গল্প | শ্মশানে ভাগ্নে | রবীন্দ্রনাথ দাস

গল্প......

"শ্মশানে ভাগ্নে"

রবীন্দ্রনাথ দাস
কোলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ 
           মামা ও ভাগ্নে দুজনের বয়সের তফাৎ কুন্ডলী অনুসারে পাঁচ বছর দু- এক মাসের ছোট বড় হবে। দুুুজন ছোট থেকেই বন্ধুর মতন মেলামেশা, ভাগ্নে রথীন্দ্র ছোট হলেও কোনো দিন মামা বলে ডাকেনি অমলকে,তাতে অমলের তেমন কোনো তাপ উত্তাপ দেখা যায় নি । বরং খোস মেজাজে বছরের স্কুল ছুটির দিন গুলো ভালোভাবে বন্ধুর মতো কাটিয়ে দিতো। বিশেষ করে পূজার একমাস ছুটিতে মজায় থাকতো রথীন্দ্র মামা বাড়িতে এসে। বড় মামা রনজিৎ -কে একটু বুঝে চলতে হতো রথীন্দ্রর। একটু কড়া প্রকৃতির হলেও রনজিৎ অন্তর দিয়ে ভাগ্নে কে ভালোবাসতো। একবার পূজার ছুটিতে রথীন্দ্রর সখ হলো দিদিমার জন্য টাটকা পূূূূজোর ফুল ভোর বেলায় গাছ থেকে তুলে এনে দিদিমা- কে অবাক করে দেবে। সেজন্যে ভোর হবার অনেক আগেই পূজোর ফুল পারতে বাড়ীর অদূরে মুখার্জী-বাবুর বাড়ীর পাঁচিল টপকে কোনও রকমে নিঃশব্দে প্রবেশ করে দুজনে, ফুুল গাছের তলায় দাঁড়িয়ে ফুল অনেকটাই তোলা হয়েছে, এমন সময় রথীন্দ্র অন্ধকারে কিছুতে ধাক্কা খেয়ে পড়তো পড় বাহিরে রাখা মুরগির খাঁচার মধ্যে গিয়ে পড়লো আর যায় কোথায় তৎক্ষণাৎ মুরগির ডানার ঝাপটানোর আওয়াজ আর মুরগির ডাকে মুখার্জী বাবুর ঘুুুুমটা ভেঙে যেতেই তারস্বরে চিৎকার করে উঠলো, " কে, কে ওখানে, চোর-র, চোর-র চোর? " মামা ও ভাগ্নে সে যাত্রায় মুখার্জী বাবুর হাতে ধরা পড়তে পড়তে বেঁচে যায় একমাত্র ভাগ্নে রথীন্দ্রর জন্য। রথীন্দ্র যখন আচমকাই মুরগির খাঁচায় পড়ে যায় তখনই রথীন্দ্র বলে, "অমল এবার পালা। " পরিস্থিতি বুঝে রথীন্দ্র পাঁচিল টপকে গিয়েছিল কিন্তু মুখার্জী বাবু ঘর থেকে বেড়িয়ে পরার আগেই অমলকে কোনো রকমে পাঁচিলের উপরে তুলে মুখার্জী বাবুর পাকড়াও - য়ের হাত থেকে রক্ষা করে নিয়ে আসে। ভাগ্যিস অন্ধকার ছিল মুখার্জী বাবু বুঝতেই পারেনি এটা অমলের কীর্তি। অমল-দের বাড়ীর কাছেই রাস্তার উপর পাঁচুুুু-দার চায়ের দোকানে যখন মুখার্জী বাবু চায়ের গ্লাসে চা চুমুক দিয়ে পাঁচু-কে বলছিল