নির্বাপিত প্রদীপ | রুচিরা সাহা

গল্প......

"নির্বাপিত প্রদীপ"
নির্বাপিত প্রদীপ
ইংলিশ বাজার, মালদহ,পশ্চিমবঙ্গ,ভারতবর্ষ 
নির্বাপিত প্রদীপ | রুচিরা সাহা

পাঁচ ভাই বোনের সংসার। হঠাৎই একদিন বাবা মারা যান। প্রায় দু মাস পরে তাঁদের মাও। ভাই বোনদের মধ্যে মীরা সবার বড়ো।কাজেই সংসারের সব দায়দায়িত্ব ওরই উপরে। মীরার বড়ো দাদা দিলীপ ছোটবেলা পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পায়। তারপর থেকেই ওর স্মৃতি শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। পড়াশোনাও বেশী দূর করতে পারেনি। একচলা টিনের ঘর, উঠোনে রয়েছে নানান গাছপালা। মীরার মা খুব গাছপালা ভালোবাসতো। সংসার আর পড়াশোনা চালানোর জন্য মীরা শুরু করলো টিউশন পড়ানো। মেজো বোন রীনা পড়াশোনা করে।রীনার পরে প্রদীপ। পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী। প্রতিবছর সে ক্লাসে ফার্স্ট হয়। আর সবার ছোট সীমা। সকলের স্নেহের । সে কখনোই বাবা মায়ে অভাব বোধ করে নি।প্রদীপও টিউশন পড়ায় সঙ্গে নিজের পড়ার খরচ চালায়। মীরা বি. এ. পাশ করার পর একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজ নেয়।সেই ভোরবেলা উঠে সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম করে বড়োদাদা দিলীপকে খায়িয়ে স্কুলে যেতো। কোনো কোনোদিন হয় তো মীরার নিজেরই খাওয়া হতো না. সাধারণ শাড়ি, খুব দামী শাড়ি নয়, কাঁধে একটা ব্যাগ, মাথার চুল গুলো গুটিয়ে একটা খোঁপা করে চলে যেত স্কুলে।সাজ গোজের বালাই ছিলো না মীরার। এইভাবেই মীরার জীবন চলতে লাগলো। রীনা বি. এ. পাশ করেছে। রীনার বিয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্রের সন্ধান করতে থাকে। কোনো পাত্রই রীনার পছন্দ হয় না। প্রদীপ বি.এ.পরীক্ষা ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট পায়। মীরা ওকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেয়। ইংরেজি সাহিত্যে খুব পারদর্শী ছিলো প্রদীপ।কলকাতায় সেরকম যেতে পারে না মীরা। কাজেই মানিঅর্ডার করে টাকা পাঠিয়ে দিতো হোস্টেলে। প্রদীপ দিনে দিনে সৌম্যকান্তি সুপুরুষ হয়ে উঠতে লাগলো। রীনার জন্য চিন্তা বারে।পরে একদিন মীরা জানতে পারে তাঁরই সহকর্মী অনিমেষকে রীনা ভালোবাসে।রীনার বিয়ে হয়ে যায় অনিমেষের সাথে। অনিমেষের অবস্থা খুব একটা স্বচ্ছল না। এক অন্ধ মা আছেন, আর এক বিধবাদিদি। রীনা বেশ মানিয়ে নিয়েছে সংসারের সবার সাথে।প্রদীপ এম. এ. পাশ করে এসে গ্রামের একটি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে। দুবছর পরে সীমা বি. এ. পাশ করার পর মীরা সীমার পাত্রস্থ করার চেষ্টা করে। কিন্তু সীমা জেদ করে বসে সে এম. এস. সি. পড়বে। কাজেই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় বোটানি অর্থাৎ উদ্ভিদবিদ্যা নিয়ে। প্রদীপ খুব সৌখিন ছিলো। শিক্ষকতা পাওয়ার পরে সে বাড়িটিকে সুন্দর করে ঢেলে সাজায়। সাদা মার্বেলের মেঝে, কাঁচের জানালা, ঘরের দরজার পাল্লায় সুন্দর করে ময়ূরের নকশা সিঁড়িতে স্টিলের রেলিং। তিনতলার ছাদে নানান ফুলের গাছ। একতলায় সুন্দর করে দিদির জন্য