে আমাকে খুঁজে পেয়ে তাকিয়ে থাকো এক বিমুগ্ধ হরিণীর মতো ?
প্রিয় মুখ ঊর্মিলা!
আমাদের প্রেম-ভালোবাসা যখন ব্যত্তায় ভরে উঠতেছে
আগে থেকেই সবি তোমার জানা-শুনা-
তোমার জন্য ও আমার ফ্যামিলিতে
কারণে-অকারণে দুঃখ কষ্ট মিছিল শুরু হতো-
চুপিচুপি গিয়ে হৃদয়ের লুকানো কষ্ট গুলো,
রাতের আঁধারে সবুজ ঘাসে বসেই-
তোমার বুকে মাথা রেখে কান্নায় ভাসিয়ে দিতাম!
কত আগলেই রাখতে প্রিয় আমাকে
কত আদর মাখিয়ে চুমু দিয়ে ভালবাসা দেখি-
কাছে-পাশে বসিয়ে-নিয়ে বুকে জড়িয়ে।
ভেসেছে ভালো যখন-
একটু সাহস যুগিয়ে ভালবাসাতে!
তোমার এত চিন্তা-ভয়,জড়তা কেনো?
আমি তো আছি। বিশ্বাস ক্ষয় করে না প্রিয়!
সদা সর্বদা প্রস্তুত রেখ মনকে আমার অগাঢ় বিশ্বাসে-
মুঠোফোন রাখ রাত জেগেই আর কথা নয়।
শরীর অসুস্থ পড়বে প্রিয় তোমার আবার!
শুধু কেবল আমার হুমমমম শুধুই তুমি-
কারণ তুমি মানেই আমি বুঝেছো, রাখ ।।
আফসোস! আজ তো দুজন দু প্রান্তরে-
তুমি পর পুরুষ আপন করে সংসারে ব্যস্তময়!
হারিয়ে আমি তোমায় প্রিয় হারিয়েছি প্রেম-ভালোবাসা-
আমি এখনও তোমার উপন্যাস লেখাতেই ব্যস্তময়!
শুধু সম্পর্কের প্রলোভনে-চলনায়-প্রতারণায়-
আমি আজ কবিতা ও ছড়া'র মতো কল্প-দৃশ্য।।
প্রিয় ঊর্মিলা!
পড়েছে কত-শত আর সন্ধ্যার বিকালে-
জোৎস্নার রাত্রে নিঝুম গভীর ঘরে,
উদাস দুপুরে-উদাসীন ভিবোর হয়ে!
আমার অজস্র ছড়া, কবিতা,গল্প আর উপন্যাস।
মুগ্ধ হয়েছো কতখানি তা আমি জানি না-
তবে আমার উপলব্ধি বলে " তুমি অনুভব করেছ আমি এক ব্যর্থ প্রেমিক!
আসলে এ সব সবি আমার অজানা-
কিন্তু প্রিয় তোমার সব জানা-শুনা,
কিন্তু সবি দোষ-গুণ আমার কারণ-
তোমার ছলনা বুঝতে ও ধরতে ব্যর্থ আমি!