ফুল চুরির ঘটনা একবারের জন্য ওদের নাম উচ্চারণ করেননি বরং অন্য পাড়ার ছেলেরা এসে উৎপাত করে গেছে বলেই জানিয়েছেন। পাশেই অমল দাঁড়িয়ে কথা গুলো শুনে আহ্লাদিত হয়ে রথীন্দ্র -কে বাড়িতে গিয়ে জানাতে দুজনেই বেজায় খুশী। যদিও এতক্ষণ দুজনে ভয় পাচ্ছিল, যদি বড় মামা জানতে পারে তাহলে আর ওদের রক্ষে নেই, কোনো ছুটিতেই হয়তো আর রথীন্দ্র-র মামার বাড়িতে আসা হবে না। এ যাত্রায় ঈশ্বরের কাছে ধন্যবাদ জানিয়েছে কতোবার নমস্কার করেছে রথীন্দ্র নিজেও জানেনা। 

       এরকম রথীন্দ্রর বাড়াবাড়ির আর একদিনের ঘটনা অমল আর রথীন্দ্র সন্ধ্যায় বড়় মামা রনজিৎ -য়ের কথা মতো কিছু দরকারী জিনিস আনার জন্য বেড়িয়েছে। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো বড় মামা অথাৎ রনজিৎ- এর চেয়ে অমল দশ বছর বয়সে ছোট মাঝে যদিও দুুই দিদি সবার উপরে বড় দিদি বিবাহিতা রথীন্দ্রর মা। রনজিৎ -এর বাবা বেঁঁচে থাকতেই বড়দি-র বিবাহ হয়। তার এক বছর পরে বাবার মৃত্যু হলে, সংসারের সমস্ত দায়িত্ব রনজিৎ- এর কাঁধে এসে পড়়ে। ঠিক তার পরের বছর রথীন্দ্রর জন্ম হয়, ওদের অনেকের ধারণা বাবা মৃত্যুর পর রথীন্দ্র হয়ে এসেছে। অমলের বয়়স এখন সতেরো বছর, রনজিৎ ঠিক করে বোনদের বিয়ে না দিয়ে সে বিয়়ে করবে না । এরকম পরিস্থিতিতে রথীন্দ্রর আদর মামা বাড়িতে অনেক বেশি। 
সন্ধ্যায় গ্রামের রাস্তা ঘুটঘুটে অন্ধকার মাঝে মধ্যে রিকশা একটা আসতে দেখা গেলেও বাজারে দিকে যেতে দেখা যায় না। কারণ অবশ্যই দুটো প্রথমটি হলো যাত্রী পাওয়া যায় না, দুই যাতায়াতের পথে মাঝে অনেক দিনের পুরোনো শ্মশান যেটাকে পার করে সবাইকে আসতে হয়। এখানেই সমস্যা কারণ রাতে অনেকেই ভুতুরে ঘটনা নিজের চোখে শ্মমশানের পথে চলাচল করতে গিয়ে প্রত্যক্ষ করেছে। যারফলে বেশি রাতে এই পথে রিকশা চালানো সুবিধাজনক নয় বলেই কেউ রিকশা চালাতে চায় না। রথীন্দ্র আর অমল ওই গাছ গাছালিতে ভরা সরু কাঁচা রাস্তা দিয়ে অন্ধকারের মধ্যে চলেছে অদূরে শিয়ালের দলের মিশ্রিত হুক্কা হুয়া ডাক, জোনাকির আর চাঁদের ক্ষীণ আলোয় এক অপূর্ব আলো আঁধার পরিবেশের মধ্যে পথ চলা অমলের অভ্যস্ত গ্রামে থাকার