কলাবতী কথা | অধীর কুমার রায়
অ্যাওয়ার্ডস - ০৪
কবিতা......
কবিতা......
"কলাবতী কথা"
অধীর কুমার রায়
বহরমপুর,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ
ওই যে দূরে আকাশ নদী মিশে,
মন মাঝি তার নৌকা ভেড়ায়
কলাবতীর ঘাটে।
কলাবতী জলকে চলে
পঞ্চ সখীর সাথে।
কাঁখেতে তাদের সোনার কলসি
নক্সী আঁকা বটে।
নদীর জল ঢেউ খেলে যায়
সখীর চলার লাজে।
ঝুমুর ঝুমুর নূপুর গীতি
আমার বুকে বাজে।
শাড়ির আঁচল হাওয়ায় দোলে
সোনার রোদ হাসে।
থাকতো যদি কলাবতী
আমার পাশে বসে।
মন কোকিল আর ডাকিস না
মোহন বাঁশির সুরে।
কলাবতী লজ্জা পেলে
যাবই প্রাণে মরে।
আর কতকাল থাকবো আমি
হৃদয় পথ চেয়ে।
কলাবতী আসবে প্রাণে
প্রেমের গীতি গেয়ে।
কবির পরিচিতি:
অধীর কুমার রায় মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা স্বর্গীয় অশ্বিনী কুমার রায়, মাতা স্বর্গীয়া পদ্মাবতী রায়।তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. বি. এড সম্পন্ন করেন। পেশা হিসেবে তিনি শিক্ষকতাকে বেছে নেন। তিনি বর্তমানে “বহড়া আদর্শ বিদ্যাপীঠ”এ(উঃ মাঃ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক। তাঁর নেশা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি। ইতিমধ্যে তিনি সফলতার সঙ্গেই বাংলাদেশ, ভারতসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বাংলা পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন। কবিতা, ছড়া, অনুগল্প এবং ছোটগল্পে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ত্রিপুরা থেকে “দৈনালী সাহিত্য পত্রিকা”য় তাঁর “গোধূলি” কবিতা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সাহিত্য জগতে সাড়া পড়ে যায়। এরপর তাকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি, প্রকাশিত হয়েছে ই এবং মুদ্রিত মিলিয়ে কয়েকশো কবিতা। অল্প সময়ে তিনি পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর সাড়া জাগানো কবিতাগুলি “হৃদয়ে রাধা”, “রানু দি”, “যুদ্ধ”, “স্মৃতি”, “আগমন”, “পলাশপুরের সবিতা”ইত্যাদি। একক কাব্যগ্রন্থ “নীল খামের চিঠি”। আরো কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের পথে।।

Khub sundhar
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর
উত্তরমুছুন