পোস্টগুলি

কবিতা | কাব্যিক আর্তনাদ | সাহিত্যিকা অপরাজিতা

ছবি
কবিতা...... "কাব্যিক আর্তনাদ " সাহিত্যিকা অপরাজিতা নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  একটি দিগন্ত হারা নীল আকাশের মতো, কবির মনে আবেগ শত শত। সে বুঝেও বুঝি বুঝলো না সব, নীরব আর নির্বিকার কাব্যিক মনের কলরব। তোমায় সেই দেখাতেই শেষ,তবুও মনে মনে ছবি আঁকি; হয়তো আজও অনেক কথা রয়ে গেল বাকি! একটা দিন পেরিয়ে গেলে অন্য দিন ঠিকই আসে, প্রেম নেই হাজার মানুষ তবু এমনই ভালোবাসে। অজানা স্রোতে ভাসিয়ে দিয়ে কোরে অনুভূতি রোধ, প্রেম আর ভালোবাসায় বাঁধলো আজ একী বিরোধ! নষ্ট নীড়ে কষ্ট রেখে তাকে খোঁজার আকুল আর্তনাদ, এই সময় শুধুই নিশীথ নেই কোনো প্রভাত। চুপটি করে হাসছি মেকি,সামলে নিতে পরিস্থিতি। বদলে যাবে এই সময়টাও,এই অবেলার ছিন্ন রীতি। ফুল ফুটে ঝড়ে যাবে,একদিন অবশেষে, তারারাও বিলীন হবে অসময়ে বাতাসেতে। যুগ পেরিয়ে আসবে নব জোয়ার, গড়বে নতুন পথ; আসবে সব নতুন মুখ,আসবে নতুন শ্বপথ। এই কবিও হারিয়ে যাবে পদধূলির মাঝে, সেদিন কবিকে খুঁজবে বুঝি!সবার কাজে অকাজে? এই আমি তে সেই আমিকে নাও মিলিয়ে নাও, তাইতো বলি আমার নামে ঘৃণা ছড়িয়ে দাও। কবির পরিচিতি সাহিত্যিকা অপরাজিতা,লেখিকার প্রকৃত নাম ...

পরিচয় সংখ্যা ১২

ছবি
লেখাপড়ার "পরিচয়" ই-ম্যাগাজিন  পরিচয় সংখ্যা ১২ প্রকাশ ৩ই জুন ২০২৩  নমস্কার,           আমি মিলন......               আ ন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্যিক ও শিল্প সম্প্রদায়ের প্রচার ও প্রসারে একটি মাধ্যম হিসেবে "পরিচয় অনলাইন ম্যাগাজিন" নির্মাণ করেছে। ম্যাগাজিনটির ১২তম সংখ্যা সম্প্রদায়ের সাথে যুক্তিসঙ্গত হয়েছে এবং অনলাইন ম্যাগাজিনে উষ্ণতা ও গরমতা সংখ্যা নিয়ে প্রধান বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় বাংলা ভাষায় এই ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হয়েছে, যা সাহিত্যিক ও শিল্প প্রেমিকদের কাছে একটি আপনাতুনীর উৎস হিসেবে উপযুক্ত। প্রথমত, ম্যাগাজিনের উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্যিক ও শিল্প সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্যগুলি উপস্থাপন করা। ম্যাগাজিনটির মাধ্যমে পাঠকরা ভারতীয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পরিচয় করতে পারবেন এবং বিভিন্ন সাহিত্যিক ও শিল্প কার্যক্রমের উপর সম্প্রদায়ের পরিচয় পাবেন। দ্বিতীয়ত, গরম ও উষ্ণতা সংখ্যাটির মাধ্যমে ম্যাগাজিনটি উষ্ণতা ও গরমতা সম্পর্কিত বিষয়গুলি পরিচয় করার চেষ্ট...