দরুন কিন্তু কোলকাতার ছেলে রথীন্দ্রর কাছে বেশ রোমাঞ্চকর ও মনোরম লাগছিল । এইসব রোমাঞ্চকর জিনিসের প্রতি রথীন্দ্রর আকর্ষণ এখন অনেক বেশি , একসময় রথীন্দ্র এসবে ভীষণ ভয় পেত। রথীন্দ্র আগের থেকে এখন অনেক পরিনত তার প্রকৃতি-টাই আগের থেকে পাল্টে গেছে, রোমাঞ্চকর ও রহস্যময় পরিবেশ এখন বেশী আকৃষ্ট করে। রথীন্দ্রর এই পরিবর্তন অনেকের চোখে পড়েছে। এদিকে ঝিঁঝিঁ পোকার শিহরণ জাগানো শব্দের মধ্যে অন্ধকারে পথ চলতে চলতে তারা বড় রাস্তায় এসে পৌঁছালো, অমলের ভালো লাগে এই রাস্তাটি কারণ অনেকটাই চওড়া গা ঘেঁষে চলতে হয় না । বড় রাস্তা দিয়ে কিছুটা হেঁটে গিয়ে শ্মশানের প্রবেশদ্বারের কাছে এসে পৌঁছতে রথীন্দ্র বললো, " চল শ্মশানের ভিতর দিয়ে চলে যাই, তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। " অমল কিছুতেই রথীন্দ্রর কথায় সায় না দিয়ে বললো, " পথে বিপদ বাড়িয়ে লাভ নেই দাদা জানলে বকা দেবে, সময়় বেশী লাগুক রাস্তা দিয়েই যাব। " রথীন্দ্র নাছোড়বান্দা সে সর্টকার্ট যেতেই বেশী পছন্দ অমল হার স্বীকার করে বললো, " যেতে হয় তুই যা আমি যেতে পারব না, কিন্তু মনে রাখিস কিছু ঘটলে আমায় দায়ী করবি সসনা। আর দাদা যদি জানতে পারে আমাদের আস্ত রাখবে না, এটা একবার ভেবে দেখিস। " রথীন্দ্র কিছুুুতেই বোঝবার পাত্র নয় সে শ্মশানের রাস্তা দিয়েই যাবে। অমল বলল, "ঠিক আছে তুই যা আমি এই বড় রাস্তা দিয়ে শ্মশানের ও মাথার গেটে গিয়ে তোর সাথে দেখা করবো। আর হ্যাঁ তোর যদি কিছু হয় তাহলে আমি বুুঝতে পারবো কেমন করে? " রথীন্দ্র, " ভয় পাচ্ছিস কেন, আমি তোর আগেই পৌঁছে যাব, সুতরাং চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। " এই বলে রথীন্দ্র শ্মশানের গেট পেরিয়ে এগিয়ে গেল। অমল কিছুক্ষণ দেখে দ্রুত পায়ে অপর প্রান্তের গেটের উদ্দেশ্যে রওনা হল। গেটের থেকে অনেক দূূরে বাজার রাত হলে লোক জন অনেক কমে যায়, অমল অপর প্রান্তের গেটের মুখে এসে দেখলো রথীন্দ্র নেই, অন্ধকারে মধ্যে দাঁঁড়িয়েে চিন্তা করতে লাগল তাহলে কি বাজারের দিকে গেছে। আবার ভাবছে সেটা কি করে হবে, সেই রকম কোন কথা হয়নি, তাহলে গেল কোথায়? 
