কবিতা | ফিরে এসো নেতাজী | মৃত্তিকা রায়
কবিতা......
"ফিরে এসো নেতাজী"
মৃত্তিকা রায়
পূর্ব বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ
আরও একবার ফিরে এসো
"নেতাজী"
ভারতবাসীর অন্তরে।
যেখানে বিংশ শতাব্দীর মানুষ,
আত্মকেন্দ্রিকতার খোলসে নিজেকে ঢেকে রাখে,
'সেই ভারতবর্ষে'।
তোমার প্রেরণা,তোমার চিন্তা
যেখানে অনুভূতিকে সজাগ করে দেবে।
বারবার আন্দোলিত করবে বিবেক আর মনুষ্যত্বকে।
আরও একবার ফিরে এসো
"নেতাজী"।
সত্যকে প্রকাশ করে, অভিযোগ তুলে,
প্রতিটি অন্যায়ের জবাব নেবে তুমি।
ফিরিয়ে দেবে মানবিক অধিকার।
বিলাসিতার পোশাক ছেড়ে,
মানুষ পাবে মুক্তির স্বাদ।
ফিরে এসো তুমি আরও
'একবার'।
যেখানে মানুষ চায়,নিজের ক্ষমতা কায়েম করতে,
তুলে ধরতে চায় নিজের নেতৃত্বকে।
সেখানে ফিরিয়ে দাও
সকল প্রজন্মের অধিকার।
বঞ্চিত যারা,ফিরে পাক তারা,
হয়ে যাক একাকার।
কবির পরিচিতি-
আমি মৃত্তিকা রায়।
আমি পশ্চিমবঙ্গে নিবাসী পূর্ব বর্ধমান জেলার, কাটোয়া থানার অন্তর্গত দাঁইহাটের বাসিন্দা।
আমি দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী।দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠরতা।
বাবা সিদ্ধার্থ শংকর রায় এবং মা ঝুমা রায়।
অত্যন্ত নামকরা ❝দাশু রায়ের পাঁচালী❞ -কথা প্রায় কারোর ই অজানা নয়।
সেই প্রখ্যাত দাশরথি রায়ের বংশের একজন আমি।
আমার, সামান্য লেখালিখির ক্ষমতা তাঁর আশীর্বাদেই পাওয়া।
ছোটো থেকেই(৮-৯ বছর বয়স থেকে) আনমনে বেশ অনেক কিছু লিখতাম,তখন কারো তেমন চোখে পড়েনি।
২০২০ সালে করোনার সময় থেকে, কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে লেখালিখি শুরু করলে,তা সকলের বেশ পছন্দ হয়।
যা আমার লেখালিখির ইচ্ছাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
আমি আমার প্রিয় ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে লেখালিখি করি।প্রকৃতি পরিবেশ ফুল পাতা নিয়ে লিখতেও বেশ ভালোবাসি।
প্রায় ৩-৪ বছরে প্রায় অনেক অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেছি।
আমি একদিকে একজন নৃত্যশিল্পী,অন্যদিকে কবিতা লিখতে খুব ভালোবাসি।
সত্যি বলতে লিখবো বলে কখনো লিখতে বসি না,মনে যখন ছন্দ আসে,তখন ই পেন খাতা নিয়ে বসে পড়ি,কখনো কখনো যখন হাতের কাছে পেন খাতা থাকে না,তখন ফোনে মেসেজ এর মত কবিতা লিখে ফেলি।
ফেসবুকে,পাওয়া কয়েকটি অনলাইন প্রতিযোগিতায়, স্বরচিত কবিতায় অংশগ্রহণ করে, আন্তর্জাতিক স্তরে পুরস্কার পেয়েছি।
বয়স এখন সবে সতেরো,
আশা করছি,কবিতা লেখা আমার যেন মনে-প্রাণে মিশে থাকে সারা জীবন, এটাই আমার ভালোবাসা,ভালোথাকা-র একমাত্র ভরসা।

মৃত্তিকা রায়ের ফিরে আসো নেতাজী - পড়ে মুগ্ধ হলাম।
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর একটি কবিতা পড়লাম।
উত্তরমুছুন