একটা ঠাকুর ঘর রয়েছে। সবকিছু বদলালেও দিলীপকে বদলানো যায়নি। মীরা আর প্রদীপ অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে। কিন্তু কোনো লাভ হয় নি। নিজের মনে নিজেই কী যেন বিড়বিড় করে কথা বলে, কখনোবা জোরে জোরে হাসে। মীরার খাইয়ে দিলে তবেই খায় অন্য কারো হাতে খায় না। সীমা এম. এস. সি. পাশ করে এসেছে এবার ওর জন্য প্রদীপ খুব ভালো পাত্র জোগাড় করলো। কিন্তু বাধা হয়ে দাড়ায়ে দিলীপ। দিলীপ পাগল বলে সেই পরিবার সীমার সাথে বিয়েতে রাজী হলো না। এর পরে প্রদীপের এক সহকর্মী এক ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সন্ধান দেয় ছেলেটি ব্যাঙ্গালোরে চাকুরী করে। সবার ছোট সীমা, খুব ঘটা করে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।মীরা এবার অনিমেষ, রীনা সীমা সবাইকে বলে প্রদীপের বিয়ে দেওয়ার কথা।প্রদীপও সারাদিন খুব ব্যস্ত থাকে। অনেক দূরে স্কুল। রোজ ঠেসাঠেসি করে বাসে যেতে হয়।একদিন মীরা প্রদীপকে বলে এবার একটা ভালো মেয়ে দেখে তোর বিয়ে দেবো আমার দায়িত্বটা কিছুটা হলেও কমবে। প্রদীপ খুব ক্লান্ত ও পরীক্ষার খাতা দেখছিলো। সে বলে বিয়েটা আমার করা সম্ভব না রে দিদিভাই।এই বেশ আছি।মীরা জিজ্ঞাসা করে কেন রে? তোর কী কাউকে.... বলে থেমে যায়। প্রদীপ তার দিদিভাইকে থেমে যেতে দেখে খাতা বন্ধ করে। ছেলেমানুষের মতো মীরাকে জিজ্ঞাসা করে "আচ্ছা দিদিভাই তুমি কেন বিয়ে করলে না বলো তো?মেজদি সীমা ওদের বিয়ে দিলে। নিজেতো সারাজীবন কষ্ট করলে। দাদার কথা তো আমাকে ভাবতে হবে।তোর কোনোদিনও ইচ্ছে হয়নি তোরও একটা সংসার হোক।মীরা প্রদীপের কথার কোনো উত্তর দিতে পারলো না। তারপর হেসে বলে আমি চলে গেলে তোরা কী করতিস। মীরা আবারও বলে তুই কী কাউকে....? প্রদীপ বলে আমার এতো সাহস নেই দিদিভাই তোমাকে না জানিয়ে কোনো কাজ করবো। মীরাকে আবার ভয়ও পায় প্রদীপ। মীরা বলে আমি তোর বিয়ে দেবো এটাই শেষ কথা। বেচারা প্রদীপ চুপ করে যায় এবার। মীরা নিজের ঘরে চলে যায়।বেশ কয়েকদিন পরে কোনো একমহিলা একটি মেয়ের সন্ধান দেয়।মীরা সেই মহিলার সাথে যায় দেখে আসে মেয়েটিকে। প্রদীপেরও বেশ পছন্দ হয়। কিন্তু মেয়েটির বাড়ির লোকজন যখন আসে মীরাদের বাড়িতে পাকা কথা বলার জন্য বড়ো দাদা দিলীপকে দেখে তাঁরা আশ্চর্য হয়ে যান। অতক্ষণাৎ তাঁরা উঠে পড়েন। মীরা কিছু একটা বলতে গেলে তাঁরা থামিয়ে দেন। প্রদীপের আগে থেকেই ভয় ছিলো যে তাঁর বড়োদাদাকে দেখলে কোনোপরিবারই মেয়েকে এই সংসারে দিতে চাইবে না। মীরার ভীষণ মন খারাপ। এরপর আরও বেশ কয়েকটি সম্বন্ধ দেখা হয় প্রদীপের জন্য কিন্তু সব কয়টিই অসফল হয়।প্রদীপ ঠিক করে নেয় যে সে আর কোনোদিনও বিয়ে করবে না।প্রদীপ প্রতিদিন স্কুলে সকালে বাসে করে যায় আর সন্ধ্যায় ফেরে।কষ্ট হলেও চাকুরীতো করতেই হবে। একদিন স্কুল থেকে ফিরে এসে প্রদীপ দেখে মীরার খুব জ্বর।ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি আসে।