মনে মধ্যে প্রশ্নের পর প্রশ্ন অস্থির করে তুলেছে অমলকে। শ্মশানে কোনো বিপদ ঘটেনি তো? আর যদি ঘটেও কি করে ভিতরে যাবে, কতবার বাড়ন করা সত্ত্বেও জেদ ধরে গেল, বড়দাকে কি উত্তর দেবে কিছু ঘটে গেলে? এই অস্থিরতার মধ্যে, একবার বাজারের দিকে যাবে কিনা ভাবছে, আর একবার শ্মশানের গেট দেখছে। 

     এদিকে রথীন্দ্র অন্ধকার শ্মশানে ঢুকে দেখে সদ্য পুড়িয়ে যাওয়া মরা পোড়ানোর মোটা একটি কাঠ তখনও জ্বলছে আর তার থেকেই ধোঁয়া কুন্ডলী উপরে উঠছে, পোড়ানোর পর হয়তো ভালো ভাবে জল না ঢেলেই চলে গেছে। রথীন্দ্রর মনের মধ্যে প্রশ্নের উদয় আর তার নিষ্পত্তি মধ্যে হঠাৎ রথীন্দ্র চমকে উঠলো , দেখলো একটি কালো বিড়াল তার খুব কাছ থেকে দৌড়ে পথ কেটে চলে গেল। ক্ষাণিকটা দূরে গিয়ে জ্বলন্ত অগ্নির মতো চোখ দিয়ে তার দিকে কিছুক্ষণ নিরিক্ষন করে অন্ধকারে ঝোপঝাড়ে মিলিয়ে গেল। রথীন্দ্র-র অল্প ভয় হলো বটে কিন্তু সাহসের সাথে সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখতে পেল একটি দীর্ঘদিনের পূরাতন জীর্ণ মন্দিরের মধ্যে একজন তান্ত্রিক কলকে-তে গাজার টানে মত্ত ভিতরে একটি প্রদীপ মিটমিট করে জ্বলছে । স্বাভাবিক ভাবেই জোনাকি আলো, শিয়ালের থেকে থেকে হাঁক সবকিছুর মধ্যে রথীন্দ্র অন্য জগতে বিচরণের মজা উপভোগ করতে লাগল। ঠিক এমন সময় অন্ধকারে কিছুতে ধাক্কা খেয়ে রথীন্দ্র পড়তে পড়তে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে পেল একটা ঝোপের ভিতর সাদা কাপড় পড়ে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। রথীন্দ্র বুঝতে পাড়লো তাকেই ইঙ্গিত করে কিছু বলতে চাইছে। রথীন্দ্র ভয়ে শিউরে উঠে সরাসরি তান্ত্রিকের কাছে দৌড়ে যেতে জিজ্ঞাসা করলো, " ভয় পেয়েছিস বুঝি সামনে আয়? "রথীন্দ্র তান্ত্রিকের কাছে যেতে চাক্ষুষ করলো তামাটে রঙের শরীর, মাথার চুলে জটা কাঁধের দুপাশ থেকে বুকে উপর ঝুলে পড়েছে, লাল রঙের অনেক পুরনো কাপড় দিয়ে নিজের অংশ ঢাকা, রক্তে রাঙানো চোখ দেখে ভয়ে ভয়ে বললো , " হ্যাঁ। "এতো অন্ধকারে এপথে একা কেন? " রথীন্দ্র, " বাজারে যাব সময় বাঁচাতে গিয়ে, এপথ নিয়েছি। " তান্ত্রিক উচ্চস্বরে জয় মা কালী মা-আ বলতে বলতে জিজ্ঞাসা করলো " বল কিসের ভয়? " রথীন্দ্র হাত দিয়ে দেখিয়ে " ওই দিকে সাদা কাপড় পড়ে আমায় কিছু বলতে চাইছে। " তান্ত্রিক, " ও তোর মনের ভয় বেটা, ওটা কিছু নয় মরা জড়ানো সাদা থান কাপড় ঝোপের মধ্যে ফেলে গেছে, তাই হাওয়াতে দেখ দোলা খাচ্ছে, আর তোর মনে হচ্ছে তোকে ডাকছে। জয় বোম কালী, যা কোনও ভয় নেই তুই গেটের দিকে এগিয়ে যা । " তান্ত্রিক গাজার নেশায় কলকেতে সুখ টানে মনযোগ দিতেই, রথীন্দ্র তান্ত্রিকের অভয় বাক্য শিরোধার্য করে গেটের দিকে এগিয়ে গেল। 

      ঠিক তখনই অমল দেখতে পেল শ্মশানের মধ্যে দিয়ে একটা ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসছে, সেই দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে রইল ক্রমশ ছায়ামূর্তি পরিস্কার হতেই দেখলো রথীন্দ্র আসছে, প্রাণে জল এলো এবং রাগ ও হলো এই অস্থিরতার জন্য। অবশেষে গেট থেকে রথীন্দ্র বেড়িয়ে আসতেই একটু রাগ দেখিয়ে বললো, "তোর জন্য কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি, তোর এতো দেরী হলো কেন? 