প্রবন্ধের ও নাটকের চরিত্রে বানিয়েছে আমাকে অদ্য,
আসলে সত্য চিরন্তন-
"সম্পর্কের শিকড় যদি মজবুত হয়- দূরত্বে কিছু যায় আসে না"।।
কবির পরিচিতি-
কবি সাজ্জাদ হোছাইন (সাজিদ)1998 সালে বাংলাদেশের সর্বশেষ উত্তর পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার তথা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারসহ পুরো বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম দর্শনীয় লীলাভূমি তেমনি সহজ সরল ওখানকার মানুষগুলো দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়া। মায়ার এই ছোট্ট দ্বীপের চতুরপাশে বঙ্গোপসাগর দ্বারা বেষ্টিত। সৈকতের নোনা জ্বল,নোনা বালির চর,চরের খুব কাছেই ছোট ছোট নৌকা বাঁধা সারি সারি, লাঙ্গল ফেলা বড়-ছোট্ট, মাঝারি, মস্ত বিশাল বড় জাহাজের ভিট, নুনের টলার, ফিশিং বোট,ইলিশ মাছের বোট, মাঝি-মাল্লা,নায়া-জেলেরা, সংসারে,বাবা-মা,ছেলে-মেয়ে, স্ত্রী'র আহার বা জীবিকা নির্বাহের জন্য সৈকতে নিজের জীবন উৎসর্গ করে আল্লাহ'র ও ভগবানের নাম মুখে নিয়ে বৈটা উড়িয়ে উড়িয়ে যায় ছুটে গভীর থেকে অগনিত গভীর বঙ্গবসাগরে। সৈকতের নোনা চরের কী! অপূর্ব সুন্দর দৃশ্য, নোনা চরের, নোনা জলের কী! অদ্ভুত আবহাওয়া,নোনা চরের বালির উপর নৌকা নির্মাণের, আহ্ অপরূপ সুন্দরতম নিপুণ চিত্র প্রদর্শনী। অপরূপ সৌন্দর্য লিলাভূমি ছোট্ট মায়ার দ্বীপে'র অত্যন্ত নিম্ন দারিদ্র্য পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মোহাম্মদ হাসান।পেশা কৃষক, দিন-মজুরের কাজ কখনো কখনো কুলি কাজ এবং কঠিন থেকে কঠিনতর নিম্ন থেকে নিম্নতর কাজকর্ম করে অক্লান্ত পরিশ্রমে সংসার চালাতে হয়েছে। কবি সাজিদ জীবদ্দশার সূচনাতেই পাঁচ-ছয় বছর বয়সে জীবনে এক কঠিনতম মহা- ঘূর্ণিঝড়ের বয়ে যায় নব কচি জীবনে।সেই ঘূর্ণিঝড়ের মহা তান্ডবে সংসার বা ঘর লন্ডভন্ডসহ মা বেগম রোকেয়া কে অকালেই হারিয়েছে। নব-কচি,জীবনের শৈশব-কৈশোর কালে ঐ এক অদ্ভুত মহা ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনে বাড়ি-ঘর, বাবা-মা'র সংসার,সন্তান-মায়ের সম্পর্ক ও সংসার তছনছ, লন্ডভন্ড, ছারখার হয়ে যায়। নিজ গর্ভধারিনী মা বেগম রোকেয়া সংসারে ভাঙ্গন সৃষ্টি করে নিখুত গোপনে বাপের সমস্ত ধন-দৌলত, সম্পত্তি টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করে নিজ ননমের দেবরের হাত ধরে সংসার-ঘর ছেলে সন্তান এতিম করে কোন কিছু তোয়াক্কা না করে সেই দেবরের পরকিয়া প্রেম-সম্পর্ক ফাঁদে পা রেখে পালিয়ে যায়। তাহার সাথে নতুন সংসারে বেঁধেছেন। এক পর্যায়ে মামলা মোকদ্দমা দায়ের মাধ্যমে বাবার সাথে মায়ের ডিভোর্স হয়। সাজিদ ও তার ভাইরা কোন বোন ছিল না মা'কে ছেড়ে বাপের পক্ষে রায় দেয়। তখন সাজিদ ও ভাইরা বাবা সঙ্গে কোনো রকম এতিম নিঃস্ব হয়ে নির্মমভাবে বেঁচে আছেন। মূলত তখন থেকেই কবি সাজিদ এর জীবন যুদ্ধ নানান
