অপরাজিতা | পার্থ গোস্বামী

অনুগল্প......

"অপরাজিতা"
পার্থ গোস্বামী
খালগ্ৰাম,বাঁকুড়া,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ 
অপরাজিতা | পার্থ গোস্বামী

পু তুমি আর কত লেট করবে?এবার নির্ঘাত নাম এনাউন্স হয়ে যাবে।হ্যাঁ অপরাজিত মানে অপু আর সুজয় এবার বেস্ট জুড়ির অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে।তবে এই প্রাপ্তি যতটা না আনন্দের তার থেকে কম কষ্টের নয়।অ্যাওয়ার্ডের কথা শুনে দুচোখ দিয়ে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে আসে অপুর।আর এই কষ্টের কারণ জানতে পাঁচ বছর আগে ফিরে যেতে হবে।সুজয় আর অপুর কলেজ লাইফ থেকেই গভীর ভালোবাসা।পরে অবশ্য সুজয় জব নিয়ে ব্যাঙ্গালুরু চলে গেলেও ভালোবাসাতে একটুও ভাঁটা পড়েনি।বেশ চলছিলো ওদের প্রেম আর কয়েকমাস পর অপু আর সুজয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে,কিন্তু হঠাৎ কালবৈশাখীর মতো ঝড় আসে অপুর জীবনে ধরা পড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার সকলেই ধরে নেয় কয়েকদিনের মধ্যেই মৃত্যু হবে,এমনকি ডাক্তাররাও আশা ছেড়ে দেয়।এই খবর সুজয়ের কাছে যায়।শোনা মাত্রাই কাল বিলম্ব না করেই ভালোবাসার কাছে সে ছুটে আসে,সোজা হসপিটালে গিয়ে সুজয় দেখে অপুর নিথর দেহটা পড়ে রয়েছে এ কোন অপুকে সুজয় দেখছে শরীরে হাড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।সুজয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে অপুর চোখ দিয়ে গলগল করে জল গড়িয়ে পড়ছে,সুজয় পাশে গিয়ে বসে চোখের জল মুছিয়ে শক্ত করে হাতটা চেপে ধরে বলে আমি এসে গেছি এই অপু তোমাকে সুস্থ হতেই হবে।শুরু হয় অপু বাঁচার লড়াই মানসিক দিক থেকে ভালোবাসার মানুষ পাশে।লড়াইটা খুব সোজা না হলেও চার বছর পর মীরাক্কেল ঘটে ডাক্তাররাও অবাক ক্যান্সার টা যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছিলো বাঁচানো খুব কঠিন ছিলো। কিন্তু ধীরে ধীরে অপু সম্পূর্ণ সুস্থ হয় তারপর আর অপেক্ষা না করে অপুকে সুজয় বিয়ে করে।আজ বিবাহ বার্ষিকীর প্রথম বছরেই বেস্ট জুড়ির অ্যাওয়ার্ড দিনটাকে আরও ওদের রঙিন করে তুলেছে।।

গল্পটি পুরোটাই কাল্পনিক মিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত।
পার্থ গোস্বামী

লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান 
👇

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়