কবিতা | তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক | এইচ.এম.কবি সাজিদ

ছবি
কবিতা...... "তোমার প্রেম শহরে ব্যর্থ প্রেমিক" এইচ.এম.কবি সাজিদ   বাংলাদেশ   প্রিয় ঊর্মিলা!  পড়েছে কত-শত আর সন্ধ্যার বিকালে-  জোৎস্নার রাত্রে নিঝুম গভীর ঘরে, উদাস দুপুরে-উদাসীন ভিবোর হয়ে!  আমার অজস্র ছড়া, কবিতা,গল্প আর উপন্যাস।   মুগ্ধ হয়েছো কতখানি তা আমি জানি না- তবে আমার উপলব্ধি বলে " তুমি অনুভব করেছ আমি এক ব্যর্থ প্রেমিক!  যার হৃদয় জ্বলছে আগুন দাউ দাউ করে   যুগ সময়ে"। আসলে সবাই মনে করতো পরিণয়েই পূর্ণতা পায় ভালোবাসা, কিন্তু ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয়তো অজস্র স্বপ্ন ; আর রূঢ় বাস্তব কখনো দেয়নি রঙীন সব স্বপ্নগুলো সদ্য!  বৃষ্টিস্নাত আকাশে রামধণুর মতো উজ্জ্বল হয়ে পূর্ণ বিকশিত হতে। আর সেই সব অপূর্ণ আশা ভালোবাসাকে করেতো ধুসর-   বিবর্ণ ও ফ্যাকাশে!    কিন্তু আমিতো তোমার ভালোবাসায়-  স্নিক্ত নিঃসীম নীল,   আকাশের নীচে আজও উড়তে পারি ঠিক  যেন শঙ্খ চিল হয়ে-   আবার তোমার কিছু কিছু ব্যর্থতা শুনে-  আমার চোখের জলে!   তৈরী হওয়া স্বচ্ছ সরোবরে - তুমি স্নান করে স্নিগ্ধ হও তখন-   রূপপিয়াস...

গল্প | রুম নং ১০২ | রবীন্দ্রনাথ দাস

ছবি
গল্প...... "রুম নং ১০২" রবীন্দ্রনাথ দাস বিলাসপুর,ছত্তিসগড়,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব         অ ফিসের কাজে অসীম কোলকাতা থেকে কালকা মেলে কালকা স্টেশন তারপর সংযোজক ট্রেনে সিমলা স্টেশনে নামার পর পোটার এসে সেখানকার ভাষাতে বললো, "কোন হোটেল বাবু? " অসীম একটু ক্লান্ত থাকায় উত্তরে বললো, " কোনো ভালো হোটেলে নিয়ে চলো। " পোটার, "ম্যালে ভালো হোটেল হবে, কিন্তু উপরে অথাৎ চড়াই অনেক। " অসীম চিন্তা করলো, দু- তিন দিনের কাজ সিমলায় তারপরে আবার দিল্লী বললো, " কাছাকাছি কোনো হোটেলে চলো। " পোটার ল্যাগেজ নিয়ে স্টেশন থেকে বেড়িয়ে, পাহাড়ের চড়াই রাস্তা ধরলো। অসীমের এই প্রথম আসা সিমলায় তাও আবার অফিসের কাজে, কালকা থেকে ট্রেনে আসার পথে জীবনে প্রথম এতোগুলো টানেল ভেদ করে আসা ভীষণ রোমাঞ্চকর মনে হয়েছিল অসীমের, চড়াই রাস্তায় কষ্ট হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মোহিত হওয়াতে তেমন কষ্টের উপলব্ধি হলেও গুুরুত্ব দিলো না। হোটেল হিমালয়ে পোটার এনে হাজির করায় পোটারের পয়সা মিটিয়ে দিয়ে রিসেপশনিস্টের সাথে কথা বলে রুম বুক করে নিয়েছে। রুম বয় ল্যাগেজ নিয়ে দোতলায় ১...

কবিতা | ফিরে এসো নেতাজী | মৃত্তিকা রায়

ছবি
কবিতা...... "ফিরে এসো নেতাজী" মৃত্তিকা রায় পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  আরও একবার ফিরে এসো  "নেতাজী" ভারতবাসীর অন্তরে। যেখানে বিংশ শতাব্দীর মানুষ,  আত্মকেন্দ্রিকতার খোলসে নিজেকে ঢেকে রাখে,  'সেই ভারতবর্ষে'।  তোমার প্রেরণা,তোমার চিন্তা যেখানে অনুভূতিকে সজাগ করে দেবে। বারবার আন্দোলিত করবে বিবেক আর মনুষ্যত্বকে। আরও একবার ফিরে এসো  "নেতাজী"। সত্যকে প্রকাশ করে, অভিযোগ তুলে,  প্রতিটি অন্যায়ের জবাব নেবে তুমি।  ফিরিয়ে দেবে মানবিক অধিকার।  বিলাসিতার পোশাক ছেড়ে,  মানুষ পাবে মুক্তির স্বাদ।  ফিরে এসো তুমি আরও  'একবার'। যেখানে মানুষ চায়,নিজের ক্ষমতা কায়েম করতে,  তুলে ধরতে চায় নিজের নেতৃত্বকে।  সেখানে ফিরিয়ে দাও  সকল প্রজন্মের অধিকার।  বঞ্চিত যারা,ফিরে পাক তারা,  হয়ে যাক একাকার। কবির পরিচিতি- আমি মৃত্তিকা রায়।  আমি পশ্চিমবঙ্গে নিবাসী পূর্ব বর্ধমান জেলার, কাটোয়া থানার অন্তর্গত দাঁইহাটের বাসিন্দা। আমি দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী।দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠরতা।   বাবা সি...