ঘাত-প্রতিঘাত বাঁধা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নিজের কঠিন দুঃসময়ে কষ্টের দিনগুলো পেরিয়ে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেন। বাবা শৈশব কৈশোরে গ্রামের মক্তবে হুজুরের কাছ থেকে
আদব-কায়দা, শিক্ষা শিখার জন্য পাঠান। সময়ে পেরিয়ে ধীরে ধীরে বড়ো হতে লাগলো।এক পর্যায়ে অনেক বড় হয়ে উঠেছে। গ্ৰামের মসজিদে হুজুরের অনুপস্থিতিতে আজান ও ইমামতি করেন। কবির জীবন ভালো কিছু মূলত ওখান থেকেই অর্জিত হয়েছে। এভাবে গ্রামেরই বেড়ে উঠেন। গ্রামের বিদ্যালয় প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করে।
২০০৮ সালে পিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়া অত্যন্ত ভালো ফল করেন।এর নানান বাঁধা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় কবির জীবনে। এক দিকে মা হারিয়ে অন্য দিকে কি সুন্দর সুখের বৃষ্টি বর্ষণ সংসার ভেঙ্গে ছন্ন-বিচ্ছিন্ন সহ পিতার বুকে চাপানো কষ্ট এবং চমর দারিদ্র্যতা কবি জীবনকে কুড়িয়ে খায়। কখনো রাত কেটে যেতো অনাহারে আবার কখনো কখনো এক কোন রকম খেতে পেতো আবার
দুপুর কিংবা রাত উপবাস থেকেই জীবন চলে যেতো। এমতাবস্থায় পড়ালেখা করা কবির পক্ষে অনেক কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে দাঁড়ায়। বছর দুয়েক পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। আর দিকে পিতা সংসারে সুখের স্রোতে পথে পথে পাগলের মতো গুড়ে বেড়ায়। বছর দুয়েক পরে শৈশবের মক্তবের হুজুর পিতা কে বুঝিয়ে সুজিয় কোন রকম ভর্তি করিয়ে দেয়। সাজিদ আবার পড়তে পেরে অনেক খুশি। প্রতিদিন মসজিদে হুজুরের সাথে দেখা হয় এবং হুজুর সাজিদ কে অনেক কিছুই শিখাতো নামাজের পর। এক কথায় কবি প্রথম
ওস্তাদ গুরু বা শিক্ষক ও হুজুর। আর ঐ দিকে বাপের কী কান্ড,কী নির্মম দশা করুণ পরিণতি বাপের।নেই কোন আহার, নেই মুখে কটু হাসি। এমন কি? অদ্ভুত চলাফেরা। সাজিদ এসব দেখে বুকের ভেতর কান্নার ভেঙ্গে পড়ে। চোখের পানিতেই মুখ ভেসে যায় নিবরে।চোখ পানিতে বাপের কষ্ট দেখ ভাবেই আর কাঁদে অজর শ্রাবণের মতো এক পর্যায়ে চোখের পানি দু-হাতে মুছতে মুছতে আকাশ পানে তাকিয়ে তাকিয়ে ছুটে চলে মক্তবের পাঠশালায়। এভাবে লন্ডভন্ড ছারখার ছন্নছাড়া ও বুকের ভেতর অজস্র কষ্টের ছাপ নিয়ে জীবন যাপন করে। গ্ৰামের মায়ের মতই প্রায় এক দূর সম্পর্কের আত্মীয় শিক্ষিকা (সখি আপা) পিতার সাথেই ভালো পরিচিত । সখি আপা সাজিদ কে তাহার ঐ স্কুলে নিয়ে ভর্তি করায়। আস্তে আস্তে অনেক কিছুই জানতে শিখে আবার নিজের চোখে উপলব্ধি করত।