" রথীন্দ্র, " হবে না কেন, সব কিছু দেখতে দেখতে আসছিলাম। " অমল, " অন্ধকারে এমন কি দেখার ছিল যে তুই দেখতে দেখতে আসছিলি? " রথীন্দ্র, " অনেক কিছু, সব বাড়়িতে গিয়ে বলবো। " 
অমল, " তোর এই অত্যাধিক সাহসের জন্য মুখার্জী বাবুর হাতে ধরা পরতে পরতে বেঁচে গেছি, এখন যা চিন্তার মধ্যে ফেলেছিলি, চল বাজারে। " দুজনেই বাজারে গিয়ে লিস্ট অনুসারে সবকিছু কেনাকাটা করে আসার পথে একটি রিকশা পেয়ে দুজনেই উঠে বসলো অমল বললো, "পাঁচুদার চায়ের দোকানে নামবো।" রিকশায় চলতে চলতে শ্মশান ঘেরা পাঁচিলের এপার রাস্তা হয়ে ফিরছে, তখন রথীন্দ্র পাঁচিলের দিকে দেখিয়়ে বলল, " এই দেখ ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। " অমল দেখলো সত্যি ধোঁয়া উঠছে। রথীন্দ্র, " আসার সময় দেখিসনি? " অমল, " আমি উল্টো দিকে মুখ করে রাম নাম জপতে জপতে চলে এসেছি দেখবো কি করে। " এইভাবেই কথা বলতে বলতে অন্ধকার রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে রিকশা শ্মশানের প্রবেশ গেটের এপারে এসে দাঁড়াতে অমল বললো, দাঁড়ালে কেন? " রিকশাওয়ালা "বসো আমি এখনি আসছি, এই বলে রিকশা চালক শ্মশানের গেটের দিকে কিছুটা হেঁঁটে যেতেই দুজনেই দেখলো রিকশাওয়ালা হাওয়াতে মিলিয়ে গেল। রথীন্দ্র বুঝতে পেরে বললো নেমে পড় বুঝতে পারছি ভুতুরে কান্ড, অমল তো কাঁপতে শুরু করেছে , রথীন্দ্র তাকে সাহস জুগিয়ে হাতের থলিটা নিয়ে নেমে বাড়ির দিকে এগিয়ে চললো পরে কিছুটা পথ গিয়ে পিছনে ফিরে দেখতে গেল রিকশাটা আছে কিনা, অদ্ভুত ব্যাপার সেখানে রিকশা নেই। ভয়ে বাকি পথ অমল রাম নাম জপতে জপতে বাড়ি ফিরলো। কিন্তু রথীন্দ্র আর অমল বাড়িতে ফিরে রাস্তার সমস্ত ঘটনা গোপন রাখলো। 


লেখক পরিচিতি:

রবীন্দ্রনাথ দাস কোলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।কবি শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে উঠেছেন কোলকাতায়। পিতা শান্তি রঞ্জন দাস, মাতা নীহার কণা দাস । কোলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে শিক্ষা লাভ করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক । নানা কর্ম ব্যস্ততার মধ্যেও সাহিত্য চর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। 
একক কাব্যগ্রন্থ "অঞ্জলি " কোলকাতা বইমেলা ২০২৩ প্রকাশিত হবার পর যৌথ কাব্যগ্রন্থ "দুই বাংলার কাব্যমালা" বাংলাদেশ গ্রন্থমেলায় আত্মপ্রকাশ করে। 
তাঁর কিছু প্রবন্ধ, ছোট গল্প এবং অনেক কবিতা সন্মানিত করেছেন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়