গল্প | নিয়তি | রুচিরা সাহা

ছবি
গল্প...... "নিয়তি" রুচিরা সাহা মালদা, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  প্রথম পর্ব            প্র ত্যন্তর গ্রাম থেকে শহরে পড়াশোনার জন্য আসে শশীকান্ত আর নিশিকান্ত দুই ভাই। শশীকান্ত পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিল।চতুর্থ শ্রেণীতে বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে আর দাদা নিশিকান্ত অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। দুই ভাইয়ের মধ্যে বয়সের তফাৎ ছিল প্রায় চার বছরের। শশীকান্ত ডবল প্রমোশন পায়। তাঁরা চার ভাই দুই বোন। বড়োভাই রাধাকান্ত আর মেজো ভাই আমলাকান্ত গ্রামের ইস্কুলেই পড়াশোনা করে। উনাদের বাবা ছিলেন  কবিরাজ মশাই। গ্রামে তাঁর বেশ ভালো পরিচিতি ছিল।ছোট ছেলে পড়াশোনায় ভালো ছিল বলে তাঁর শখ ছিল শহরের কোনো নামী ইস্কুলে পড়াবেন। কিন্তু তিনি অকালেই মারা যান । স্ত্রী নিরুপমা দেবী থেমে থাকেন নি। ছোট ছেলে শশীকান্তর সাথে নিশিকান্তকেও পাঠিয়ে দিলেন শহরে।ব্রিটিশ তখন দেশ শাসন করছে। স্বামীর অকাল মৃত্যুর পরে তিনি একাই সব কিছু দেখাশোনা করতেন। বড়ো ছেলে রাধাকান্ত পড়াশোনা শেষ করেছে।শশী কান্ত আর নিশিকান্তকে নতুন ইস্কুলে ভর্তি করানো হলো।  হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করা হলো। সুন্দর ব...

কবিতা | ভালোবাসার দিন | বাপী নাগ

ছবি
কবিতা...... "ভালোবাসার দিন" বাপী নাগ চাকদহ, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ  শুধু আজ নয় ভালবাসি তোমায় ভুলবো কেমন করে। মুখটা তোমার ভেসে ওঠে আমার মনের মাঝে অন্তরে। ভালােবাসা মানে এক মুঠো রােদ বসন্তের ঐ হাওয়া। ভালােবাসা মানে মনের সাগরের স্বপ্নের তরী বাওয়া। ভালোবাসা মানে ভোরের শিশির  ভেজা আলতো ছোঁয়া। ভালোবাসা মানে আমার অন্তরে তোমায় দেখতে পাওয়া। ভালোবাসা মানে বৃষ্টি হয়ে ছুঁতাম তোমার ওই অন্তরকে। ভালোবাসার মানে বৃষ্টি হয়ে ধুয়ে দিতাম যে বিষাদকে। মেঘলা বরণে অঙ্গ জুড়িয়ে তুমি ভালোবাসা যে দিতে। কষ্ট যে আমি পেতাম না তোমার থেকে আমি নিতে। সুখের বাসা সুখের ছোঁয়া পেলাম তোমার ঐ যে মনে। থাকবে তুমিই আমার আপন হয়ে আমার এই জীবনে। আমার এই জীবনে থাকবে তুমি আমার-ই সাথী হয়ে। ভালোবাসা দিয়ে যে ভরিয়ে দেব আমি গোলাপ দিয়ে। কবি পরিচিতি:-       ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি আমার অনুরাগ ছিল লেখাপড়ার জীবন থেকে বেরিয়ে তারপর নানান কাজকর্মে যুক্ত হয়ে পড়লাম, পরবর্তী সময়ে কাজ করতে করতে বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি অনেক কিছু দেখেছি। সেগুলো স্মৃতিতে রয়ে গ...