এভাবে দুঃখে ব্যথিত হয়ে নির্মমভাবে বেড়ে উঠেছে এবং নতুন ভাবে বাঁচার আশায় মুক্ত নীল আকাশে একটু শান্তির সুখের সন্ধানে। জীবন ও সময়ের সাথে স্রোতের যুদ্ধ করতে করতে তাই বছর দুয়েক পর ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। এক পর্যায়ে 2012 সালে (পিএসসি PSC) উত্তীর্ণ হয়ে ( 4.65 )পয়েন্ট খুবই ভালো ফলাফল করে। 2015 সালে (জেএসসি পরীক্ষা A+ ) পায়। 2018 সালে (মানবিক বিভাগ) থেকে দ্বীপে'র সু-নামধন্য ও অনেক গৌরব ও ঐতিহ্যময় একমাত্র বিদ্যালয় ধূরুং আদর্শ (পাইলট) উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করন। পরবর্তীতে বাইরে বা শহরে পড়ালেখা ইচ্ছা শক্তি মোটেও ছিল না। সেজন্য দ্বীপ উপজেলার এক মাত্র কলেজ কুতুবদিয়া সরকারি কলেজ ভর্তি হয়। জীবন যুদ্ধা সঙ্গে পড়ালেখার যুদ্ধ করতে হয়েছে বেশ। এমন কি কখনো কখনো কুলি মজুর ও লেবারের কাজে করতে হয়েছে। এক পর্যায়ে 2020 সালে ভালো ফল নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ হয়। তখন আর পড়ার বেকার পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি কবি সাজিদ। অত্যন্ত দারিদ্র ও কষ্টের জীবন পেরিয়েছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রতি নেশাগ্রস্ত হয় ছোট কাল থেকেই। নিজস্ব দুঃখ কষ্ট আঘাত, সামাজিক অবস্থা, দারিদ্র্য বিমোচনে ধরে পুড়ে পুড়ে বেড়ে উটা,গরীব অসহায় মানুষের জীবন ধারা, দেশের মানুষগুলো'ই নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত, ছোট বড় তখনকার সময়ে মানুষ গুলো করুন দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে আসে মূলত সেগুলো সাজিদ কে সাহিত্যের আকৃষ্ট করে। বিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় বাংলা সাহিত্যের বেশ কিছু কবির জীবনী সাহিত্য আকৃষ্ট করেন।বিশেষ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুলের জীবনী, সাহিত্যের লেখা ছড়া,গান, গল্প কবিতা,কবি জসিম উদ্দিনের, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, চট্টোপাধ্যায়ের, কবি জীবনানন্দের চমৎকার লেখা, রবীন্দ্রনাথ, বেগম রোকেয়াসহ বাংলা সাহিত্যের বেশকিছু জনপ্রিয় নানান কবিগণের জীবনী ও লেখাসহ বেশকিছু উপন্যাস,গদ্য- পদ্য, প্রবন্ধ ইত্যাদি সাহিত্যে অনুপ্রেরণা জোগায়। বাংলা সাহিত্য নিজেকে এমন ভাবে প্রবেশ করে বাঁচার স্বপ্ন ও স্বাদ খুঁজে পেয়েছে। অসহায় নিদারুণ কষ্টের পরিস্থিতিতে মেধা ও জ্ঞান দিয়ে কলম চালিয়েছে বিদ্যালয় ও স্কুল ক্যাম্পাসে, কলেজ ক্যাম্পাসের সংস্কৃতির অনুষ্ঠান মঞ্চে। গান,ছড়া গল্প ও কবিতা লিখে নিজেকে সাহিত্যে আকৃষ্ট করে নিজেকে ও জীবন মেলে ধরেন। এমন কি সে-ই সাহিত্যের মধ্যে কবি সাজিদ হারোনো নিজ মাকে খুঁজে পায়। মায়ের নামের সঙ্গে তৎকালীন বেগম রোকেয়া বাংলার মুসলিম নারী জাগরণে ও সমাজে শিক্ষার আলো নিয়ে সমাজ যখন ধর্মীয় প্রতিবন্ধকতা আর সামাজিক কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল,সেই সময় বেগম র ধরেছেন কলম, নারীর জাগরণের তুলেছে সুর । কবি সাজিদ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা অবস্থায় যখন বিখ্যাত নারী সাহিত্য কবি ও লেখক, বেগম রোকেয়া পাঠ্যপুস্তকে পাঠ থাকে তাহার মাঝেই এবং তাহার প্রতিটি পাঠে মা কে অনুভব করেছে খুঁজে পয়েছেন যেন হারোনো নিজ মা'কে। এভাবে নিজের সমন্ধে জানা-অজানা, বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা অজস্র দুঃখ-কষ্ট,ঘাত-প্রতিঘাত ইত্যাদি সহ দেশের জুড়ে, সামাজের করুণ করুণ নির্মম দৃশ্যবলি, মানুষ জীবন যাপন, দুঃখ কষ্ট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাধারণ মানুষের কি! বিহার অবস্থা,কবি সাজিদ কে বিষণ আকৃষ্ট ও আক্রান্ত করত। এসব দেখে কবি সাজিদ হৃদয় নাড়া দেয় মনে কম্পন শুরু হতো। মূলত তখনকার সময়ে গ্ৰামের,পাড়ার,ও প্রতিবেশীর, এবং দেশের,সমাজের, মানুষের জীবন ধারা ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়ে লেখালেখি শুরু করত নিজেকে সাহিত্যের সন্ধ্যানে সান্নিধ্য পাওয়ায় আশা-আকাঙ্ক্ষাই বিভিন্ন ভাবে প্রত্র প্রত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন এবং নিজেকে সাহিত্য জগতে প্রবেশ করেছেন। বর্তমানে কবি সাজিদ অনার্সে (বাংলা সাবজেক্ট) নিয়ে অধ্যায়নরত আছেন পটিয়া সরকারি সরকারি কলেজ, চট্টগ্রামে। এর বাহিরে কবি ফেসবুক মেসেঞ্জার নানার পত্র পত্রিকায়, লেখালেখি করেন। দেশপ্রেম, সমাজ মানুষ, জীবন, ছোট শিশুদের জন্য সহ নানান বিষয়ে কবিতা, ছড়া, উপন্যাস, গল্প প্রবন্ধ ইত্যাদি লেখালেখি করেন। কবি সাজিদের নিজের সমন্ধে লেখা কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ( #জীবন যুদ্ধ ১ বাঙ্গালি কবি'র), প্রথম উপন্যাস (#বাঙালি ১ রুপসী ঊর্মিলা), দ্বিতীয় উপন্যাস ( #সাজিদ-ঊর্মিলার গদ্য-পদ্য)। প্রবন্ধ ( #মেঘের আড়ালে চাঁদ), প্রথম কবিতাগ্রন্থ (#দেশপ্রেম মাটি ও মানুষ) বর্তমানে কাজ চলতেছে শুধুই দর্শন শ্রোতা অধির আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছে(#চিরসবুজ ঘেরা বাংলা) (#বাসের সেই মেয়েটি)(#প্রেম প্রিয়তম)( #ভার্সিটির প্রেম) ইত্যাদি 2024 সালের বইমেলা উপলক্ষে কাজ চলতেছে খুব শিগগিরই প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়া কবি সাজিদ নানার সাহিত্য জগতের নানান প্রত্রিকা, দৈনিক যুগান্তর, পত্রিকা বায়ান্ন, ভোরের আলো, একুশে প্রত্রিকা ইত্যাদি প্রত্রিকা ও নানান সংগঠন সাথে জড়িত রয়েছে। বিশেষ করে #বাংলাদেশ আধ্যাত্তিক সাহিত্য পরিষদ,#আন্তর্জাতিক অধ্যানন্তিক সাহিত্য পরিষদ #কুষ্টিয়া সাহিত্য পরিষদ #মুক্ত আকাশ সাহিত্য পরিষদ, #ঝিঙ্গেফুল সাহিত্য পরিষদ ইত্যাদি সাথে জড়িয়ে নিজের জীবন অতিবাহিত করতেছেন।

খুব সুন্দর। ❤️❤️❤️
উত্তরমুছুন