বাড়ি ফাঁকা ছিলো, সেই সুযোগে দিলীপ বেরিয়ে যায় একা একা। পাড়ার ছেলেমেয়েরা খুব ভয় পেতো দিলীপকে দেখে। দিলীপ বাড়িতে নেই দেখে প্রদীপ বেরোয় তাঁকে খুঁজতে। অনেক খোঁজার পর মহানন্দা নদীর ধার থেকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসে। মীরা দেখে প্রদীপ নিয়ে আসে দাদাকে। দিলীপ একটু দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকলো। তারপর উঠোনে একটা চেয়ারে গিয়ে বসে নিজে নিজেই বিড়বিড় করে কথা বলে চলেছে। প্রদীপ খেতে দিলো খেলো না। সারারাত বসে রইলো। অসুস্থ শরীরে মীরা কখন যেন ঘুমিয়ে পরে। প্রদীপ সারারাত চুপ করে দিদির পাশে থাকে।  মীরার স্কুলের সহকর্মীরা আসছে মীরাকে দেখতে।রীনা কয়েকদিন থাকলো।মীরা কয়েকদিন পরে একটু সুস্থ হয়ে ওঠে। সকালে চা খেতে খেতে মীরা বলে দ্যাখ এবার তোর বিয়ে দিলে আমার কর্তব্য শেষ। প্রদীপ চুপ করে থাকে।কোনো উত্তর দিলো না।কিছক্ষন পরে বলে তোমায় পাঁচ দিনের ওষুধ দিয়েছিলো আজকে বিকেলে আবার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। তারপর একটু কিছু খেয়ে রওনা দেয় স্কুলের উদ্দেশ্যে। কিছুদিন পরে এক ঘটকমশাই এসে হাজির হয় মীরার কাছে পাত্রীর সন্ধান নিয়ে। ফটো দেখে মীরার পছন্দ হয়। একটা দিন ঠিক করে মীরা এর রীনা যায় পাত্রীর বাড়িতে। কথাবার্তা হয়। কিন্তু প্রদীপ না করে দেয়। অনেক সন্ধান করে মীরা উপযুক্ত পাত্রীর সন্ধান পায় সুতপাকে। সুতপার বাবা একটি ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। অবসর প্রাপ্ত হয়েছেন মাস খানেক হলো। দেখতে সুপুরুষ, নম্র স্বভাবের ইংরেজিতে প্রখর দক্ষ সুতপার বাবার খুব পছন্দ হয় প্রদীপকে। সুতপাও দেখতে খুব সুন্দরী। অগত্যায় প্রদীপ রাজী হয় বিয়ে করতে।জ্যোষ্ঠমাসে বিয়ের দিন ঠিক হয়। প্রচন্ড গরম। ঘামে প্যাচপ্যাচ করছে শরীর।যাই হোক মীরা খুব ঘটা করে প্রদীপের বিয়ে দেয়। একমাত্র কন্যা বলে সুতপার বাড়ি থেকেও যথেষ্টই জাঁকজমক করে বিয়ের অনুষ্ঠান করে। মীরা নিশ্চিত এবার সে তাঁর বাবামায়ের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করেছে। কাজেই নিজেও খুব খুশি আজ। মীরা এখন চল্লিশ ঊর্ধ পৌড়া।তাঁর মুখে চোখে বয়সের চাপ পড়েছে। মাথার চুলে পাক ধরেছে বেশ। চোখে ভারী কালো ফ্রেমের চশমা। সাজগোজের বালাই ছিলো না কোনোদিনই। সুতপা খুব ভালো মেয়ে। পরিবারের সবার সাথেই মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে। বেশ নতুন নতুন রান্না করে আজকাল। আরতিমাসি এখন শুধু সুতপার হাতে হাতে জিনিসপত্র এগিয়ে দেয়। খুব সকাল সকাল রান্না সারে সুতপা। কারণ প্রদীপ এর মীরা দুজনেই তাড়াতাড়ি বেরোয় রোজ। প্রদীপ একটু আগে বেরোয় ওকে তো সঠিক সময়ে বাস ধরতে হতো। মীরার স্কুল ছিলো কাছাকাছি সে একটু পরে বেরোতো। প্রতিদিনের মতো সেদিন ও বাসটি ছুটছিলো নিত্যযাত্রীদের নিয়ে।প্রচন্ড বৃষ্টি পড়ছিল। রাস্তাঘাট ছিলো কর্দমাক্ত। নিত্যযাত্রীদের মধ্যে কেউ করেন শিক্ষকতা, কেউ ব্যাঙ্কে, আবার কেউবা কলেজের ছাত্রছাত্রী। বেশ কিছুটা দূর যাবার পরে বাসটি একটি পুকুরে পড়ে যায়। বাসের দরজা বন্ধ ছিলো। অনেক চেষ্টা করেও কেউ বেরোবার সুযোগ পান নি।গ্রামের প্রচুর লোক এসে জমায়েত হয়।পুলিশের সহযোগিতায় গ্রামের লোকেরা অনেক চেষ্টা করে বাসের দরজাটি ভাঙতে সক্ষম হন. একে একে সবাইকে বের করে আনা হয়। ততক্ষনে সব শেষ। সুতপার প্রদীপ নিভে গেছে। দুর্ঘটনার খবরটা আসতেই সারা পাড়া শোকস্তব্ধ হয়ে পরে।দুর্ঘটনার খবরটি শুনে সুতপার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছিলো। মীরা তখন স্কুলে। বাড়িতে কাজকর্ম করে সারাদিন হারানকাকা গিয়ে মীরার স্কুলে খবর দেয়। মীরা বিশ্বাস করতেই পারছে না যে প্রদীপ দুর্ঘটনায় মারা গেছে। সে দৌঁড়ায় হাসপাতালে। খুঁজতে থাকে প্রদীপকে। আর সুতপার হৃৎপিণ্ডটাই শুধু সচল ছিলো শরীর ছিলো অসার। ফর্সা গোলমুখমন্ডল, চুলগুলো এলোমেলোভাবে উড়ছে। সিঁথীর সিঁদুর জ্বলজ্বল করছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছে। মীরার ভাই হারানোর বুকফাটা আর্তনাদ। আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী এসে সান্ত্বনা দিচ্ছে। মীরার এবার খেয়াল করে সুতপার দিকে। সুতপাকে নিজের বুকের কাছে টেনে নেয়, মাতৃস্নেহে। মীরাকে জড়িয়ে ধরে আর্তনাদ করতে থাকে সুতপা।নানান লোকের নানান কথা শুরু হয় সুতপাকে নিয়ে। মাত্র চব্বিশ বছরের একটি মেয়েই হঠাৎ স্বামী হারানোর যন্ত্রনাটা বোধহয় অনুভবকরেছিলোসেদিন।প্রদীপের সহকর্মীরা এসে দেখা করে যায়। দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা হয় সুতপা ঠাঁই বসে রয়। বারবার মূর্ছা যাচ্ছে। সন্ধ্যার সময় সুতপার বাবামা হাসপাতাল থেকে মেয়ের কাছে এসে বসে। এইভাবে সন্ধ্যা থেকে রাত, রাত গড়িয়ে সকাল। ওই একটা জায়গায় সুতপা। কখনো কখনো বুকফাটা কান্না।বিধ্বস্ত, ক্লান্ত দেখাচ্ছে। চোখের নিচে কালি পরে গেছে। কিন্তু সিঁথীর সিঁদুর জ্বলজ্বল করছে। বিকেল তিনটের সময় প্রদীপের নিথর দেহ এসে পৌঁছায় বাড়িতে। প্রদীপের চেহারাটা চেনা যাচ্ছিলো না এতটাই ফুলের গেছিলো। চব্বিশ বছরের সুতপা বুক ভাঙা কান্না নিয়ে আজও বেঁচে রয়েছে, প্রদীপের সাথে কাটানো একষট্টি দিনের স্বপ্ন নিয়ে।প্রদীপের চাকুরী বা বাড়ি নিয়ে না। আজও পথ চেয়ে রয়েছে প্রদীপের জন্য। মীরার সংগ্রামের অবলম্বন ছিলো প্রদীপ। সেই প্রদীপ আজ সকলের ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
রুচিরা সাহা
লেখিকার পরিচয়:
মালদহ জেলার ইংলিশ বাজার শহরে লেখিকার জন্ম।পিতা স্বর্গীয় রাম গোপাল সরকার,পেশায় একজন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।মতামহ স্বর্গীয় নিত্য রঞ্জন সরকার ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী,তিনি দুইবার ব্রিটিশ সরকারের অধীনে কারাবরণ করেন। কবি খুব অল্প বয়সেই পিতৃ হারা হন।কিন্তু সমস্ত প্রতিকূল পরিস্থিতি অতিক্রম করে ইতিহাস বিভাগে স্নাতকোত্তর হন।বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতাও করেন ।স্কুল ও কলেজ পত্রিকায় লেখালেখি করতেন।তাঁর প্রথম কাব্য সংকলন -"অন্তরালে"।দরিদ্র শিশুদের বিনা পারিশ্রমিকে পড়ানো এবং স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেছেন বিভিন্ন সময়ে।
লেখা পাঠানোর জন্য আহ্বান 
👇

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৬ মে ২০২২

এক মুঠো পয়সা | প্রত্যুষ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়